অমৃতকথা
 

চণ্ডীর ত্রিমূর্ত্তি

বেদান্ত-দর্শনের প্রথম অধ্যায়ে একটি সূত্র আছে ‘‘কম্পনাৎ’’। পরব্রহ্ম শ্রীহরিপুরুষের ভয়ে বিশ্বজগৎ প্রকম্পিত। কণ্ঠ শ্রুতিতে আছে, ‘‘মহদ্ভয়ং বজ্রমুদ্যতম্‌’’, উদ্যত বজ্রের মত তিনি মহাভয়ঙ্কর। তাঁহার ভয়ে সূর্য্য উঠে, অগ্নি জ্বলে, বাতাস বহে, যম পর্য্যন্ত কাঁপে। ব্রহ্মের এই ভয়ঙ্করী শক্তিই চণ্ডী। চড়ি ধাতুর অর্থে কোপ করা। চণ্ডী অর্থ কোপময়ী। শরণাগত ভক্তকে আসুরিক আঘাত হইতে রক্ষার জন্য ব্রহ্মশক্তি যখন ভয়ঙ্করী মূর্ত্তি ধরেন তখন তিনি চণ্ডিকা। চণ্ডীর গুপ্তবতী টীকা অন্যরূপ বলিয়াছেন। ‘‘চণ্ডী নাম পরব্রহ্মণঃ পট্টমহিষী দেবতা।’’ চণ্ডী পরব্রহ্মের পট্টমহিষী দেবী। দেবী বলিতে পরমদেবের প্রধানা শক্তি উদ্দিষ্ট। ব্রহ্ম শক্তিমান্‌, চণ্ডী শক্তি। সৃষ্টির প্রারম্ভে এক অদ্বিতীয় ব্রহ্ম দুই রূপ হইয়াছে—ব্রহ্মধর্ম্মী ও চণ্ডীধর্ম্মী।
ব্রহ্মের শক্তি তিনটি। শ্বেতাশ্বতর শ্রুতি বলেন, ‘স্বাভাবিকী-জ্ঞান-বল-ক্রিয়া চ’’, জ্ঞানশক্তি, ইচ্ছাশক্তি ও ক্রিয়াশক্তি—এই প্রকাশ একই অখণ্ড শক্তির। সেই অখণ্ড শক্তির নাম চণ্ডী। আর ঐ ত্রিবিধ প্রকারময়ী মূর্ত্তির নাম মহাকালিকা, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতী। তন্ত্রশাস্ত্রজ্ঞ সাধকেরা বলেন, মহাসরস্বতী চিদ্‌রূপা, মহালক্ষ্মী সদ্‌রূপা ও মহাকালী আনন্দরূপা। এই ত্রিতয়ের সমষ্টি শক্তিভূতা সচ্চিদানন্দময়ী চণ্ডিকা। চণ্ডী গ্রন্থের তিনটি ভাগ—প্রথম, মধ্যম ও উত্তর চরিত। প্রথম চরিতে অধিষ্ঠাত্রী দেবী মহা- কালিকা, মধ্যম চরিতে মহালক্ষ্মী, মহাসরস্বতী উত্তর চরিতের প্রতিপাদ্য। শ্রীনারায়ণের নাভিপদ্মস্থিত ব্রহ্মা মধুকৈটভ-বধার্থ যাঁহার স্তব করিয়াছেন, তিনি হইলেন মহাকালী। তিনিই সৃষ্টির আদিতত্ত্ব। সংহিতায় মনু বলিয়াছেন, সৃষ্টির আদিতে কিছু ছিল না, ছিল কেবল অন্ধকার ‘‘আসীদিদম্‌ তমোভূতম্‌’’। ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্ত প্রশ্ন তুলিয়াছেন—যখন কিছু ছিল না, তখন কি ছিল? যখন পৃথিবী ছিল না, আকাশ ছিল না, রাত্রি দিনের প্রভেদ ছিল না, যাহা আছে তাহাও ছিল না ‘‘নাসদাসীন্নো সদাসীৎ’’, তখন কি ছিল?
বৈদিকঋষির এই অনন্তজিজ্ঞাসার উত্তর দিয়াছেন বেদ নিজেই পুরুষসূক্তে। যখন কিছু ছিল না, তখন ‘‘পুরুষ’’ ছিলেন। ‘‘পুরুষ এবেদং সর্ব্বং। যাহা কিছু ছিল বা থাকিবে, সকলই সে পুরুষ হইতে—‘‘যদ্ভূতং যচ্চ ভাব্যং’’। তন্ত্রশাস্ত্র উত্তরে তৃপ্ত নয়। তান্ত্রিক আচার্য্য জিজ্ঞাসা করেন, যখন পুরুষ ছিল না, তখন? নিগমশাস্ত্র বেদ বলেন, পুরুষ ছিল না কখনও হয় না। আগমশাস্ত্র তন্ত্র তাহা মানিয়াও মানিতেছে না। বলেন, পুরুষ যখন থাকিয়াও নাই, তখন কে আছেন? বাড়ীর দরজায় ‘‘In’’ দেখিয়া, আপনি আছেন জানিয়া, প্রবেশ করিলাম। পরে নিদ্রিত আছেন দেখিয়া, আলাপ না করিয়া ফিরিয়া আসিলাম। আপনি বাড়ীতে থাকিয়াও নাই। পুরুষ যখন নিদ্রিত তখন কে আছেন আগম জানিতে চায়। আগমশাস্ত্রের নির্য্যাস চণ্ডী উত্তর দিতেছেন। কল্পান্তে অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডও কারণসমুদ্রে পরিণত হইয়াছে, ‘জগত্যেকার্ণবীকৃতে।’ অনন্তশয়নে ব্রহ্মপুরুষ মহাবিষ্ণু নিদ্রিত। পুরুষের সহিত অনন্ত জগৎ সুপ্ত। তখন জাগিয়া আছেন একমাত্র যোগনিদ্রা। ইনি মহানিদ্রা, মোহনিদ্রা, মহারাত্রি, মহাদেবী, মহাকালিকা। ইনিই শ্রীহরির নেত্রে অধিষ্ঠান করিয়া আছেন, ‘‘হরিনেত্রকৃতালয়াম্‌’’। নেত্র শব্দ সকল ইন্দ্রিয়ের উপলক্ষণ। হরির সর্ব্ব ইন্দ্রিয় অভিভূত করিয়া রাখিয়াছেন এই মহাতামসী মহাশক্তি দেবী। তন্ত্রমতে ইনিই সৃষ্টির আদি। সৃষ্টিকর্ত্তা ব্রহ্মা ইঁহার দর্শন লাভ করিয়াছেন। দর্শনের কাহিনী বলিতেছি। নিদ্রিত পুরুষের