Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

কার্য

জানার বিষয় হল তিনটি: গ্রহীতা, গ্রহণ ও গ্রাহ্য, অন্য পরিভাষায় পুরুষ, ইন্দ্রিয় এবং ভূত। অর্থাৎ যে গ্রহণ করছে অর্থাৎ জানছে বা দেখছে সেই হল কর্তা বা গ্রহীতা, যা দিয়ে দেখছে তাকেই বলে করণ বা ইন্দ্রিয় এবং যা দেখছে অর্থাৎ বিষয় বা ভূতবর্গ তাকে বলে কার্য। তাই তিনটিকেই যথাযথভাবে জানতে হবে, তবে আমাদের জ্ঞানের মধ্যে যে ভেজাল অর্থাৎ সাংকর্য ঢুকে আছে, বোঝার মধ্যে যে সব ভুল মিশে আছে তা দূর হবে। চেতনার যে আলো মনের আয়নায় এসে পড়েছে তাকে একাগ্র ও স্বচ্ছ করে ফেলতে হবে এই তিন স্তরে। তার ফলে সবিতর্ক, নিবিতর্ক সমাধি লাভ হলে ফুটে উঠবে স্থূল বিষয়ের যথার্থ জ্ঞান, সবিচার, নির্বিচারে সূক্ষ্ম বিষয়ের যথাযথ উপলব্ধি, সানন্দ সমাধিতে ইন্দ্রিয় বা করণ বর্গের পূর্ণ জ্ঞান এবং শেষ স্যাস্মিত সমাধিতে গ্রহীতা বা জ্ঞাতার শুদ্ধ রূপ ফুটে উঠবে। সম্প্রজ্ঞাত সমাধির সবগুলিই তাই ‘সালম্বন’ সমাধি, অর্থাৎ কোন কিছুকে অবলম্বন করে সমাহিত হওয়া, তার সব কিছু তন্নতন্ন করে নিখুঁতভাবে জানার জন্য।
সমাধির অবশ্যম্ভাবী ফল তাই প্রজ্ঞা। যে-সমাধির ফলে প্রজ্ঞা ফোটে না, তা সমাধি নয়, ব্যাধি। শুধু দেহের নিস্পন্দতাই সমাধি নয়, এটা তন্ময়তার একটা আনুষঙ্গিক বাহ্য লক্ষণমাত্র। কিন্তু তন্ময়তা সেই গভীর অতলে পৌঁছাল কিনা, সেখানে ডুবুরির মতো ‘হৃদি-রত্নাকরের অগাধ জলে’ ডুব দিয়ে প্রজ্ঞার অমূল্য মণি-মাণিক্য, অরূপ-রতন তুলে আনা গেল কিনা, তারই উপর সমাধির সার্থকতা যাচাই হয়ে থাকে। সমাধি সম্বন্ধে আমাদের এত ভ্রান্ত ধারণা যে, সামান্য হৃদয়াবেগ উচ্চগ্রামে ওঠার ফলে যদি দৃষ্টি স্তিমিত হয়, অঙ্গ শিথিল হয়, ইন্দ্রিয়বর্গ স্তব্ধ হয়, প্রাণস্পন্দ নিরুদ্ধ হয়, অমনি আমরা মনে করি সমাধি লাভ হয়েছে। আমরা ভুলে যাই সমাধি চেতনার আলোর বিষ্ফারণ, প্রজ্ঞাজ্যোতির সমুদ্ভাসন, যার ফলে হয় যোগজ প্রত্যক্ষ।
