সম্পাদকীয়
 

আন্তর্জাতিক রীতিনীতির তোয়াক্কা করছে না পাকিস্তান

ভারতীয় বন্দি সরবজিত সিংয়ের ক্ষেত্রেও ভিয়েনা চুক্তি মানেনি পাকিস্তান। মানার কথাও নয়। কারণ কূটনীতির শিষ্টাচার মেনে চলা আদৌ পাকিস্তানের রক্তে নেই। কোনওদিন ছিলও না। এই মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে সঙ্গী করেই ইসলামাবাদের পথচলা। সেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একতরফা বিচার করে নির্মম মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং শেষে বর্বর অত্যাচার করে তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। আর এখন ইরান সীমান্ত থেকে অন্যায়ভাবে অপহরণ করে বন্দি বানিয়ে এক ভারতীয়কে মিথ্যে চর সাজিয়ে সেই একই কায়দায় ফাঁসির সাজা দিতে চলেছে ইসলামাবাদের সরকার। এবারও ভিয়েনা চুক্তিকে মান্য করার ধার ধারছে না তারা। এমনকী অন্যায়ভাবে সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মী কুলভূষণ যাদব কোথায় কেমন আছেন? কীভাবে তাঁকে রাখা হয়েছে সে বিষয়েও ভারতকে কিছুই জানানো পর্যন্ত হচ্ছে না। দিল্লির সরকারকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে এবং কুলভূষণকে ভারতীয় দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গেও দেখা করতে না দিয়ে পাকিস্তানের নওয়াজ শরিফ সরকার আন্তর্জাতিক রীতিনীতিই লঙ্ঘন করছে। আরও জানা গিয়েছে, যাতে ওই বন্দি ভারতীয় কুলভূষণ কোনওভাবেই আইনের সাহায্য নিয়ে আদালতে লড়াই পর্যন্ত করতে না পারে তার জন্য লাহোর হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন কর্তব্যরত আইনজীবীদের ইতিমধ্যেই সতর্ক করেও দিয়েছে। ফলে কুলভূষণের ভবিষ্যৎ সহজেই অনুমান করা যায়। যদিও পাকিস্তান সরকার মুখে বলছে এখনও তাঁর সামনে ত্রিস্তরীয় আবেদনের সুযোগ আছে, বাস্তবে কিন্তু তাঁর সামনে শুধুই অন্ধকার।
গতকালই দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, সামরিক আদালতে ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে কিংবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার আবেদন তিনি করেছেন কি না এরকম কোনও তথ্যই কেন্দ্র চেষ্টা করেও জানতে পারছে না। বা বলা ভালো, জানতে দেওয়া হচ্ছে না। ভারত জানিয়েছে, কুলভূষণকে ঠিক কী অবস্থায় রাখা হয়েছে সেটাও পাকিস্তান জানাচ্ছে না। অন্ধকারে রাখা হয়েছে দিল্লির সরকাকে। এটাই ঘোর আশঙ্কার বার্তা। বিগত বছরে নয় নয় করে ১৪ বার কূটনৈতিকভাবে বন্দি কুলভূষণের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়ে পাকিস্তানের কাছে দরবার করেছেন ভারতীয় দূতাবাসের সদস্যরা। কিন্তু, পাকিস্তান তা গ্রাহ্য করেনি। আমলও দেয়নি। বস্তুত কী অভিযোগে কখন কীভাবে তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল তাও রহস্যাবৃত। তাঁর সঙ্গে দূতাবাসের অফিসারদের দেখা করতে দেওয়া তো দূর অস্ত, সামান্য তথ্যটুকু পর্যন্ত দেয়নি। উলটে পাকিস্তান এমন কয়েকটি শর্ত রেখেছে যা মেনে নেওয়া কখনও সম্ভব নয় দিল্লির পক্ষে। সেইসব আপত্তিকর শর্তাবলির প্রধান হল, ভারতকে আগেই স্বীকার করে নিতে হবে যে কুলভূষণ যাদব দিল্লিরই গুপ্তচর এজেন্সির নিয়োগ করা। যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। এভাবেই একতরফা কুলভূষণের বিচার করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রীতিনীতি তথা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
পাশাপাশি সবথেকে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হল পাকিস্তান নিজেই গত এক বছরে একাধিকবার স্বীকার করেছে এবং সামরিক আদালতের তথাকথিত বিচার প্রক্রিয়ার পরও বলা হয়েছে কুলভূষণের বিরুদ্ধে সামগ্রিকভাবে কোনও নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন হল, তাহলে শুধুমাত্র সন্দেহের বশে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এভাবে কি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়? এতে করে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক কি আরও বিষিয়ে যাবে না? সীমান্ত কি আরও অগ্নিগর্ভ হবে না? এসব নিয়ে পাকিস্তান কিন্তু নিরুত্তর।
ভারত সরকার ঠিকই বলেছে, আমাদের জানা দরকার যে, হতভাগ্য কুলভূষণ যাদব ঠিক কী পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে গিয়েছে বা আদৌ গিয়েছে কি না? অথবা তাঁকে কী অবস্থায় সেখানে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর কাছে যেখানে বৈধ পরিচয়পত্র ও আসল পাসপোর্ট আছে তাহলে তিনি কীভাবে চরবৃত্তি করেছেন? এই অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য? এই প্রশ্নগুলির উত্তরও পাকিস্তান দিচ্ছে না। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই ইস্যুতে প্রবল জলঘোলা শুরু হয়েছে কূটনৈতিক মঞ্চে। ভারত স্থির করেছে আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলিতে এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হবে। পালটা চাপ দেওয়া হবে। পাকিস্তানের এই আগ্রাসী মনোভাবের পিছনে চীনের ইন্ধন কতটা এবং আসলে এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য কী সেটাই জানতে চাইছে ভারত। কারণ, সত্যিই পাকিস্তান যদি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে নেয় সেটা দিল্লির সরকারের কাছে যথেষ্ট বড় ব্যর্থতা আর ধাক্কা হবে। তাই আগামী কিছুদিন এই ইস্যুতে দিল্লি–ইসলাবাদের কূটনৈতিক লড়াই চরমে উঠতে চলেছে।
15th  April, 2017
মোদির সংস্কারকে স্বীকৃতি

