সম্পাদকীয়
 

বিদেশনীতিতে রাজ্যের গুরুত্ব 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে যান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার অব্যবহিত পরেই ঘোষিত হয় ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের তরফে যৌথ বিবৃতি। যাতে বাংলাদেশের দাবিমতো স্থান পেয়েছে তিস্তা জলবণ্টন প্রসঙ্গটি। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে—শেখ হাসিনা ভারতকে অনুরোধ করেছেন, ‘‘২০১১ সালে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী তিস্তা জলবণ্টন চুক্তিকে বাস্তবায়িত করার জন্য ভারত সরকার যেন জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, এই চুক্তি তাঁর সরকার দ্রুত সম্পাদন করতে চায়। আর সেই লক্ষ্যে দেশের সকলের সঙ্গেই আলোচনা করা হচ্ছে।’’ অন্যদিকে, দু’দেশের যৌথ বিবৃতির বাইরে গিয়ে শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাক্ষী রেখে শেখ হাসিনাকে নরেন্দ্র মোদি আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার বর্তমান শাসনকালেই তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে। মোদিজি বলেছেন, আমার বিশ্বাস বাংলাদেশকে আমি যতটা ভালোবাসি বাংলাদেশের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উষ্ণতাও নিশ্চয় ততটাই গভীর। তাই আশা করি, আমরা খুব দ্রুত তিস্তার জট কাটিয়ে উঠব এবং একটি সমাধানে পৌঁছে যাব।
তিস্তা চুক্তি সম্পাদনে যে দৃঢ়তার কথা মোদিজি শুনিয়েছেন, তার অর্থ আগামী বছরখানেকের মধ্যেই এই চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। কারণ, শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের মেয়াদ আর বছরখানেক মাত্র। কিন্তু, মোদিজির এই আশ্বাসের সঙ্গে যৌথ বিবৃতির মিল সামান্যই। আরও লক্ষণীয় হল যৌথ বিবৃতির পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তাব দিয়েছেন, বস্তুত রুগ্‌ণ হয়ে পড়া তিস্তার প্রসঙ্গ বাদ দিতে হবে। পরিবর্তে আলোচনা, সমীক্ষা, গবেষণা শুরু হোক তোর্সাসহ উত্তরবঙ্গের অন্য একাধিক নদী নিয়ে। তাতে যদি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষতি এড়িয়ে বাংলাদেশকে জলের ভাগ দেওয়া সম্ভব হয় তবে তাঁর আপত্তি থাকবে না। যৌথ বিবৃতি এবং তার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প প্রস্তাব মিলিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে যে, তিস্তা জলবণ্টন সংক্রান্ত জট এখনও কাটেনি। অতএব চুক্তিস্বাক্ষর এখনই হচ্ছে না। বাংলাদেশ তার পুরানো দাবিতেই অনড়। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারও তার বিশেষ বন্ধু প্রতিবেশী দেশের সেই দাবি মান্য করার ব্যাপারে আগ্রহী। তবু ভারত এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে অপারগ। কারণ, এই চুক্তির সঙ্গে বাংলাদেশ লাগোয়া রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের একাংশের ভালো-মন্দ, লাভ-ক্ষতির সম্পর্ক জড়িয়ে রয়েছে, এবং যেটি প্রত্যক্ষ। অতএব এই ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনোভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সম্মতি গ্রহণ নিতান্তই জরুরি। নরেন্দ্র মোদির সরকার এখন এই ব্যাপারটিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। তারা সবরকমে চেষ্টা করছে, পশ্চিমবঙ্গের অবিসংবাদিত জননেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজি করানোর জন্য।
কিন্তু, শুধুমাত্র বাংলাদেশের প্রতি পশ্চিমবঙ্গবাসীর ও পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভালোবাসা ও দুর্বলতাকেই হাতিয়ার করার কেন্দ্রীয় ভাবনাটা ভুল। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় রাজ্য সরকারের যে মর্যাদা ও অধিকার রয়েছে, কেন্দ্রের উচিত সেটিকেই আগে মান্যতা দেওয়া। অতীতে বারবারই তা উপেক্ষা করার অসৌজন্য দেখিয়েছে কেন্দ্র। সেই তিক্ত ইতিহাস থেকে সময়মতো শিক্ষা নিলে সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে রাজ্যের সম্মতি আদায় এতটা কঠিন হয় না; বিদেশি অতিথির সামনে অপ্রস্তুত হওয়ার মতো পরিস্থিতিও এড়ানো সম্ভব। মনে রাখতে হবে, আজকের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতকে সবরকমে কোণঠাসা করার জন্য অহোরাত্র অস্ত্রে শান দিয়ে চলেছে চীন ও পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কটি নষ্ট করে দিতে পারলেই চীন ও পাকিস্তানের কুমতলবের ষোলোকলা পূর্ণ হয়। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রশ্নটি কখনওই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিটি বিষয় নিয়ে অতি সতর্কতার সঙ্গে এগনো দরকার। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক যেহেতু সবচেয়ে নিবিড়, সেইহেতু বাংলাদেশের সঙ্গে যে-কোনও বিষয়ে দেওয়া-নেওয়ার প্রশ্নে পশ্চিমবঙ্গের মতামত গ্রহণ আবশ্যক, আর তা হওয়া উচিত যে-কোনও প্রকার ইগো শিকেয় তুলে রেখেই। তাই এই প্রশ্নে নরেন্দ্র মোদি এবার যে ভূমিকা নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। এই ধারা বজায় রেখেই তাঁকে এগতে হবে। তাতে আগামী দিনে তিস্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ের নিষ্পত্তিও চলে আসতে পারে সম্ভবের তালিকায়। দুই দেশ সেই আশাতেই থাকবে। 
10th  April, 2017
দুর্নীতির ‘কোহিনুর’

