Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

মিড ডে মিল নিয়ে মশকরা

আমাদের দেশের আর্থিক বুনিয়াদ এখনও যে যথেষ্ট দুর্বল তার সবচেয়ে বড় কারণ অশিক্ষা। স্বাধীনতার পরবর্তী সাত দশকে শিক্ষার হার বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির তরফে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা যে যথেষ্ট নয়, তার অকাট্য প্রমাণ দেশবাসীর একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। গত তিন দশকের সাক্ষরতার অভিযানও এই বিরাট শূনস্থান পূরণ করতে পারেনি। মূলত গরিব ঘরের ছেলেমেয়েরাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অশিক্ষার কারণে বহু দম্পতি পরিবার পরিকল্পনার সুযোগ নেননি। তার ফলে গরিবদের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। একে তাঁদের সকলে অনুধাবন করেননি কেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জরুরি, জীবনযাত্রার মানের সঙ্গে শিক্ষার সম্পর্কটা কী, অন্যদিকে যাঁরা সেটা বুঝেছেন তাঁদের নেই আর্থিক সংগতি। ফলে, সারা দেশে স্কুলছুট ছেলেমেয়েদের প্রায় সকলেই গরিব ঘরের। ভারতের এক বড় লজ্জার নাম শিশুশ্রমিক। তথাকথিত কঠোর আইন আর গালভরা সরকারি কর্মসূচিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিশুশ্রমিকরা রোজ দলে ভারী হচ্ছে। বলা বাহুল্য, এর পিছনেও সেই অশিক্ষা, স্কুলছুটের সমস্যা। সোজা কথায়, অশিক্ষা আর দারিদ্র্য একটি বিপজ্জনক চক্রের অংশ। তারা একে অপরকে পুষ্ট করে চলেছে। স্বচ্ছ উজ্জ্বল ভারত বিকাশের পথে অন্তরায় এই কলঙ্ক। সকলের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার বন্দোবস্ত ছাড়া উন্নত ভারত গঠন অসম্ভব। শিক্ষার দাবিকে উপেক্ষা করে, হাজার লম্ফঝম্প করে, গাত্রে ব্যথার অতিরিক্ত কিছু লভ্য হওয়ার নয়। আর সেটা সত্যিই যে হচ্ছে না তার প্রমাণ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত মানুষে ভরা এই দেশ।
স্কুলছুট আটকাতে সারা দেশে গত কয়েক দশক যাবৎ যতগুলি সরকারি প্রকল্প চালু রয়েছে তার শীর্ষে রাখা যায় মিড ডে মিলকে। আমরা জানি, এই প্রকল্পে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে স্কুলে দুপুরের আহার দেওয়ার কথা। কারণ, এমন যেন না-হয় যে ঘরে খাবার নেই বলে ছোট ছেলেমেয়ে স্কুলে যেতে পারেনি। বরং উল্টোটা—স্কুলে গেলে তারা পড়ার সুযোগের পাশাপাশি খেতেও পাবে। আদর্শগত বিচারে এই কর্মসূচির বিকল্প হয় না। কিন্তু গলদটা গোড়ায়। অর্থ বরাদ্দের পরিমাণটা এই রকম—প্রাথমিক স্কুলের বাচ্চাদের জন্য মাথাপিছু ৪ টাকা ৩৫ পয়সা আর উচ্চ প্রাথমিকের বাচ্চাদের জন্য ৬ টাকা ৫১ পয়সা। এর মধ্যে চাল ডাল সব্জি ডিম তেল নুন মশলা গ্যাসের খরচ রাঁধুনির মাহিনা সবই ধরা আছে। যে-দেশে পাঁচ টাকার নীচে ছোট এক ভাঁড় চা মেলে না সেই দেশে এই বরাদ্দে বাড়ন্ত বাচ্চাদের একবেলার প্রধান আহার দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা হাস্যকর তা ভেবে দেখতে হবে এই পরিকল্পনা যাঁরা রচনা করেছেন তাঁদেরকে। তার মধ্যে আবার চুরি বাটপাড়ির অভিযোগও ওঠে। ধন্য সেই বিবেক! হাস্যকর বরাদ্দটা বাড়িয়ে যুক্তিসংগত করে দেওয়ার দাবি দীর্ঘদিনের। এই দাবি শুধু বাংলা বা অন্যকোনও একটি রাজ্যের নয়, সারা দেশের। অবশেষে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে ‘সুখবর’ দিয়েছে যে এবার থেকে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়ছে। কিন্তু সেটা কত? প্রাথমিকের বাচ্চাদের জন্য মাথাপিছু ১৩ পয়সা আর উচ্চ প্রাথমিকের বাচ্চাদের জন্য ২০ পয়সা। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ হচ্ছে প্রাথমিকে ৪ টাকা ৪৮ পয়সা আর উচ্চ প্রাথমিকে ৬ টাকা ৭১ পয়সা।
লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির কারণে টাকাকে যে-দেশে প্রতিনিয়ত পয়সার চেয়েও হালকা মনে হচ্ছে সেই দেশে এর চেয়ে বড় রসিকতা কী হতে পারে? শিক্ষা এবং মিড ডে মিল শিশুদের অন্যতম এক অধিকার। সেটা তাদের দিতেই হবে এবং যুক্তিগ্রাহ্য ভাবে—এখনকার মতো খাতাকলমে নয়। পুষ্টিকর মিড ডে মিল দেওয়া দরকার ৩৬৫ দিন। তার জন্য শিক্ষাখাতে ব্যয়বরাদ্দ বাড়িয়ে অন্তত দ্বিগুণ করা জরুরি। বাকি টাকা জোগাড় করা খুব কঠিন নয়। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক সদিচ্ছাটাই বড়। সহজ উপায়গুলি হল—শিক্ষার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ; সরকারের ফালতু ব্যয়ে কাটছাঁট; ধনীদের উপর কর হার বৃদ্ধি; আন্তরিকতার সঙ্গে কালো টাকা উদ্ধার; প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে জোরসহ প্রতিরক্ষা ব্যয়ে লাগাম টানা। আর যেটা উহ্য থাকে সেটাই মুখ্য—মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করার মানসিকতা, ক্ষমতার আসন যেটা সবসময় বিস্মৃত হয়ে গর্ব অনুভব করে।
28th  June, 2019
একুশের মঞ্চ থেকে মানুষের
কাছে যাওয়ার ডাক মমতার

