সম্পাদকীয়
 

পাকিস্তানের কাশ্মীর ইন্ধন

২০১৪ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তো চিত্রটা এমন ছিল না। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছিল কুলগাঁওয়ের মানুষ। অথচ বছর দুয়েকের মধ্যেই সম্পূর্ণ অন্য ছবি। মূল বাজার এলাকায় বড় বড় করে হোর্ডিং টাঙানো, ‘পাকিস্তানে আপনাকে স্বাগত’। পাকিস্তান? যে-রাজ্যে ভারতের গণতান্ত্রিক শাসন চলে, সংবিধানের বিশেষ ধারায় সজ্জিত হয়ে যে-উপত্যকা অন্য ভারতীয় নাগরিকদের থেকে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে, সেখানেই নাকি উড়ছে পাকিস্তানের পতাকা! সেই দেশের জয় জয়কার, যারা দিনের পর দিন ভারতের মাটিতে রক্তগঙ্গা বইয়েছে। সীমান্ত পার করিয়ে প্রবেশ করিয়েছে জঙ্গিদের। ওই কাশ্মীরেরই একের পর এক যুবককে ভুল পথে চালনা করেছে। শূন্য করে দিয়েছে মায়ের কোল। তারপরও পাকিস্তানে স্বাগত? বাংলায় একটা কথা আছে, মামার বাড়ির আবদার! এছাড়া আর কিছু কি বলা যায়? তার মানে অবশ্য এই নয়, গোটা পরিস্থিতির জন্য কাশ্মীরের মানুষ দায়ী। এখানেও নেপথ্যে রয়েছে কিন্তু পাকিস্তানই। কোনও একটা ইস্যু পেলেই হল, প্রতিবেশী দেশটি তেড়েফুঁড়ে নেমে পড়ে। কীভাবে যুব সম্প্রদায়ের মগজ ধোলাই করা যায়, এটাই লক্ষ্য। গত বছর যেমন হয়েছিল বুরহান ওয়ানি। এক জঙ্গির মৃত্যুকে হাতিয়ার করে পাকিস্তান যে নাটক শুরু করল, যেন একজন ধর্মগুরু শহিদ হয়ে গিয়েছেন। কাশ্মীরের জনতার মাঝে ঢুকে পড়ল ইসলামাবাদের কিছু দালাল। চলল ভারত-বিরোধী ইন্ধন। ধর্মের নামে সুড়সুড়ি। আর তার ফল? কাশ্মীরে আবার আগুন জ্বলল।
আসলে আমাদের দেশে তোষণের রাজনীতি আর কিছু না করুক, পাকিস্তানকে একটা সুবিধা করে দিয়েছে। সব সময় সীমান্ত পার থেকে লোক না পাঠালেও চলে। শুধু অস্ত্র পৌঁছে দাও। বাকিটা দেশদ্রোহীরাই করে দেবে। করাচি-লাহোরে বসে স্ট্র্যাটেজি হবে, আর দিল্লি-মুম্বইয়ের কোনও এক গলতার মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আইএসআইয়ের স্লিপার সেলগুলো তা কার্যকর করবে। দেদার টাকা ছড়িয়ে হাত করবে যুবক-যুবতীদের। আর মাথা খাওয়ার জন্য ধর্মের দোহাই তো রয়েছেই! গত বছর সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং দাবি করেছিলেন, কাশ্মীরের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পিছনে পাকিস্তানই দায়ী। ওরাই এখানকার যুবকদের ভুল পথে চালিত করছে। পাশাপাশি তিনি আবার বলেছিলেন, নিরাপত্তারক্ষীরা যাতে ছররা বন্দুকের বদলি কিছু ব্যবহার করেন, সেই ভাবনায় রয়েছে কেন্দ্র। অর্থাৎ, সমস্যার শিকড়টা কোথায় জেনেও কিন্তু সেটা কাটতে পারছে না সরকার। গত বছর পারেনি। চলতি বছরেও নয়। কারণ? ভারত যে সহনশীল দেশ! কূটনীতির পথেই মোকাবিলা করবে। যারা বুকের উপর বসে দাড়ি উপড়াবে, তাদের সঙ্গে কি সহিষ্ণুতা চলে? পাকিস্তান অন্তত এতটা বাবা বাছা করার মতো কোনও কাজ করেনি। যেখানে শোনা যাচ্ছে, কাশ্মীরে সেনা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট, বোতল বোমা ছোঁড়ার জন্য টাকা জোগাচ্ছে আইএসআই। এক এক রকম আক্রমণের জন্য এক একটা রেট। এর মাধ্যমে ঢুকে পড়ছে জাল নোটও। গত ৮ নভেম্বর নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর গোটা পরিস্থিতিটা আচমকাই কিন্তু একটু ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। কেন? কারণ, হঠাৎ করে ভারতীয় টাকার জোগান শুকিয়ে যাওয়ায় কাশ্মীরে উত্তেজনার বাজারে অর্থ ওড়াতে পারছিল না আইএসআই। কিছুটা পরিস্থিতি শোধরাতেই আবার শুরু হয়েছে দক্ষযজ্ঞ। কংগ্রেস দুষছে জম্মু-কাশ্মীরের জোট সরকারকে। তারা বলছে, মেহবুবা মুফতির নেতৃত্বে সঙ্গী বিজেপি’র সরকারের ব্যর্থতাই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে। যা আগে মোটেও ছিল না। সম্প্রতি উপনির্বাচনের ফলে ফারুক আবদুল্লার আসন দখল সেই অভিযোগকে উল্লাসে বদলে দিচ্ছে। অর্থাৎ দিনের শেষে সেই রাজনীতি। আগুন চাপা দেওয়ার রাজনীতি, সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি। সঙ্গে পাক অনুপ্রবেশের সুচ তো রয়েছেই। যা বারবার ফাল হয়ে বেরিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে ভারতের মাটিকে। যুবকরাও নাকি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে যোগ দিতে চাইছে। লস্কর-ই-তোইবা, হিজবুল মুজাহিদিন, হরকত-উল-মুজাহিদিন—প্রত্যেকটি জঙ্গি সংগঠনই সরাসরি হামলা চালানোর পাশাপাশি চুপিসারে আগুন লাগাচ্ছে ভিজে খড়ের গাদায়। যার ধোঁয়ায় ঢাকছে ভূস্বর্গের আকাশ। আমরা ধোঁয়াটাই দেখছি। তার মোকাবিলা করছি। তবে আগুন পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারলে কিন্তু গোটা দেশই তার আঁচে দগ্ধ হবে। আজ না হোক, কাল।
20th  April, 2017
 মানুষ আর বোকা নেই