 ফের একবার দুর্নীতির কালো পাঁকে নিমজ্জিত হতে হল কেরলের ফ্রন্ট সরকারকে। যে ফ্রন্টের মাথায় অধিকাংশ সময়ে দুর্নীতির ‘কোহিনুর’ হিসেবে জ্বলজ্বল করে সিপিএমেরই কারও নাম। এটা অবশ্য দেশের মানুষের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়।
বিশদ

রসগোল্লা-যুদ্ধে বাংলার ‌জয়

 ১৮৬৮ থেকে ২০১৭। অর্থাৎ দেড়শো বছরের মাথায় মিলল বাংলার রসগোল্লার সরকারি স্বীকৃতি। বাগবাজারের নবীন ময়রা তিন-চার বছরের চেষ্টায় সেই সার্ধশতবর্ষ আগে একদিন আস্ত রসগোল্লা তৈরি করতে সফল হয়েছিলেন। নবীনচন্দ্র দাশই হলেন রসগোল্লার কলম্বাস। তার পর সেই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বঙ্গদেশের সর্বত্র। রসগোল্লার আঘ্রাণ বহির্বঙ্গ, বহির্ভারতে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। এই রসের মিষ্টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও চলেছে বিস্তর।
বিশদ

16th  November, 2017
বাংলায় বিনিয়োগে আশার সোনালি রেখা

এ যেন আর একটি পর্বতশৃঙ্গ জয়। কিছুদিন আগেই বিশ্বের মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলার ‘কন্যাশ্রী’। এবার ব্রিটেনের মাটিতে আর একবার বিশ্বের নজর কেড়ে নিল বাংলা। এবারও নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি।
বিশদ

15th  November, 2017
ডেঙ্গু ম্যাপিং দরকার

রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় রোজই ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এ পর্যন্ত কতজন ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরের বলি হয়েছেন সেই বিতর্কে গিয়ে বিশেষ লাভ নেই। রোগ প্রতিরোধই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ, জ্বর নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে।
বিশদ

14th  November, 2017
দূষিত দিল্লির দরবার

গত সাতদিন ধরে দূষণের চাদরে মুড়ি দিয়ে কার্যত শুয়েই পড়েছে রাজধানী। ধোঁয়াশার তীব্রতা এতটাই যে, চোখ খুলে রাখা দায়। তাহলেই জ্বলতে শুরু করছে। মিনিট ২০ নয়াদিল্লির রাজপথে ঘোরাফেরা করলেই অস্বস্তি, যার দোসর শ্বাসকষ্ট। স্কুল বন্ধ, খেলাধূলা শিকেয়, এমনকী ডাক্তাররাও বলে দিচ্ছেন, মশাই সাতসকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করার প্রয়োজন নেই।
বিশদ

