সম্পাদকীয়
 

জেনেরিক নামে অসুবিধা কী

এটা হওয়া দরকার। মানুষ তা চায়। ওষুধের জেনেরিক নামই লিখে দিন ডাক্তারবাবুরা। তার সুফল পাবে বহু মানুষ। যা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল, বিশেষত আমাদের দেশ ভারতে। সেটাই এবার করতে চলেছে মোদি সরকার। গুজরাতের একটি দাতব্য হাসপাতালের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দীর্ঘ পনেরো বছর পর তাঁর সরকারের উদ্যোগে একটি নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যনীতির পথে হাঁটা শুরু হয়েছে। যার ফলে ওষুধ ও স্টেন্টের দাম কমেছে। আমরা এমন একটা আইন কাঠামো তৈরি করব যাতে চিকিৎসকরা জেনেরিক নামে ওষুধ লিখতে বাধ্য হবেন। তার ফলে মানুষ বেশি দাম দিয়ে ব্র্যান্ড নামের ওষুধ কিনতে বাধ্য থাকবেন না। একথা ঠিক, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য এবং তাঁদের চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের এমন ইতিবাচক ভূমিকার প্রয়োজন আছে। রোগীরা যাতে সস্তায় প্রয়োজনীয় ওষুধটি পান এবং যতটা সম্ভব কম খরচে চিকিৎসা করাতে পারেন তা দেখা সরকারেরই দায়িত্ব। তাই চিকিৎসকদের ব্র্যান্ড নামে ওষুধ লেখার রীতি বা বদঅভ্যাসটি ভাঙতে পারলে তা হবে মোদি সরকারের একটি বড় সাফল্য। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার হার্টের রোগের চিকিৎসায় স্টেন্টের দাম কমানোয় বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। যদিও তাতে প্রস্তুতকারী কোনও কোনও সংস্থার গোঁসা হলে বা কিছু চিকিৎসকের কপালে ভাঁজ পড়লেও আখেরে রোগীদের লাভ হচ্ছে।
রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও কী কেন্দ্র, কী রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর গুরুত্ব আরোপ করে ইতিমধ্যেই যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওষুধপত্রের যা দাম তাতে বাড়ির কেউ অসুস্থ হলে সাধারণ মানুষের মাথায় হাত পড়ে। তার উপর কোনও কঠিন অসুখ হলে তো কথাইই নেই। মানুষকে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ফেলে রোগ-ব্যাধি। উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবার যদি-বা নানা উপায়ে অর্থের সংস্থান করে চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করে, কিন্তু নিম্নবিত্ত পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তারা অথই জলে পড়ে যায়। কীভাবে চিকিৎসার বিশাল খরচ মেটাবে তা ভেবে কূল-কিনারা পায় না। অনেকেরই রাতের ঘুম ছুটে যায়। অথচ সবক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়। চিকিৎসকের একটা বড় অংশের মানবিক মুখের অভাবটি তাদের দুশ্চিন্তাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। কিছু উপায় থাকলেও সেটুকু সহযোগিতার হাত তাঁরা বাড়ান না স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে। একথা ঠিক, এখন কিছু ওষুধপত্রের যা দাম তা অনেকেরই ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই। পাশাপাশি এটাও ঠিক, এমন বেশকিছু ওষুধ আছে যার দাম ব্র্যান্ড নামের ওষুধের তুলনায় বেশ কম। সেই স্বল্পমূল্যের বিকল্প ওষুধগুলিই ওই মানুষগুলির ভরসা বাড়াতে পারে। বিকল্প ওষুধগুলি খেলে প্রায় একই কাজ হলেও ব্র্যান্ড নামের ওষুধই প্রায়শই লিখে দেন ডাক্তারবাবুদের অনেকেই। তাই দামি ওষুধে পরিবর্তে বিকল্প স্বল্পমূল্যের ওষুধগুলি মানুষ কিনতে পারেন না। ডাক্তারবাবুদের একাংশের ওষুধের জেনেরিক নামটি লিখতে এই অনীহা কেন? কারণ ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে ডাক্তারবাবুদের একাংশের গভীর যোগসাজশ রয়েছে, বিনিময়ে কমিশনের টাকা পাওয়া থেকে শুরু করে বিদেশ ভ্রমণ পর্যন্ত অনেকগুলি ফ্যাক্টর কাজ করে। সব ডাক্তারবাবুই যে এই শ্রেণিভুক্ত তা নয়, মানবিক ভালো ডাক্তার নিশ্চয়ই অনেকে আছেন। তাঁদের কথা বাদ দিলে চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ যে এই অসাধু ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত তা সরকারেরও অজানা নয়। সেখানেই লাগাম পরাতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেটা করতে পারলে ওই অসাধু ব্যক্তিদের শায়েস্তা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।
প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, দেশে চিকিৎসক কম। প্রয়োজনের তুলনায় হাসপাতাল কম। ওষুধ দামি, মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি বেহাল হয়ে পড়ে। তাই প্রত্যেকে যাতে ন্যূনতম মূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পান সেই বিষয়টা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই। আইনের বাঁধনে বেঁধে চিকিৎসা নিয়ে ব্যাবসা বন্ধ করাটা জরুরি। সেটাই করতে চলেছে মোদি সরকার। দেশের মানুষের স্বার্থে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার প্রশ্নে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ সমর্থনযোগ্য। ইতিমধ্যে রাজ্যে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান খোলা হয়েছে, নেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পও। বেসরকারি নার্সিংহোম ও হাসপাতালগুলির লাগামছাড়া বিলে রাশ টানতে তাদের সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতির আওতায় আনার চেষ্টা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্র আইন করে চিকিৎসকদের ব্র্যান্ড নামের বদলে ওষুধের জেনেরিক নাম লেখার ব্যবস্থা চালু করতে পারলে স্বাস্থ‌্য প঩রিষেবা নিয়ে ব্যাবসা করার বিষয়টি অনেকটা আটকানো সম্ভব হবে। কেন্দ্র, রাজ্য উভয় সরকারের সঠিক পদক্ষেপই পারবে চিকিৎসা নিয়ে অসাধু ব্যাবসা বন্ধ করে মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে।
19th  April, 2017
দুর্নীতির ‘কোহিনুর’

