Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

এগিয়ে যাও

 
একটি ছোট্ট গল্প—কিন্তু ব্যঞ্জনা গভীর। কথামালার মতো এক সরল কাহিনী। দক্ষিণেশ্বরে তাঁর ছোট ঘরে বসে গল্প বলছেন শ্রীরামকৃষ্ণ। শ্রোতা—জিজ্ঞাসু তরুণদল। অধ্যাত্মজগতে এঁরা নবাগত। সত্যান্বেষণের প্রেরণা দুর্বার, এই যাত্রার শেষ কোথায়? শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন—‘এগিয়ে যা’। এক অতি দরিদ্র কাঠুরে দিনের পর দিন জঙ্গলে কাঠ কাটে—আর দিনান্তে তাই বিক্রী করে অতি সামান্যই পায়। তার দুরবস্থা দেখে এক সাধুর করুণা হল। কাঠুরেকে বললেন—‘একই জায়গায় থেমে থাকিস কেন? এগিয়ে যা।’ পরদিন কাঠুরে একটু এগিয়ে গিয়ে পৌঁছল চন্দনবনে—ফলে তার উপার্জন হল দ্বিগুণ। কিন্তু আবার প্রতিধ্বনি—‘এগিয়ে যা’। তাই সে গেল। এবার উপস্থিত হল তামার খনিতে। এখন আর তার অর্থের অভাব নেই। তবু কে যেন তাকে থামতে দেয় না—কেবলি কানে বাজে দূরান্তের ডাক—‘এগিয়ে যা।’ দুর্নিবার সে আহ্বান। এগিয়ে যেতেই হয়। ক্রমে রূপার খনি থেকে সোনার খনি, আবার সোনার খনি থেকে হীরার খনি।
বলা বাহুল্য গল্পটি রূপক। ছোট কাহিনীটির মধ্যে আমরা পাই মানুষের অসীম, অপরাজেয় সম্ভাবনার ইঙ্গিত। নিবেদিতা তাঁর অনুপম ভঙ্গীতে যার বর্ণনা করেছেন, ‘Men are finite dreamers of infinite dreams’ —মানুষ সীমার গন্ডিতে থেকেও অসীমের পূজারী। অধ্যাত্মসম্পদে দীন ব্যক্তির কাছে ভগবান ওই সাধুর মতো পথপ্রদর্শক বা আচার্যরূপে উপস্থিত হন। তিনিই মুক্তিপিপাসুকে অসৎ থেকে সতে, তমসা থেকে জ্যোতিতে, মৃত্যু থেকে অমরত্বে উন্নীত করেন। তিনি কেবলই বলেন, —‘এগিয়ে যা।’
এই কাহিনীটি কি আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়? দুশো বছরের বিদেশী শাসন ও পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত হয়ে পঁচিশ বছর আগে আমরা স্বাধীনতা লাভ করি। এই স্বাধিকার অর্জন করতে তখনকার মুক্তি-যোদ্ধাদের ওই কাঠুরের মতোই বহু বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হয়েছে। একদিন তাঁরা নিজেদের জীবন, স্ত্রী-পুত্র, গৃহ-সম্পদ তুচ্ছ করে, ভবিষ্যতের সব আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্য সম্মুখে রেখে মুক্তি-আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। সেদিন যৎসামান্য সুবিধা বা অধিকার লাভ করেই তাঁরা যদি তৃপ্ত হয়ে থেমে যেতেন— তবে কেবলমাত্র একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বতন্ত্র ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা তুলে ধরবার অধিকার ও জাতীয় সঙ্গীত গাইবার গৌরবটুকু লাভ করতেই আমাদের আরো অনেকগুলি পঁচিশ বছর পেছনে ফেলে আসতে হত। কিন্তু স্বল্পে তুষ্ট হয়ে তাঁরা থেমে থাকেননি। স্বদেশের পূর্বগগনে স্বাধীনতা-সূর্যের পূর্ণ জ্যোতির্ময় আবির্ভাব না দেখা পর্যন্ত সেই জীবনপণ তপস্যা থেকে নিবৃত্ত হননি।
আজকের ছেলেমেয়েদের সম্মুখে স্বাধীনতার পঁচিশ বছর পূর্তির পুণ্যলগ্ন সমাগত। দিনটি নিঃসন্দেহে একটি উৎসবের দিন। কিন্তু এ কি নূতন সংকল্পেরও দিন নয়? কান পেতে শোন, কে যেন বলছে—‘এগিয়ে যা।’ রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছি। আম-কাঁঠালের বন থেকে কাঠুরে এসেছে চন্দনের বনে।
পৌঁছতে হবে ‘হীরার খনি’ পর্যন্ত। সে যে অনেক—অনেক দূরের পথ! এখনও অসংখ্য বন অতিক্রম করতে বাকি। অর্থনৈতিক স্বাধীনতার উচ্চচূড়া এখনও সুদূরতম দিগন্তে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, বৈজ্ঞানিক প্রগতি, উন্নতমানের জীবনচর্যা সবই চাই—প্রত্যেক স্বদেশবাসীর জন্য। কিন্তু ভিক্ষা করে পাওয়া নয়, আপন বীর্য দিয়ে অর্জন করা— চাই অতন্দ্র তপস্যা। দেশমাতা আরো অনেক আত্মত্যাগী, স্বার্থশূন্য সন্তান চান—যারা দেশ গড়ার কঠিন সঙ্কল্প বুকে নিয়ে অনায়াসে সব বাধাবিঘ্নকে অতিক্রম করে এগিয়ে যাবে। ত্রিবর্ণ পতাকাকে পৌঁছতে হবে স্বাধীনতার রজত-জয়ন্তী থেকে সুবর্ণ-জয়ন্তীর লগ্নে—সেখান থেকে হীরক-জয়ন্তীর মহালগ্নে। যাত্রা কি তখনও শেষ হবে? হয়তো যেতে হবে নিঃসঙ্গ—যেমন গিয়েছিলেন মহাত্মাজী। কেউ যে ডাক শুনে সঙ্গে আসবে তারই বা নিশ্চয়তা কী? হয়তো বা ওই কাঠুরের মতোই নিঃসঙ্গ যাত্রা—যেমন দেখেছি সমুন্নতশির কটিবস্ত্রাবৃত দন্ডপানি মহাত্মা গান্ধীকে—চলছেন মহামন্ত্র জপতে জপতে—
বজ্রানলে/ আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে/ একলা জ্বলো রে।
প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা মাতাজীর ‘অমৃতং গময়’ থেকে
 
