কলকাতা, মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০১৭, ১৪ চৈত্র ১৪২৩

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড় | ম্যাগাজিন


সোমবার ঝাড়গ্রামে প্রচণ্ড রোদে ছাতামাথায় খুদে পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। নিজস্ব চিত্র

নারদকাণ্ডেও ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে সিবিআই

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সারদা-রোজভ্যালির মতোই নারদ স্টিং অপারেশনেও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে সিবিআই। স্টিংকাণ্ডের ফুটেজের ভিত্তিতে তথ্য বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এমনই ইঙ্গিত পাচ্ছেন আধিকারিকরা। বিষয়টি সোমবার দিল্লিতে সিবিআই কর্তাদের বৈঠকেও উঠে আসে। আর এই প্রসঙ্গ সামনে এসে পড়াতেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে। সেই কারণেই এফআইআরে কী কী বিষয় রাখা হবে, তা নিয়ে আরও একদফা আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিষয়টি পর্যালোচনা করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে শীর্ষ আধিকারিকদের। এরপরই এফআইআর করার কাজটি সেরে ফেলা হবে বলে সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্ট নারদ স্টিং অপারেশনে সিবিআই তদন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর সপ্তাহখানেক কেটে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে প্রাথমিক তদন্তের জন্য এক মাস সময় দিয়েছে আদালত। সূত্রের খবর, সিবিআই কর্তারা চাইছেন, এই সময়সীমার আগেই প্রাথমিক তদন্তের কাজটুকু সেরে ফেলতে। যাতে এফআইআর করে মূল তদন্ত শুরু করা যায়। স্টিং অপারেশনের প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ফুটেজ দেখা শেষ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তাতে কী কী রয়েছে এবং নতুন নতুন কী কী উঠে এসেছে, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে দিল্লিতে রিপোর্টও পাঠানো হয়েছে। যাতে বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে বলে খবর। এই নিয়েই দিল্লিতে এদিন আধিকারিকরা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন। সেখানে এফআইআরের প্রসঙ্গ ওঠে। তখনই কর্তাদের আলোচনায় উঠে আসে, যেভাবে ঘটনার পরিধি বাড়ছে, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। যা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রেরই শামিল বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু এই ষড়যন্ত্রে কে বা কারা জড়িত, তা জানার প্রয়োজন রয়েছে। যাতে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে তার উল্লেখ করার পাশাপাশি এফআইআরেও সেরকম ইঙ্গিত রাখা যায়। সেই কারণেই এফআইআর করার বিষয়টি পিছিয়ে গিয়েছে বলে খবর। বৃহত্তর ষড়যন্তের বিষয়ে দ্রুত তথ্য বের করে ফেলা সম্ভব হলে এফআইআরের কাজটিও সেরে ফেলা যাবে।

শিশুশ্রমিক নির্মূলের পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলা, স্বীকার কেন্দ্রের

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৭ মার্চ: দেশ থেকে শিশুশ্রমিক নির্মূলের পরিসংখ্যানে কেন্দ্রীয় সরকারকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। কারণ গত তিন বছরে একমাত্র বাংলাতেই শিশুশ্রম সংক্রান্ত অপরাধের হার লক্ষ্যণীয়ভাবে কম রয়েছে। আজ লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয় এই ইস্যুতে একটি রিপোর্ট পেশ করেছেন। আর সেই কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান থেকেই পশ্চিমবঙ্গের ছবিটা প্রকাশ্যে এসেছে। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত শিশুশ্রম সংক্রান্ত অপরাধের রাজ্যওয়াড়ি তালিকা পেশ করা হয়েছে। সেই তালিকা মোতাবেক, এই তিন বছরের সময়সীমার মধ্যে শিশুশ্রম সংক্রান্ত অপরাধে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৪২ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা গিয়েছে। যার মধ্যে থেকে মাত্র দু’জনকে দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব হয়েছে।