 ফের একবার দুর্নীতির কালো পাঁকে নিমজ্জিত হতে হল কেরলের ফ্রন্ট সরকারকে। যে ফ্রন্টের মাথায় অধিকাংশ সময়ে দুর্নীতির ‘কোহিনুর’ হিসেবে জ্বলজ্বল করে সিপিএমেরই কারও নাম। এটা অবশ্য দেশের মানুষের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়।
বিশদ

রসগোল্লা-যুদ্ধে বাংলার ‌জয়

 ১৮৬৮ থেকে ২০১৭। অর্থাৎ দেড়শো বছরের মাথায় মিলল বাংলার রসগোল্লার সরকারি স্বীকৃতি। বাগবাজারের নবীন ময়রা তিন-চার বছরের চেষ্টায় সেই সার্ধশতবর্ষ আগে একদিন আস্ত রসগোল্লা তৈরি করতে সফল হয়েছিলেন। নবীনচন্দ্র দাশই হলেন রসগোল্লার কলম্বাস। তার পর সেই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বঙ্গদেশের সর্বত্র। রসগোল্লার আঘ্রাণ বহির্বঙ্গ, বহির্ভারতে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। এই রসের মিষ্টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও চলেছে বিস্তর।
বিশদ

16th  November, 2017
বাংলায় বিনিয়োগে আশার সোনালি রেখা

এ যেন আর একটি পর্বতশৃঙ্গ জয়। কিছুদিন আগেই বিশ্বের মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলার ‘কন্যাশ্রী’। এবার ব্রিটেনের মাটিতে আর একবার বিশ্বের নজর কেড়ে নিল বাংলা। এবারও নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি।
বিশদ

15th  November, 2017
ডেঙ্গু ম্যাপিং দরকার

রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় রোজই ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এ পর্যন্ত কতজন ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরের বলি হয়েছেন সেই বিতর্কে গিয়ে বিশেষ লাভ নেই। রোগ প্রতিরোধই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ, জ্বর নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে।
বিশদ