এখানেই এসে পড়ে প্রমাণের প্রশ্ন। প্রমাণ অর্থাৎ জ্ঞানের যেটি করণ বা সাধন অর্থাৎ উপায়, তারই নাম প্রমাণ। আমাদের জ্ঞানলাভের মোটামুটি তিনটি হাতিয়ার বা করণ— প্রত্যক্ষ, অনুমান ও আগম। কোন কোন দর্শনে প্রমাণের সংখ্যা বাড়িয়ে চার, পাঁচ, ছয়, এমনটি দশ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু মূলত দেখতে গেলে এই তিনের মধ্যেই সব অন্তর্ভুক্ত। আবার এই-তিনও আসলে একে এসেই পর্যবসিত হয় অর্থাৎ সব প্রমাণই প্রত্যক্ষমূলক। প্রত্যক্ষকে ভিক্তি করেই... অনুমান ও আগমের প্রসার ও প্রামাণ্য।
চেতনার আলো ইন্দ্রিয়ের গবাক্ষপথে বিচ্ছুরিত হয়ে আমাদের বাইরের জগৎকে যতটুকু দেখিয়ে বা জানিয়ে দেয়, তারই উপর আমাদের জ্ঞান নির্ভরশীল। এর ফলে আমাদের জ্ঞান খুবই সংকুচিত ও সীমাবদ্ধ। দূরের জিনিস বা সূক্ষ্ম জিনিস ইন্দ্রিয় দেখতে পারে না, সেখানে আমরা অনুমান বা আগমের আশ্রয়ে আমাদের জ্ঞানকে আর একটু ব্যাপক করে নিই। দূরে যে আগুন আছে ধোঁয়া দেখে তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে সুনিশ্চিত হই। বিলেতে নিজে না গিয়েও অন্য প্রত্যক্ষ দর্শীর মুখে শুনে সেখানকার যথাযথ জ্ঞান আহরণ করি। কিন্তু অনুমান ও আগমের মারাত্মক ত্রুটি হল যে তারা প্রামাণিক অর্থাৎ যথার্থ জ্ঞান দেয় বটে, কিন্তু সেটি কী ধরণের আগুন তার কোনো বিশেষ পরিচয় অনুমান আমাকে এনে দিতে পারে না। আগম সম্বন্ধেও সেই কথা। বিলেতের সাধারণ পরিচয় অন্যের মুখ থেকে শুনে বা বই পড়ে হতে পারে বটে, কিন্তু বিশেষ জ্ঞান একমাত্র সেখানে গেলেই হতে পারে, অন্যথা সম্ভব নয়।
যোগদর্শন তাই সাধারণ সব প্রমাণকেই বাতিল করলেন কারণ প্রমাণগুলিও সবই বৃত্তি অর্থাৎ চিত্তের পরিণাম। আর চিত্তবৃত্তিনিরোধই যোগের লক্ষ্য। প্রমাণের যে সামান্য আলোটুকু ছিল, তাও নিভিয়ে যোগদর্শন কোন্‌ অন্ধকারের অতলে ডুব দিতে চাইলেন? জগৎ তো তাহলে মুছে গেল, দেখবার, শুনবার, জানবার সব উপকরণ সরিয়ে ফেলা হল। রইল কি তাহলে অভাব বা শূন্যতা বা গাঢ় অন্ধকারময় নিদ্রার মতো অবস্থা? অভাবকে অবলম্বন করে যে নিদ্রা দেখা দেয়, যোগদর্শন তাকেও একরকম বৃত্তি বলেই চিহ্নিত করেছেন, ‘অভাবপ্রত্যয়ালম্বনা বৃত্তিনিদ্রা’। এও চিত্তের আর একরকম পরিণাম বা বিকার, একেও রুদ্ধ করতে হবে। ভাবের জগৎও রুদ্ধ প্রমাণের অভাবে, অভাবের জগৎও বিলুপ্ত নিদ্রার নিরোধে।
গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ‘চেতনার আরোহিণী’ থেকে
10th  May, 2019
জগতের মূলে একটী বস্তু আছে

