রাজ্য
 
 

শান্তিপুরে কুমোরপাড়ায় সরস্বতী প্রতিমা তৈরি চলছে। নিজস্ব চিত্র

 পরিব্রাজক বিবেকানন্দ

গুঞ্জন ঘোষ: শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর নরেন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দরূপে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে নিজেকে জানার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছিলেন কোথায় ভারতের শক্তি আর কোথায় তার দুর্বলতা। আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র ভারতবর্ষের লুপ্ত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্পে শিকাগো ধর্মমহাসভাকেই পাখির চোখ করলেন। কিন্তু সনাতন হিন্দুধর্মের আদর্শকে তৎকালীন মার্কিন দেশের হৃদয় মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি যেমন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুণীজনদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন তেমনই অপমানিত হয়েছেন। নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন এদেশের ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার। শিকাগো ধর্মমহাসভাতে বিশ্বের যেসব ধর্মের প্রতিনিধিরা নিজের নিজের ধর্মকে পরিচিত করতে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মার্কিন জনগণের হৃদয় কেড়েছিলেন হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি ‘গৈরিক বসন ও বুদ্ধিদৃপ্ত দৃঢ় মুখমণ্ডল’ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দই। যদিও শিকাগোতে প্রথম দিকে তাঁর নামের বানানবিধি নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি হয়েছে। কেউ বলত ‘বিব্‌কা নন্দ’ আবার কেউ শুধুই ‘কানন্দ’। এর পরও বিবেকানন্দে মুগ্ধ শিকাগোবাসী। এই অবস্থায় নিজেরই স্বদেশবাসী ও প্রিয়জনতুল্য বিবেকানন্দের নামযশ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় নিজের প্রতিপত্তিকে ক্ষয় হতে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠেছিলেন প্রতাপচন্দ্র। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে সোজা পথে পর্যুদস্ত করতে না পেরে শেষটায় ধর্মমহাসভার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতাপচন্দ্র রটিয়ে দিলেন অদ্ভুত এক তত্ত্ব, ‘স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের এমন এক ভবঘুরে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যাহাদের কোন সামাজিক মর্যাদা বা প্রভাব নাই; বস্তুত তিনি ভণ্ড।’ মজুমদারের ঈর্ষাপরায়ণ কাজকর্ম দেখে ১৮৯৪ সালে আহত স্বামীজি গুরুভাই স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে শিকাগো থেকে লেখেন —
‘‘প্রভুর ইচ্ছায় মজুমদার মহাশয়ের সঙ্গে এখানে দেখা। প্রথমে বড়ই প্রীতি, পরে যখন শিকাগোসুদ্ধ নরনারী আমার উপর ভেঙে পড়তে লাগল তখন মজুমদার ভায়ার মনে আগুন জ্বলল।...আর মজুমদার পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়নের পাদ্রীদের কাছে আমার যথেষ্ট নিন্দা করে, ‘ও কেউ নয়, ঠগ, জোচ্চোর; ও তোমাদের দেশে এসে বলে – আমি ফকীর’ ইত্যাদি বলে তাদের মন আমার উপর যথেষ্ট বিগড়ে দিলে!...’’