অথচ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়র পেশ করা রিপোর্ট থেকেই দেখা যাচ্ছে, অন্য রাজ্যগুলিতে এই দু’টি ক্ষেত্রের হারই অত্যন্ত বেশি। যেমন এই তালিকার শীর্ষে থাকা বিহারে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে শিশুশ্রমিক নিয়োগের অপরাধে মোট ১ হাজার ১৬৯ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যাদের মধ্যে দোষী সাব্যস্ত করা গিয়েছে ১৫০ জনকে। এই সংক্রান্ত অপরাধের সংখ্যা কম বলেই পশ্চিমবঙ্গে এই ইস্যুতে অভিযানের সংখ্যাও অন্যান্য রাজ্যের থেকে কিছুটা কম। ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বাংলায় শিশুশ্রমিক উদ্ধারে অভিযান হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি। এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে উল্লেখিত সময়ে মোট ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩৫টি অভিযান হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয় আজ লিখিতভাবেই জানিয়েছেন, দেশ থেকে শিশুশ্রমিক নির্মূলকরণে কেন্দ্রীয় সরকার নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারপ্রাপ্ত শিশুশ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তবে শুধুমাত্র কেন্দ্র নয়, শিশুশ্রমিক নির্মূলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকেও একইভাবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।

কাজের দিনে মাজির ভাষণ শোনাতে ডাক্তারদের কলকাতায় ডাকল তৃণমূলের সংগঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শীর্ষ নেতা ডাঃ নির্মল মাজির ভাষণ শোনাতে তৃণমূলপন্থী ডাক্তার সংগঠন প্রোগ্রেসিভ ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (পিডিএ) রাজ্যের সমস্ত সরকারি চিকিৎসকদের এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাকল কাজের দিনে, একেবারে আউটডোর চলাকালীন সময়েই। শুক্রবার বেলা ১টায়। এ জন্য ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত প্রান্ত থেকে দার্জিলিং-এর পাহাড়সহ সমস্ত জায়গায় সরকারি ডাক্তারদের মোবাইলে ম্যাসেজ আসতে শুরু করেছে। ভেসে উঠছে শাসকদলের ডাক্তার সংগঠনের আহ্বান বা বলা ভালো ‘নির্দেশ’। যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘প্রিয় চিকিৎসক বন্ধু, আপনাকে ও আপনার বন্ধুদের ৩১ মার্চ শুক্রবার কাঁটায় কাঁটায় দুপুর ১টার সময় এনআরএস এলএলটি হলে ‘অল বেঙ্গল মেডিকেল কনভেনশন-২০১৭’তে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আলোচনার বিষয়: ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট। প্রধান বক্তা: ডাঃ নির্মল মাজি।

কিন্তু কেন এমন একটা কাজের দিনে কাজের সময়ে আউটডোরের রোগী ফেলে, অপারেশন ও পড়ানো ফেলে হাজার হাজার ডাক্তারদের এভাবে কনভেনশনে ডাকা হল? এ নিয়ে স্পষ্টতই বিরক্ত পশ্চিমবঙ্গের বহু চিকিৎসক। এ ধরনের এসএমএস পাওয়া অনেকে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে যদি একথা যেত, উনি উচিত শিক্ষা দিতেন। একেই রোগীদের চাপে নিত্য হিমশিম খাচ্ছি আমরা। যত দিন যাচ্ছে, রোগী বাড়ছে। এই অবস্থায় কাজ ফেলে কনভেনশনে যোগ দিতে আসার কোনও মানে হয়? দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদেরও কতটা হয়রানি হবে বলুন তো?

