Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

মন ও মন্ত্র 

মনকে যা ত্রাণ করে তার নাম মন্ত্র। মনকে ত্রাণ করতে হলে এমন একটা-কিছুর আশ্রয় নিতে হয় যা মন থেকে পৃথক, যা মনের অতীত, যা মন নয়। সাধক ও তাঁর মনের মধ্যে মন্ত্র হ’ল, প্রথম আবির্ভাবে, এক তৃতীয় শক্তি-স্বরূপ। পরিশেষে অবশ্য, মন্ত্রই একমাত্র শক্তি হিসেবে বিরাজ করেন; সাধক ও তাঁর মনের শক্তি— এ দুটি ক্রমশ মন্ত্র-শক্তিতেই বিলীন হয়।
মন হ’ল জড়, মন্ত্র চেতন। বলা হয়ে থাকে, মন্ত্রে অক্ষরবুদ্ধি করতে নেই। আপাতভাবে মন্ত্র একটি অক্ষর, শব্দ বা শব্দসমষ্টি। কিন্তু সেটি হ’ল তাঁর নেহাৎই মৃন্ময়মূর্ত্তি। তাঁর মধ্য দিয়ে যে দ্যোতনা ও ব্যঞ্জনার উদ্ভব ঘটে, তাঁর যে উদ্ধারণের সার্মথ্য, তাই হ’ল মন্ত্রের আসল মূর্ত্তি— যা পুরোপুরি চিন্ময়, চেতনাশ্রয়, চৈতন্যময়। সেই শক্তিই আমাদের উপর অতি ধীরে ধীরে জপের মধ্য দিয়ে মনপ্রাণকে উত্তরণে সাহায্য করে। অতি সুদীর্ঘ অপসংস্কারের প্রকোপে আমাদের মন-প্রাণ মলিন ও ক্লিন্ন। শিশিরের বিন্দু বিন্দু ফোঁটার মতন জপ ব্যক্তির দেহ, মন, প্রাণের উপর ক্রিয়া করে।
মনের গতিপ্রকৃতি অতি বিচিত্র। চিদাকাশের বুকে মন যেন থরে থরে সাজানো মেঘের সারি। এই সে উৎফুল্ল এই যে বিমর্ষ, এই সে তুষ্ট, এই সে রুষ্ট, এই উজ্জীবিত এই ক্লান্ত, এই অনুকূল পরমুহূর্ত্তে প্রতিকূল। নিরন্তর নানাবিধ টানাপোড়েন সংঘর্ষ ও দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যেই এর বিচরণ—অতি ক্ষিপ্র গতিতে। মুহূর্ত্তে মুহূর্ত্তে সে রং পাল্টায়, ভোল বদলায়—অস্থিরচিত্ত চপলমতি বালকের মতন। শিশু না-হয় বড় হয়ে ঠিক হয়, কিন্তু মন শতবর্ষেও বৃদ্ধ হয় না। আমাদের ভিতরে থেকে সে নেহাৎই ছেলেমানুষি ক’রে চলে, তা আমরা যত দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত অথবা যত বয়োবৃদ্ধ হই না কেন। এই মনকে ত্রাণ না করলে এ আমাদের ভুগিয়ে ও জ্বালিয়ে মারবেই মারবে।