নাভিকমলে, ব্রহ্মা সৃষ্টি-শক্তি, নূতন সৃষ্টির ধ্যানে মগ্ন। সৃষ্টি ক্রিয়াটি স্পন্দনময়ী। স্পন্দনের মূলে গতিবেগ। বাধা ছাড়া গতি নাই, frictionless motion হয় না। সৃষ্টির শক্তির বাধা উপস্থিত হইল। বিষ্ণুর কর্ণমলোদ্ভূত মধু ও কৈটভ দুই অসুর—বেদান্ত-দর্শনের আবরণ ও বিক্ষেপ, সাংখ্যের রজঃ ও তমঃ গুণ। তাহারাই তন্ত্রশাস্ত্রের মধু ও কৈটভ। তাহারা ব্রহ্মাকে বধ করিতে উদ্যত হইল, ‘‘হন্তুং ব্রহ্মাণমুদ্যতৌ।’’ ভীত ব্রহ্মা নিদ্রামগ্ন হরির জাগরণের নিমিত্ত তাঁহার নয়নাশ্রিতা মহানিদ্রাস্বরূপিণী মহাকালিকার স্তব করিলেন। ব্রহ্মা বলিলেন, ‘‘মাতঃ! তোমার শক্তিতে ভগবান্‌ হ঩রিও যখন নিশেষ্টভাবে শয়ান, তখন ব্রহ্মাণ্ডে আর কে আছে তোমার স্তুতি করিতে সমর্থ? তুমি দয়া করিয়া জগৎপতি বিষ্ণুকে প্রবুদ্ধ কর, ‘‘প্রবোঞ্চ’’ জগৎ-স্বামী নীয়তাম্‌, অসুরদ্বয়কে মোহিত কর, ‘‘মোহয়’’, উহাদের বিনাশের নিমিত্ত হরিকে প্রবৃত্তি দাও, ‘‘বোধশ্চ ক্রিয়তাং হন্তুম্‌’’। হরিকে প্রবুদ্ধ করিয়া অসুরবধে প্রবৃত্তি জন্মাইবার ও অসুরকে মুগ্ধ করিবার সকল সামর্থ্য তোমাতেই বিরাজমান।’’
ব্রহ্মার প্রার্থনার মহাকালিকা পরিতুষ্ট হইলেন। মধুকৈটভের বধার্থ বিষ্ণুর জাগরণ ইচ্ছা করিলেন। জাগাইতে হইলে ইন্দ্রিয়ের আবরণ উন্মোচন প্রয়োজন। মহাবিষ্ণুর ইন্দ্রিয়-শক্তিকে মহানিদ্রা নিজেই তো আবৃত্ত করিয়া রাখিয়াছেন। ধীরে সে আবরণ উন্মোচন করিতে লাগিলেন অর্থাৎ নিজেকে সরাইয়া লইতে লাগিলেন। তাঁহার নয়ন, বদন, নাসিকা, বাহু, বক্ষঃস্থল এই সকল স্থান হইতে, ‘‘নেত্রাস্য-নাসিকা-বাহু-হৃদয়েভ্যস্তথোরসঃ’’ আপনি উত্থিতা হইলেন। তখন ব্রহ্মার দর্শনে তিনি স্থির হইলেন—‘‘দর্শনে তস্থৌ’’। তিনি দেখা না দিলে দেখিবার সামর্থ্য কার?
মহানামব্রত ব্রহ্মচারী ‘চণ্ডী চিন্তা’ থেকে
29th  December, 2018
বুদ্ধি 