14th  November, 2017
দূষিত দিল্লির দরবার

গত সাতদিন ধরে দূষণের চাদরে মুড়ি দিয়ে কার্যত শুয়েই পড়েছে রাজধানী। ধোঁয়াশার তীব্রতা এতটাই যে, চোখ খুলে রাখা দায়। তাহলেই জ্বলতে শুরু করছে। মিনিট ২০ নয়াদিল্লির রাজপথে ঘোরাফেরা করলেই অস্বস্তি, যার দোসর শ্বাসকষ্ট। স্কুল বন্ধ, খেলাধূলা শিকেয়, এমনকী ডাক্তাররাও বলে দিচ্ছেন, মশাই সাতসকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করার প্রয়োজন নেই।
বিশদ

13th  November, 2017
ভাবিয়া করিও কাজ

 কথায় বলে,ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। ভেবে কাজ না করলে পরে পস্তাতে হয়। কখনও কখনও অপদস্থও হতে হয়। যা হল মোদি সরকারের। জিএসটিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থেকে শুরু করে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তাবৎ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা পই পই করে বলেছিলেন, এত তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করবেন না।
বিশদ

12th  November, 2017
দুই বাংলায় রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি 

আমরা জানি, আজকের বাংলাদেশ একদা অবিভক্ত ভারতেরই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছিল। ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর হাজার সংগত অভিযোগ ছিল। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে ইংরেজরা এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিল যেগুলি পরোক্ষে ভারতবাসীর পক্ষে কল্যাণকরই হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানটির নাম বোধহয় রেল পরিষেবা।
বিশদ

11th  November, 2017
রাজ্যের মুকুটে ফের নতুন পালক

একটা সময় ছিল যখন আমরা বিদেশের অন্য প্রান্তের শহরগুলির দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে থাকতাম। আর ভাবতাম কবে আমাদের শহর বা গ্রামগুলিও এরকম হয়ে উঠবে। আজ শহরের সীমানা ছাড়িয়ে একটু বাইরে পা ফেললেই দেখা যাবে, ঝাঁ চকচকে রাস্তা ধানখেত চিরে বা জঙ্গলের বুকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে।
বিশদ

10th  November, 2017
স্কুলশিক্ষা ও দুটি পদক্ষেপ

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশও মানেনি পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিস। রাজ্যের শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিষেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে চলতি অর্থবর্ষে পর্যাপ্ত টাকাই দেওয়া হয়েছিল। আর এই টাকা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও।
বিশদ

09th  November, 2017
কর ফাঁকি: শাস্তি হবে?

আজ সেইদিন যেদিন ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল মোদি সরকার। রাতারাতি পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছিল, এর ফলে ভারতে সুদিন ফিরবে। উদ্ধার হবে কালো টাকা। জাল নোটের রমরমা কমবে। বন্ধ হয়ে যাবে জঙ্গিদের কাছে টাকা সাপ্লাই। অর্থাৎ টাকার অভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ কমবে।
বিশদ

08th  November, 2017
স্বাস্থ্যে আরও নজর দরকার

মানুষের বেঁচে থাকার প্রাথমিক এবং ন্যূনতম প্রয়োজনের মধ্যে স্বাস্থ্য হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে এই পরিষেবাটুকু পৌঁছে দেওয়া যে কোনও সরকারের প্রধান কাজ। সেইজন্যই মানুষ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এক একটি ভোট সরকার গঠনে বিরাট ভূমিকা পালন করে।
বিশদ

07th  November, 2017
দূরশিক্ষায় প্রযুক্তি দূর হটো

দূরশিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা নাস্তি। ওড়িশা হাইকোর্ট এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রায়ের মধ্যে যে টক্কর চলছিল, সুপ্রিম কোর্ট তাতে বিচারেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হার-জিতের ফয়সালা করে দিয়েছে। অর্থাৎ, জানিয়ে দিয়েছে, করেসপন্ডেন্স কোর্সে কোনও টেকনিক্যাল বিষয় পড়ানো যাবে না।
বিশদ

06th  November, 2017
ব্যাধি কঠিন, নিরাময় জরুরি

শনিবার সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুটি খবর পড়ে সামান্য সচেতন বঙ্গবাসীর মুখ দিয়ে একটি মন্তব্য বেরিয়ে আসাই স্বাভাবিক। তা হল, হায়! এরাজ্যের শিক্ষার এ কী হাল হল! একটি খবরে জানা গেল, রাজ্য সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি পদের জন্য মাস ছয়েক আগে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। বিশদ

