সম্পাদকীয়
 

  রাজনীতি নয়, গড়ে উঠুক জাতীয়তাবোধ

দিন কয়েক পরেই স্বাধীনতা দিবস। কত জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হবে এই দিনটি। কত স্বপ্ন, কত ভাবনা। কিন্তু, সত্যিই যদি কোনও সাধারণ ভারতবাসীকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-দল নির্বিশেষে প্রশ্ন করা হয়, আপনি ভালো আছেন? তাহলে অনেকেই হয়তো বলবেন এদেশে আমরা ভালো নেই। নয় নয় করে স্বাধীনতার বার্ধক্য প্রদেশে আমরা প্রবেশ করতে চললেও দেশকে বাদ দিয়ে রাজনীতির বালখিল্যপনা এখনও ত্যাগ করতে পারিনি। সেই স্বাধীনতাপূর্ব ও পরবর্তী আমলেও কংগ্রেস দলের স্বজনপোষণ, ক্ষমতার জন্য যে কোনও নীতি অবলম্বন, এমনকী দেশ ব্যতিরেকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলির বহু নেতা-নেত্রীও স্বার্থ নিয়ে হানাহানির ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি, পারবেনও না। সেই কারণে আমজনতা বলতেই পারেন—এদেশে আমরা ভালো নেই। দুঃখে আছি। অশান্তিতে আছি। কারণ, আমাদের মাথার উপরে যাঁরা রয়েছেন, যাঁরা দেশকে পরিচালনা করছেন, তাঁদের অনেকেই কোনওদিন নিজেদের বাইরে এই দেশটার, দেশের মানুষের কথা তেমনভাবে ভাবেননি।
আজ আমরা এক চরম দুঃসময়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে। আমরা এমন এক ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছি, যার আছে নানা শত্রু। আছে পাকিস্তান। তার সঙ্গে রয়েছে চীনের মতো বৃহৎ শক্তির ঈর্ষা। লেজুড় হিসাবে নেপাল বা ভুটানকেও ইদানীং সন্দেহের চোখে দেখতে হচ্ছে। কারণ, ভারত এক বৃহৎ ভূখণ্ড। বৃহৎ এর মানবশক্তি। বৃহৎ এর পণ্যবাজার। এই চক্রব্যুহে বাস করেও আমাদের সব থেকে বড় বিপদ রয়েছে আমাদেরই অভ্যন্তরে। তা হলে রাজনৈতিক বিবাদ-বিসম্বাদ। যেখানে এই দুর্দিনে সকলে মিলিতভাবে পাকিস্তান ও চীনের বিরুদ্ধে জনমত ও রাষ্ট্রশক্তিকে প্রস্তরের মতো কঠিনভাবে গড়ে তোলা দরকার, সেখানে আমাদের দেশের প্রধান বিরোধী দলের তাবড় নেতারা মধ্যরাত অবধি সময় কাটাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। কী না দলনেত্রীর মনপসন্দ একজনকে ‘জিতিয়ে’ নিয়ে আসতে হবে। নিজের দলকে ক্ষমতায় ফেরাতে এইসব নেতার কোমরের জোর নেই। যে তরুণ ‘যুবরাজে’র পদতলে সর্বস্ব সঁপে দিয়ে মানসম্মান সব খুইয়ে বসে রয়েছেন অনেকে, তাঁরও যেন দল সম্পর্কে কোনও হেলদোল নেই। কিন্তু, বিজেপি শাসিত মোদি সরকারের আঁকশি দিয়ে পা টেনে ধরায় খামতি নেই কারও।
কংগ্রেস কিছুতেই মানতে পারছে না যে, বয়সের ভারে ন্যুব্জ, জীর্ণ খণ্ডহরের মতো হয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের সামনে এখন কোমর সোজা করে নেতৃত্ব করে দেওয়ার মতো তেমন কোনও মুখ নেই। ১০ নম্বর জনপথের বাইরে কংগ্রেসের অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন। নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি করতেই ব্যস্ত। কংগ্রেসের উত্থান আবার তখনই সম্ভব হবে, যখন মোদির পতন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়বে, তার আগে নয়। শুধুমাত্র সাম্প্রদায়িকতার লকেট ঝুলিয়ে দিয়ে জনমানস থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে না বিজেপিকে।
কারণ, আমাদের দেশের মানুষ আপাতত এখন কিছুটা হলেও বুঝেছেন, অস্তিত্ব যখন বিপন্ন হতে বসে, তখন কিছুটা হলেও জাতীয়তাবাদী হওয়া প্রয়োজন। না হলে একটি জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বাধ্য। গলায় গলায় ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে থাকুক। কিন্তু, ভাই যখন পিছন থেকে ছুরি হানতে আসে তখন প্রতিরোধও গড়ে তোলা উচিত। না হলে প্রাণ যে যায়! পাকিস্তানের প্রতি ভারত এ পর্যন্ত অনেক ভালোবাসার গোলাপ এগিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তে পেয়েছে শুধু কাঁটা। এখন সেই ঋণ সুদসমেত ফেরত দিতে গেলে আমাদের দেশের দলগুলির গায়ে বিঁধছে কেন? তারা কেন এদেশের একটা শ্রেণিকে বিপন্ন বলে উসকানি দেবে? ভোট ব্যাংকের জন্য?
আজকে দেশের কোণায় কোণায়, কোথাও না কোথাও নানান সংকীর্ণতাবাদী রাজনীতির উদ্ভব হচ্ছে, তাদের মদত জোগাচ্ছে কারা? তাদের পিছনেও বাইরেও শক্তি নেই তো! একথা কি ভেবে দেখেছেন আমাদের নেতা-নেত্রীরা। অতএব, এখন এই দুর্দিনে সব থেকে বড় প্রয়োজন দেশকে এক রাখা। হিন্দু বা মুসলমানের ভারতবর্ষ নয়। ভারতীয়দের ভারতবর্ষ। জাতীয়তাবোধই হবে যে দেশের মূল বা বীজমন্ত্র।
11th  August, 2017
গুজরাত ভোটের অসম লড়াই