 আবার একুশে জুলাই। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে উত্তাল হল ধর্মতলা চত্বর। কিন্তু এবারের আবহ অন্যরকমের। একদিন যে মঞ্চ ছিল বামেদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মঞ্চ, একদিন যে মঞ্চ ছিল নিজের সরকারের সাফল্যের প্রচারের মঞ্চ, এবার সেটাই হয়ে দাঁড়াল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মঞ্চ। বিশদ

ফেসবুকে বুড়ো হওয়ার হঠাৎ হিড়িক বিপজ্জনক নয় তো? 
পি চিদম্বরম

সেলেব থেকে আম জনতা মজেছে নতুন এক অ্যাপে। এক লাফে বয়সটা বেড়ে যাচ্ছে অন্তত ৪০টা বছর। ফেসবুক, হোয়াটস্অ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ছেয়ে যাচ্ছে বুড়ো-বুড়িতে। হঠাৎই নিজের বয়স বাড়ানোর হিড়িক উঠেছে বিশ্বজুড়ে। পাক ধরা চুল, একটু মেদ বেড়ে যাওয়া চেহারায় দু-তিন দশক বাদের নিজেকে দেখতে কেমন লাগে, বুড়ো হওয়ার রহস্য জেনে নিয়ে ভার্চুয়াল আয়নায় সেই আমিকে দেখে নেওয়ার ইচ্ছে। জোয়ারে গা ভাসিয়েছে হলিউড, বলিউড থেকে ক্রীড়াজগৎ।  বিশদ

22nd  July, 2019
স্কুলছুট কমাতে সফল 

প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিকে ড্রপ আউট অর্থাৎ স্কুলছুট এক সময়ে ছিল সরকারের যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ। তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ছেলেমেয়েদের স্কুলমুখী করতে নানা উদ্যোন নেয়। এখন রাজ্যে সরকারি নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী।
বিশদ

21st  July, 2019
অবিচল প্রয়াস

লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলে দল ও সরকারের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা সংলগ্ন বানতলার চর্মনগরীতে লেদার কমপ্লেক্সে নতুন করে আরও ৮০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ পর্ব সাঙ্গ হল তাঁরই উপস্থিতিতে। এর মাধ্যমে এই শহর তথা রাজ্যে শিল্প-বিপ্লবের প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলেন মমতা।
বিশদ

20th  July, 2019
জোড়া জয় নিয়েও সতর্ক ভারত

সম্প্রতি ক্রিকেট বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল ভারত। অথচ ভারতই ছিল মোস্ট ফেভারিট। ভারতের ছিটকে যাওয়াটা ছিল যেন দুর্ঘটনা। তারপর থমকে গেল চন্দ্রযান-২ অভিযান। সেটাও নিতান্ত অনভিপ্রেত। আমরা খুব হতাশ হলাম ক’দিন আগে। মনে হচ্ছিল, খারাপ সময় একা আসে না। দুঃসময়ের দ্রুত অবসান চাইছিলাম আমরা।
বিশদ

