Bartaman Patrika
রাজ্য
 
 

 গরমে রায়গঞ্জে মাটির জলের পাত্রের চাহিদা বেড়েছে। নিজস্ব চিত্র

 পরিব্রাজক বিবেকানন্দ

গুঞ্জন ঘোষ: শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর নরেন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দরূপে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে নিজেকে জানার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছিলেন কোথায় ভারতের শক্তি আর কোথায় তার দুর্বলতা। আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র ভারতবর্ষের লুপ্ত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্পে শিকাগো ধর্মমহাসভাকেই পাখির চোখ করলেন। কিন্তু সনাতন হিন্দুধর্মের আদর্শকে তৎকালীন মার্কিন দেশের হৃদয় মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি যেমন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুণীজনদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন তেমনই অপমানিত হয়েছেন। নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন এদেশের ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার। শিকাগো ধর্মমহাসভাতে বিশ্বের যেসব ধর্মের প্রতিনিধিরা নিজের নিজের ধর্মকে পরিচিত করতে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মার্কিন জনগণের হৃদয় কেড়েছিলেন হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি ‘গৈরিক বসন ও বুদ্ধিদৃপ্ত দৃঢ় মুখমণ্ডল’ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দই। যদিও শিকাগোতে প্রথম দিকে তাঁর নামের বানানবিধি নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি হয়েছে। কেউ বলত ‘বিব্‌কা নন্দ’ আবার কেউ শুধুই ‘কানন্দ’। এর পরও বিবেকানন্দে মুগ্ধ শিকাগোবাসী। এই অবস্থায় নিজেরই স্বদেশবাসী ও প্রিয়জনতুল্য বিবেকানন্দের নামযশ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় নিজের প্রতিপত্তিকে ক্ষয় হতে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠেছিলেন প্রতাপচন্দ্র। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে সোজা পথে পর্যুদস্ত করতে না পেরে শেষটায় ধর্মমহাসভার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতাপচন্দ্র রটিয়ে দিলেন অদ্ভুত এক তত্ত্ব, ‘স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের এমন এক ভবঘুরে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যাহাদের কোন সামাজিক মর্যাদা বা প্রভাব নাই; বস্তুত তিনি ভণ্ড।’ মজুমদারের ঈর্ষাপরায়ণ কাজকর্ম দেখে ১৮৯৪ সালে আহত স্বামীজি গুরুভাই স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে শিকাগো থেকে লেখেন —
‘‘প্রভুর ইচ্ছায় মজুমদার মহাশয়ের সঙ্গে এখানে দেখা। প্রথমে বড়ই প্রীতি, পরে যখন শিকাগোসুদ্ধ নরনারী আমার উপর ভেঙে পড়তে লাগল তখন মজুমদার ভায়ার মনে আগুন জ্বলল।...আর মজুমদার পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়নের পাদ্রীদের কাছে আমার যথেষ্ট নিন্দা করে, ‘ও কেউ নয়, ঠগ, জোচ্চোর; ও তোমাদের দেশে এসে বলে – আমি ফকীর’ ইত্যাদি বলে তাদের মন আমার উপর যথেষ্ট বিগড়ে দিলে!...’’