ধর্মমহাসভার অধিবেশন শেষ হলে স্বামীজি প্রচারের প্রয়োজনে একটি প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিতে থাকেন। সেইসময় বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় তাঁর বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হলে প্রতাপচন্দ্রের ঈর্ষার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি এন্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকাটিকে সম্বল করে ময়দানে নামেন। ওই পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন শুধুমাত্র ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য। স্বামীজিকে ‘আমাদের পুরাতন বন্ধু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে একটি প্রবন্ধে লেখা হয়, ‘‘...আমরা জানি আমাদের বন্ধু যে নবীন হিন্দুমত প্রচার করিতেছেন, তাহা গোঁড়া হিন্দুধর্ম নহে। তাহার পক্ষে যাহা সম্পূর্ণ অকর্তব্য, তাহা হইতেছে কালাপানি পার হওয়া, ম্লেচ্ছদের অন্নগ্রহণ করা এবং সিগারেটের পর সিগারেট খাওয়া কিংবা ঐরূপ কিছু করা। খাঁটি গোঁড়া হিন্দু আমাদের যতখানি শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন, আধুনিক হিন্দুমতাবলম্বী ব্যক্তি সেরূপ শ্রদ্ধা দাবি করিতে পারেন না। কিন্তু বিবেকানন্দের সুখ্যাতি বাড়াইবার জন্য আমাদের সহযোগী সাধ্যমত চেষ্টা করিলেও, তিনি যখন বাজে কথা বকিতে থাকেন, তখন আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।” ওই প্রবন্ধে তাঁর সম্বন্ধে এত কথা বলা হলেও আসল সত্যটি হল, ব্রাহ্মসমাজের ‘নববৃন্দাবন’ নাটকে যোগীর ভূমিকায় আর কাউকে না পেয়ে সুগায়ক নরেন্দ্রনাথকে বহু পীড়াপীড়ি পর অভিনয়ের জন্য রাজি করানো হয়েছিল এবং মুখ্যভূমিকায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য কেশবচন্দ্র সেন। নরেন্দ্রনাথ সেই বয়সে থিয়েটারকে এতই অপছন্দ করতেন যে শহরের রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার সেই ফুটপাত তিনি একেবারেই মাড়াতেন না।
প্রতাপচন্দ্র কলকাতায় ফিরে রটিয়ে দিলেন বদনামে ভরা অদ্ভুত এক তত্ত্ব— “বিবেকানন্দ আমেরিকায় সব রকমের পাপ কাজ করেছে।” তা শুনে স্বামীজির জবাব ছিল, “বেচারির এতদূর অধঃপতনে আমি বিশেষ দুঃখিত। ভগবান ভদ্রলোককে কৃপা করুন।” তবুও স্বামীজির মনে আশঙ্কা ছিল এই যে, কলকাতার লোকমুখে এ রটনা প্রচারিত হয়ে তাঁর জননীর কানে পৌঁছলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত পাবেন। এই রটনায় স্বামীজি প্রচণ্ড মর্মাহত হয়েছিলেন – “আমার বুড়ি মা এখনো বেঁচে আছেন, সারা জীবন তিনি অসীম কষ্ট পেয়েছেন...কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ আশার, তাঁর সবচেয়ে ভালবাসার যে ছেলেটিকে তিনি দান করেছেন, সে দূরদেশে গিয়ে – কলকাতায় মজুমদার যেমন রটাচ্ছে তেমনিভাবে – জঘন্য নোংরা জীবনযাপন করছে, এ সংবাদ তাঁকে একেবারে শেষ করে দেবে।” ( যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড , পৃষ্ঠা ১১৭)
শুধু দেশবাসীর অপবাদ নয়, বিশেদেও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানান কথা। তাঁর সমকালীন ভারতবর্ষকে অপপ্রচারের মাধ্যমে নরকের সিংহ দুয়ারে করে তুলে ছিল আমেরিকার খ্রিস্টান মিশনারীরা। তারা ভারতের মাটিকে নরক, ধর্মকে কুসংস্কার ও ভারতবাসীদের বিধর্মী আখ্যা দিয়ে এই দেশের উন্নতিকল্পে আমেরিকা থেকে অর্থসংগ্রহ করত। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘রমাবাঈ সার্কল’ নামে এক স্বার্থান্বেষী ধর্মীয় সংঘ। যারা পাশ্চাত্যে ভারতীয় বিধবাদের বৈধব্যজীবনের ভয়ঙ্করতা নিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে অর্থোপার্জনের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু স্বামীজি যখন বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের মিথ্যার আবরণ সরিয়ে ভারতের সনাতন রূপটিকে সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন, তখন সেই কপটাচারীর দল দুটি প্রতিজ্ঞা করে – ‘জাহান্নমে যাইতে হয় তো তাহাও স্বীকার, কিন্তু নচ্ছার বিবেকানন্দের সর্বনাশ করিতেই হইবে।’ (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৫)।