13th  November, 2017
ভাবিয়া করিও কাজ

 কথায় বলে,ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। ভেবে কাজ না করলে পরে পস্তাতে হয়। কখনও কখনও অপদস্থও হতে হয়। যা হল মোদি সরকারের। জিএসটিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থেকে শুরু করে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তাবৎ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা পই পই করে বলেছিলেন, এত তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করবেন না।
বিশদ

12th  November, 2017
দুই বাংলায় রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি 

আমরা জানি, আজকের বাংলাদেশ একদা অবিভক্ত ভারতেরই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছিল। ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর হাজার সংগত অভিযোগ ছিল। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে ইংরেজরা এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিল যেগুলি পরোক্ষে ভারতবাসীর পক্ষে কল্যাণকরই হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানটির নাম বোধহয় রেল পরিষেবা।
বিশদ

11th  November, 2017
রাজ্যের মুকুটে ফের নতুন পালক

একটা সময় ছিল যখন আমরা বিদেশের অন্য প্রান্তের শহরগুলির দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে থাকতাম। আর ভাবতাম কবে আমাদের শহর বা গ্রামগুলিও এরকম হয়ে উঠবে। আজ শহরের সীমানা ছাড়িয়ে একটু বাইরে পা ফেললেই দেখা যাবে, ঝাঁ চকচকে রাস্তা ধানখেত চিরে বা জঙ্গলের বুকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে।
বিশদ

10th  November, 2017
স্কুলশিক্ষা ও দুটি পদক্ষেপ

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশও মানেনি পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিস। রাজ্যের শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিষেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে চলতি অর্থবর্ষে পর্যাপ্ত টাকাই দেওয়া হয়েছিল। আর এই টাকা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও।
বিশদ

09th  November, 2017
কর ফাঁকি: শাস্তি হবে?

আজ সেইদিন যেদিন ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল মোদি সরকার। রাতারাতি পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছিল, এর ফলে ভারতে সুদিন ফিরবে। উদ্ধার হবে কালো টাকা। জাল নোটের রমরমা কমবে। বন্ধ হয়ে যাবে জঙ্গিদের কাছে টাকা সাপ্লাই। অর্থাৎ টাকার অভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ কমবে।
বিশদ

08th  November, 2017
স্বাস্থ্যে আরও নজর দরকার

মানুষের বেঁচে থাকার প্রাথমিক এবং ন্যূনতম প্রয়োজনের মধ্যে স্বাস্থ্য হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে এই পরিষেবাটুকু পৌঁছে দেওয়া যে কোনও সরকারের প্রধান কাজ। সেইজন্যই মানুষ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এক একটি ভোট সরকার গঠনে বিরাট ভূমিকা পালন করে।
বিশদ

07th  November, 2017
দূরশিক্ষায় প্রযুক্তি দূর হটো

দূরশিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা নাস্তি। ওড়িশা হাইকোর্ট এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রায়ের মধ্যে যে টক্কর চলছিল, সুপ্রিম কোর্ট তাতে বিচারেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হার-জিতের ফয়সালা করে দিয়েছে। অর্থাৎ, জানিয়ে দিয়েছে, করেসপন্ডেন্স কোর্সে কোনও টেকনিক্যাল বিষয় পড়ানো যাবে না।
বিশদ

06th  November, 2017
ব্যাধি কঠিন, নিরাময় জরুরি

শনিবার সংবাদপত্রে প্রকাশিত দুটি খবর পড়ে সামান্য সচেতন বঙ্গবাসীর মুখ দিয়ে একটি মন্তব্য বেরিয়ে আসাই স্বাভাবিক। তা হল, হায়! এরাজ্যের শিক্ষার এ কী হাল হল! একটি খবরে জানা গেল, রাজ্য সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি পদের জন্য মাস ছয়েক আগে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। বিশদ

05th  November, 2017
মধ্যবিত্তের বোঝা আরও বাড়ছে

 রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর মোক্ষম ধাক্কার পরদিনই ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটের ওপর সুদ কমানোর সূত্রপাত হল ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের হাত ধরে। দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক মধ্যবিত্তের গচ্ছিত আমানতের ওপর একধাক্কায় সুদ কমিয়েছে ০.২৫ শতাংশ (২৫ বেসিস পয়েন্ট)।
বিশদ