ঠিক বৈজ্ঞানিক প্রণালীতে বিচার করিতে করিতে সর্বশেষ অবস্থায় জ্ঞানীরা দেখিয়াছেন অর্থাৎ বোধ করিয়াছেন, জগতের মূলে একটী বস্তু আছে, যাহা বোধকরা যায়। কিন্তু জগতে সেইরূপ কোনও বস্তু নাই বলিয়া তাহা যে কি সেইকথা প্রকাশ করা যায় না। শুধু, তাহা অনুভব করিবার উপায় বলা যায়।
বিশদ

সাত্ত্বিক ভাব 

ভক্ত যখন সাক্ষাৎভাবে অথবা একটু ব্যবধানে থেকে কৃষ্ণ-প্রেমের দ্বারা গভীরভাবে অভিভূত হন, তাকে বলা হয় সাত্ত্বিক ভাব। সাত্ত্বিক ভাবের লক্ষণ তিন প্রকার— স্নিগ্ধ, দিগ্ধ ও রুক্ষ। 
বিশদ

19th  May, 2019
 গুরু

গুরু ও সদ্‌গুরু একই বস্তু, কারণ অসদ্‌গুরু বলিয়া কোন বস্তু নাই। তবে বুঝাইবার সুবিধার জন্য গুরু হইতে সদ্‌গুরু শব্দের বৈলক্ষণ্য দেখান হয়। যাঁহার কৃপায় পূর্ণ সত্যের রূপ প্রত্যক্ষ হয়—যে প্রত্যক্ষের পর আর কোন আবরণ থাকে না—তিনিই সদ্‌গুরু। যিনি আবরণের আংশিক নিবৃত্তিতে সহায়ক হন তাঁহাকে গুরু বলা হয়।
বিশদ

18th  May, 2019
 শ্রীমা

 শ্রীমায়ের উপস্থিতিতে দক্ষিণ দেশে কি ঘটেছিল তার কিছুটা আঁচ করা যেতে পারে তামিল মাসিক পত্রিকা ‘শ্রীরামকৃষ্ণবিজয়ম্‌’-এর ১৯২৫ খ্রীস্টাব্দের ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত ‘সারদা দাসন’ ছদ্মনামে জনৈক ভক্তের স্মৃতিকথা থেকে। ‘হিন্দু’ পত্রিকাতে খবর পড়ে তাঁর বাবা ও মা তাঁকে নিয়ে শ্রীমায়ের দর্শন করতে এসেছিলেন। বিশদ

17th  May, 2019
 গৃহী

গৃহী সন্তানদের প্রতি—বিবাহিত পুরুষদের বলতেন, মানসিক শান্তিই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। নিজের সাধনায় তা অর্জন করে নিতে হয়। এক নারী সদাব্রতী, একাহারী সদা যতি। অপর সকল নারী মাতৃবৎ। বিবাহ Royal Road অর্থাৎ সমাজ অনুমোদিত পথ।
বিশদ

16th  May, 2019
স্বপ্নের কথা

প্রশ্ন: কেন আমরা স্বপ্নের কথা ভুলে যাই? 
কেননা তুমি সর্বদা একই জায়গাতে স্বপ্ন দেখ না। আর তোমার সত্তার একই অংশ সর্বদা স্বপ্ন দেখ না ও স্বপ্নে একই স্থানে থাক না। যদি তুমি তোমার সত্তার সকল অংশের সঙ্গে সংযোগ রাখতে পারতে—সচেতনভাবে, সোজাসুজি, অবিরাম তাহলে তোমার স্বপ্নের সব বৃত্তান্ত তোমার মনে থাকত।
বিশদ

15th  May, 2019
মন ও মন্ত্র 

মনকে যা ত্রাণ করে তার নাম মন্ত্র। মনকে ত্রাণ করতে হলে এমন একটা-কিছুর আশ্রয় নিতে হয় যা মন থেকে পৃথক, যা মনের অতীত, যা মন নয়। সাধক ও তাঁর মনের মধ্যে মন্ত্র হ’ল, প্রথম আবির্ভাবে, এক তৃতীয় শক্তি-স্বরূপ। পরিশেষে অবশ্য, মন্ত্রই একমাত্র শক্তি হিসেবে বিরাজ করেন; সাধক ও তাঁর মনের শক্তি— এ দুটি ক্রমশ মন্ত্র-শক্তিতেই বিলীন হয়। 
বিশদ

14th  May, 2019
‘বাউল’

 ‘বাউল’ শব্দটি ‘বাতুল’ শব্দের অপভ্রংশ। ‘বাতুল’ শব্দ ত্রূমশঃ রূপান্তরিত হয়ে ‘বাউল’শব্দে পরিণতি প্রাপ্ত হয়েছে। ‘বাউল’ শব্দের প্রকৃত মর্মার্থ হল-বাহ্যজ্ঞান রহিত উন্মাদ। অর্থাৎ যিনি বাহ্য ইন্দ্রিয়ের চেতনাশূন্য, বিষয়বুদ্ধি রহিত ভগবৎ প্রেমে পাগল। আর এই ভাবমুখী প্রেমোন্মাদ মানুষকেই ‘বাউল’ বলা হয়।
বিশদ