প্রতাপচন্দ্রের চেয়ে এরা ছিল শতগুণে ভয়ঙ্কর এবং স্বামীজির অনিষ্ট করতে এক কাঠি উপরে। ১৮৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডেট্রয়েট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয় যে, এক বক্তৃতামঞ্চে বারোজন ধর্মযাজক মিলে স্বামীজি ও তাঁর মতাদর্শকে কটূক্তি ও অশ্রাব্য গালিগালাজ দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। স্বামীজির প্রতি আঘাত হানতে তারা কতদূর নীচে নামেন তা স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকা জুড়ে প্রচারিত হল – “বিবেকানন্দের অসদ্ব্যবহারে উত্ত্যক্ত হইয়া (মিশিগানের ভূতপূর্ব গভর্নরের স্ত্রী) শ্রীযুক্তা ব্যাগলিকে তাঁহার একটি অল্পবয়স্কা ঝিকে বিদায় দিতে হয়েছিল; বিবেকানন্দ অসম্ভব রকম আত্মসংযমহীন।” (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃ ১২১ – ১২২)
শ্রীযুক্ত জর্জ ডব্লিউ হেল ও তাঁর পত্নী – যাঁদের স্বামীজি বলতেন ‘ফাদার পোপ’ ও ‘মাদার চার্চ’; তাঁদের দুই কন্যা হ্যারিয়েট হেল ও মেরি হেল এবং দুই বোনঝি হ্যারিয়েট ম্যাককিন্ডলি ও ইসাবেল ম্যাককিন্ডলি স্বামীজির কাছে ছিল নিজের বোনের মতো স্নেহের। তাঁদের প্রাণঢালা ভালোবাসার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে স্বামীজির বিভিন্ন চিঠিতে। সেই হেল পরিবারকে বেনামী চিঠিতে জানানো হয় যে স্বামী বিবেকানন্দ দুশ্চরিত্র। অতএব মিঃ হেল যেন তাঁর বাড়ির মহিলাদের বিবেকানন্দের সংসর্গ থেকে দূরে রাখেন। যে স্বামীজি নারীশিক্ষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়ে ভারতে স্ত্রীমঠ প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁকেই রমাবাঈ সার্কলের তরফ থেকে হিন্দু কন্যাদের শিক্ষার বিরোধী বলে নিন্দা করা হয়। মিশনারীরা তাঁকে ধর্মপ্রচারকের বেশধারী রাজনীতিক বলতেও ছাড়েনি। সেইসময়ে তাঁকে যে প্রাণে মারারও ষড়যন্ত্র চলছিল তা আমরা জানতে পারি ডেট্রয়েটে এক নৈশভোজ চলাকালীন। খাওয়ার টেবিলে বসে স্বামীজি কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘খাসনি, ও বিষ!’
প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের জন্য বিশেষ বাণী বহন করে আনা স্বামীজি বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছেন। গায়ের ময়লা রঙের জন্য বহু হোটেল ও রুচিবোধসম্পন্ন মার্কিনদের গৃহে তাঁর জায়গা হয়নি। এমন কী গুরু হওয়ার করণে প্রিয় শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে কুৎসার শিকার হয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মিশনারীদের উদ্যোগে একটি সংবাদপত্রে শ্রীরামকৃষ্ণের একটি ছবি ছাপিয়ে তাঁর সম্বন্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তা দেখে স্বামীজি ব্যথিত হয়ে বলেন, ‘হায়! এ যে সাক্ষাৎ ভগবদ্বিদ্বেষ!’