মন যতক্ষণ সুনিয়ন্ত্রিত না হচ্ছে ততক্ষণ কর্ম্মশক্তি, সাধনশক্তি, ইচ্ছাশক্তির স্ফুরণ ঘটে না। মনের আধারেই এদের বাস। তাই মনকে সুনিয়ন্ত্রিত করা এত জরুরী। মূল প্রশ্ন হল, আমার অধীন, না আমি মনের অধীন? দেহ এবং পরিবেশ আবার মূলত সেই মনের অধীন। সুতরাং সেই মনকে যদি আমার অধীন না রাখতে পারি, তবে দেহ পরিবেশ ইত্যাদি কিছুই আমার অধীনে থাকে না; ঝড়ের মুখে শালপাতার মতন আমাকে ব্রহ্মাণ্ডময় আছাড় খেয়ে মরতে হয়। জপ সুরু করা মানে, এই সমুদ্র-ঝঞ্ঝার মধ্যে নোঙ্গর করার প্রয়াস, মহাসমুদ্রে খাবি খাওয়া থেকে পরিত্রাণের প্রথম পদক্ষেপ। জপ সুরু করার প্রথম পর্য্যায়ে মন বানরের মতন ঠেলে ঠেলে আমাদের আসন থেকে উঠিয়ে দিতে চেষ্টা করে। সে সময় ঘাপ্‌টি মেরে বসে থাকতে হয়। কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর বেটা সাময়িকভাবে রণে ভঙ্গ দেয়। জপসাধনের প্রথম অবস্থায় এরকম কতকিছু ঘটে।
পাগলের একটি বড় লক্ষণ হল, যে ওষুধে আরোগ্য হয়, পাগল সেটি সযত্নে পরিহার করতে সবিশেষ উদ্যোগী। অন্য সব ব্যাপারে সে পাগল, কিন্তু এই ব্যাপারে তার টনটনে জ্ঞান। আত্মীয়স্বজনদের তাই তাকে ওষুধ খাওয়াতে কত ঝামেলা, কত কৌশল, কত যন্ত্রণা! আমরা যে জপ সুরু করি না, জপে বসি না বা জপে লেগে থাকি না—তা মূলত এই কারণেই। মন্ত্রজপে মনের তাই প্রাথমিক পর্য্যায়ে বিষম বিতৃষ্ণা ও বিরোধীতা।
নিজের মনের সঙ্গে নিজের লড়াই বস্তুত সবচেয়ে কঠিন, কষ্টসাধ্য এবং সুদীর্ঘ সংগ্রাম। জপসাধনাকে তাই সুদীর্ঘ এবং আয়াসসাধ্য হতেই হয়। সহস্র সহস্র বৎসরের অপসংস্কৃত মন দু’এক বছরের ক্ষীণ প্রয়াসে সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যাবে—প্রায়ই তা হয় না, যদি-না মহতের বিশেষ কৃপা বা শক্তিপাত ঘটে। আর সে দুর্লভ সুযোগ ঘটলেও মুস্কিল এই—আমার মন যে তার মূল্য দিতে পারে না, জানে না। সে নিজে যতক্ষণ-না প্রয়াস পাচ্ছে, ততক্ষণ সে মুক্ত হতে পারে না। বস্তুত তাকে নিজেকেই নিজে উদ্ধার করতে হয়— ‘উদ্ধরেদাত্মনাত্মানম্‌’। মন্ত্র-জপ মানে মনের নিজ উদ্ধার-প্রয়াসে মনকে সাহায্য করা। অপসংস্কারের অতি পুরু আস্তরণ আমাদের মনের চারপাশে জমে উঠেছে। সেটিকে দূর করতে হলে জপরুপী সদভ্যাস নিয়মিতভাবে সুদীর্ঘকাল চালানো প্রয়োজন।