গুজরাত জয়ের লক্ষ্যে রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের অনেক অন্ধ সমর্থকও হয়তো এমন একটা উক্তিতে চোখ কচলে কান খুঁচিয়ে জিজ্ঞেস করবেন, ঠিক শুনছি তো? রাহুল গান্ধী নিজেও অতটা আশাবাদী নন। তবে তাঁর দাবি, কংগ্রেস এবারের ভোটে ভালো ফল করবে। বাধা একটাই। নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

মোদির সংস্কারকে স্বীকৃতি

 গুজরাত বিধানসভার আসন্ন নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ারের সামনে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মোদির রাজনীতির আঁতুড়ঘরের আসন্ন ওই নির্বাচনের ফলাফল বছর দেড়েক বাদের লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য-ব্যর্থতার কিছুটা হলেও আভাস দেবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
বিশদ

19th  November, 2017
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে হবে

খাতায় কলমে সরকারি পরিসংখ্যান যাই বলুক নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ এই মুহূর্তে নিদারুণ কষ্টে রয়েছেন। চালের দাম বাড়ছে। অসময়ের বৃষ্টি সব্জির মূল্যকে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গিয়েছে। প্রকৃতির এই খামখেয়াল চলতে থাকলে ভরাশীতেও বাজার আগুন থাকবে।
বিশদ

18th  November, 2017
দুর্নীতির ‘কোহিনুর’

 ফের একবার দুর্নীতির কালো পাঁকে নিমজ্জিত হতে হল কেরলের ফ্রন্ট সরকারকে। যে ফ্রন্টের মাথায় অধিকাংশ সময়ে দুর্নীতির ‘কোহিনুর’ হিসেবে জ্বলজ্বল করে সিপিএমেরই কারও নাম। এটা অবশ্য দেশের মানুষের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়।
বিশদ

17th  November, 2017
রসগোল্লা-যুদ্ধে বাংলার ‌জয়

 ১৮৬৮ থেকে ২০১৭। অর্থাৎ দেড়শো বছরের মাথায় মিলল বাংলার রসগোল্লার সরকারি স্বীকৃতি। বাগবাজারের নবীন ময়রা তিন-চার বছরের চেষ্টায় সেই সার্ধশতবর্ষ আগে একদিন আস্ত রসগোল্লা তৈরি করতে সফল হয়েছিলেন। নবীনচন্দ্র দাশই হলেন রসগোল্লার কলম্বাস। তার পর সেই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বঙ্গদেশের সর্বত্র। রসগোল্লার আঘ্রাণ বহির্বঙ্গ, বহির্ভারতে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। এই রসের মিষ্টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও চলেছে বিস্তর।
বিশদ