08th  January, 2019
 সৃষ্টি

 এখানে অনাদি ভাঙ্গাগড়ার খেলা চলেছে, এর ভিতর দিয়েই এগিয়ে চলেছে সৃষ্টি—এক একটি ধ্বংসের পর আবার সৃষ্টি জাগছে—এক একটি মৃত্যুর ভিতর দিয়ে জাগছে নবতর জীবন, আসছে নতুন মানুষ—মানুষের মধ্যে জাগছে দেবতা। এই সৃষ্টি রচনায় একদল লোকের কাজ হলো ভাঙ্গা, একদল লোক গড়ার কাজে ব্যস্ত।
বিশদ

অমৃতকথা 

মাদ্রাজের এগমোর স্টেশনে ট্রেন পৌঁছালে দেখা গেল হাজার হাজার ব্যক্তি স্বামীজীকে স্বাগত জানাবার জন্য সমবেত। তিনি মাদ্রাজে আসবেন জেনেই নগরবাসীরা তাঁর সংবর্ধনার সমুচিত ব্যবস্থায় নিরত; মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রহ্মণ্য আয়ার প্রভৃতি সম্ভ্রান্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তি এই কার্যের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং আয়ার মহাশয়ের সভাপতিত্বে একটি অভ্যর্থনা সমিতি গঠিত হয়েছিল।  বিশদ