 লখনউ বিজয়ের পর এবার অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে হারিয়ে দিল্লিনগরীর মসনদও দখল করে নিল বিজেপি। রাজধানী শহরের তিনটি পুরসভার বোর্ডই বিপুলভাবে পুনরায় দখল করেছে বিজেপি। এই ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০১৫ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপি পর্যুদস্ত হয়েছিল আম আদমি পার্টির কাছে।
বিশদ

শহিদ জওয়ান বনাম রাজনীতি

 কাপুরুষোচিত। এই প্রতিক্রিয়াই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ছত্তিশগড়ের সুকমায় ২৫ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হওয়ার পর। প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রুদ্ধ। কিন্তু মাওবাদী বিরোধী অভিযানে সামনে সারিতে থাকা এমন ২৫ জনের অকাল মৃত্যু কি খুব কাঙ্ক্ষিত ছিল? রাজনাথ সিং এখন বলছেন, সরকার মাওবাদী দমন অভিযান সংক্রান্ত কৌশল পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। অর্থাৎ, গোড়ায় যে গলদ ছিল, তা মেনে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর থাকবে নাই বা কেন?
বিশদ

27th  April, 2017
পঞ্চভূতময় ষাট্‌কৌশিক দেহের মৃত্যু অবশ্যম্ভাবীরূপে

‘জাতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুঃ’ ‘মরণ্যং প্রকৃতিঃ শারীরিণাম্‌’ প্রভৃতি বাক্যের দ্বারা পঞ্চভূতময় ষাট্‌কৌশিক দেহের মৃত্যু অবশ্যম্ভাবীরূপে বর্ণিত হইয়াছে। মহাভারতে বকরূপী ধর্ম যুধিষ্ঠিরকে ‘আশ্চর্য কি’ এইরূপ প্রশ্ন করিয়াছিলেন—তখন যুধিষ্ঠিরের উত্তরে এইরূপ তথ্যই প্রকাশিত হইয়াছিল যে প্রত্যহ ভূতসমূহ যমালয়ে গমন করিতেছে জানিয়াও প্রত্যেক প্রাণীই সংসারে স্থায়ীভাবে থাকিতে চায় ইহাই এক পরম আশ্চর্য্য। 
বিশদ

