Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

চণ্ডীর ত্রিমূর্ত্তি

বেদান্ত-দর্শনের প্রথম অধ্যায়ে একটি সূত্র আছে ‘‘কম্পনাৎ’’। পরব্রহ্ম শ্রীহরিপুরুষের ভয়ে বিশ্বজগৎ প্রকম্পিত। কণ্ঠ শ্রুতিতে আছে, ‘‘মহদ্ভয়ং বজ্রমুদ্যতম্‌’’, উদ্যত বজ্রের মত তিনি মহাভয়ঙ্কর। তাঁহার ভয়ে সূর্য্য উঠে, অগ্নি জ্বলে, বাতাস বহে, যম পর্য্যন্ত কাঁপে। ব্রহ্মের এই ভয়ঙ্করী শক্তিই চণ্ডী। চড়ি ধাতুর অর্থে কোপ করা। চণ্ডী অর্থ কোপময়ী। শরণাগত ভক্তকে আসুরিক আঘাত হইতে রক্ষার জন্য ব্রহ্মশক্তি যখন ভয়ঙ্করী মূর্ত্তি ধরেন তখন তিনি চণ্ডিকা। চণ্ডীর গুপ্তবতী টীকা অন্যরূপ বলিয়াছেন। ‘‘চণ্ডী নাম পরব্রহ্মণঃ পট্টমহিষী দেবতা।’’ চণ্ডী পরব্রহ্মের পট্টমহিষী দেবী। দেবী বলিতে পরমদেবের প্রধানা শক্তি উদ্দিষ্ট। ব্রহ্ম শক্তিমান্‌, চণ্ডী শক্তি। সৃষ্টির প্রারম্ভে এক অদ্বিতীয় ব্রহ্ম দুই রূপ হইয়াছে—ব্রহ্মধর্ম্মী ও চণ্ডীধর্ম্মী।
ব্রহ্মের শক্তি তিনটি। শ্বেতাশ্বতর শ্রুতি বলেন, ‘স্বাভাবিকী-জ্ঞান-বল-ক্রিয়া চ’’, জ্ঞানশক্তি, ইচ্ছাশক্তি ও ক্রিয়াশক্তি—এই প্রকাশ একই অখণ্ড শক্তির। সেই অখণ্ড শক্তির নাম চণ্ডী। আর ঐ ত্রিবিধ প্রকারময়ী মূর্ত্তির নাম মহাকালিকা, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতী। তন্ত্রশাস্ত্রজ্ঞ সাধকেরা বলেন, মহাসরস্বতী চিদ্‌রূপা, মহালক্ষ্মী সদ্‌রূপা ও মহাকালী আনন্দরূপা। এই ত্রিতয়ের সমষ্টি শক্তিভূতা সচ্চিদানন্দময়ী চণ্ডিকা। চণ্ডী গ্রন্থের তিনটি ভাগ—প্রথম, মধ্যম ও উত্তর চরিত। প্রথম চরিতে অধিষ্ঠাত্রী দেবী মহা- কালিকা, মধ্যম চরিতে মহালক্ষ্মী, মহাসরস্বতী উত্তর চরিতের প্রতিপাদ্য। শ্রীনারায়ণের নাভিপদ্মস্থিত ব্রহ্মা মধুকৈটভ-বধার্থ যাঁহার স্তব করিয়াছেন, তিনি হইলেন মহাকালী। তিনিই সৃষ্টির আদিতত্ত্ব। সংহিতায় মনু বলিয়াছেন, সৃষ্টির আদিতে কিছু ছিল না, ছিল কেবল অন্ধকার ‘‘আসীদিদম্‌ তমোভূতম্‌’’। ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্ত প্রশ্ন তুলিয়াছেন—যখন কিছু ছিল না, তখন কি ছিল? যখন পৃথিবী ছিল না, আকাশ ছিল না, রাত্রি দিনের প্রভেদ ছিল না, যাহা আছে তাহাও ছিল না ‘‘নাসদাসীন্নো সদাসীৎ’’, তখন কি ছিল?
বৈদিকঋষির এই অনন্তজিজ্ঞাসার উত্তর দিয়াছেন বেদ নিজেই পুরুষসূক্তে। যখন কিছু ছিল না, তখন ‘‘পুরুষ’’ ছিলেন। ‘‘পুরুষ এবেদং সর্ব্বং। যাহা কিছু ছিল বা থাকিবে, সকলই সে পুরুষ হইতে—‘‘যদ্ভূতং যচ্চ ভাব্যং’’। তন্ত্রশাস্ত্র উত্তরে তৃপ্ত নয়। তান্ত্রিক আচার্য্য জিজ্ঞাসা করেন, যখন পুরুষ ছিল না, তখন? নিগমশাস্ত্র বেদ বলেন, পুরুষ ছিল না কখনও হয় না। আগমশাস্ত্র তন্ত্র তাহা মানিয়াও মানিতেছে না। বলেন, পুরুষ যখন থাকিয়াও নাই, তখন কে আছেন? বাড়ীর দরজায় ‘‘In’’ দেখিয়া, আপনি আছেন জানিয়া, প্রবেশ করিলাম। পরে নিদ্রিত আছেন দেখিয়া, আলাপ না করিয়া ফিরিয়া আসিলাম। আপনি বাড়ীতে থাকিয়াও নাই। পুরুষ যখন নিদ্রিত তখন কে আছেন আগম জানিতে চায়। আগমশাস্ত্রের নির্য্যাস চণ্ডী উত্তর দিতেছেন। কল্পান্তে অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডও কারণসমুদ্রে পরিণত হইয়াছে, ‘জগত্যেকার্ণবীকৃতে।’ অনন্তশয়নে ব্রহ্মপুরুষ মহাবিষ্ণু নিদ্রিত। পুরুষের সহিত অনন্ত জগৎ সুপ্ত। তখন জাগিয়া আছেন একমাত্র যোগনিদ্রা। ইনি মহানিদ্রা, মোহনিদ্রা, মহারাত্রি, মহাদেবী, মহাকালিকা। ইনিই শ্রীহরির নেত্রে অধিষ্ঠান করিয়া আছেন, ‘‘হরিনেত্রকৃতালয়াম্‌’’। নেত্র শব্দ সকল ইন্দ্রিয়ের উপলক্ষণ। হরির সর্ব্ব ইন্দ্রিয় অভিভূত করিয়া রাখিয়াছেন এই মহাতামসী মহাশক্তি দেবী। তন্ত্রমতে ইনিই সৃষ্টির আদি। সৃষ্টিকর্ত্তা ব্রহ্মা ইঁহার দর্শন লাভ করিয়াছেন। দর্শনের কাহিনী বলিতেছি। নিদ্রিত পুরুষের নাভিকমলে, ব্রহ্মা সৃষ্টি-শক্তি, নূতন সৃষ্টির ধ্যানে মগ্ন। সৃষ্টি ক্রিয়াটি স্পন্দনময়ী। স্পন্দনের মূলে গতিবেগ। বাধা ছাড়া গতি নাই, frictionless motion হয় না। সৃষ্টির শক্তির বাধা উপস্থিত হইল। বিষ্ণুর কর্ণমলোদ্ভূত মধু ও কৈটভ দুই অসুর—বেদান্ত-দর্শনের আবরণ ও বিক্ষেপ, সাংখ্যের রজঃ ও তমঃ গুণ। তাহারাই তন্ত্রশাস্ত্রের মধু ও কৈটভ। তাহারা ব্রহ্মাকে বধ করিতে উদ্যত হইল, ‘‘হন্তুং ব্রহ্মাণমুদ্যতৌ।’’ ভীত ব্রহ্মা নিদ্রামগ্ন হরির জাগরণের নিমিত্ত তাঁহার নয়নাশ্রিতা মহানিদ্রাস্বরূপিণী মহাকালিকার স্তব করিলেন। ব্রহ্মা বলিলেন, ‘‘মাতঃ! তোমার শক্তিতে ভগবান্‌ হ঩রিও যখন নিশেষ্টভাবে শয়ান, তখন ব্রহ্মাণ্ডে আর কে আছে তোমার স্তুতি করিতে সমর্থ? তুমি দয়া করিয়া জগৎপতি বিষ্ণুকে প্রবুদ্ধ কর, ‘‘প্রবোঞ্চ’’ জগৎ-স্বামী নীয়তাম্‌, অসুরদ্বয়কে মোহিত কর, ‘‘মোহয়’’, উহাদের বিনাশের নিমিত্ত হরিকে প্রবৃত্তি দাও, ‘‘বোধশ্চ ক্রিয়তাং হন্তুম্‌’’। হরিকে প্রবুদ্ধ করিয়া অসুরবধে প্রবৃত্তি জন্মাইবার ও অসুরকে মুগ্ধ করিবার সকল সামর্থ্য তোমাতেই বিরাজমান।’’
ব্রহ্মার প্রার্থনার মহাকালিকা পরিতুষ্ট হইলেন। মধুকৈটভের বধার্থ বিষ্ণুর জাগরণ ইচ্ছা করিলেন। জাগাইতে হইলে ইন্দ্রিয়ের আবরণ উন্মোচন প্রয়োজন। মহাবিষ্ণুর ইন্দ্রিয়-শক্তিকে মহানিদ্রা নিজেই তো আবৃত্ত করিয়া রাখিয়াছেন। ধীরে সে আবরণ উন্মোচন করিতে লাগিলেন অর্থাৎ নিজেকে সরাইয়া লইতে লাগিলেন। তাঁহার নয়ন, বদন, নাসিকা, বাহু, বক্ষঃস্থল এই সকল স্থান হইতে, ‘‘নেত্রাস্য-নাসিকা-বাহু-হৃদয়েভ্যস্তথোরসঃ’’ আপনি উত্থিতা হইলেন। তখন ব্রহ্মার দর্শনে তিনি স্থির হইলেন—‘‘দর্শনে তস্থৌ’’। তিনি দেখা না দিলে দেখিবার সামর্থ্য কার?
মহানামব্রত ব্রহ্মচারী ‘চণ্ডী চিন্তা’ থেকে
29th  December, 2018
ঈশ্বর ও বিত্তদেবতা 