 গুজরাত বিধানসভার আসন্ন নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ারের সামনে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মোদির রাজনীতির আঁতুড়ঘরের আসন্ন ওই নির্বাচনের ফলাফল বছর দেড়েক বাদের লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য-ব্যর্থতার কিছুটা হলেও আভাস দেবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
বিশদ

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে হবে

খাতায় কলমে সরকারি পরিসংখ্যান যাই বলুক নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ এই মুহূর্তে নিদারুণ কষ্টে রয়েছেন। চালের দাম বাড়ছে। অসময়ের বৃষ্টি সব্জির মূল্যকে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গিয়েছে। প্রকৃতির এই খামখেয়াল চলতে থাকলে ভরাশীতেও বাজার আগুন থাকবে।
বিশদ

18th  November, 2017
দুর্নীতির ‘কোহিনুর’

 ফের একবার দুর্নীতির কালো পাঁকে নিমজ্জিত হতে হল কেরলের ফ্রন্ট সরকারকে। যে ফ্রন্টের মাথায় অধিকাংশ সময়ে দুর্নীতির ‘কোহিনুর’ হিসেবে জ্বলজ্বল করে সিপিএমেরই কারও নাম। এটা অবশ্য দেশের মানুষের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়।
বিশদ

17th  November, 2017
রসগোল্লা-যুদ্ধে বাংলার ‌জয়

 ১৮৬৮ থেকে ২০১৭। অর্থাৎ দেড়শো বছরের মাথায় মিলল বাংলার রসগোল্লার সরকারি স্বীকৃতি। বাগবাজারের নবীন ময়রা তিন-চার বছরের চেষ্টায় সেই সার্ধশতবর্ষ আগে একদিন আস্ত রসগোল্লা তৈরি করতে সফল হয়েছিলেন। নবীনচন্দ্র দাশই হলেন রসগোল্লার কলম্বাস। তার পর সেই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বঙ্গদেশের সর্বত্র। রসগোল্লার আঘ্রাণ বহির্বঙ্গ, বহির্ভারতে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। এই রসের মিষ্টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও চলেছে বিস্তর।
বিশদ

16th  November, 2017
বাংলায় বিনিয়োগে আশার সোনালি রেখা

এ যেন আর একটি পর্বতশৃঙ্গ জয়। কিছুদিন আগেই বিশ্বের মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলার ‘কন্যাশ্রী’। এবার ব্রিটেনের মাটিতে আর একবার বিশ্বের নজর কেড়ে নিল বাংলা। এবারও নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি।
বিশদ

15th  November, 2017
ডেঙ্গু ম্যাপিং দরকার

রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় রোজই ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এ পর্যন্ত কতজন ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরের বলি হয়েছেন সেই বিতর্কে গিয়ে বিশেষ লাভ নেই। রোগ প্রতিরোধই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ, জ্বর নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে।
বিশদ