ধর্মমহাসভার অধিবেশন শেষ হলে স্বামীজি প্রচারের প্রয়োজনে একটি প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিতে থাকেন। সেইসময় বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় তাঁর বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হলে প্রতাপচন্দ্রের ঈর্ষার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি এন্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকাটিকে সম্বল করে ময়দানে নামেন। ওই পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন শুধুমাত্র ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য। স্বামীজিকে ‘আমাদের পুরাতন বন্ধু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে একটি প্রবন্ধে লেখা হয়, ‘‘...আমরা জানি আমাদের বন্ধু যে নবীন হিন্দুমত প্রচার করিতেছেন, তাহা গোঁড়া হিন্দুধর্ম নহে। তাহার পক্ষে যাহা সম্পূর্ণ অকর্তব্য, তাহা হইতেছে কালাপানি পার হওয়া, ম্লেচ্ছদের অন্নগ্রহণ করা এবং সিগারেটের পর সিগারেট খাওয়া কিংবা ঐরূপ কিছু করা। খাঁটি গোঁড়া হিন্দু আমাদের যতখানি শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন, আধুনিক হিন্দুমতাবলম্বী ব্যক্তি সেরূপ শ্রদ্ধা দাবি করিতে পারেন না। কিন্তু বিবেকানন্দের সুখ্যাতি বাড়াইবার জন্য আমাদের সহযোগী সাধ্যমত চেষ্টা করিলেও, তিনি যখন বাজে কথা বকিতে থাকেন, তখন আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।” ওই প্রবন্ধে তাঁর সম্বন্ধে এত কথা বলা হলেও আসল সত্যটি হল, ব্রাহ্মসমাজের ‘নববৃন্দাবন’ নাটকে যোগীর ভূমিকায় আর কাউকে না পেয়ে সুগায়ক নরেন্দ্রনাথকে বহু পীড়াপীড়ি পর অভিনয়ের জন্য রাজি করানো হয়েছিল এবং মুখ্যভূমিকায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য কেশবচন্দ্র সেন। নরেন্দ্রনাথ সেই বয়সে থিয়েটারকে এতই অপছন্দ করতেন যে শহরের রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার সেই ফুটপাত তিনি একেবারেই মাড়াতেন না।
প্রতাপচন্দ্র কলকাতায় ফিরে রটিয়ে দিলেন বদনামে ভরা অদ্ভুত এক তত্ত্ব— “বিবেকানন্দ আমেরিকায় সব রকমের পাপ কাজ করেছে।” তা শুনে স্বামীজির জবাব ছিল, “বেচারির এতদূর অধঃপতনে আমি বিশেষ দুঃখিত। ভগবান ভদ্রলোককে কৃপা করুন।” তবুও স্বামীজির মনে আশঙ্কা ছিল এই যে, কলকাতার লোকমুখে এ রটনা প্রচারিত হয়ে তাঁর জননীর কানে পৌঁছলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত পাবেন। এই রটনায় স্বামীজি প্রচণ্ড মর্মাহত হয়েছিলেন – “আমার বুড়ি মা এখনো বেঁচে আছেন, সারা জীবন তিনি অসীম কষ্ট পেয়েছেন...কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ আশার, তাঁর সবচেয়ে ভালবাসার যে ছেলেটিকে তিনি দান করেছেন, সে দূরদেশে গিয়ে – কলকাতায় মজুমদার যেমন রটাচ্ছে তেমনিভাবে – জঘন্য নোংরা জীবনযাপন করছে, এ সংবাদ তাঁকে একেবারে শেষ করে দেবে।” ( যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড , পৃষ্ঠা ১১৭)
শুধু দেশবাসীর অপবাদ নয়, বিশেদেও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানান কথা। তাঁর সমকালীন ভারতবর্ষকে অপপ্রচারের মাধ্যমে নরকের সিংহ দুয়ারে করে তুলে ছিল আমেরিকার খ্রিস্টান মিশনারীরা। তারা ভারতের মাটিকে নরক, ধর্মকে কুসংস্কার ও ভারতবাসীদের বিধর্মী আখ্যা দিয়ে এই দেশের উন্নতিকল্পে আমেরিকা থেকে অর্থসংগ্রহ করত। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘রমাবাঈ সার্কল’ নামে এক স্বার্থান্বেষী ধর্মীয় সংঘ। যারা পাশ্চাত্যে ভারতীয় বিধবাদের বৈধব্যজীবনের ভয়ঙ্করতা নিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে অর্থোপার্জনের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু স্বামীজি যখন বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের মিথ্যার আবরণ সরিয়ে ভারতের সনাতন রূপটিকে সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন, তখন সেই কপটাচারীর দল দুটি প্রতিজ্ঞা করে – ‘জাহান্নমে যাইতে হয় তো তাহাও স্বীকার, কিন্তু নচ্ছার বিবেকানন্দের সর্বনাশ করিতেই হইবে।’ (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৫)।