শুধু বুদ্ধি দ্বারা পরম সত্যের অনুসন্ধান করিলে তাহার পরিণাম হইবে হয় এইরূপ অজ্ঞেয়বাদ, নয় কোন বুদ্ধিগত ধারা, নয়ত কোন মনগড়া সূত্র বা বিধান। এইরূপ শত শত ধারা ও সূত্র হইয়া গিয়াছে, আরও শত শত হইতে পারে, কিন্তু কোনটীই যথার্থ পথ নির্দ্দেশ করিতে পারিবে না। 
বিশদ

তপস্যা

ধীরে ধীরে উন্নতি করা ভাল। খুব একচোট উন্নতি করলে বেশীক্ষণ স্থায়ী হয় না। খুব কীর্তন করলে মন হু হু করে উঠে গেল, কত নাচলে কাঁদলে, তারপর—যে-কে সেই! চৈতন্য মহাপ্রভু, রামচন্দ্র, শ্রীকৃষ্ণ—যত অবতার কত উপদেশ দিচ্ছেন। হে জীব!
বিশদ

21st  January, 2019
ভবিষ্যৎ

জীবনকে যাহারা সত্য বলিয়া জানিয়াছে, তাহারা ইহাকে ক্রমবিবর্দ্ধমান বলিয়াও বুঝিয়াছে। শীতের প্রখর পীড়নে পত্রপল্লবহীন হইয়াও বসন্তের মলয়-হিল্লোল গায়ে লাগিবামাত্র পাদপ-শ্রেণী নবাঙ্কুর মেলিয়া দেয়।  
বিশদ

20th  January, 2019
পরনিন্দা-পরচর্চা

অপরকে বিচার কোরো না তাহলে নিজেই বিচারিত হবে। যে পরিমাণ দোষ তুমি সাব্যস্ত করবে সেই পরিমাণ দোষে তুমি দূষিত হবে।
তোমার ভাইয়ের চোখে এক কণা কাঠের গুড়ো রয়েছে তাই তুমি দেখছ; আর নিজের চোখে যে একখানা কড়িকাঠ পড়ে রয়েছে—তা কেন দেখছ না?
বিশদ

19th  January, 2019
 সাধন

 প্রশ্ন: সাধন সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন মহারাজ।
উত্তর: সাধনা বলতে তাঁর নামগুণগান, পবিত্র জীবন-যাপন করা, সৎগ্রন্থ পাঠ, ভঙ্গসঙ্গ করা—এসব। বিশদ

18th  January, 2019
জ্ঞান

মনুষ্যের যে জ্ঞান তদ্বারা সৃষ্ট বস্তুর বিচার করা যায়। ভগবৎ-তত্ত্ব মানবীয় জ্ঞানের অধীন নহে। ঋষিগণ অপরাবিদ্যা ও পরাবিদ্যা জ্ঞানকে দুইভাগ করিয়াছেন। ‘‘নৈব বাচা ন মনসা প্রাপ্তুংশক্যো ন চক্ষুষা, অস্তীতি ব্রুবতোহন্যত্র কথং তদুপলভ্যতে।’’ বিশদ

17th  January, 2019
প্রার্থনা 

জগতে প্রার্থনা করিলে অনেক জিনিস পাওয়া যায় না, হৃদয়ভরা ব্যাকুলতা লইয়া লোকের দ্বারে দ্বারে ভ্রমণ করিলেও লোক সে ব্যাকুলতা উপেক্ষার সহিত উড়াইয়া দেয়; একবার দৃষ্টিপাত করিবার অবকাশ পায় না; ইহাই জাগতিক রীতি, যাহা চাই তাহা দূরে যায়, তথাপি প্রার্থনা করাই আমাদের স্বভাব। 
বিশদ

15th  January, 2019
নিবেদিতার মেয়ে

নিবেদিতার যথার্থ মেয়ে হতে হলে আমাদেরও প্রস্তুতি প্রয়োজন। ‘নিবেদিতাকে যেমন দেখিয়াছি’ বইখানিতে প্রথম দিকের স্কুলজীবনের কতকগুলি ছবি এঁকেছেন কবি সরলাবালা সরকার। প্রথম কথাই ছিল বিদ্যালয়ে সরল অনাড়ম্বর ব্যবস্থা—যতটুকু না হলেই নয়। তেঁতুল বীচি নিয়ে নিবেদিতা সংখ্যা গণনা শিখিয়েছেন। বিশদ

14th  January, 2019
স্বামীজী

স্বামীজী আমায় বলেছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই বক্তৃতা দিতে হবে। সেজন্য যেসব শক্তি বর্তমান জগতকে আলোড়িত করছে, সেগুলো নিয়ে আমিও ভাবছি— বাগ্মিতার দ্বারাও কিছু কাজ হবে বলে মনে হচ্ছে। এইভাবে অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। বিশদ

13th  January, 2019
মুক্ত হও

 স্বর্গীয় পিতা যেমন পূর্ণ, তোমরাও সেরূপ পূর্ণতা লাভ কর। এই বাক্যে যীশু শৈলোপদেশের মূল বক্তব্য তুলে ধরেছেন। মানবজীবনের উদ্দেশ্য কি?— তা এখানে বলা হয়েছে। সকল ধর্মের এই একই মর্মবাণীঃ পূর্ণতার সন্ধান কর, ভগবান লাভ কর। বিশদ