19th  July, 2019
কৃষকের ক্ষোভ প্রশমন জরুরি

গান্ধীজি গ্রামীণ ভারতের সমৃদ্ধির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, গ্রামীণ ভারতের উন্নতি ছাড়া ভারতের অর্থনৈতিক মুক্তি নেই। স্বাধীন ভারতে কংগ্রেসি সরকারগুলি গান্ধীজির স্বপ্নপূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কথা রাখেনি।
বিশদ

18th  July, 2019
প্রয়োগটা বেশি জরুরি

আইন আইনের পথেই চলে। আবার আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে দোষী অনেক সময় পার পেয়ে যায়। তখনই দাবি ওঠে বা প্রয়োজন দেখা দেয় আইন সংশোধনের। ঠিক সেরকমই মোটর ভেহিকেলস নিয়মের সংশোধনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রস্তাব উঠছিল বেশ অনেক দিন ধরেই।
বিশদ

17th  July, 2019
মেট্রো: উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ বেশি জরুরি 

রবিবার দায়িত্ব পেয়ে সোমবারই তদন্তে চলে এসেছে ‘কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি’র প্রতিনিধিদল। তারা প্রথমে পার্ক স্ট্রিট স্টেশন এবং পরে কারশেডে গিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রেকটি পরিদর্শন করেছে। আশা করা যায়, অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জনসমক্ষে আসবে।  
বিশদ

16th  July, 2019
বিষ ধোঁয়া থেকে মুক্তির আশ্বাস

 কালান্তক হয়ে উঠছে গাড়ির বিষ ধোঁয়া। বিষিয়ে যাচ্ছে আমাদের শ্বাসের বাতাস। ক্যানসার, স্ট্রোক, হৃদরোগ, ডায়াবিটিসের মতো রোগগুলিকে দ্রুত ছড়াতে সাহায্য করছে। কমিয়ে দিচ্ছে আয়ু। কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ।
বিশদ

15th  July, 2019
কেন জাতপাতের সমীকরণ?

 ভারত নাকি আধুনিক হয়েছে! বলিউডি ছবিতে বড় মুখ করে ডায়ালগ শোনা যাচ্ছে, ‘ইয়ে নয়া ভারত হ্যায়।’ কিন্তু এই নতুন ভারতেও জাতের নামে হিংসা বা সম্মান রক্ষার অজুহাতে প্রিয় সন্তানকে খুন করতে পিছপা হয় না এই দেশেরই মানুষ। নেপথ্যে? অর্থ এবং ক্ষমতা। সেই ক্ষমতা বন্দুকের হতে পারে। হতে পারে রাজনীতির।
বিশদ

14th  July, 2019
পাচারকারীদের কঠোর হাতে দমন করা হোক

 ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়ে চোরাচালান, গোরু পাচার যেন কোনওভাবেই রোখা যাচ্ছে না। জলপথ হোক কিংবা স্থলপথ— এদেশ থেকে ওদেশে আবার এদেশ থেকে বাংলাদেশে সোনা, মুদ্রা, পশুপাখি, পোশাক, নিষিদ্ধ মাদক মায় নারী পাচারও অহরহ ঘটেই চলেছে। সীমান্ত এলাকায় পাচারের ‘বিজনেস’ এক বিরাট লাভজনক ব্যবসা।
বিশদ

13th  July, 2019
ফের বাংলাকে বঞ্চনা

 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১০ সালে যে রেল বাজেট পেশ করেছিলেন তাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সাতটি নতুন প্রকল্পের উল্লেখ ছিল। বুধবার ভারতীয় রেলের তরফে প্রকাশিত ‘পিঙ্ক বুক’-এ ওই সাতটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কোনও হদিশ নেই!
বিশদ

12th  July, 2019
শ্রদ্ধা হারাচ্ছে রাজনীতি

 লোকসভার ভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে মাস দেড়েক। এই সামান্য সময়ের ভিতরেই বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রটি সারা দেশের নজর কেড়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। প্রথমত লোকসভার আসনটির হাত বদল ঘটে গিয়েছে। তৃণমূলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদিকে হারিয়ে নতুন এমপি হয়েছেন অর্জুন সিং, যিনি মাত্র এই ভোটের মনোনয়ন পর্বেই তৃণমূল ত্যাগ করেছিলেন। অর্জুন সিং একা জিতেই ক্ষান্ত হননি, ওই কেন্দ্রের পুরোটাতেই থাবা বসাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
বিশদ