তোমরা যদি মানুষের অপরাধ ক্ষমা করো তবে তোমাদের স্বর্গস্থ পিতা তোমাদের ক্ষমা করবেন। কিন্তু তোমরা যদি অপরের অপরাধ ক্ষমা না করো তবে ভগবানও তোমাদের ক্ষমা করবেন না। 
বিশদ

 ভগবান বলছেন

ডাক্তার যেমন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তোমার চশমার পাওয়ার ঠিক করে, ঠিক আমরাও একই কাজ করি। জাগতিক লোক সব অন্ধ হয়ে গেছে, আমরা দেখাতে সাহায্য করি। দান করার সময় দু’হাতে দান করে দেবে। কিন্তু নেবার সময় ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। বিশদ

16th  June, 2019
মা

জয় মা। পূজো এলেই মনটা কেন জানি মাতৃসকাশে যাবার জন্য উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। মা যখন স্বশরীরে ছিলেন প্রায় প্রতিবৎসর পূজোর সময় তাঁর কাছে যেতাম। কোন কোন সময় মা নিজেও যেতে বলতেন। তাই এবার পূজোয় কনখল যাব বলে স্থির করলাম। এখন কনখলে মায়ের সমাধি মন্দিরে মায়ের উপস্থিতি অনুভব করি।
বিশদ

15th  June, 2019
  বৌদ্ধধর্ম

ঐতিহাসিকের দৃষ্টিতে বৌদ্ধধর্ম এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম—দার্শনিক দৃষ্টিতে নয়; কারণ পৃথিবীর ইতিহাসে এই ধর্মান্দোলন সর্বাধিক প্রবল আকারে দেখা দিয়েছিল, মানবসমাজের ওপর এই আন্দোলন সবচেয়ে শক্তিশালী আধ্যাত্মিক তরঙ্গে ফেটে পড়েছিল; এমন কোন সভ্যতা নেই, যার ওপর কোন না কোন ভাবে এর প্রভাব অনুভূত হয়নি।
বিশদ

14th  June, 2019
পরমেশ্বর

 এ সংসারে সত্য, ভালোবাসা—এ সবের মূল্য বড় অল্প। মাত্র তিরিশটি টাকার জন্য জুডাস তার প্রভু যীশুকে মৃত্যুর হাতে সঁপে দিয়েছিল। আমি সামান্য মানুষ, অসত্যের খড়্গে বারবার বলি হবো, তাতে আর আশ্চর্য হবার কি আছে! শাপগ্রস্ত রাজা নহুস যখন যুধিষ্ঠিরকে প্রশ্ন করেন—পরমেশ্বর কে?
বিশদ

13th  June, 2019
অমৃতকথা 

আমরা গভীর ভাবে নিজেদের দিকে তাকালে আশ্চর্যের সঙ্গে দেখব যে, আমাদের নিজেদের প্রতি, যে জগতে আমরা বাস করি সেই জগতের প্রতি এবং যাঁদের সঙ্গে মিশছি তাঁদের প্রতি আমরা একটা তীব্র অসন্তোষের ভাব পোষণ করি।  বিশদ