25th  March, 2019
 যোগ

প্রথমেই কর্ম-যোগের কথা বলতে হয়। এই যোগে কর্মফলে অনাসক্তির উপর সমধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একে বলে নিষ্কাম কর্ম। এই কর্ম যত সহজ বলে মনে হয় আসলে তত সহজ এটা নয়। এর জন্য প্রয়োজন অসাধারণ ইচ্ছা-শক্তি। তবে কর্মফলে অনাসক্ত হবার সহজতর উপায়ও আছে।
বিশদ

24th  March, 2019
ভক্তি  

পরমহংসদেব কখন কখনও ব্রাহ্মসমাজে আসিয়া উপাসনাদি শ্রবণ করিয়া যাইতেন। একদা উপাসনান্তে তিনি কেশববাবুকে ডাকিয়া কহিয়াছিলেন, ‘‘কেশব, তুমি বলিলে, ‘ভক্তি নদীতে প্রীতিকমল প্রস্ফুটিত হইলে’—ভাল, জিজ্ঞাসা করি, নদীতে কি কখনও পদ্ম ফুটিতে দেখিয়াছ?  
বিশদ

23rd  March, 2019
 অনন্ত শক্তি

ঠাকুরই ছদ্মবেশে শান্তির পথ দেখাবার জন্য, মূর্খের সাজে এসেছিলেন। পাণ্ডিত্যের গর্ব্ব চূর্ণ করিবার জন্যই তাঁর আবির্ভাব। হও সরল, মন মুখ এক করে তাঁর চিন্তা কর। এই শরীরেই প্রভুর দর্শন লাভ ক’রে ধন্য হতে হবে তোমাদের। তাঁর নামে অসীম শক্তি অনুভব কর্‌বে। বিশদ

20th  March, 2019
জীবন 

ভগবানকে কর তুমি তোমার জীবনের কেন্দ্র। তোমার শরীরের প্রতিটি অণু-পরমাণুতে যৌবন আসিয়া ডাক ছাড়িতেছে,—‘‘আমি আসিয়াছি।’’ তুমিও তাহার সঙ্গে সঙ্গে ডাক ছাড়িয়া বলিতে সমর্থ হও,—‘‘আমার দেহ-মন্দিরে ভগবানও আসিতেছেন।’’ যৌবনকে তুমি সম্বর্দ্ধনা কর, তোমার জীবনের বসন্তকে তুমি ব্যর্থ যাইতে কেন দিবে? 
বিশদ

19th  March, 2019
অমৃতকথা 

শুরুতেই মনে রাখা দরকার যে আমাদের জীবনের এক তৃতীয়াংশেরও বেশী ঘুমের মধ্যে কেটে যায়—কাজেই, যে সময়টা ঘুমে অতিবাহিত করি তার সম্বন্ধে বিশেষভাবে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত। শারীরিক নিদ্রার কথাই বলছি, কেননা যখন দেহ ঘুমিয়ে পড়ে তখন আমাদের সারা সত্তা ঘুমিয়ে পড়ে বিশ্বাস করলে ভুল হবে।  বিশদ

18th  March, 2019
জীবন 

তোমার জীবনের অর্ঘ্য ভগবানের পায়ে অর্পণ কর। ইহা তোমার জীবনের প্রথম এবং প্রধান কর্ত্তব্য। তার পরে ইহা নির্ম্মাল্য হইয়া জগতের প্রতিজনের সংস্পর্শে আসুক। অকপটে যে জীবন ভগবানে উৎসর্গীকৃত হইয়াছে, সে জীবনের সংস্পর্শে যে যখনি আসুক, নির্ম্মাল্যের পবিত্রতাকে সম্মান করিয়া চলিতে সে বাধ্য হইবে। 
বিশদ