12th  January, 2019
 মহাশক্তি

যে মহাশক্তি অসীম, অগম্য, তিনিই এই যুগে ভক্তগণের কাছে সুলভ হবার জন্যে রামকৃষরূপে অবতীর্ণ। শ্রীরামকৃষ্ণের ফটোকে ফটো মাত্র মনে করো না, উহা তাঁর জীবন্ত মূর্তি। তিনি প্রেম ও দয়ার অবতার। তাঁর চেয়ে দয়াবান আর কেউ নেই। যিনি ঠাকুরের দেহধারণ করেছিলেন, তিনি মা কালী ভিন্ন অন্য কেহ নন। বিশদ

11th  January, 2019
 শ্রীশ্রীঠাকুর ও মা

শ্রীশ্রীঠাকুর মা অভেদ। সাঙ্গোপাঙ্গগণ তাঁদের অঙ্গের হস্তপদাদি অবয়বের ন্যায়। মা আর ঠাকুর যে ঘরে বসেছেন, তাদের আবার ভয় কি?
আমাদের মা সরস্বতী, লক্ষ্মী, দুর্গা, কালী ইত্যাদি সব। বিশদ

10th  January, 2019
 ‘উগ্র’

 ‘উগ্র’ মানে কী? মহাবিষ্ণুকে কেন ‘উগ্র’ বলা হচ্ছে? কেন নম্র নয়? ‘উগ্র’ মানে আদর্শের সামনে যে আর কোনও কিছুরই সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলতে রাজি নয় অর্থাৎ আদর্শ নিয়ে যখন এগিয়ে চলছি তখন অন্য কোনও প্রতিকূল ব্যষ্টি বা বিরোধী শক্তির সঙ্গে মানিয়ে চলার কোনও প্রশ্ন ওঠে না, আমি আদর্শের পথে চলব।
বিশদ

09th  January, 2019
এগিয়ে যাও

একটি ছোট্ট গল্প—কিন্তু ব্যঞ্জনা গভীর। কথামালার মতো এক সরল কাহিনী। দক্ষিণেশ্বরে তাঁর ছোট ঘরে বসে গল্প বলছেন শ্রীরামকৃষ্ণ। শ্রোতা—জিজ্ঞাসু তরুণদল। অধ্যাত্মজগতে এঁরা নবাগত। সত্যান্বেষণের প্রেরণা দুর্বার, এই যাত্রার শেষ কোথায়? শ্রীরামকৃষ্ণ বলছেন—‘এগিয়ে যা’।
বিশদ

08th  January, 2019
সমুদ্র-মণ্ডল

সমুদ্রবিজ্ঞানের অনুরাগীরা একবার সবাই মিলে ঠিক করলেন, ভূমণ্ডলের নাম পাল্টে সমুদ্র-মণ্ডল করা উচিত। কারণ এই গ্রহের ৭৮ ভাগই জল, মাত্র ২২ ভাগ স্থল। অনুরূপ নজির তুলে কোয়ান্টাম বিজ্ঞানীরাও সঙ্গত দাবি তুলতে পারেন যে, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নাম হওয়া উচিত অতিপরমাণুময় আকাশমণ্ডল।
বিশদ

07th  January, 2019
সাধন

সাধন বহু প্রকার আছে এবং সাধকের অধিকার অনুসারে প্রত্যেকটি সাধনার সার্থকতা আছে। সাধকের যেমন যোগ্যতার তারতম্য আছে, তেমনি তদনুসারে সাধনের ফলগত তারতম্যও আছে। যাঁহারা সাধনার ইতিহাস আলোচনা করেন তাঁহারা তটস্থ দৃষ্টি গ্রহণ করিতে পারে না বলিয়া ইহা ধারণা করিতে পারে না। বিশদ

06th  January, 2019
একনজরে
কেন্দ্রপাড়া, ২১ জানুয়ারি (পিটিআই): ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলায় একটি এসইউভির সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন চারজন। পুলিস জানিয়েছে, যাত্রীরা মুম্বইয়ের ট্রেন ধরার জন্য কেন্দ্রপাড়া শহর থেকে কটক স্টেশনে যাচ্ছিলেন।  ...