12th  June, 2019
মনের ধর্ম দ্বিবিধ

‘‘মনসা কল্পিতা মূর্ত্তিঃ নৃণাং চেন্মোক্ষসাধনী।
স্বপ্নলব্ধেন রাজ্যেন রাজানঃ মানবাস্তথা।।” বিশদ

11th  June, 2019
প্রেমলাভ

আশ্রম হবে প্রেম ও পবিত্রতার কেন্দ্র—লোকে সেখানে থেকে পাবে আলো, মহৎ আদর্শ। অনুশীলন ছাড়া কোনো বস্তুকে আয়ত্ত করা যায় না। ভগবৎপ্রেম লাভের জন্য প্রত্যেক সাধককেই দুশ্চর তপস্যা করতে হয়েছে। প্রেমলাভের উপায় আছে—কিন্তু সংসারে ক’জন মানুষ তা অনুসরণ করে?
বিশদ

09th  June, 2019
শিবোপদেশ

প্রাচীনকালে মানুষের পরিপ্রশ্নের প্রতিভূ ছিলেন পার্বতী। মানব মনের যা কিছু চিরন্তন জিজ্ঞাসা তা মানুষের প্রতিনিধি হিসাবে পার্বতী সদাশিবকে জিজ্ঞাসা করতেন। সদাশিবের উত্তরগুলো তো সর্বকালের নয়নাভিরাম রত্ন। কিন্তু পার্বতীর প্রশ্নগুলো এতই সুন্দর যে প্রশ্ন শুনে যে কোন বিদগ্ধ মানব ভাববেন, ‘সত্যিই তো, এটা আমারও মনের প্রশ্ন।’
বিশদ

08th  June, 2019
 ভক্ত

 শ্রীরামকৃষ্ণ (বৈষ্ণবভক্ত ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—‘আমার ধর্ম ঠিক আর অপরের ধর্ম ভুল—এমত ভাল না। ঈশ্বর এক বই দুই নাই। তাঁকে ভিন্ন ভিন্ন নাম দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন লোকে ডাকে। কেউ বলে গড্‌, কেউ বলে আল্লা, কেউ বলে কৃষ্ণ, কেউ বলে শিব, কেউ বলে ব্রহ্ম। বিশদ

07th  June, 2019
 কার্য

দার্শনিক জগতে একটা আলোড়ন এনেছিলেন মহর্ষি কণাদ তাঁর কণাদীয় ন্যায় বা বৈশেষিক দর্শনে। সেদিনকার চিন্তাক্ষেত্রে এটা একটা আলোড়ন বৈ কি! তিনি বললেন, “কারণাভাবাৎ কার্য্যাভাবঃ।” অর্থাৎ কারণ না থাকলে কার্য থাকতে পারে না। বিশদ

06th  June, 2019
অমৃতকথা 

ভগবান বুদ্ধ বলেছিলেন সম্যক কর্মান্তের কথা। মানুষের জীবনের পক্ষে উপযোগী কিছু সূক্ষ্ম নির্দেশনা আছে যা মানবীয় মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভগবান বুদ্ধ সাধারণ মানুষ সহ সবরকমের মানুষের জন্যেই আটটি মৌলনীতির কথা বলেছেন।  বিশদ

05th  June, 2019
ওঙ্কার 

ধারণার্থক ‘ধূ’ ধাতুর উত্তর ‘মন’ প্রত্যয় ক’রে ‘ধর্ম’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। ধর্মের ব্যুৎপত্তি-গত অর্থ হ’ল—যা ধারণ করে; রক্ষণার্থক ‘অব্‌’ ধাতুর উত্তর ঐ ‘মন্‌’ প্রত্যয় করেই আমরা ‘ওম্‌’ শব্দটি পাই। ওম্‌-এর অর্থ হ’ল যিনি রক্ষা করেন, অর্থাৎ ঈশ্বর।
বিশদ

04th  June, 2019
সন্তান

সন্তান পিতামাতার নিজের প্রাণ অপেক্ষা অধিক প্রিয়। সন্তানের মৃত্যুতে মায়ের মরণ যন্ত্রণা গৃহে গৃহে দেখা যায়। সন্তানের মৃত্যুতে, অনেক স্থলেই, মায়ের কোনও ক্ষতি হয় না। সন্তান একটু বড় হইলেই মায়ের নিকট হইলেই মায়ের নিকট হইতে সরিয়া পড়ে। ছেলে নিজের স্ত্রী নিয়া দিল্লী চলিয়া যায়। মেয়েকে ত পিতামাতা পরমানন্দে পরের হাতে সমর্পণ করে।
বিশদ