অযাচকের ‘জপ’ থেকে  
14th  May, 2019
 দৃষ্টিভঙ্গি

 আকাশ ও পৃথিবীর নিজস্ব রূপ ছাড়াও অন্য রূপ আছে। সেই রূপ মানুষের মনে। দৃষ্টিভঙ্গির তারতম্যে যে-রূপ শিল্পীর কাছে ধরা পড়ে, কবির চোখে তা নগণ্য নয়; বরং তা অপরূপ করে তোলে ঐ আকাশ আর পৃথিবীকে, প্রতিভাবান মানুষ সম্পর্কেও একই কথা।
বিশদ

জ্ঞানৈষণা

সকল জ্ঞানৈষণা যখন আমরা পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব জ্ঞান। বিচার হয়েছিল সহায়, বিচারই এখন অন্তরায়। সকল কর্ম্মৈষণা যখন পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব শক্তি। চেষ্টা হয়েছিল সহায়, চেষ্টাই এখন অন্তরায়। সকল ভোগৈষণা যখন আমরা পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব আনন্দ।
বিশদ

14th  September, 2019
কর্ম

 কর্ম সম্বন্ধে সাধারণ লোকের স্পষ্ট ধারণা না থাকিলেও ইহা অধিকাংশ লোকেই বিশ্বাস করে যে এই সংসার প্রপঞ্চের এবং ব্যাপক দুঃখ জঞ্জালের মূল একমাত্র কর্ম। এই বিশ্বাস যে অমূলক তাহা নহে। তবে ইহা স্পষ্টরূপে বোধগম্য হওয়া উচিত। বিশদ

13th  September, 2019
অনুশোচনা

আত্মোন্নতি লাভের ইচ্ছা থাকলে ভগবৎভীতি হৃদয়ে পোষণ ক’রো, বিমূঢ় হ’য়ো না স্বাধীনতার মোহে; নিজের ইন্দ্রিয়বৃত্তিসমূহ-কে শাসন ক’রো, সব দিক থেকে নিজেকে সংযত ক’রে নিজেকে ভাসিয়ে দিও না অনর্থক উল্লাসে। মর্মে মর্মে অনুতাপ কর; অনুতাপই ভক্তির উৎস।
বিশদ

12th  September, 2019
  কর্মের রহস্য

 মানুষ শরীর বাক্য ও মন দ্বারা যাহা কিছু করে তাহাই কর্ম। জীবমাত্রই সকল অবস্থায় সর্বদা কোন-না-কোন কর্ম করে। ‘‘কর্মহীন হইলে শরীরযাত্রাও নির্বাহিত হয় না।’’ শারীরিক ও মানসিক ক্রিয়াই জীবনের লক্ষণ। ‘‘কর্ম না করিয়া কেহ ক্ষণকালও থাকিতে পারে না।’’
বিশদ

11th  September, 2019
প্রকৃতিরাজ্যের বিভিন্ন নিয়ম-শৃঙ্খলা

প্রকৃতিরাজ্যের বিভিন্ন বিভাগে শক্তির যে সব বিচিত্র পরিণাম, বিচিত্র ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিচিত্র গতিবিধি ও কার্য্যোৎপাদন আমরা সাধারণতঃ দেখতে পাই, তার মধ্যে প্রায়শঃ আমরা নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিচয় পাই। সব ক্ষেত্রেই শক্তির যেন সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি আছে। বিজ্ঞান এরূপ অনেক নিয়ম আবিষ্কার করেছে ও করছে।
বিশদ

10th  September, 2019
ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ

জনসাধারণের ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ কামনায় পূর্ব্বাপর মঠ মন্দির সকল প্রতিষ্ঠিত হইত। ঐ সকল মঠই আমাদের দেশের ধর্ম্ম কর্ম্ম ও শিক্ষা দীক্ষার প্রধান কেন্দ্রস্থল ছিল এবং সাধারণের [সেবায়] মঠের সিংহদ্বার সর্ব্বদাই উন্মুক্ত থাকিত। বিদ্যাদানে এক একটী মঠই ভুবনখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হইয়াছিল।
বিশদ

09th  September, 2019
 শিক্ষা

 নিবেদিতার প্রতি স্বামীজীর নির্দেশ ছিল—ভারতীয় মেয়েদের জাতীয়ভাবে দেশীয় ঐতিহ্য বজায় রেখেই শিক্ষা দিতে হবে। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, শ্রীরামকৃষ্ণ শুধুমাত্র নারীমুক্তির জন্য আসেননি, তিনি জনগণেরও ত্রাণকর্তা। বিশদ

08th  September, 2019
জপ

নামের যে নাদ তার মধ্যে যেমন নামী বিদ্যমান, নামের যে সত্তা তার মধ্যে আমিও স্বরূপত বিরাজমান। নামী নামের মধ্যে অবস্থান করছেন—নামের অন্তে বিরাজ করছেন—নামের আদিতে স্থিত আছেন। নামের লক্ষ্যার্থ হলেন তিনি। নাম একটি নাদ, একটি অর্থ, একটি ইঙ্গিত, একটি ভাব বহন করে—সেই নাদ, ভাব, অর্থ, ইঙ্গিত ইত্যাদি হলেন স্বয়ং তিনি।
বিশদ