প্রতাপচন্দ্রের চেয়ে এরা ছিল শতগুণে ভয়ঙ্কর এবং স্বামীজির অনিষ্ট করতে এক কাঠি উপরে। ১৮৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডেট্রয়েট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয় যে, এক বক্তৃতামঞ্চে বারোজন ধর্মযাজক মিলে স্বামীজি ও তাঁর মতাদর্শকে কটূক্তি ও অশ্রাব্য গালিগালাজ দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। স্বামীজির প্রতি আঘাত হানতে তারা কতদূর নীচে নামেন তা স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকা জুড়ে প্রচারিত হল – “বিবেকানন্দের অসদ্ব্যবহারে উত্ত্যক্ত হইয়া (মিশিগানের ভূতপূর্ব গভর্নরের স্ত্রী) শ্রীযুক্তা ব্যাগলিকে তাঁহার একটি অল্পবয়স্কা ঝিকে বিদায় দিতে হয়েছিল; বিবেকানন্দ অসম্ভব রকম আত্মসংযমহীন।” (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃ ১২১ – ১২২)
শ্রীযুক্ত জর্জ ডব্লিউ হেল ও তাঁর পত্নী – যাঁদের স্বামীজি বলতেন ‘ফাদার পোপ’ ও ‘মাদার চার্চ’; তাঁদের দুই কন্যা হ্যারিয়েট হেল ও মেরি হেল এবং দুই বোনঝি হ্যারিয়েট ম্যাককিন্ডলি ও ইসাবেল ম্যাককিন্ডলি স্বামীজির কাছে ছিল নিজের বোনের মতো স্নেহের। তাঁদের প্রাণঢালা ভালোবাসার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে স্বামীজির বিভিন্ন চিঠিতে। সেই হেল পরিবারকে বেনামী চিঠিতে জানানো হয় যে স্বামী বিবেকানন্দ দুশ্চরিত্র। অতএব মিঃ হেল যেন তাঁর বাড়ির মহিলাদের বিবেকানন্দের সংসর্গ থেকে দূরে রাখেন। যে স্বামীজি নারীশিক্ষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়ে ভারতে স্ত্রীমঠ প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁকেই রমাবাঈ সার্কলের তরফ থেকে হিন্দু কন্যাদের শিক্ষার বিরোধী বলে নিন্দা করা হয়। মিশনারীরা তাঁকে ধর্মপ্রচারকের বেশধারী রাজনীতিক বলতেও ছাড়েনি। সেইসময়ে তাঁকে যে প্রাণে মারারও ষড়যন্ত্র চলছিল তা আমরা জানতে পারি ডেট্রয়েটে এক নৈশভোজ চলাকালীন। খাওয়ার টেবিলে বসে স্বামীজি কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘খাসনি, ও বিষ!’
প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের জন্য বিশেষ বাণী বহন করে আনা স্বামীজি বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছেন। গায়ের ময়লা রঙের জন্য বহু হোটেল ও রুচিবোধসম্পন্ন মার্কিনদের গৃহে তাঁর জায়গা হয়নি। এমন কী গুরু হওয়ার করণে প্রিয় শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে কুৎসার শিকার হয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মিশনারীদের উদ্যোগে একটি সংবাদপত্রে শ্রীরামকৃষ্ণের একটি ছবি ছাপিয়ে তাঁর সম্বন্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তা দেখে স্বামীজি ব্যথিত হয়ে বলেন, ‘হায়! এ যে সাক্ষাৎ ভগবদ্বিদ্বেষ!’
কিন্তু এত করেও আমেরিকা ও পরে ইংল্যান্ডে তিনি ছিলেন “সমস্ত প্রকৃত ব্রহ্মপ্রবক্তাদের রহস্যের ও আধ্যাত্মিক নিঃসঙ্গতার মূর্ত বিগ্রহ।” দেশে-বিদেশে স্বামীজি যতবার মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি দেখেছেন, ততবারই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। তাঁর নিজের কথাতে ‘আমি জীবনে যত বাধা পেয়েছি ততই আমার শক্তির স্ফুরণ হয়েছে।’ বিবেকানন্দ এইখানেই আশ্চর্যের যে, তিনি কাউকে পরাস্ত করে নিজের জয়ের জন্য আনন্দ পেতেন না, বরং খুশি হতেন একটি সত্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেখে। তাঁর প্রতি মিথ্যে অপবাদ এলে কোনও কোনও সময় স্বামীজির হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মার্কিন সমাজের একাংশ। যেমন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীযুক্তা ব্যাগলি, জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইট, জর্জ ডব্লিউ হেল, মেরি হেল প্রমুখ। স্বামীজির এক বক্তৃতা শুনে বিশিষ্টা জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইটের মনে তাঁর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব সম্বন্ধে এমন গভীর ছাপ পড়ে যে স্বামীজির সঙ্গে করমর্দনের পর তিন দিন তিনি নিজের হাত ধোওয়ার কথা ভাবেননি।
নিজের প্রতি ধেয়ে আসা মিথ্যাচারের কারণে যখন তাঁর প্রচারকার্যে ব্যাঘাত ঘটছিল তখন স্বামীজি আশা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করে নিশ্চয় ভারত থেকে চিঠি মারফত সমুচিত জবাব আসবে। কিন্তু পাশ্চাত্যে থাকাকালীন প্রথমদিকে তাঁকে নিয়ে ভারতীয়দের যে অমনোযোগিতা, সেই সম্পর্কে কিছু অভিমত ধরা পড়েছে তাঁরই এক চিঠিতে – “...এই যে এক বৎসর যাবৎ আমি এখানে আছি – এর মধ্যে ভারতবর্ষের একজন খ্যাতনামা লোকও এদেশবাসীকে এ কথাটি জানানো উচিৎ মনে করেন নাই যে, আমি প্রতারক নহি।...” কিন্তু পরমুহূর্তেই ব্যক্ত হয়েছে তাঁর মনের কথাটি —“আমার চরিত্রের সর্বপ্রধান ত্রুটি এই যে, আমি আমার দেশকে ভালবাসি, বড় একান্তভাবেই ভালবাসি।”
সমালোচনা, ঈর্ষা যে সাফল্যের অংশ তা তো স্বামীজি জানতেনই। মানুষের গোটা জীবনটাই কঠিন পরীক্ষার ঘেরাটোপে বন্দি। তাই শিষ্য শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন জীবনের সনাতন বাস্তব ও সারকথাটি — “...লোকে যখন আমায় খাতির করতে লাগল, তখন পাদ্রীরা আমার পেছনে খুব লাগল। আমার নামে কত কুৎসা কাগজে লিখে রটনা করেছিল! কত লোকে আমায় তার প্রতিবাদ করতে বলত। আমি কিন্তু কিছু গ্রাহ্য করতুম না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস— চালাকি দ্বারা জগতে কোন মহৎ কার্য হয় না; তাই ঐ সকল অশ্লীল কুৎসায় কর্ণপাত না করে ধীরে ধীরে আপনার কাজ করে যেতুম। দেখতেও পেতুম— অনেক সময় যারা আমায় অযথা গালমন্দ করত, তারাও অনুতপ্ত হয়ে আমার শরণ নিত এবং নিজেরাই কাগজে প্রতিবাদ করে ক্ষমা চাইত।...কি জানিস, বাবা, সংসারে সবই দুনিয়াদারি! ঠিক সৎসাহসী ও জ্ঞানী কি এসব দুনিয়াদারিতে ভোলে রে বাপ! জগৎ যা ইচ্ছে বলুক, আমার কর্তব্য কার্য করে চলে যাব – এই জানবি বীরের কাজ। নতুবা এ কি বলছে, ও কি লিখছে —ওসব নিয়ে দিনরাত থাকলে জগতে কোন মহৎ কাজ করা যায় না।” (বাণী ও রচনা ৯, পৃ ৭৪ - ৭৫)।
আশাহত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। শত বাধার প্রাচীর তৈরি করেও তাঁর গতিরোধ করায় যায়নি। নিজে ক্ষত হয়েছেন কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কেননা স্বামীজির হৃদয় জুড়ে ছিল ভারত ও ভারতবাসী।
12th  January, 2019
রাজ্য জয়েন্টের ফল প্রকাশিত,
প্রথম দুর্গাপুরের সোহম 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য জয়েন্টে প্রথম স্থান অধিকার করলেন দুর্গাপুরের সোহম মিস্ত্রি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কলকাতার তমজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় আসানসোলের কৌস্তভ সেন। পরীক্ষার ২৪ দিনের মাথায় এদিন দুপুর ১টায় সাংবাদিক করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলপ্রকাশ করে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। 
বিশদ