16th  November, 2017
বাংলায় বিনিয়োগে আশার সোনালি রেখা

এ যেন আর একটি পর্বতশৃঙ্গ জয়। কিছুদিন আগেই বিশ্বের মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলার ‘কন্যাশ্রী’। এবার ব্রিটেনের মাটিতে আর একবার বিশ্বের নজর কেড়ে নিল বাংলা। এবারও নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি।
বিশদ

15th  November, 2017
ডেঙ্গু ম্যাপিং দরকার

রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় রোজই ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এ পর্যন্ত কতজন ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরের বলি হয়েছেন সেই বিতর্কে গিয়ে বিশেষ লাভ নেই। রোগ প্রতিরোধই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ, জ্বর নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে।
বিশদ

14th  November, 2017
দূষিত দিল্লির দরবার

গত সাতদিন ধরে দূষণের চাদরে মুড়ি দিয়ে কার্যত শুয়েই পড়েছে রাজধানী। ধোঁয়াশার তীব্রতা এতটাই যে, চোখ খুলে রাখা দায়। তাহলেই জ্বলতে শুরু করছে। মিনিট ২০ নয়াদিল্লির রাজপথে ঘোরাফেরা করলেই অস্বস্তি, যার দোসর শ্বাসকষ্ট। স্কুল বন্ধ, খেলাধূলা শিকেয়, এমনকী ডাক্তাররাও বলে দিচ্ছেন, মশাই সাতসকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করার প্রয়োজন নেই।
বিশদ

13th  November, 2017
ভাবিয়া করিও কাজ

 কথায় বলে,ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। ভেবে কাজ না করলে পরে পস্তাতে হয়। কখনও কখনও অপদস্থও হতে হয়। যা হল মোদি সরকারের। জিএসটিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থেকে শুরু করে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তাবৎ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা পই পই করে বলেছিলেন, এত তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করবেন না।
বিশদ

12th  November, 2017
দুই বাংলায় রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি 

আমরা জানি, আজকের বাংলাদেশ একদা অবিভক্ত ভারতেরই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছিল। ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর হাজার সংগত অভিযোগ ছিল। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে ইংরেজরা এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিল যেগুলি পরোক্ষে ভারতবাসীর পক্ষে কল্যাণকরই হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানটির নাম বোধহয় রেল পরিষেবা।
বিশদ

11th  November, 2017
রাজ্যের মুকুটে ফের নতুন পালক

একটা সময় ছিল যখন আমরা বিদেশের অন্য প্রান্তের শহরগুলির দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে থাকতাম। আর ভাবতাম কবে আমাদের শহর বা গ্রামগুলিও এরকম হয়ে উঠবে। আজ শহরের সীমানা ছাড়িয়ে একটু বাইরে পা ফেললেই দেখা যাবে, ঝাঁ চকচকে রাস্তা ধানখেত চিরে বা জঙ্গলের বুকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে।
বিশদ

10th  November, 2017
স্কুলশিক্ষা ও দুটি পদক্ষেপ

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশও মানেনি পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিস। রাজ্যের শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিষেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে চলতি অর্থবর্ষে পর্যাপ্ত টাকাই দেওয়া হয়েছিল। আর এই টাকা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও।
বিশদ

09th  November, 2017
কর ফাঁকি: শাস্তি হবে?