11th  July, 2019
ইংরেজি মাধ্যমের গুরুত্ব

 মেধার ক্ষেত্রে তেমন ঘাটতি না-থাকলেও শুধুমাত্র ইংরেজিতে বলিয়ে কইয়ে না-হওয়ার মাশুল দিতে হয় বাংলা মাধ্যম স্কুলের বহু ছাত্রছাত্রীকে। ইংরেজিতে দখল না-থাকার কারণে প্রতিযোগিতার দৌড়ে অনেকসময় তারা পিছিয়ে পড়ছে। এই কারণেই অভিভাবকদের অনেকেই চান না তাঁদের সন্তানদের বাংলা মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করতে। ‌
বিশদ

10th  July, 2019
কর্ণাটকে কিস্‌সা কুর্সিকা 

জন্মের সূচনা থেকেই কর্ণাটকের কুমারস্বামী সরকার অপুষ্টিতে ভুগেই চলেছে। বারবার মরতে মরতে সে বেঁচে উঠছে। ক্রমাগত রক্তাল্পতায় ভুগতে ভুগতে এই সরকার বেঁচে আছে। কাজ করার কোনও ক্ষমতাই তার আর অবশিষ্ট নেই।   বিশদ

09th  July, 2019
তেলের বাজারে নয়া অবতার!

 দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববাজারে দাম কমাতে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সৌদি যুবরাজকে চাপ দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এক ঘোষণাতেই ট্রাম্পের সেই আশায় জল ঢেলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও নয়া অবতারের ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিবেদন: বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, ওমান, আফগানিস্তান ও কাতার। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অপেক্ষাকৃত সহজ গ্রুপে পড়েছেন সুনীল ছেত্রী-সন্দেশ ঝিংগানরা। কিন্তু ভারতের ক্রোয়েশিয়ান কোচ ইগর স্টিম্যাচ বলেছেন, ‘গ্রুপের বাকি দলগুলির প্রত্যেককেই যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি।’ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইস্ট-ওয়েস্ট পথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চালানোর চূড়ান্ত অনুমোদন চেয়ে গত মাসের শেষের দিকে ‘কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি’ (সিআরএস)-র কাছে আবেদন করেছিল কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (কেএমআরসিএল)। সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ৫ জুলাই কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার আগে কেন্দ্রীয় সরকারকে হরেক দাবিদাওয়া পেশ করেছিল অল ইন্ডিয়া জেম অ্যান্ড জুয়েলারি ডোমেস্টিক কাউন্সিল। তাদের অন্যতম দাবি ছিল, সোনার উপর আমদানি শুল্ক কমাতে হবে এবং ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও মালাবাজার: ছেলেধরা সন্দেহে সোমবার সকালে নাগরাকাটার সুখানিবস্তি এলাকায় পুলিসের সামনেই এক ভিখারিকে পাথর দিয়ে মাথা থেতলে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল। ছেলেধরা সন্দেহে নাগরাকাটায় রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মের যোগাযোগ আসবে। যে সুযোগ পাবেন তাকে সদ্ব্যবহার করুন। কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আনুকূল্য পাবেন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড।
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়। পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়।
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার 67.49 70.53
পাউন্ড 84.31 88.37
ইউরো 75.63 79.29
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৪,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী ২৭/৫২ অপঃ ৪/১৬। উত্তরভাদ্রপদ ২০/১৫ দিবা ১/১৪। সূ উ ৫/৭/৪২, অ ৬/১৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে ২/৫৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৭ গতে ৮/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩৯ গতে ৯/০ মধ্যে।
৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী ১৮/৪৭/৯ দিবা ১২/৩৭/৪। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র ১৪/২৯/১২ দিবা ১০/৫৩/৫৩, সূ উ ৫/৬/১২, অ ৬/২১/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১/০ গতে ২/৪৪ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ মধ্যে ও ৯/৮ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৫/৩৬ গতে ৮/২৫/১ মধ্যে, কালবেলা ১/২৩/১৪ গতে ৩/২/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/৪ গতে ৯/২/৩৯ মধ্যে।
১৯ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
খেজুরির হলুদবাড়িতে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৩ বছরের শিশু 
পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি এলাকার হলুদবাড়িতে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের অভিযোগ। দু’পক্ষের গোলমালের ...বিশদ

10:11:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, মঙ্গলবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:39 AM

গোঘাটে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত বিজেপি
 

সোমবার রাতে গোঘাটের নকুণ্ডা এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে মারার ...বিশদ

09:57:22 AM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

09:50:20 AM

২০২০-২১ অর্থবর্ষ থেকে ভারতের বৃদ্ধির হার ছাড়াবে ৮ শতাংশ: নীতি আয়োগ
 

আশানুরূপ ফল দিতে চলেছে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি)। আর ...বিশদ

09:45:47 AM

মহরাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে একটি কেমিক্যালের গোডাউনে আগুন

09:44:50 AM