কিন্তু এত করেও আমেরিকা ও পরে ইংল্যান্ডে তিনি ছিলেন “সমস্ত প্রকৃত ব্রহ্মপ্রবক্তাদের রহস্যের ও আধ্যাত্মিক নিঃসঙ্গতার মূর্ত বিগ্রহ।” দেশে-বিদেশে স্বামীজি যতবার মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি দেখেছেন, ততবারই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। তাঁর নিজের কথাতে ‘আমি জীবনে যত বাধা পেয়েছি ততই আমার শক্তির স্ফুরণ হয়েছে।’ বিবেকানন্দ এইখানেই আশ্চর্যের যে, তিনি কাউকে পরাস্ত করে নিজের জয়ের জন্য আনন্দ পেতেন না, বরং খুশি হতেন একটি সত্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেখে। তাঁর প্রতি মিথ্যে অপবাদ এলে কোনও কোনও সময় স্বামীজির হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মার্কিন সমাজের একাংশ। যেমন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীযুক্তা ব্যাগলি, জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইট, জর্জ ডব্লিউ হেল, মেরি হেল প্রমুখ। স্বামীজির এক বক্তৃতা শুনে বিশিষ্টা জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইটের মনে তাঁর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব সম্বন্ধে এমন গভীর ছাপ পড়ে যে স্বামীজির সঙ্গে করমর্দনের পর তিন দিন তিনি নিজের হাত ধোওয়ার কথা ভাবেননি।
নিজের প্রতি ধেয়ে আসা মিথ্যাচারের কারণে যখন তাঁর প্রচারকার্যে ব্যাঘাত ঘটছিল তখন স্বামীজি আশা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করে নিশ্চয় ভারত থেকে চিঠি মারফত সমুচিত জবাব আসবে। কিন্তু পাশ্চাত্যে থাকাকালীন প্রথমদিকে তাঁকে নিয়ে ভারতীয়দের যে অমনোযোগিতা, সেই সম্পর্কে কিছু অভিমত ধরা পড়েছে তাঁরই এক চিঠিতে – “...এই যে এক বৎসর যাবৎ আমি এখানে আছি – এর মধ্যে ভারতবর্ষের একজন খ্যাতনামা লোকও এদেশবাসীকে এ কথাটি জানানো উচিৎ মনে করেন নাই যে, আমি প্রতারক নহি।...” কিন্তু পরমুহূর্তেই ব্যক্ত হয়েছে তাঁর মনের কথাটি —“আমার চরিত্রের সর্বপ্রধান ত্রুটি এই যে, আমি আমার দেশকে ভালবাসি, বড় একান্তভাবেই ভালবাসি।”
সমালোচনা, ঈর্ষা যে সাফল্যের অংশ তা তো স্বামীজি জানতেনই। মানুষের গোটা জীবনটাই কঠিন পরীক্ষার ঘেরাটোপে বন্দি। তাই শিষ্য শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন জীবনের সনাতন বাস্তব ও সারকথাটি — “...লোকে যখন আমায় খাতির করতে লাগল, তখন পাদ্রীরা আমার পেছনে খুব লাগল। আমার নামে কত কুৎসা কাগজে লিখে রটনা করেছিল! কত লোকে আমায় তার প্রতিবাদ করতে বলত। আমি কিন্তু কিছু গ্রাহ্য করতুম না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস— চালাকি দ্বারা জগতে কোন মহৎ কার্য হয় না; তাই ঐ সকল অশ্লীল কুৎসায় কর্ণপাত না করে ধীরে ধীরে আপনার কাজ করে যেতুম। দেখতেও পেতুম— অনেক সময় যারা আমায় অযথা গালমন্দ করত, তারাও অনুতপ্ত হয়ে আমার শরণ নিত এবং নিজেরাই কাগজে প্রতিবাদ করে ক্ষমা চাইত।...কি জানিস, বাবা, সংসারে সবই দুনিয়াদারি! ঠিক সৎসাহসী ও জ্ঞানী কি এসব দুনিয়াদারিতে ভোলে রে বাপ! জগৎ যা ইচ্ছে বলুক, আমার কর্তব্য কার্য করে চলে যাব – এই জানবি বীরের কাজ। নতুবা এ কি বলছে, ও কি লিখছে —ওসব নিয়ে দিনরাত থাকলে জগতে কোন মহৎ কাজ করা যায় না।” (বাণী ও রচনা ৯, পৃ ৭৪ - ৭৫)।
আশাহত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। শত বাধার প্রাচীর তৈরি করেও তাঁর গতিরোধ করায় যায়নি। নিজে ক্ষত হয়েছেন কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কেননা স্বামীজির হৃদয় জুড়ে ছিল ভারত ও ভারতবাসী।
12th  January, 2019
২৩টি আসন দিন বাংলা বদলে দেব,
ডাক অমিতের, উন্মাদ বলল তৃণমূল