বিএনএ, সিঙ্গুর: চলতি বছরেই উত্তরবঙ্গে আরও দু’টি এবং আগামী পাঁচ বছরে রাজ্যে মোট ১০০টি সৌরবিদ্যুৎ চালিত সব্জি সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সোমবার হুগলির সিঙ্গুরে ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মেয়েদের পড়ার জন্য এলাকায় কোনও বালিকা বিদ্যালয় ছিল না। দু-একটি স্কুল যা রয়েছে সবই কো-এড। তাই আশপাশের গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের সব ছাত্রীকেই চতুর্থ শ্রেণীর পর সেই স্কুলগুলিতেই ভর্তি হতে হতো।   ...

ওয়াশিংটন, ২১ জানুয়ারি (পিটিআই): গত বছরের মতো এবছরও আর্থিক বৃদ্ধির হারে চীনকে টেক্কা দিতে পারে ভারত। সোমবার এমনই পূর্বাভাস দিল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার। তাদের জানুয়ারি মাসের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমি আউটলুক রিপোর্ট’ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলা দেশ হিসেবে নিজের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি বৃদ্ধি। প্রিয়জনের মানহানির আশঙ্কা। দাম্পত্যজীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। অত্যধিক ব্যয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৯০১: রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১৮ টাকা ৯৩.৬২ টাকা
ইউরো ৭৯.৭৭ টাকা ৮২.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৭৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,০৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৫২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ মাঘ ১৪২৫, ২২ জানুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ১/৪৬ দিবা ৭/৫ পরে দ্বিতীয়া ৫২/৩৯ রাত্রি ৩/২৬। নক্ষত্র- অশ্লেষা ৪২/৫৩ রাত্রি ১১/৩২, সূ উ ৬/২২/৩৬, অ ৫/১৩/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ২/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২ গতে ৪/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৩ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৬/৫২ গতে ৮/৩১ মধ্যে। 
৭ মাঘ ১৪২৫, ২২ জানুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ৯/১৬/২। অশ্লেষানক্ষত্র রাত্রি ২/৫৪/৪১। সূ উ ৬/২৫/২, অ ৫/১০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৮/৩৪/৬ থেকে ঘ ১০/৪৩/২৭ মধ্যে ও ১২/৫২/৪৭ থেকে ২/১৯/১ মধ্যে ও ৩/২/৮ থেকে ৪/২৮/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২১ মধ্যে ও ৮/৪৩/১ থেকে ১১/২১/৪০ মধ্যে ও ২/০/২০ থেকে ৩/৪৬/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৫/৪৪ থেকে ৯/৬/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১/৮/৩২ থেকে ২/২৯/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৯/৫৬ থেকে ঘ ৮/২৯/১৪ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহের সভা শেষে অসুস্থ অমিত শাহ, ফিরছেন দিল্লি 
আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এদিন ...বিশদ

05:10:14 PM

লোকসভার প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় নির্বাচন কমিশন 
তিন মাসের মধ্যেই লোকসভা ভোট। হাতে রয়েছে মাত্র অল্প কিছু ...বিশদ

04:57:45 PM

১ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরু 

04:20:00 PM

১৩৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:06:00 PM

প্রধান শিক্ষক নিয়োগে সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট 
স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ...বিশদ

03:11:51 PM

বাংলায় বিজেপি এলে একটি গোরুও পাচার হবে না: অমিত শাহ 

03:01:04 PM