শাসক দলের ডাক্তার সংগঠনের একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, এখনই কনভেনশন ডেকে সরকারি ডাক্তারদের নয়া ক্নিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন নিয়ে না বোঝালে, তাঁদের আশ্বস্ত করতে না পারলে সংগঠনই ভেঙে যেতে পারে। কারণ, যেভাবে ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আইন ‘ডাক্তার বিরোধী’ বলে তুমুল প্রচার চালানো হচ্ছে, যেভাবে দু-তিনদিন অন্তত করে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল এ নিয়ে ডাক্তারদের জোটবদ্ধ করার তুমুল চেষ্টা চালাচ্ছে, পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যেতে কতক্ষণ!

কনভেনশনের আয়োজক ও শাসক দলের ডাক্তার সংগঠন পিডিএ-এর এনআরএস ইউনিটের অন্যতম নেতা ডাঃ গোপাল মণ্ডল বলেন, ডাক্তারদের নতুন আইন নিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। আমরা ওইদিন তা কাটানোর চেষ্টা করব। সংগঠনের রাজ্য সহ-সভাপতি এবং এনআরএস ইউনিটের শীর্ষ নেতা ডাঃ অভিজিৎ ভক্ত বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে হওয়া নতুন ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন নিয়ে অপপ্রচার চলছে। এই আইন নাকি ডাক্তার বিরোধী। একেবারেই নয়। সেটা বোঝাবেন আমাদের নেতা নির্মলবাবু। তাছাড়া সরকারের কাছে ওইদিন আমরা স্পষ্ট বার্তা দেব, সাথে আছি, পাশে আছি। কিন্তু, কাজের দিনে আউটডোরের মধ্যে এমন কনভেনশন? প্রতিবেদকের প্রশ্নের দৃশ্যতই অপ্রস্তুত অভিজিৎবাবু বলেন, একটু পরে এলেও দোষ নেই। কী বলছেন বিতর্কিত বিধায়ক চিকিৎসক নেতা ও পিডিএ-এর রাজ্য সভাপতি নির্মলবাবু? তিনি বলেন, ১টায় কনভেনশন হলে কারও অসুবিধা হবে না বলেই মনে হয়। শুধু সরকারিই নয়, শয়ে শয়ে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাও ওইদিনের কনভেনশনে যোগ দেবেন।

রণকৌশল ঠিক করতে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অধীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নারদকাণ্ড থেকে মেরুকরণের রাজনীতি, দলের রণকৌশল স্থির করতে আগামী ৩০ মার্চ দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি। সাধারণত বিধানসভা অধিবেশনের প্রাক্কালে পরিষদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেন প্রদেশ সভাপতি। সূত্রের মতে, নারদকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত চলাকালীন রাজ্যের মন্ত্রীদের ইস্তফার দাবিতে সরব হতে চায় কংগ্রেস। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কংগ্রেস বিধায়করা চিঠি দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

একদিকে ধর্মীয় মেরুকরণের প্রভাব, অন্যদিকে দুর্নীতি— এই দুই বিষয়কে এক বিন্দুতে মেলানো যে কঠিন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই টের পেতে শুরু করেছে রাজ্য কংগ্রেস। সম্প্রতি বিধানভবনে অধীরবাবুর উপস্থিতিতে দলীয় আলোচনায় সেই প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। নারদকাণ্ড নিয়ে কংগ্রেস ও বামেদের পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের একাংশ মনে করে, সারদা ও নারদকাণ্ডকে ঘিরে বিজেপি-তৃণমূলের সংঘাতের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। কিন্তু রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই শাসক দলের লড়াইয়ে মেরুকরণের রাজনীতি জমি তৈরি করছে রাজ্যে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় দলের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে পরিষদীয় দলের বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। পরিষদীয় নেতা আবদুল মান্নান বলেন, বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং তৃণমূলের দুর্নীতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাতে হবে।