07th  September, 2019
দুঃখ

 যেখানেই থাক, যে-দিকেই ফের, ভগবানের দিকে যতক্ষণ চোখ না ফেরাও ততক্ষণ দুঃখ থেকে তোমার মুক্তি নেই। তোমার ইচ্ছা ও অভিপ্রায় মতো সব কিছু করা না হলে তোমার এত দুঃখ হয় কেন? এমন কেউ কি কোথাও আছে যে সব কিছুই নিজের মনোমতো পেয়েছে, না আমি, না তুমি, না এই পৃথিবীর আর কেউ?
বিশদ

06th  September, 2019
মাতৃ পূজার মর্মকথা

 পূজার দুটি দিক—একটি বাইরের দিক, সেটি বিজ্ঞানধর্মী, অপরটি অন্তরের দিক, সেটি আত্মধর্মী। বাইরের দিক হতে পূজা একটি বিজ্ঞানসম্মত পন্থা বিশেষ। অন্তরের দিক হতে পূজা একটি আত্মধর্মী প্রেমপূর্ণ সমর্পণ বিশেষ। ইহা কেবল মহাশক্তির নিকট পৌঁছাবার পথমাত্র নয়, মাতৃঅঙ্কে আরোহণ ক’রে মাতৃত্বের স্নিগ্ধতার আনন্দে পূর্ণ হওয়াও পূজার ফল।
বিশদ

05th  September, 2019
ধর্ম ও দর্শন

ধর্মের যথার্থ সংস্কৃত শব্দ ‘দর্শন’। এই ‘দর্শন’ শব্দটির দুটি অর্থ আছে। এর অর্থ দর্শন বা অনুভূতি—যে পথে অনুভূতি লাভ করা যায়, সাধনা এর আর একটি অর্থ। ধর্ম বলতে এদের উভয়কেই বুঝতে হবে। ‘দর্শনের’ অর্থ আবার দর্শনশাস্ত্রও হতে পারে। হিন্দুধর্মে যে ছয় প্রকার দর্শনশাস্ত্র আছে তাদেরও ‘দর্শন’ বলা হয়ে থাকে। হিন্দুধর্মে ধর্ম ও দর্শন একই অর্থে প্রযুক্ত হয়।
বিশদ

04th  September, 2019
ধন 

ভূগর্ভে রক্ষিত ধনরত্নাদি পাইতে হইলে প্রথমে যেমন যে ব্যক্তি উহার সন্ধান জানেন তাঁহার উপদেশপ্রাপ্তির এবং পরে ভূমিখননের, ধনের উপর স্থাপিত প্রস্তরাদির অপসারণের এবং ধনাদি স্বয়ং গ্রহণের প্রয়োজন হয়, কেবল শব্দ করিলে অর্থাৎ ‘ধন, তুমি এস’ বলিয়া ডাকিলে ধনলাভ হয় না, সেইরূপ মায়ানির্মুক্ত নিজের শুদ্ধ স্বরূপ অবগত হইতে হইলে ব্রহ্মজ্ঞ পুরুষের নিকট উপদেশপ্রাপ্তির পর মনন-ধ্যানাদির প্রয়োজন হয়। 
বিশদ

03rd  September, 2019
প্রলাপ না সত্য

একটি গল্প আছে যে, পঞ্চাশ বৎসর পূর্বে ভূকৈলাসের রাজারা আবাদের নিমিত্ত মাটি খনন করিতে-করিতে, মাটির নীচে সমাধিস্থ একজন মহাপুরুষকে পান। মহাপুরুষকে ভূকৈলাসে আনিয়া, সমাধিভঙ্গের নানাবিধ চেষ্টা হয়, কিন্তু কিছুদিন কোনোরূপে সমাধিভঙ্গ হইল না।  বিশদ

02nd  September, 2019
ভগবান 

ভগবান লাভ করতে হলে সাধকের চাই:—(১) ধৈর্য্য। (২) অধ্যবসায়। (৩) দেহ ও মনের পবিত্রতা। (৪) তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা ব্যাকুলতা। (৫) ষট্‌ সম্পৎ অর্থাৎ শম (অন্তঃকরণের স্থিরতা), দম (ইন্দ্রিয়নিগ্রহ), উপরতি (বিষয়ে আসক্তি-ত্যাগ), তিতিক্ষা (সকল প্রকার দুঃখে অবিচলিত থাকা), শ্রদ্ধা (গুরু ও শাস্ত্রবাক্যে বিশ্বাস) ও সমাধান (ইষ্টে চিত্তস্থাপন)। 
বিশদ