13th  May, 2019
সমস্ত জীবনই এক শিক্ষা

সমস্ত জীবনই এক শিক্ষা—কম-বেশি সজ্ঞানভাবে, কম-বেশি স্বেচ্ছায় অনুসৃত। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এই শিক্ষা আলোর দিকটি প্রকাশ করবার সহায় হয়, কারও ক্ষেত্রে বিপরীত, অর্থাৎ অন্ধকারের দিক। অবস্থা ও পারিপার্শ্বিকী যদি অনুকূল হয় তাহলে অন্ধকার সরে যায়, হয় আলোরই বৃদ্ধি। অন্য পক্ষে ঘটে বিপরীত।
বিশদ

12th  May, 2019
অমৃতকথা 

দেহ ও মন এই দুইটী যন্ত্র-সহায়ে তোমার আভ্যন্তরীণ শক্তিপুঞ্জ প্রয়োজিত এবং অভিব্যঞ্জিত হইতেছে। দেহ যদি একটী দশ-মর্দ্দা হইয়া থাকে, মন তাহা হইলে একটি বিশ-মর্দ্দা। “মারো ধাক্কা হেইয়োঁ”—বলিয়া দশ-মর্দ্দা দিয়া ধাক্কা দাও, গায়ে তৎক্ষণাৎ জোর আসিবে, কার্য্য-সিদ্ধি ত’ হইবেই।   বিশদ

11th  May, 2019
ধর্ম

 বিশ্বের সকল ধর্মবেত্তারা নিজ নিজ ধর্মানুশাসনে নিবিষ্ট ও বোধিদীপ্ত হয়ে জগতের অনেক কল্যাণ সাধন করেছেন।আজ জগতে যা কিছু শুভকর, তা এঁদেরই অনুপ্রেরণা ও সাধনার ফল। জগৎ একই স্রষ্টার করুণাধারায় প্রবাহিত। এই প্রবহমান জগতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর আনুগত্য সেই একই স্রষ্টার প্রতি বিভিন্ন নামে ও ধ্যানে। বিশদ

09th  May, 2019
  গুরু

ধর্মরাজ্যে এগোতে হলে পথটাকে ভালবাসার চেষ্টা কর। ভালবাসা না এলে এগোনা যাবে না। পথটা ভালো না লাগলে সবই বৃথা। কারণ, একটা পথ ধরে তো এগোতে হবে। যে রূপ ভাল লাগে, যাঁর প্রতি একটা আকর্ষণ বোধ ক’রছো, তাঁকেই ভালবাসতে চেষ্টা কর। গুরুকে ধর। বিশদ

08th  May, 2019
মোড় ঘুরিয়ে দাও

 ‘মোড় ঘুরান’—দু’টি শব্দ, একটি অর্থবহ কথা। অর্থের বৈচিত্র্যে কথাটি অনুধাবনযোগ্য। রাস্তায় চলতে চলতে মোড় ঘুরি। জীবনযুদ্ধে জয়ী হ’তে জীবনের কত মোড় ঘুরাই। কখনো মোড় ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ি। কত অনিশ্চয়তা, কত ব্যর্থতা এই জীবনকে ঘিরে।
বিশদ

07th  May, 2019
  ভাব

যে মহানাম লাভ করিয়াছ, তাহাকেই ভেলাস্বরূপ জ্ঞান। তাহা অবলম্বনেই সংশয়-সাগরের পরপারে পৌঁছিবে। দৃঢ় চিত্তে ভেলাবলম্বন কর। তরঙ্গ-বিক্ষোভে টলিয়া পড়িও না। নামের বলে তোমাদের মধ্যে মহাশক্তি ও মহাভাব জাগিয়া উঠিবে।
বিশদ

06th  May, 2019
ক্ষুধা 

ক্ষুধিত আতুর যেমন করিয়া ধনীর দুয়ারে তাকাইয়া থাকে, আমি তোমাদের মুখপানে তেমনি সতৃষ্ণ নয়নে চাহিয়া আছি, তোমাদের জীবন পরার্থে উৎসর্গীকৃত হইয়া যেদিন তপঃশুদ্ধ হইবে, হে সন্তান, সেইদিনই তোমরা আমার ক্ষুধা তৃষ্ণা যথার্থ মিটাইতে পারিবে। স্বার্থের প্রতি দৃষ্টিহীন, সুখের প্রতি লক্ষ্যহীন, বিঘ্নের প্রতি ভ্রূক্ষেপহীন জীবন লইয়া যে দিন তোমরা মায়ের ক্রোড় জুড়িয়া বসিবে, প্রকৃতই সেদিন আমার সর্ব্বাঙ্গ শীতল হইবে।  
বিশদ