17th  March, 2019
ভগবান্‌

একমাত্র ভগবানে বিশ্বাস করিলেই যে সব গোল মিটিয়া যায়। সাধুদের তোমার প্রতি কৃপা আছেই জানিবে। আর ভগবান্‌ অন্তর্য্যামী, তিনি সকলই দেখিতেছেন। সরল অকপটভাবে তাঁহার কাছে সমস্ত আব্‌দার আবেদন করিবে। আপন হ’তেও আপন তিনি, তোমার প্রার্থনা শুনিবেই শুনিবেন। তাঁহাকে আশ্রয় করিয়া সাধন ভজন করিতে থাক। তাঁহার কৃপা লাভ করিয়া কৃতার্থ হইয়া যাইবে।  বিশদ

16th  March, 2019
আহার-শুদ্ধি

 মানুষের যে স্বাভাবিক বৃত্তি, স্থিতি, ভাব তৈরী হয় সেটি তৈরী হওয়ার পিছনে কিছু কারণ থাকে, তার মধ্যে আহারও একটি কারণ। কথিত আছে যে, ‘‘যেমন অন্ন খাবে, তেমন মন হবে।’’ সুতরাং আহার যত সাত্ত্বিক হয়, মানুষের বৃত্তিও ততই সাত্ত্বিক হয় অর্থাৎ সাত্ত্বিক বৃত্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করে সাত্ত্বিক আহার।
বিশদ

15th  March, 2019
অহংকার

বর্ষাকালে বায়ুর দ্বারা চালিত হইয়া মেঘ যেমন শত অনর্থের সৃষ্টি করে, সেই প্রকাপে মহাশক্তিশালী অহংকার মূলসহিত কর্তিত হইলেও মনের দ্বারা যদি ক্ষণকালের জন্যও স্মৃত হয় তো পুনরায় বাঁচিয়া উঠিয়া শত শত চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। সংযত করার পর অহংকাররূপ শত্রুকে বিষয়চিন্তার আর কোন অবকাশ দিবে না।
বিশদ

14th  March, 2019
অমৃতকথা 

প্রশ্ন: ভাল দিন আর খারাপ দিন কোন্‌঩টি?
উত্তর: ‘যদচ্যুতকথালাপরসপীযূষবর্জিতম্‌।
তদ্দিনং দুর্দিনং মন্যে মেঘাচ্ছন্নৎ ন দুর্দিনম্‌।।’ —(শ্রীমদ্‌ভাগবতম্‌)   বিশদ

13th  March, 2019
‘মন্দির’

সত্যকে জানবার জন্য অথবা নিরাকার-ব্রহ্মে একাত্ম হবার জন্য এই মুহূর্তে যে সহজ-সরল অধ্যায় বা সোপানের প্রয়োজন, তা হল মন্দির। সংস্কৃতের ‘মদিঙ্‌’ ধাতুগত শব্দ থেকে ‘মন্দির’ শব্দ নিরূপিত হয়েছে। যার অর্থ হল—যেখানে দেব-দেবীর ঐকান্তিক স্ততি-বন্দনা করা হয়।
বিশদ

12th  March, 2019
অমৃতকথা 

ভগবান সর্বময়। সংসারীর পক্ষে তাঁর জীবমূর্তিকে সেবা ও দানই পরম সাধন। কাঠ, পাথর—এসবও জীব (সুপ্ত চৈতন্য)। পশু, পাখি, কীট, পতঙ্গকেও সেবা করবেন। বৃক্ষলতাকে জল দেবেন। এই কাজগুলো ভক্তিভরে করবেন—যেমন ঠাকুরকে স্নান করান—এই ভাব নিয়ে।  বিশদ

11th  March, 2019
 শাস্ত্র

 শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন: ‘‘শাস্ত্র পড়ে হদ্দ অস্তিমাত্র বোধ হয়।’’ আবার বলেছেন: ‘‘শাস্ত্রে আভাসমাত্র পাওয়া যায়।’’ শাস্ত্র পথনির্দেশক বৈ তো নয়। শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন: ‘‘শাস্ত্র, বই এসব কেবল ঈশ্বরের কাছে পহুঁছিবার পথ বলে দেয়।’’
বিশদ