কাটমানি ১ কোটি,
গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা
মমতার নির্দেশে কঠোর পদক্ষেপ

দেবাঞ্জন দাস, কলকাতা: দলের পুর ও পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিদের যে অংশ ‘কাটমানি’র কারবারে যুক্ত, তাদের নিয়ে জোরদার তদন্ত চালাচ্ছে অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা (ইওডব্লু)। রেয়াত পাবে না কেউই। মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি প্রকল্প থেকে প্রায় এক কোটি টাকা কাটমানি খাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল এক তৃণমূল নেতাকে। তিনি মালদহের রতুয়া থানার অন্তর্গত মহানন্দতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান। তাঁর নাম সুকেশ যাদব। তবে প্রধান থাকাকালীন তিনি কংগ্রেসে ছিলেন। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল বাংলা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ থেকে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘসূত্রিতা কাটিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
বিশদ

সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা,
গরম থেকে মুক্তির আশায় রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া একটি নিম্নচাপের ধাক্কায় আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গ ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানায় চলতি সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বর্ষার আগমনে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।
বিশদ

তাল কাটল রাজ্যেও
নয়া বিধায়কদের শপথেও
‘জয় শ্রীরাম’-‘জয় হিন্দ’

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার লোকসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যুযুধান শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে কার্যত স্লোগান যুদ্ধে পরিণত হয়েছিল। বিজেপি’র ‘জয় শ্রীরাম’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ বনাম তৃণমূলের ‘জয় হিন্দ’, ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বাঙালি’, ‘জয় মা কালী’ স্লোগানে লোকসভার সদনকক্ষ নজিরবিহীনভাবে মুখরিত হয়ে ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে প্রত্যাশিতভাবে।
বিশদ

 মিসড কল দিলেই সদস্য হওয়ার সুযোগ, ৬ জুলাই থেকে ফের অভিযানে বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বুথভিত্তিক শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। সেই সূত্রে আসন্ন বর্ষার মরশুমে রাজ্যব্যাপী সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
বিশদ

আজ জয়েন্টের ফলপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রকাশিত হতে চলেছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজাম বোর্ডের ফলাফল। www.wbjeeb.nic.in এবং www.wbjeeb.in ওয়েবসাইট দু’টি থেকে দুপুর ২টোর পরে র্যা ঙ্ক কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। শোনা যাচ্ছে, দেরি হয়ে যাওয়ায় এবার আর মপ-আপ কাউন্সেলিং করবে না জয়েন্ট বোর্ড।
বিশদ

 কাল শুরু বিধানসভার অধিবেশন, দলের দুর্নীতি-অপরাধ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যই হাতিয়ার করার প্ল্যান বিরোধীদের

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামীকাল শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। অধিবেশনে বিভিন্ন দপ্তরের বাজেট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি মাসচারেক আগে দেওয়া রাজ্যপালের ভাষণের উপর বিতর্ক হওয়ার কথা। প্রথা মেনে শুক্রবার শোক প্রস্তাবের পর অধিবেশন মুলতুবি হবে।
বিশদ

 পে কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামবে বিজেপি

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১০ জুলাই ষষ্ঠ পে কমিশনের চেয়ারম্যানে অভিরূপ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামবে বিজেপি। দলের কর্মচারী সংগঠন কর্মচারী পরিষদের তরফে ওইদিন করুণাময়ী থেকে বিকাশভবন পর্যন্ত মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশদ

তোলা হবে নদী ভাঙন রোধ এবং সীমান্ত সমস্যার মতো একাধিক ইস্যু
উত্তরবঙ্গে এইমস চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি এমপিরা, সরব হবেন সংসদে

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৯ জুন: উত্তরবঙ্গে তৈরি হোক এইমস। বাংলার কংগ্রেসিদের সুরেই এবার উত্তরবঙ্গে এইমস চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি এমপিরা। উত্তরবঙ্গের মানুষের কথা মাথায় রেখে সংসদে এই ইস্যুটি সামনে আনবেন তাঁরা। একসময় রায়গঞ্জে এইমস তৈরি হবে বলে মনমোহন সিং সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
বিশদ

 হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের নয়া চেয়ারম্যান রানাঘাটের প্রাক্তন এমপি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী নিয়োগকারী সংস্থা ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের (ডব্লুবিএইচআরবি) চেয়ারম্যান হলেন রানাঘাটের প্রাক্তন সংসদ সদস্য ঩ডাঃ তাপস মণ্ডল। তিনি পিজি’র নেফ্রোলজি’র প্রধান অধ্যাপক ডাঃ রাজেন পাণ্ডের স্থলাভিষিক্ত হলেন। 
বিশদ

 নারদকাণ্ডে ফের ডাক পড়ল ম্যাথুর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আইপিএস অফিসার এস এম এইচ মির্জাকে দু’দফায় জেরার পর নারদ তদন্তে এবার ডাক পড়ল ম্যাথু স্যামুয়েলের। আগামী ২৪শে জুন সকালে তাঁকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। মির্জা তদন্তকারী অফিসারদের কাছে এই স্টিং অপারেশন নিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন, সেই বিষয়ে ম্যাথুর কাছে জানতে চাওয়া হবে বলে খবর।
বিশদ