26th  April, 2017
ভালো পদক্ষেপ

জনগণের কথা ভাবেন। জনস্বার্থে কাজ করেন। নেন জনমুখী নানা পদক্ষেপ। মানুষের মন জয় করতে এটাই তাঁর বড় হাতিয়ার। বেসরকারি নার্সিংহোম বা কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে মানুষ যখন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ছে, ক্ষোভ বাড়ছে উত্তরোত্তর ঠিক তখনই মধ্যবিত্ত মানুষের সাধ্যের কথা ভেবে ‘বাজেট হাসপাতাল’ করার পরিকল্পনা নিলেন মা-মাটি-মানুষের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশদ

26th  April, 2017
হিংসা ঘিরছে শৈশব, কৈশোরকে

মানুষের মনে প্রতিদিন হিংসা দুর্বারভাবে বাসা বাঁধছে। কোথা দিয়ে যে হিংসার ঘুণপোকা আমাদের মনে, সমাজে প্রতিদিন ঢুকে পড়ছে আমরা তার খেয়ালই রাখি না। আধুনিক সভ্যতা আমাদের যত বিলাস আর বিনোদনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, আমরা ততই লোভ আর চাহিদার কাছে আত্মসমর্পণ করছি।
বিশদ

25th  April, 2017
বাংলায় অভূতপূর্ব পদক্ষেপ

জাতির ভবিষ্যৎ হল শিশুরা আর জাতির মেরুদণ্ড হলেন শিক্ষকরা। কারণ, শিশুদের সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বটি বহন করেন শিক্ষকরাই (বলা বাহুল্য যে, শিক্ষিকারাও এই বন্ধনীভুক্ত)। শিক্ষকসমাজ এই দায়িত্বটি পালন করে চলেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই।
বিশদ

24th  April, 2017
  ডোনেশন রুখতে পদক্ষেপ

সমাজ সৃষ্টির গোড়া থেকেই মানবজীবনে শিক্ষা বিশেষ গুরত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে। শিক্ষাগ্রহণের কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। মানুষ সারাজীবন ধরেই শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে। তবু সাধারণভাবে জীবনের গোড়ার দিকটি শিক্ষাগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশদ

23rd  April, 2017
আইএস হামলার চক্রান্ত বানচাল করতেই হবে

 বিগত কিছুদিন ধরেই ভারতজুড়ে ভয়ংকর জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের ছায়া ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। আর এইসব চক্রান্তের জাল কেটে দেশকে নিরাপদে রাখতে সরকার ও তার বিভিন্ন গোয়েন্দা এজেন্সি রাতদিন এক করে কাজ করছে। সাফল্যও পাচ্ছে। কিছুদিন আগেই উজ্জয়িনী থেকে ভোপাল রুটের ট্রেনে বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার পর প্রথম এদেশে আইএস জঙ্গি নেটওয়ার্কের কাজকর্ম সম্পর্কে জানতে পারা যায়।
বিশদ

22nd  April, 2017
  এ স্পর্ধা অসহ্য

 দলাই লামার অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সফরকে কেন্দ্র করে ফের জলঘোলা শুরু হল ভারত-চীন সম্পর্কে। স্বাধীনতার পর থেকেই সীমান্ত সমস্যাকে কেন্দ্র করে ভারত জেরবার পাকিস্তান ও চীনকে নিয়ে। তিব্বতে চীনা আগ্রাসন, উত্তর-পূর্ব ভারত জুড়ে চীনা সেনাবাহিনীর একের পর এক নজরদারি ও দাপাদাপির পরও আমাদের দেশ চুপ করে বসে থেকেছে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষার কথা ভেবে। কিন্তু, চীন যেভাবে দিনের পর দিন চোখ রাঙিয়ে চলেছে, তাও মুখ বুজে মেনে নেওয়া যায় না। চীনের এহেন স্পর্ধা যেন অসহ্য!
বিশদ