01st  September, 2019
 আত্মভোলা বাঙালী জাতি

বাংলার বিশেষ সম্পৎ শক্তির উপাসনা। গৌড়ীয়া-বিদ্যা তন্ত্রের আর এক নাম। বর্ত্তমানে তন্ত্রবিষয়ে গবেষণা বা আলোচনা নাই বলিলেই হয়। আত্মভোলা বাঙালী জাতি নিজ সম্পদ্‌ সম্বন্ধে যদিও একেবারে উদাসীন, তাহা সত্ত্বেও তন্ত্রের সাধনার ধারা একেবারে মৃত নহে।
বিশদ

31st  August, 2019
একনজরে
কলম্বো, ১৪ সেপ্টেম্বর: অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। লো-স্কোরিং ফাইনালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। এই নিয়ে সপ্তমবার এই ...

নয়াদিল্লি, ১৪ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): তিনি ছত্রপতি শিবাজির বংশধর। শনিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন সাতারার এনসিপি সাংসদ উদয়নরাজে ভোঁসলে। দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেন উদয়নরাজে। ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: উত্তরবঙ্গের বিগবাজেটের পুজোর উদ্যোক্তারা দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রতিমা নিয়ে আসছেন। ফলে উত্তরবঙ্গের মৃৎশিল্পীদের গুরুত্ব ক্রমশই কমতে শুরু করেছে। এতে প্রতিমা বানানোর অর্ডারের সংখ্যাও কমছে। ...

 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: এলাকার দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাগনানের ওড়ফুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের রানাপাড়া। শুক্রবার রাতে সংঘর্ষ চলাকালীন ব্যাপক বোমাবাজির পাশাপাশি বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দু’পক্ষের বিরুদ্ধে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি, প্রিয়জনের বিপদগামীতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা, সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস
১২৫৪: পরিব্রাজক মার্কো পোলোর জন্ম
১৮৭৬: কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৯ টাকা ৭১.৭৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৯৩ টাকা ৮৯.১৩ টাকা
ইউরো ৭৭.০৩ টাকা ৮০.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭, ৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ ভাদ্র ১৪২৬, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, প্রতিপদ ১৭/২৪ দিবা ১২/২৪। উত্তরভাদ্রপদ ৫০/৪৪ রাত্রি ১/৪৪। সূ উ ৫/২৬/৩৮, অ ৫/৩৭/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৪ গতে ৯/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৪৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০ গতে ১/৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, প্রতিপদ ১৩/৩২/২১ দিবা ১০/৫১/১৩। উত্তরভাদ্রপদ ৪৯/৫০/৬ রাত্রি ১/২২/১৯, সূ উ ৫/২৬/১৭, অ ৫/৩৯/৩৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৩ গতে ৯/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৬ গতে ৮/৫০ মধ্যে, বারবেলা ১০/১/১৭ গতে ১১/৩২/৫৭ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩২/৫৭ গতে ১/৪/৩৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১/১৭ গতে ২/২৯/৩৭ মধ্যে।
 ১৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ধর্মশালায় বৃষ্টি, ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টি ২০ ম্যাচে দেরি 

07:04:27 PM

চিঠি হাতে নবান্নে সিবিআই 
সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে এক মাস সময় চেয়েছেন প্রাক্তন পুলিস কমিশনার ...বিশদ

06:21:08 PM

ফের বদলাল রাজ চক্রবর্তীর ছবির নাম 
রাজ চক্রবর্তীর আগামী ছবির নাম আরও একবার বদলাল। ছবির প্রথম ...বিশদ

05:24:30 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে নদীতে নৌকা উল্টে যাওয়ার ঘটনায় মৃত ১১, বাকিদের খোঁজ এখনও মেলেনি 

05:16:17 PM

মা উড়ালপুল থেকে পড়ে জখম ১ ব্যক্তি 

04:45:51 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে নদীতে উল্টে গেল নৌকা, ৫ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা, নিখোঁজ একাধিক 

04:24:32 PM