কংগ্রেসের দলনেতা হলেন
পাঁচবারের এমপি অধীর চৌধুরি

 সন্দীপ স্বর্ণকার • নয়াদিল্লি, ১৮ জুন: অবশেষে লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হলেন পাঁচবারের এমপি অধীররঞ্জন চৌধুরি। আজ সকালে সোনিয়া গান্ধী তাঁকে ১০ জনপথে ডেকে লোকসভায় নতুন এই দায়িত্বের কথা জানিয়ে দেন। একইসঙ্গে দলের সাতবারের এমপি কেরলের কে সুরেশকে কংগ্রেসের মুখ্যসচেতক করা হল।
বিশদ

19th  June, 2019
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি অবশেষে
পেল কলকাতা, স্বস্তি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সারাদিন ধরে ভ্যাপসা অস্বস্তিকর গরমের পর মঙ্গলবার বিকেলে ভারী বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি এল মহানগরীর বড় অংশে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এখনও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিছুটা দূরে। তবে আবহাওয়াবিদরা এদিনের বৃষ্টিকে প্রাক বর্ষার তকমা দিয়েছেন।
বিশদ

19th  June, 2019
কমিশন খাওয়া চোরদের রাখব না,
কাউন্সিলারদের কড়া বার্তা মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কমিশনের টাকা ফেরত দিন। একদম চাঁচাছোলা ভাষায় দলের কাউন্সিলারদের বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু নির্দেশ নয়, তা অমান্য করলে দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে রাজ্যের সমস্ত পুরসভার নির্বাচিত দলীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন তিনি।
বিশদ

19th  June, 2019

Pages: 12345

একনজরে
সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের ফুলমণি গ্রামে আন্ত্রিকের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। রবিবার থেকে ওই গ্রামের বাসিন্দারা আন্ত্রিকে আক্রান্ত হতে শুরু করেন। মঙ্গলবার বিকেল থেকে ক্ষীরপাই ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অনেকেই ভরতি হচ্ছেন। চন্দ্রকোণা-১ ব্লক মেডিক্যাল অফিসার নিরঞ্জন কুঁতি বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর কয়েকজনকে ...

 হর্ষ ভোগলে : চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের লড়াকু মনোভাব আমাকে মুগ্ধ করেছে। নিজেদের যেটুকু সক্ষমতা রয়েছে, সেটাকেই পুরোপুরি কাজে লাগানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে ওরা। তারচেয়ে বড় ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

  বিজাপুর, ১৯ জুন: ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে এক সমাজবাদী পার্টির নেতাকে অপহরণ করে খুন করল মাওবাদীরা। পুলিস জানিয়েছে, এসপি নেতা সন্তোষ পুনেম ওই এলাকায় কনট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। গতবছর তিনি বিধানসভা ভোটে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের আকস্মিক অবনতি। বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ব্যবসায় নতুন সুযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস
১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম
১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের জন্ম
১৯৭৯: ফুটবলার রেনেডি সিংয়ের জন্ম
২০০৭: অভিনেত্রী অনীতা গুহের মৃত্যু  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৯ টাকা ৭১.০৫ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩২ টাকা ৮৯.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৬.০২ টাকা ৭৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,১৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ৩০/৩০ অপঃ ৫/৯। উত্তরাষাঢ়া ২৬/৪৭ দিবা ৩/৩৯। সূ উ ৪/৫৬/২০, অ ৬/১৯/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫৯ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। 
৪ আষাঢ় ১৪২৬, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২৭/২৪/১ দিবা ৩/৫৩/৬। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ২৫/৩৬/১১ দিবা ৩/৯/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪১/২৯ গতে ৬/২২/২১ মধ্যে, কালবেলা ৩/০/৩৮ গতে ৪/৪১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৮/৫৬ গতে ১২/৫৮/৪ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৬ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়া ২৫০/১ (৪০ ওভার)

05:51:07 PM

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে বর্ষা
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে বর্ষা। আজ এমনটাই জানিয়েছে ...বিশদ

05:37:54 PM

১১ আইপিএস অফিসারকে বদলি করল রাজ্য 
১১জন আইপিএস অফিসারকে বদলি করল রাজ্য। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, কল্লোল ...বিশদ

05:28:55 PM

বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়া ১৭৭/১ (৩১ ওভার) 

05:10:37 PM

রোগীর পেট থেকে উদ্ধার গাঁজার ছিলিম
রোগীর পেটের ভিতর থেকে কাঁচি বা ছুরি উদ্ধারের ঘটনা নতুন ...বিশদ

05:08:37 PM

বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়া ১১৭/০ (২০ ওভার)

04:32:28 PM