10th  March, 2019
উপনিষদ

 মিথ্যার এই আবরণকে ভাঙবার জন্য ঔপনিষদী ধারায় কোনো কৃত্রিম উপায়ের আশ্রয় নিতে বলা হয়নি। প্রকৃতির স্বাভাবিক ধারায় চেতনার আকুঞ্চন-প্রসারণ, গুটিয়ে আনা ও ছড়িয়ে পড়ার দিকে দৃষ্টি রেখেই এই আবরণ মুক্ত করার প্রয়াস দেখতে পাই উপনিষদে।
বিশদ

09th  March, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, কাঁথি: সোমবার সকালে মারিশদা থানার তেলিপুকুর বাসস্টপের কাছে দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক বাইক আরোহী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম প্রবীর সাউ(২৭)। তাঁর বাড়ি মারিশদার বরণী গ্রামে। তিনি পেশায় প্রাইভেট টিউটর ছিলেন। ...

 শারজা, ২৫ মার্চ: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি একদিনের সিরিজে পাকিস্তানকে পরাজিত করল। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ১৪৩ বলে ১৫৩ রানের একটি অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। ...

যাঁরা আমাদের স্কুলে ফেরত পাঠাতে চায় তাঁদের বলতে চাই, কোনও পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা সত্যিই খুব ছোট। কিন্তু, আমাদের আন্দোলন প্রতিদিনই কলেবরে বাড়ছে। এই ...

 সুকান্ত বসু, কলকাতা: তদন্তে একাধিক অসঙ্গতির কারণে ‘পকসো’ মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেন রাহুল সরকার নামে এক যুবক। সম্প্রতি শিয়ালদহের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক জীমূতবাহন বিশ্বাস ওই আদেশ দিয়েছেন। ন’বছরের এক বালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রয়েছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের বিভিন্ন দিক থেকে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। হঠাৎ প্রেমে পড়তে পারেন। কর্মে উন্নতির যোগ। মাঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.০৭ টাকা ৬৯.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১৭ টাকা ৯২.৬১ টাকা
ইউরো ৭৬.৫৮ টাকা ৭৯.৫৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী ৩৫/৫৬ রাত্রি ৮/২। অনুরাধা ৩/৫৯ দিবা ৭/১৫। সূ উ ৫/৩৯/২৬, অ ৫/৪৫/৫০, অমৃতযোগ দিবা ৮/৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৫ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে ৩/১৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৯ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী রাত্রি ১২/১১/১৩। অনুরাধানক্ষত্র ১১/২৩/৩৭, সূ উ ৫/৩৯/৪৩, অ ৫/৪৫/৩, অমৃতযোগ দিবা ৮/৪/৪৭ থেকে ১০/২৯/৫১ মধ্যে ও ১২/৫৪/৫৫ থেকে ২/৩১/৩৭ মধ্যে ও ৩/১৯/৫৯ থেকে ৪/৫৬/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২/৪২ মধ্যে ও ৮/৫৩/৩৮ থেকে ১১/১৪/৩৪ মধ্যে ও ১/৩৫/৩০ থেকে ৩/১০/৪৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/১০/২৩ থেকে ৮/৪১/৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১৩/৩ থেকে ২/৪৩/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৪/২৩ থেকে ৮/৪৩/৪৩ মধ্যে।
১৮ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গ্রেটার নয়ডায় একটি কারখানায় আগুন, অকুস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

03:40:50 PM

দিল্লির শাহিনবাগে বহুতলে আগুন, মৃত ২

03:21:01 PM

রাজাবাগান এলাকায় ভেজাল মশলা তৈরির কারখানার হদিশ 

03:15:14 PM

হাওড়ার ব্যাঁটরায় ২২ কেজি গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ১ 

03:11:58 PM

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসছেন কেকেআর কর্ণধার শাহরুখ খান 

03:09:08 PM

হাওড়ার হালিশহর প্রাইমারি স্কুলে আগুন 
হাওড়ার হালিশহর প্রাইমারি স্কুলে আগুন। মিড ডে মিলের রান্না থেকেই ...বিশদ

01:54:00 PM