05th  May, 2019
 হিন্দুধর্ম

হিন্দুধর্ম সম্বন্ধে কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকে মনে করে থাকেন এ ধর্ম দুর্বোধ্য ও অযৌক্তিক। এরূপ মনে করার কারণ এর বিশালত্ব, যা অনায়াসলভ্য নয়। কতগুলি বিশ্বজনীন মৌলিক সত্য রয়েছে এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে নিরূপিত সে সত্যের উপর হিন্দুধর্ম প্রতিষ্ঠিত। এ যেন বিশাল এক অশ্বত্থ বৃক্ষ।
বিশদ

04th  May, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, ডায়মন্ডহারবার: বুথ না ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত! বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। বালির বস্তা দিয়ে একেবারে বাঙ্কার বানিয়ে সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে পাহারায়। যে কোনও সীমান্তে ...

 রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়, শালতোড়া, বিএনএ: রবিবার কড়া নিরাপত্তায় বাঁকুড়া লোকসভার অন্তর্গত শালতোড়ার ১ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হয়। এদিন নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণপর্ব সম্পন্ন হয়। তবে বিজেপির তরফে দলীয় পোলিং এজেন্টকে বুথে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং জেলা প্রশাসনের প্রস্তাব মতো ভোটকর্মীদের সুবিধার্থে তিনটি বিশেষ ট্রেন চালাল পূর্ব রেল। পূর্ব রেল সূত্রের খবর, এই বিশেষ ট্রেনগুলি চালিয়েছে শিয়ালদহ বিভাগ।  ...

নয়াদিল্লি, ১৯ মে (পিটিআই): অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে রবিবার দিল্লির পুলিস কমিশনারের কাছে আর্জি জানাল রাজ্য বিজেপি। এ বিষয়ে পুলিস কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েককে চিঠি দিয়েছে তারা। বিজেপি মুখপাত্র প্রবীণ শঙ্কর কাপুর একথা জানিয়েছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় বাধা কাটবে। বড়দের কথার মান্যতা দেওয়া দরকার। ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৯০২- প্রজাতন্ত্র দেশ হিসেবে ঘোষণা কিউবার
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৭৭- ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার অঞ্জুম চোপড়ার জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৩ টাকা ৭১.১২ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২৮ টাকা ৯১.৫৩ টাকা
ইউরো ৭১.১০ টাকা ৮০.০৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৪২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  May, 2019

দিন পঞ্জিকা

৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ মে ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ৫০/৫৮ রাত্রি ১/২২। জ্যেষ্ঠা ৫৩/৪৭ রাত্রি ২/২৯। সূ উ ৪/৫৮/৩৩, অ ৬/৭/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৮ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫০ গতে ৪/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।
৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২০ মে ২০১৯, সোমবার, দ্বিতীয়া ৫১/৫৭/৫৯ রাত্রি ১/৪৫/৩০। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৫৫/৩৮/০ রাত্রি ৩/১৩/৩০, সূ উ ৪/৫৮/১৮, অ ৬/৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ২/৫১/৪২ গতে ৪/৩০/৩৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৭/১২ গতে ৮/১৬/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১২/৪৮ গতে ১১/৩৩/৫৪ মধ্যে। 
১৪ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিধানসভা উপনির্বাচন: বেলা ১২টা পর্যন্ত কান্দিতে ৩৯.৫৫ শতাংশ ও নওদায় ৩৯.২৫ শতাংশ ভোট পড়ল 

12:25:48 PM

ভাটপাড়ার আর্যসমাজ মোড়ে বোমাবাজি 

12:12:16 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: সকাল ১১টা পর্যন্ত কান্দিতে ৪২ শতাংশ ভোট পড়ল 

12:05:27 PM

হাওড়া স্টেশনে পাইপ ভেঙে জখম মহিলা 
হাওড়া স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে ভেঙে পড়া পাইপের ঘায়ে জখম ...বিশদ

11:32:33 AM

কাঁকিনাড়ায় অবরোধ উঠল 
২ ঘণ্টারও বেশি সময় পর কাঁকিনাড়ায় রেল অবরোধ উঠল। এদিন ...বিশদ

10:15:45 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, সোমবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল বেশ প্রভাবিত। ট্রাফিকের ...বিশদ

10:00:00 AM