১০০ দিনের কাজে লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে গেল
রাজ্য, তবে পিছিয়ে পুরুলিয়া আর পাহাড়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোটা রাজ্যে শ্রমদিবসের সংখ্যা বাড়লেও পুরুলিয়া ও পাহাড়ে জিটিএ ১০০ দিনের কাজে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারল না। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলায় ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে ১০০ দিনের কাজে শ্রম দিবসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৯ লক্ষ। সোমবার পর্যন্ত তা ৫০ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অনেক পিছিয়ে পুরুলিয়া। শ্রমদিবস তৈরিতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। একইভাবে পাহাড়ে জিটিএ এলাকায় শ্রমদিবসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৩ লক্ষ। তারা করেছে ৬০ লক্ষ। তবে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে হাওড়া জেলা। এই আর্থিক বছরে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭ লক্ষ ২৬ হাজার। তারা করেছে ৫৩ লক্ষ ৩৩ হাজার। অর্থাৎ হাওড়া জেলায় লক্ষ্যমাত্রার ৩০০ শতাংশ বেশি শ্রমদিবস সৃষ্টি করা হয়েছে।

পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি আর্থিক বছরে গোটা রাজ্যে শ্রম দিবস তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৮ কোটি ৭৭ লক্ষ ৬১ হাজার। এদিন পর্যন্ত তা হয়েছে ২১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৮৮ হাজার। লক্ষ্যমাত্রাকে ছাপিয়ে যাওয়ার জন্য আগামী আর্থিক বছরে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে ২৩ কোটি। তবে শ্রমদিবস তৈরিতে হাওড়া ছাড়াও জলপাইগুড়ি, পশ্চিম মেদিনীপুর, বর্ধমান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলা খুব ভালো কাজ করেছে। যেমন জলপাইগুড়ি শ্রমদিবস সৃষ্টি করেছে ১ কোটি ৩ লক্ষ। পশ্চিম মেদিনীপুর দু’কোটি, বর্ধমান ১ কোটি ৯৯ লক্ষ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১ কোটি ৮৮ লক্ষ এবং হুগলি জেলা ১ কোটি ৭২ লক্ষ শ্রমদিবস সৃষ্টি করেছে।

আগামী আর্থিক বছরে শ্রমদিবসের সংখ্যা যেমন বাড়ানো হয়েছে, তেমনি বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। এই প্রকল্পের পুরো টাকাটাই দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছর সাড়ে ছ’হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল, এবার তা আরও দু’হাজার কোটি টাকা বাড়িয়েছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে যাতে জবকার্ডধারীর নামের তালিকায় কোনও গরমিল না থাকে, তার জন্য সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছে। যেখানে ব্যাংক নেই সেখানে পোস্ট অফিসে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বহু এলাকায় ব্যাংক না থাকার জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সাই঩কেলে করে জেলাশাসকের দপ্তরের কর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে চেক দিয়ে আসেন।

সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছে, ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে প্রত্যেক শ্রমিকের আধার কার্ড থাকতে হবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আধার নম্বর যুক্ত করতে হবে। কিন্তু এই রাজ্যে ৭৬ শতাংশ শ্রমিকের আধার কার্ড আছে। বাকি ২৪ শতাংশ শ্রমিকের তা নেই। অর্থাৎ ৬০ লক্ষ শ্রমিকের মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ শ্রমিকের আধার কার্ড না থাকায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই কার্ড তৈরির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনেকে আবেদনও করেছেন। আগামী ১ এপ্রিল থেকে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক বলে দিল্লি থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে তা আর থাকছে কি না, সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে জানতে চায় রাজ্য সরকার। তবে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আধার কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদেরও মজুরি দেওয়া যাবে বলে কয়েকদিন আগে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরকে জানানো হয়েছে।