21st  April, 2017
জেনেরিক নামে অসুবিধা কী

এটা হওয়া দরকার। মানুষ তা চায়। ওষুধের জেনেরিক নামই লিখে দিন ডাক্তারবাবুরা। তার সুফল পাবে বহু মানুষ। যা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল, বিশেষত আমাদের দেশ ভারতে। সেটাই এবার করতে চলেছে মোদি সরকার।
বিশদ

19th  April, 2017
শুধু কথা নয়, কাজও

শুধু বড় বড় ঘোষণা করে সস্তায় হাততালি কুড়ানোর রাজনীতি নয়। প্রতিহিংসার তত্ত্বকে হাতিয়ার করে বিরোধী রাজনীতিকে ধ্বংস করার মতো ন্যক্কারজনক পদক্ষেপও নয়। ক্ষমতায় বসার কয়েক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা জিনিস পরিষ্কার করে দিয়েছেন, উন্নয়নই তাঁর এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র হাতিয়ার। বস্তুত তাঁর একের পর এক উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ধাক্কা সামলাতে গিয়েই কুপোকাত বিরোধী শিবির। কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিতরণ থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলে রাস্তাঘাট, পানীয় জলের বন্দোবস্ত, প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি একের পর কাজ করে রাজ্যের চেহারাতেই আমূল বদল এনে দিয়েছেন তিনি।
বিশদ

18th  April, 2017
উন্নয়ন যেন না থামে

এক হাজার ও পাঁচশো টাকার পুরানো নোট বাতিলের কারণে দীর্ঘমেয়াদে দেশের এবং দেশবাসীর কী লাভ বা ক্ষতি হবে তা এখনও তর্কসাপেক্ষ। কিন্তু, তাৎক্ষণিকভাবে এর নেতিবাচক প্রভাবের কথা অস্বীকার করা যাবে না। প্রথমত, অগণিত সাধারণ নাগরিককে যথেষ্ট হয়রান হতে হয়েছে। আর সেই হয়রানির রেশ রয়ে গিয়েছে এখনও। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারগুলিরও বেশকিছু ক্ষতি হয়েছে। যার মধ্যে বড় ক্ষতি হয়েছে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে। নবান্ন সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বিক্রয় কর, ভূমিরাজস্ব, জমি বাড়ি ফ্ল্যাট প্রভৃতি ক্রয়-বিক্রয়ের স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি প্রভৃতির আদায় জোর ধাক্কা খেয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে প্রতি বছরই রাজস্ব সংগ্রহের একটি লক্ষ্যমাত্রা আগাম ঠিক করতে হয়। আর এই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয় মূলত দুটি দিক বিবেচনায় রেখে।
বিশদ

17th  April, 2017


একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আলিপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় মূল অভিযুক্তও জামিন পেয়ে গেল। তার নাম মহম্মদ সাকিলউদ্দিন। বৃহস্পতিবার আলিপুরের মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট সৌগত ...

 সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মদমুক্ত রাজ্য গড়ার দাবি তুলল জনতা দল (ইউনাইটেড)। বৃহস্পতিবার রামপুরহাটের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান ভবনে সংগঠনের জেলা কমিটির বৈঠক শেষে এমনই দাবি তুললেন রাজ্য কনভেনর অশোক দাস। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সম্পাদক নুরুল ইসলাম, বীরভূম জেলা সভাপতি দুখু রাউত প্রমুখ। ...