মালদহে সভাশেষে অসুস্থ, ফিরলেন দিল্লি

বিএনএ, মালদহ এবং নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা: ‘বাংলার জনতাকে হাতজোড় করে বলছি, আমাদের ২৩টির বেশি আসন দিন,বাংলাকে প্রকল্পে ভরিয়ে দেব। বদলে দেব।’ মঙ্গলবার পুরাতন মালদহের সভায় এসে এভাবেই লোকসভা নির্বাচন নিয়ে আমবাঙালির কাছে আবেদন করলেন বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। যা শুনে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্যোপাধ্যায়ের দাবি, উন্মাদ না হলে কেউ একথা বলে না। এদিন প্রায় আধ ঘণ্টার ভাষণে অমিত শাহ বাংলার তৃণমূল কংগ্রেস শাসন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেড সভা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। 
বিশদ

ভিভিপ্যাট নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ
জানালে হতে পারে জেল: কমিশন

ইন্দ্র মহন্ত, বালুরঘাট, সংবাদদাতা: ভিভি প্যাটে ভুল ভোট পড়েছে এমন অভিযোগ শুধু জানালেই হবে না, অভিযোগকারীকে তা প্রমাণও করতে হবে। যদি অভিযোগকারীর অভিযোগ প্রমাণিত না হয় তবে তাকে জেল খাটতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বিশদ

মৃত রেশন গ্রাহকদের নাম বাদ দিতে পোর্টাল চালু করা হবে খাদ্য দপ্তরে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মৃত রেশন গ্রাহকদের নাম দ্রুত বাদ দেওয়ার জন্য বিশেষ সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য দপ্তর। তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাকে দিয়ে এই কাজ করানো হবে। এর জন্য একটি বিশেষ পোর্টাল চালু করা হবে। পঞ্চায়েত ও পুরসভার পক্ষ থেকে মৃত ব্যক্তির নাম ওই পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত করলে, সেই তথ্য খাদ্য দপ্তর পেয়ে যাবে।
বিশদ

প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এক মাসের স্থগিতাদেশ হাইকোর্টে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে হোঁচট খেয়েছিল। মঙ্গলবার তা আপাতত এক মাসের জন্য সম্পূর্ণভাবে থমকে গেল। বিচারপতি শেখর ববি শরাফ ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে এদিন জানিয়েছেন, ২৮ জানুয়ারি বিষয়টির চূড়ান্ত শুনানি শুরু হবে।
বিশদ

উচ্চ মাধ্যমিক: সংসদ মনোনীত প্রার্থীদেরও মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, একাদশের পরীক্ষা শেষ পর্যন্ত পুলিস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরীক্ষার হলে মোবাইল নিষিদ্ধ আগেই করেছিল মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড। কারা মোবাইল রাখতে পারবেন, তাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। এতদিন মাত্র চারজনের কাছে মোবাইল থাকত। যার মধ্যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের মনোনীত প্রতিনিধিও ছিলেন।
বিশদ