গ্রন্থাগারিকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে মউ স্বাক্ষর দপ্তরের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের গ্রন্থাগারগুলিকে আধুনিক এবং জনমুখী করে তুলতে উদ্যোগী জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর। সোমবার তারা ইন্ডিয়ান পাবলিক লাইব্রেরি মুভমেন্ট নামে এক সংস্থার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল। রাজ্য কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে হয় এই অনুষ্ঠান। তারপর সাংবাদিক বৈঠক করে দপ্তরের মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরি বলেন, আমাদের রাজ্যে ২৪৮০টি লাইব্রেরি রয়েছে। প্রতিটিকেই সচল এবং আধুনিক করে তুলতে হবে। তার জন্যই এই সংস্থার সঙ্গে আমরা গাঁটছড়া বাঁধলাম। এরা সারা দেশে গ্রন্থাগারকে আধুনিক ও জনমুখী করে তোলার কাজ করে থাকে।

মন্ত্রী জানান, আপাতত ৮০টি লাইব্রেরিকে মডেল হিসাবে বেছে নেওয়া হবে। প্রতিটি জেলা থেকে তিনটি করে লাইব্রেরি দিয়ে শুরু হবে। সেখানকার গ্রন্থাগারিকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে ‘মাস্টার ট্রেনার’ তৈরি করা হবে। এঁরাই বাকি লাইব্রেরির গ্রন্থাগারিকদের প্রশিক্ষণ দেবেন। ওই সংস্থার পক্ষ থেকে এক কর্তা জানান, এই প্রশিক্ষণে আট থেকে ন’টি বিষয় বাছাই করা হয়েছে। প্রতিটির জন্য তিন-চার দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সিদ্দিকুলাসাহেবের বক্তব্য, একটি গ্রন্থাগার কেমন হওয়া উচিত, তার পরিচালনা কীভাবে করা দরকার, পাঠকদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি নিয়ে পাঠ দেওয়া হবে গ্রন্থাগারিকদের। এমনকী লাইব্রেরিয়ানদের স্পোকেন ইংলিশ ক্লাসও নেওয়া হবে। গোটা প্রশিক্ষণপর্ব হবে রাজ্য কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে। মন্ত্রী জানান, ১১টি জেলায় রিভিউ মিটিং করার পর দেখা গিয়েছে, লাইব্রেরিয়ানদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে, গ্রন্থাগারের বই পরিষ্কার করার জন্য ‘ক্লিন ডে’ পালন করা হবে। ৩১ আগস্ট গ্রন্থাগার দিবস বলে পালন করা হয়। ওই তারিখেই এই দিবস পালন করা হবে। মন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজ্যের সমস্ত লাইব্রেরি মিলিয়ে দেড় লক্ষের বেশি বই রয়েছে। কিন্তু অনেক জায়গাতেই বহু বই ধুলোয় পড়ে রয়েছে। সেই সমস্ত বই নামিয়ে ঝাড়পোঁছ করা দরকার। তাই এই একটি বিশেষ দিনকে বাছাই করা হয়েছে। তবে এইসব কাজ করার জন্য কর্মী সংকট রয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, গ্রন্থাগারগুলিতে ছ’হাজার পদের মধ্যে ২৭০০-২৮০০ পদ খালি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

ইডি’র মামলায় দোষী মাদক পাচারকারী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে এই প্রথম ইডি’র রুজু করা ‘মানি লন্ডারিং’ মামলায় এক মাদক কারবারীকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। ওই অপরাধীর নাম আলাউদ্দিন শেখ ওরফে ভেলু। সোমবার কলকাতার ‘বিশেষ’ আদালতের বিচারক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় জেল হেপাজতে থাকা ওই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আজ মঙ্গলবার ওই অপরাধীর সাজা ঘোষণার কথা।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা ওই ব্যক্তির কাছ থেকে এক দশকেরও আগে বিপুল টাকার মাদক আটক করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনায় বারাসতের বিশেষ দায়রা আদালত ১৪ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে ওই ব্যক্তিকে। জেলা পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদক বিক্রির টাকায় ওই অপরাধী উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদীয়ার তেহট্টে কয়েক বিঘা জমি কেনে। যে দমির দাম প্রায় কয়েক কোটি টাকা। এদিকে, এত বিপুল পরিমাণ জমি ওই মাদককারবারী কীভাবে কিনল এবং সেই টাকার উৎসই বা কী, তা খতিয়ে দেখতে পরবর্তী সময় তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে, এই অভিযুক্ত একজন মাদক-কারবারী এবং মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত। এমনকী জমিতে গোপনে লোক লাগিয়ে সে নিষিদ্ধ আফিমের চাষও করত।