04th  November, 2017
কাপুরুষোচিত হামলা

 ১১ নভেম্বরের আতঙ্ক ফিরিয়ে এনে ফের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ বলে দাবি করা আমেরিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একেবারে হাসির খোরাক করে ছেড়ে দিল আইএস। নিউ ইয়র্কে ট্রাক হানায় গণহত্যার নায়ক ইসলামি এই জঙ্গি সংগঠন বুঝিয়ে দিল বিশ্বমঞ্চে আমেরিকা যতই ‘দাদাগিরি’ করুক না কেন, তাদের বুকে বসেও দাড়ি উপড়ানো যায়। এই কথাগুলি বলার অর্থ এই নয় যে, আইএস সম্পর্কে কোনও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করা হচ্ছে।
বিশদ

03rd  November, 2017
বিপর্যস্ত চাষিদের পাশে মমতা

 খরা ও বন্যা। বঙ্গদেশের বহুকালের সঙ্গী। কারণ প্রকৃতির এই দুটি ভয়ংকর খেয়ালের মোকাবিলায় আমরা এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে আছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধারাবাহিক উন্নতির ফলে নানা ধরনের সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবু, খরাজনিত কারণে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে চলেছে প্রায় প্রতি বছর।
বিশদ

02nd  November, 2017
একনজরে
 হারারে, ১৬ নভেম্বর (এপি): রাস্তায় সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক এবং ভারী বুটের আওয়াজ। তারই মধ্যেই চলছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। সেনার ট্যাঙ্ক পাশ কাটিয়ে নিজেদের গন্তব্যে হেঁটে চলেছেন সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়ের চিত্রটা অনেকটা এইরকম। ...

 অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক জেলায় নিয়ে গিয়েছেন। এবার স্কুল পরিদর্শনে বিকাশ ভবনের শীর্ষকর্তারা ঘুরে বেড়াবেন জেলায়। নিজেরাই খতিয়ে দেখবেন স্কুলের পঠনপাঠন, পরিকাঠামো। জয়েন্ট থেকে ডেপুটি ডিরেক্টর, সবাইকেই মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (এনবিএসটিসি) ফালাকাটা ডিপোর সামনে থেকে সংস্থার যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ে এক যুবক চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে বাসটিকে ৫০০ মিটার দূরে ফালাকাটা হাইস্কুলের সামনে কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় আটকায়। ...

 সিঙ্গাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): আধার, নোট বাতিল ও জিএসটি এই ‘ত্রিফলা’ সংস্কার ভারতে স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি নগদ নির্ভর থেকে কম নগদের দিচ্ছে যাচ্ছে। সিঙ্গাপুরে আয়োজিত বিনিয়োগকারীদের এক সভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শত্রুরা পরাভূত হবে। কর্মে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের জন্য ব্যয়বৃদ্ধির যোগ আছে। কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.৫০ টাকা ৬৬.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৬৬ টাকা ৮৭.৫২ টাকা
ইউরো ৭৫.৬৩ টাকা ৭৮.২৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী দিবা ঘ ৩/৩০, নক্ষত্র-স্বাতী সন্ধ্যা ৫/১১, সূ উ ৫/৫৪/২৪, অ ৪/৪৮/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৪১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩৮ গতে ১১/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
৩০ কার্তিক, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী ২/৫৪/৫৬, স্বাতীনক্ষত্র রাত্রি ৫/২৯/২৮, সূ উ ৫/৫৪/৪১, অ ৪/৪৮/০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১৪ মধ্যে, ৭/২১/৪৮-৯/৩২/২৭, ১১/৪৩/৭-২/৩৭/২০, ৩/২০/৫৩-৪/৪৮/০, রাত্রি ৫/৪০/২৭-৯/১০/১৪, ১১/৪৭/৩৩-৩/১৭/২০, ৪/৯/৪৭-৫/৫৫/২৬, বারবেলা ৮/৩৮/১-৯/৫১/৪১, কালবেলা ৯/৫১/৪১-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/৪/৪০-৯/৪৩/০।
২৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

05:06:00 PM