03rd  June, 2019
দেবতারে প্রিয় করি 

রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বরপ্রেম এমন একটি বৃত্ত যার কেন্দ্র সর্বত্র, কিন্তু যার পরিধি নেই কোথাও। সেখানে ঈশ্বর, জীব, বিশ্বপ্রকৃতির ভেদরেখা লুপ্ত। সেই বোধের অপরূপ কাব্যিক প্রকাশ ‘দেবতারে প্রিয় করি প্রিয়েরে দেবতা’। 
বিশদ

02nd  June, 2019
 লীলা

 শ্রীহরি লীলার ছলে বহু সাজিয়েছেন, কিন্তু তিনি নিজে জানেন, ‘আমি একই আছি’। যাহারা খেলায় তৃপ্ত, তাহারা পোষাক ছাড়িতে চায়; কিন্তু বহুকালের সংস্কার বশতঃ ‘দেহমনবুদ্ধি আমি নই’ এই সত্যটীতে মন বসে না, বিশ্বাস হয় না, চিন্তা করিতে ভয় হয়।
বিশদ

01st  June, 2019
একনজরে
 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: জেলার সেচবাঁধ ও শর্ট কাট চ্যানেলগুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে পঞ্চায়েত সমিতিগুলিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল জেলা প্রশাসন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যে বর্ষা ঢুকবে বলে জেলা প্রশাসনের কর্তারা মনে করছেন। ...

  মুম্বই, ১৭ জুন (পিটিআই): ৬৭ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিড়লা সূর্য সংস্থার ডিরেক্টর যশোবর্ধন বিড়লাকে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি ঘোষণা করল ইউকো ব্যাঙ্ক। রবিবার এ বিষয়ে জনস্বার্থে নোটিস জারি করেছে তারা। ...

 সৌম্যজিৎ সাহা  কলকাতা: রাজ্যে ক্রমশ কমছে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসন। গতবার যেখানে ৩১ হাজারের বেশি আসন ছিল, এবার তা আরও কমে হয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৯টি আসন। প্রাথমিক হিসেবে এই তথ্য মিলেছে। যদিও এখনও দু’টি কলেজ এবং কয়েকটি বিষয়ের আসন যুক্ত হওয়ার ...

  চেন্নাই, ১৭ জুন: তামিলনাড়ু পুলিসের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বিশেষ রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন আইএস সমর্থনকারীকে গ্রেপ্তার করল বিশেষ তদন্তকারী শাখা (এনআইএ)। ওই তিনজন কোয়েম্বাটোরের বিভিন্ন ধর্মীয়স্থানে আত্মঘাতী হামলার ছক করেছিল বলে পুলিসের দাবি। ধৃতদের নাম মহম্মদ হুসেন, শাহজাহান এবং শেখ সইফুল্লা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দলাভ হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩৬- রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির মৃত্যু
১৯৮৭- পরিচালক হীরেন বসুর মৃত্যু
২০০৫- ক্রিকেটার মুস্তাক আলির মৃত্যু
২০০৯- প্রখ্যাত সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের মৃত্যু  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৯ টাকা ৭০.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৩৪ টাকা ৮৯.৫৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৯ টাকা ৭৯.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৩২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৬১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২৩/৫৮ দিবা ২/৩১। মূলা ১৭/১৬ দিবা ১১/৫০। সূ উ ৪/৫৬/০, অ ৬/১৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩৯ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
২ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২২/২২/৩৮ দিবা ১/৫২/৩৩। মূলানক্ষত্র ১৭/২৭/২৯ দিবা ১১/৫৪/৩০, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/১৫ গতে ৮/১৬/৫৯ মধ্যে, কালবেলা ১/১৯/১৩ গতে ২/৫৯/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪০/৪৩ গতে ২/৫৯/৫৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৪ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে 

17-06-2019 - 10:53:42 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ২১০/৩ (৩০ ওভার)(টার্গেট ৩২২)  

17-06-2019 - 09:57:10 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ১৩৮/৩ (২০ ওভার) 

17-06-2019 - 09:04:26 PM

কাল থেকে হাসপাতালগুলিতে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিষেবা
অবশেষে উঠল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি। আজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ...বিশদ

17-06-2019 - 08:39:26 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ৭০/১ (১০ ওভার) 

17-06-2019 - 08:11:12 PM

বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতি হলেন জেপি নাড্ডা 

17-06-2019 - 08:05:00 PM