অমিত শাহের দাবি বিভ্রান্তিকর, যুক্তি দিয়ে খণ্ডন পার্থ, ফিরহাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্রিগেডের সভা দেখার পর বিজেপির যে ঘুম ছুটেছে, এদিন তা ফের বুঝিয়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। গত শনিবার কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশে দেশের ২৩ জন বিরোধী নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলেন।
বিশদ

নস্যাৎ শিক্ষামন্ত্রীর
স্থগিত ঘোষণার পরেও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে বদলিতেই শিক্ষক আসছে বলে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে ৬৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল চালু করছে শিক্ষা দপ্তর। তার মধ্যে কয়েকটি ইতিমধ্যে শুরুও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিরোধী সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই স্কুলগুলিতে যে শিক্ষকদের আনা হচ্ছে, তা এক প্রকার বদলি করেই করা হচ্ছে। অথচ শিক্ষা দপ্তরের বদলি স্থগিত রয়েছে বলে একটি বিজ্ঞপ্তি এখনও জারি রয়েছে।
বিশদ

 উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা, গাঙ্গেয় বঙ্গে শীতের মাত্রা কিছুটা কমবে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দার্জিলিং সহ হিমালয় সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আজ, বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। চলতি সপ্তাহে আরও একদিন ওই এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। ঝঞ্ঝার প্রভাবে আগামী তিন-চারদিন কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শীতের মাত্রা কমবে। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।
বিশদ

ঠাকুরনগরে আসছেন মোদি, মঞ্চে বড়মাকে পাওয়া নিয়ে দড়ি টানাটানি দুই শিবিরে

বিএনএ, বারাসত: মতুয়া মহাসংঘের বড়মা বীণাপাণিদেবীর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত নভেম্বর মাসেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মঞ্চে বড়মা উপস্থিতও হয়েছিলেন। এবার মতুয়া সহ উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদান ইস্যুতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে আসছেন।
বিশদ

রাজ্য বিধানসভার
বাজেট অধিবেশন শুরু ১ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১ ফেব্রুয়ারি রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রাজ্যের বাজেট অধিবেশন। উল্লেখ্য, ওইদিনই সংসদে কেন্দ্রের ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ হওয়ার কথা। নিয়ম অনুসারে, রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠির ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন উদ্বোধনের পরের দিন শোকপ্রস্তাব পাশ করে সভা মুলতুবি হয়ে যাওয়ার কথা।
বিশদ

 এসএফআইয়ের মিছিল

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইন্টার্ন শিক্ষক, সিবিসিএস এবং ছাত্র কাউন্সিলের প্রতিবাদে মঙ্গলবার শ্যামবাজার থেকে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত মিছিল করল এসএফআই। কলেজ স্ট্রিটে মিনিট দশেক পথ অবরোধও করে তারা। এতে কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি ভি পি শানু।
বিশদ

আসছে নতুন ভোর, ঘোষণা
বিজেপি বধে প্রত্যয়ী মমতার
প্রত্যেকটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ, ইভিএম নিয়ে সরব নেত্রী

দেবাঞ্জন দাস, শিলিগুড়ি: ২০১৯ সালে দিল্লির মসনদে পরিবর্তন যে হচ্ছেই, নিজে উপলব্ধি করেছেন সেটা। ব্রিগেডের মঞ্চে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই উপলব্ধিতে জোরালো সায় দিয়ে গিয়েছে গোটা ভারতের বিরোধী দলের নেতৃত্ব। সোমবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে উত্তরবঙ্গ উৎসবের উদ্বোধনী মঞ্চে নিজের সেই উপলব্ধি ভাগ করে নিলেন হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে।
বিশদ