14th  November, 2017
দূষিত দিল্লির দরবার

গত সাতদিন ধরে দূষণের চাদরে মুড়ি দিয়ে কার্যত শুয়েই পড়েছে রাজধানী। ধোঁয়াশার তীব্রতা এতটাই যে, চোখ খুলে রাখা দায়। তাহলেই জ্বলতে শুরু করছে। মিনিট ২০ নয়াদিল্লির রাজপথে ঘোরাফেরা করলেই অস্বস্তি, যার দোসর শ্বাসকষ্ট। স্কুল বন্ধ, খেলাধূলা শিকেয়, এমনকী ডাক্তাররাও বলে দিচ্ছেন, মশাই সাতসকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করার প্রয়োজন নেই।
বিশদ

13th  November, 2017
ভাবিয়া করিও কাজ

 কথায় বলে,ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। ভেবে কাজ না করলে পরে পস্তাতে হয়। কখনও কখনও অপদস্থও হতে হয়। যা হল মোদি সরকারের। জিএসটিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থেকে শুরু করে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তাবৎ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা পই পই করে বলেছিলেন, এত তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করবেন না।
বিশদ

12th  November, 2017
দুই বাংলায় রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি 

আমরা জানি, আজকের বাংলাদেশ একদা অবিভক্ত ভারতেরই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছিল। ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর হাজার সংগত অভিযোগ ছিল। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে ইংরেজরা এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিল যেগুলি পরোক্ষে ভারতবাসীর পক্ষে কল্যাণকরই হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানটির নাম বোধহয় রেল পরিষেবা।
বিশদ

11th  November, 2017
রাজ্যের মুকুটে ফের নতুন পালক

একটা সময় ছিল যখন আমরা বিদেশের অন্য প্রান্তের শহরগুলির দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে থাকতাম। আর ভাবতাম কবে আমাদের শহর বা গ্রামগুলিও এরকম হয়ে উঠবে। আজ শহরের সীমানা ছাড়িয়ে একটু বাইরে পা ফেললেই দেখা যাবে, ঝাঁ চকচকে রাস্তা ধানখেত চিরে বা জঙ্গলের বুকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে।
বিশদ

10th  November, 2017
স্কুলশিক্ষা ও দুটি পদক্ষেপ

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশও মানেনি পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিস। রাজ্যের শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিষেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে চলতি অর্থবর্ষে পর্যাপ্ত টাকাই দেওয়া হয়েছিল। আর এই টাকা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও।
বিশদ

09th  November, 2017
কর ফাঁকি: শাস্তি হবে?

আজ সেইদিন যেদিন ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল মোদি সরকার। রাতারাতি পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছিল, এর ফলে ভারতে সুদিন ফিরবে। উদ্ধার হবে কালো টাকা। জাল নোটের রমরমা কমবে। বন্ধ হয়ে যাবে জঙ্গিদের কাছে টাকা সাপ্লাই। অর্থাৎ টাকার অভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ কমবে।
বিশদ

08th  November, 2017
স্বাস্থ্যে আরও নজর দরকার

মানুষের বেঁচে থাকার প্রাথমিক এবং ন্যূনতম প্রয়োজনের মধ্যে স্বাস্থ্য হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে এই পরিষেবাটুকু পৌঁছে দেওয়া যে কোনও সরকারের প্রধান কাজ। সেইজন্যই মানুষ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এক একটি ভোট সরকার গঠনে বিরাট ভূমিকা পালন করে।
বিশদ

07th  November, 2017
দূরশিক্ষায় প্রযুক্তি দূর হটো

দূরশিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা নাস্তি। ওড়িশা হাইকোর্ট এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রায়ের মধ্যে যে টক্কর চলছিল, সুপ্রিম কোর্ট তাতে বিচারেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হার-জিতের ফয়সালা করে দিয়েছে। অর্থাৎ, জানিয়ে দিয়েছে, করেসপন্ডেন্স কোর্সে কোনও টেকনিক্যাল বিষয় পড়ানো যাবে না।
বিশদ

06th  November, 2017
ব্যাধি কঠিন, নিরাময় জরুরি

শনিবার সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুটি খবর পড়ে সামান্য সচেতন বঙ্গবাসীর মুখ দিয়ে একটি মন্তব্য বেরিয়ে আসাই স্বাভাবিক। তা হল, হায়! এরাজ্যের শিক্ষার এ কী হাল হল! একটি খবরে জানা গেল, রাজ্য সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি পদের জন্য মাস ছয়েক আগে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। বিশদ