05th  November, 2017
মধ্যবিত্তের বোঝা আরও বাড়ছে

 রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর মোক্ষম ধাক্কার পরদিনই ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটের ওপর সুদ কমানোর সূত্রপাত হল ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের হাত ধরে। দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক মধ্যবিত্তের গচ্ছিত আমানতের ওপর একধাক্কায় সুদ কমিয়েছে ০.২৫ শতাংশ (২৫ বেসিস পয়েন্ট)।
বিশদ

04th  November, 2017
কাপুরুষোচিত হামলা

 ১১ নভেম্বরের আতঙ্ক ফিরিয়ে এনে ফের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ বলে দাবি করা আমেরিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একেবারে হাসির খোরাক করে ছেড়ে দিল আইএস। নিউ ইয়র্কে ট্রাক হানায় গণহত্যার নায়ক ইসলামি এই জঙ্গি সংগঠন বুঝিয়ে দিল বিশ্বমঞ্চে আমেরিকা যতই ‘দাদাগিরি’ করুক না কেন, তাদের বুকে বসেও দাড়ি উপড়ানো যায়। এই কথাগুলি বলার অর্থ এই নয় যে, আইএস সম্পর্কে কোনও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হচ্ছে।
বিশদ

03rd  November, 2017
বিপর্যস্ত চাষিদের পাশে মমতা

 খরা ও বন্যা। বঙ্গদেশের বহুকালের সঙ্গী। কারণ প্রকৃতির এই দুটি ভয়ংকর খেয়ালের মোকাবিলায় আমরা এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে আছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধারাবাহিক উন্নতির ফলে নানা ধরনের সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবু, খরাজনিত কারণে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে চলেছে প্রায় প্রতি বছর।
বিশদ

02nd  November, 2017
একনজরে
 সিঙ্গাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): আধার, নোট বাতিল ও জিএসটি এই ‘ত্রিফলা’ সংস্কার ভারতে স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি নগদ নির্ভর থেকে কম নগদের দিচ্ছে যাচ্ছে। সিঙ্গাপুরে আয়োজিত বিনিয়োগকারীদের এক সভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ...

 অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক জেলায় নিয়ে গিয়েছেন। এবার স্কুল পরিদর্শনে বিকাশ ভবনের শীর্ষকর্তারা ঘুরে বেড়াবেন জেলায়। নিজেরাই খতিয়ে দেখবেন স্কুলের পঠনপাঠন, পরিকাঠামো। জয়েন্ট থেকে ডেপুটি ডিরেক্টর, সবাইকেই মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ...

 নয়াদিল্লি, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা দেশজুড়ে ‘অদম্যভাবে’ বেড়েছে। ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’ চালিত সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে এমনটাই বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত ...

 হারারে, ১৬ নভেম্বর (এপি): রাস্তায় সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক এবং ভারী বুটের আওয়াজ। তারই মধ্যেই চলছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। সেনার ট্যাঙ্ক পাশ কাটিয়ে নিজেদের গন্তব্যে হেঁটে চলেছেন সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়ের চিত্রটা অনেকটা এইরকম। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শত্রুরা পরাভূত হবে। কর্মে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের জন্য ব্যয়বৃদ্ধির যোগ আছে। কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.৫০ টাকা ৬৬.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৬৬ টাকা ৮৭.৫২ টাকা
ইউরো ৭৫.৬৩ টাকা ৭৮.২৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী দিবা ঘ ৩/৩০, নক্ষত্র-স্বাতী সন্ধ্যা ৫/১১, সূ উ ৫/৫৪/২৪, অ ৪/৪৮/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৪১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩৮ গতে ১১/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
৩০ কার্তিক, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী ২/৫৪/৫৬, স্বাতীনক্ষত্র রাত্রি ৫/২৯/২৮, সূ উ ৫/৫৪/৪১, অ ৪/৪৮/০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১৪ মধ্যে, ৭/২১/৪৮-৯/৩২/২৭, ১১/৪৩/৭-২/৩৭/২০, ৩/২০/৫৩-৪/৪৮/০, রাত্রি ৫/৪০/২৭-৯/১০/১৪, ১১/৪৭/৩৩-৩/১৭/২০, ৪/৯/৪৭-৫/৫৫/২৬, বারবেলা ৮/৩৮/১-৯/৫১/৪১, কালবেলা ৯/৫১/৪১-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/৪/৪০-৯/৪৩/০।
২৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

05:06:00 PM