আজ সেইদিন যেদিন ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল মোদি সরকার। রাতারাতি পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছিল, এর ফলে ভারতে সুদিন ফিরবে। উদ্ধার হবে কালো টাকা। জাল নোটের রমরমা কমবে। বন্ধ হয়ে যাবে জঙ্গিদের কাছে টাকা সাপ্লাই। অর্থাৎ টাকার অভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ কমবে।
বিশদ

08th  November, 2017
স্বাস্থ্যে আরও নজর দরকার

মানুষের বেঁচে থাকার প্রাথমিক এবং ন্যূনতম প্রয়োজনের মধ্যে স্বাস্থ্য হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে এই পরিষেবাটুকু পৌঁছে দেওয়া যে কোনও সরকারের প্রধান কাজ। সেইজন্যই মানুষ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এক একটি ভোট সরকার গঠনে বিরাট ভূমিকা পালন করে।
বিশদ

07th  November, 2017
দূরশিক্ষায় প্রযুক্তি দূর হটো

দূরশিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা নাস্তি। ওড়িশা হাইকোর্ট এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রায়ের মধ্যে যে টক্কর চলছিল, সুপ্রিম কোর্ট তাতে বিচারেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হার-জিতের ফয়সালা করে দিয়েছে। অর্থাৎ, জানিয়ে দিয়েছে, করেসপন্ডেন্স কোর্সে কোনও টেকনিক্যাল বিষয় পড়ানো যাবে না।
বিশদ

06th  November, 2017
ব্যাধি কঠিন, নিরাময় জরুরি

শনিবার সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুটি খবর পড়ে সামান্য সচেতন বঙ্গবাসীর মুখ দিয়ে একটি মন্তব্য বেরিয়ে আসাই স্বাভাবিক। তা হল, হায়! এরাজ্যের শিক্ষার এ কী হাল হল! একটি খবরে জানা গেল, রাজ্য সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি পদের জন্য মাস ছয়েক আগে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। বিশদ

05th  November, 2017
একনজরে
কাবুল, ১৯ নভেম্বর (এপি): আফগানিস্তানের পশ্চিমে ফারা প্রদেশে পুলিশের একাধিক চেক পোস্টে হানা দিল তালিবান জঙ্গিরা। তালিবানের হানায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জন পুলিশকর্মীর। শনিবার বিকালের ঘটনা। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র নাসের মেহরি বলেন, জঙ্গিদের আটজনের একটি দল ওই হামলা চালিয়েছে। এই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজ্ঞানে এবছর নতুন পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে আইসিএসই স্কুলগুলিতে। কিন্তু সেখানে নতুন বিষয়গুলি শিক্ষকরা কীভাবে পড়াবেন, তার জন্য প্রশিক্ষণ বা কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে। তবে সময়ের মধ্যে তা হয়ে ওঠেনি। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে কাউন্সিল। ...

সংবাদদাতা, কান্দি: কান্দি মহকুমা এলাকায় অযত্নে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে সবুজমালা প্রকল্পের বহু মূল্যবান গাছ। বছরখানেক আগে কান্দি মহকুমা এলাকার বিভিন্ন রাস্তার দু’পাশে ওই গাছগুলি লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বছর পেরনোর আগেই অর্ধেক গাছ শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে যত্নের অভাবে। গাছের চারদিকের ...

সুকান্ত বেরা: সকালটা যদি হয় মহম্মদ সামির, তাহলে বিকেলের নায়ক অবশ্যই শিখর ধাওয়ান। তবুও রবিবাসরীয় ইডেনে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাফল্যের পাশাপাশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল দিলরুবান ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব থাকবে। নতুন বন্ধু লাভ, ভ্রমণ ও মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম।
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু।
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন উমরিগড় (২২৩)।  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  November, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুর স্টেশনে অবরোধ উঠল, শিয়ালদহ বিভাগের প্রতিটি শাখায় ৮টা ৩৪ মিনিট থেকে ফের শুরু ট্রেন চলাচল

09:07:41 PM

রেল অবরোধ ঘিরে ধুন্ধুমার বারুইপুর স্টেশন

 বেআইনি উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রেল অবরোধকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

08:40:29 PM

লুধিয়ানায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, মৃত ৩
লুধিয়ানায় একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ...বিশদ

08:13:00 PM

ফের দালাল চক্রের অভিযোগ এসএসকেএম হাসপাতালে

 ফের দালাল চক্রের অভিযোগ উঠল এসএসকেএম হাসপাতালে। টাকা নিতে গিয়ে ...বিশদ

07:10:02 PM

 বিহারের গোপালগঞ্জে হাইটেনশন লাইনের বিদ্যুৎস্পৃশ্য হয়ে মৃত ৫, গুরুতর আহত ৩

06:22:00 PM