05th  November, 2017
মধ্যবিত্তের বোঝা আরও বাড়ছে

 রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর মোক্ষম ধাক্কার পরদিনই ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটের ওপর সুদ কমানোর সূত্রপাত হল ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের হাত ধরে। দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক মধ্যবিত্তের গচ্ছিত আমানতের ওপর একধাক্কায় সুদ কমিয়েছে ০.২৫ শতাংশ (২৫ বেসিস পয়েন্ট)।
বিশদ

04th  November, 2017
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৮ নভেম্বর: এই প্রথম চীন থেকে আমদানি করা স্টেইনলেস স্টিলের ওপর ব্যাপকভাবে ‘কাউন্টারভেইলিং’ শুল্ক আরোপ করেছে কেন্দ্র। আগামী পাঁচ বছর চীন থেকে কেউ এই পণ্য আমদানি করলে তাকে ১৮.৯৫% হারে ‘কাউন্টারভেইলিং’ শুল্ক (সিভিডি) দিতে হবে বলে অর্থ মন্ত্রক থেকে ...

হারারে, ১৮ নভেম্বর: জিম্বাবোয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে গৃহবন্দি করে রাখার ঘটনাটিকে সামরিক অভ্যুত্থান হিসেবেই দেখছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মুগাবে উৎখাতের এই অভ্যুত্থানের নেপথ্যে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসা চেতেশ্বর পূজারা বলেছেন, কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সুবিধা পাচ্ছেন তিনি। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘এই মরশুমে আমি আটটি কাউন্টি ম্যাচ খেলেছি। ফলে ইডেনের উইকেটে ব্যাট করতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি। ...

বিএনএ, কোচবিহার: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে আজ, রবিবার থেকে আদাজল খেয়ে ময়দানে নামছে কোচবিহার জেলা বিজেপি। নভেম্বরের মধ্যেই তৃণমূল স্তরে সংগঠনের বুথস্তরের কমিটি তৈরির কাজ শেষ করে ভিতকে আরও মজবুত করার ব্যাপারে রাজ্য থেকে জেলাতে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের বিষয় নির্বাচন সঠিক হওয়া দরকার। কর্মপ্রার্থীরা কোন শুভ সংবাদ পেতে পারেন। কারও সঙ্গে সম্পর্কহানি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৭: ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্ম
১৯২২: সঙ্গীতকার সলিল চৌধুরির জন্ম
১৯২৮: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের জন্ম
১৯৫১: অভিনেত্রী জিনাত আমনের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ অগ্রহায়ণ, ১৯ নভেম্বর, রবিবার, প্রতিপদ রাত্রি ৭/১৫, নক্ষত্র-অনুরাধা রাত্রি ৯/৫৭, সূ উ ৫/৫৫/৪৩, অ ৪/৪৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪০ গতে ৮/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৩ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ১/৩৪ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
ইতু পূজা।
 
২ অগ্রহায়ণ, ১৯ নভেম্বর, রবিবার, প্রতিপদ রাত্রি ৫/৪৫/৪১, অনুরাধানক্ষত্র ৯/২৭/৫২, সূ উ ৫/৫৬/১২, অ ৪/৪৭/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৯/৩৬-৮/৪৯/৩৮, ১১/৪৩/০-২/৩৬/২১, রাত্রি ৭/২৫/৬-৯/১০/১৬, ১১/৪৮/৩-১/৩৩/১৪, ২/২৫/৫০-৫/৫৬/৫৮, বারবেলা ১০/০/২২-১১/২১/৪৫, কালবেলা ১১/২১/৪৫-১২/৪৩/৯, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮।
ইতু পূজা।

২৯ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ডিম ৬ টাকাতেই বিক্রি করতে হবে, হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
বাজারে সাত-সাড়ে সাত টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ...বিশদ

08:50:00 AM

 ইতিহাসে আজকের দিনে
 ১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ...বিশদ

08:46:15 AM

আজ শহরের তাপমাত্রা থাকবে ২৯ ডিগ্রির কাছাকাছি

08:46:14 AM

ট্রাম্প কন্যা ভারতে আসছেন ২৭শে
ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা। ...বিশদ

08:45:00 AM

বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেতা রাহুল রায়
শনিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন ‘আশিকি’ খ্যাত অভিনেতা রাহুল ...বিশদ

08:25:00 AM