 প্যারিস, ২৭ এপ্রিল: ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে জয়ী ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও তার স্বর্ণকেশী স্ত্রী ব্রিগেট বিজয় মিছিলে হাঁটলেন হাতে হাত ধরে। মঞ্চে উঠে ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: বৃহস্পতিবার চ্যাংরাবান্ধার সর্দারপাড়ায় সীমান্ত এলাকার জনৈক শিক্ষকের বাড়ির পাশে বোমা পড়ে থাকাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাস্থলে বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা চলে আসেন। শিলিগুড়ি থেকে বম্ব স্কোয়াডকেও ডাকা হয়। ওই শিক্ষককে চ্যাংরাবান্ধায় অবস্থিত বিএসএফ ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। ব্যবসায়ীদের উন্নতির আশা রয়েছে। বিদ্যার্থীদের সাফল্যযোগ আছে। আত্মীয়দের সঙ্গে মনোমালিন্য দেখা দেবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫: ইতালির রাষ্ট্রপ্রধান মুসোলিনিকে হত্যা করা হল
১৯৪৭: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আজাদের জন্ম
১৯৮২: অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.২৫ টাকা ৬৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.১২ টাকা ৮৩.৯২ টাকা
ইউরো ৬৮.৬৩ টাকা ৭১.১০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৪ বৈশাখ, ২৮ এপ্রিল, শুক্রবার, দ্বিতীয়া দিবা ১০/২৯, কৃত্তিকানক্ষত্র দিবা ১/৩৯, সূ উ ৫/১০/১৪, অ ৫/৫৮/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ পুনঃ ৭/৪৪-১০/১৮ পুনঃ ১২/৫১-২/৩২ পুনঃ ৪/১৫-অস্তাবধি রাত্রি ৭/২৮-৮/৫৭ পুনঃ ২/৫৭-৩/৪১, বারবেলা ৮/২২-১১/৩৪, কালরাত্রি ৮/৪৫-১০/১০।
১৪ বৈশাখ, ২৮ এপ্রিল, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ১/২০/৬, কৃত্তিকানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৩৮/৩১, সূ উ ৫/৯/২৯, অ ৫/৫৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫১/৫৯, ৭/৪৩/১৫-১০/১৭/০, ১২/৫০/৪৬-২/৩৩/১৬, ৪/১৫/৪৭-৫/৫৮/১৭, রাত্রি ৭/২৭/২৭-৮/৫৭/১৬, ২/৫৫/১৫-৩/৩৯/৫৯, বারবেলা ৮/২১/৪১-৯/৫৭/৪৭, কালবেলা ৯/৫৭/৪৭-১১/৩৩/৫৩, কালরাত্রি ৮/৪৬/৫-১০/৯/৫৯।
১ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 দিল্লি ১৫ ওভারে ১৩১/২

05:11:56 PM

 দিল্লি ১২ ওভারে ৯৭/১

04:59:04 PM

দিল্লি ৫ ওভারে ৪৮/১ 

04:26:47 PM

মুর্শিদাবাদে পথ দুর্ঘটনায় বাইক আরোহীর মৃত্যু, উত্তেজনা 

04:15:00 PM

সিউড়িতে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় ধৃত ১ 
বীরভূমের সিউড়িতে সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে সোনা, হীরের গয়না উদ্ধার করা হয়েছে বলে সাংবাদিক বৈঠকে জানান জেলা পুলিশ সুপার সুধীর কুমার নীলকান্তম। 

04:11:54 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিং নিল কলকাতা

 আজ আইপিএল-এ কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের

03:49:23 PM






বিশেষ নিবন্ধ
 বাজেট হাসপাতাল তৈরি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আগামীদিনে অগ্রাধিকার পাক জেলাও
নিমাই দে: এমন একটা প্রতিযোগিতার বাজারে, যেখানে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মৌচাকে ঢিল মারতে নামছে, সেখানে ...
 অরুণাচলে চীনকে ঠেকাতে তৎপর সতর্ক ভারত
গৌরীশঙ্কর নাগ: আমরা ধরে নিয়েছিলাম তিব্বতের ওপর চীনের অধিকার যদি আমরা স্বীকার করে নিই, তাহলে ...
তোর্সা নদীই কি জলবণ্টনের স্থায়ী সমাধান?
গিরিজাশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নানাবিধ কূটনৈতিক আলোচনা হয়ে গেল ...
ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলির জলপ্রবাহ সমস্যা ও সমাধান
মোঃ তারিকুজ্জামান রেজা: বাংলাদেশ ও ভারত দুটি বন্ধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এ দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক রক্তের ...
কেন্দ্রকে বাদ দিয়ে তাজপুরে বন্দর নির্মাণ হবে অসার ও অযৌক্তিক
উৎপল চৌধুরি : এটা সত্যি যে, একদিন কলকাতা বন্দরের সামগ্রিক পণ্য খালাস বাড়ানো ও বন্দরের ...