22nd  January, 2019
সর্বশিক্ষা কর্মীদের বেতন ৪০ শতাংশ বাড়াল রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার সর্বশিক্ষা মিশন কর্মীদের বেতন অনেকটাই বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে সেই ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সর্বশিক্ষার অধীনে কর্মরত শিক্ষাবন্ধু এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাফদের ৪০ শতাংশ করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে শিক্ষাবন্ধুদের বেতন ৫৯৯৪ টাকা থেকে বেড়ে হল ৮৩৯২ টাকা।
বিশদ

22nd  January, 2019
২৮শে ঠাকুরনগর, ২ ফেব্রুয়ারি শিলিগুড়ি
৮ ফেব্রুয়ারি মোদির ব্রিগেড বাতিল, ওই দিন আসানসোলে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত সভা হচ্ছে না। বদলে ওই দিন আসানসোলে সভা করতে আসছেন তিনি। পাশাপাশি আগামী ২৮ জানুয়ারি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে এবং ২ ফেব্রুয়ারি শিলিগুড়িতে রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ কথা জানান।
বিশদ

22nd  January, 2019

Pages: 12345

একনজরে
লখনউ, ২২ জানুয়ারি: ভোটের অঙ্ক ঠিক রাখতেই কংগ্রেসকে বাইরে রেখে উত্তরপ্রদেশে জোট বেঁধেছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজপার্টি (বিএসপি)। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নেমেছে গোসানিমারিতে। সম্প্রতি রাজপাট ঢিবি সংলগ্ন জমিতে পুকুর খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। গোসানিমারির শালবাগানে পিকনিক করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাজরা মোড়ের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (সিএনসিআই)-এর কাছ থেকে যাবতীয় খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) চেয়ে পাঠাল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সেখানকার কাজকর্মের নজরদারিতে তৈরি রাজ্য সরকারের কমিটি। ...

 নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি: হকি খেলোয়াড় আরএস ভোলা ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন। তিনি ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন ওলিম্পিক ও ১৯৬০ সালে রোম ওলিম্পিকে ভারতীয় সোনা ও রুপো জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। হকি ছিল তাঁর প্যাশন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’ এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৯ টাকা ৭২.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১০ টাকা ৯৩.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৪ টাকা ৮২.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৪৪/২ রাত্রি ১১/৫৯। নক্ষত্র- মঘা ৩৬/০ রাত্রি ৮/৪৭, সূ উ ৬/২২/২৭, অ ৫/১৪/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৮ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া প্রাতঃ ৬/৫৪/১৬ পরে তৃতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৮। মঘানক্ষত্র রাত্রি ১/১৫/৩৪। সূ উ ৬/২৪/৫০, অ ৫/১১/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৪ মধ্যে ও ঘ ১০/০/২৫ থেকে ১১/২৬/৩৯ মধ্যে ও ৩/২/১৪ থেকে ৪/২৮/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২৭ থেকে ৮/৪৩/৬ মধ্যে ও ২/০/২৪ থেকে ৬/২৪/৩১ মধ্যে। বারবেলা ১১/৪৮/১২ থেকে ১/৯/৩ মধ্যে, কালবেলা ৯/৬/৩১ থেকে ১০/২৭/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৬/৩১ থেকে ঘ ৪/৪৫/৪০ মধ্যে। আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৩তম জন্মদিবস
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে মহারাষ্ট্রে ধৃত ৯ 

11:25:09 AM

ডালখোলায় তৃণমূল কর্মী খুন 
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার হাসান এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক ...বিশদ

10:41:54 AM

প্রথম ওয়ান ডে: ১৫৭ রানে অল আউট নিউজিল্যান্ড 

10:24:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:36 AM

প্রথম ওয়ান ডে: নিউজিল্যান্ড ১৪৬/৬ (৩২ ওভার) 

09:59:49 AM

নির্বাচকদের ২০ লক্ষ টাকা বোনাস দেবে বিসিসিআই
বিসিসিআই ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের তিন নির্বাচককে সফল দল চয়নের ...বিশদ

09:42:28 AM