এদিকে, পরবর্তী সময় ইডি তাদের মামলায় আদালতের নির্দেশে ওই ব্যক্তিকে হেপাজতে নেয়। সেখান ধৃতকে জেরা করে গোয়েন্দা অফিসাররা জানতে পারেন, রমারমা মাদক ব্যাবসার কালো টাকায় ওই ব্যক্তি বিঘার পর বিঘা জমি কেনে। বিপুল টাকা মজুত রাখলে পাছে ধরা পড়ে যায়, আর সেই কারণে ওই টাকা নিজের হেপাজতে অথবা কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা না রেখে সে একের পর এক জমি কিনতে থাকে। যদিও ধৃতের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

বৃষ্টির সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন সোমবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা জুগিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বিকালের দিকে কোথাও দু’এক পশলা বৃষ্টি হলেও, সন্ধ্যা পর্যন্ত তেমন বড় মাপের কিছু হয়নি। তবে হাল ছাড়তে রাজি নয় হাওয়া অফিস। আগামী দিন কয়েক তারা বৃষ্টির সম্ভবনার কথা ফের শুনিয়ে রেখেছে।

অসম থেকে ছত্তিশগড় পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর। তার জেরেই জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। বাড়ছে গুমোট ভাব। রবিবারে তুলনায় তাপমাত্রাও বেড়ে যায় দু’ডিগ্রি। এদিন দিনের পারদ চড়েছিল ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় এক ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার কারণে রাতের তাপমাত্রাও ছিল বেশি। স্বাভাবিকের তুলনায় তিন ডিগ্রি বেড়ে তা পৌঁছায় ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা বলছেন, আগামী কয়েকদিন ওই ঩নিম্নচাপ অক্ষরেখার কারণেই বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হবে আগামী দিন কয়েক।

সুদীপকে কলকাতার কোর্টে হাজির করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জাল পাসপোর্ট সংক্রান্ত সিবিআইয়ের এক মামলায় তৃণমূল সংসদ সদস্য সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওড়িশার ঝাড়পোতা জেল থেকে কলকাতায় হাজির করার নির্দেশ দিল আদালত। সোমবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের ২২ নং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ওই নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারক সংশ্লিষ্ট জেলের সুপারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২০ এপ্রিল ওই হাজিরার দিন ধার্য হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৪ সালের এই মামলায় সুদীপবাবু হলেন একজন অন্যতম সাক্ষী। অভিযোগ, ওই সংসদ সদস্যের লেটার হেড জাল করে এক ব্যক্তি তাঁর শংসাপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়েছিল। পরে ঘটনার তদন্তে নামে সিবিআই। সেই মামলায় অন্যতম সাক্ষী করা হয় এই এমপিকে।

অবস্থান টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে সোমবার দিনভর অবস্থানে করলেন শতাধিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী। তাঁদের বক্তব্য, লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়। সেখানে নিয়ম মতো নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পর্ষদের বক্তব্য ছিল, প্রার্থীরা পার্শ্বশিক্ষক কোটায় ফরম পূরণ করেছেন। যদিও আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা তা করেননি। অ্যাডমিট কার্ডই তার প্রমাণ। এই অজুহাত দেখিয়ে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এদিন সকাল থেকেই পর্ষদের অফিসের বাইরে অবস্থানে বসেন বহু প্রার্থী। প্রত্যেক জেলা থেকেই কমবেশি এই বঞ্চিত প্রার্থীরা এসেছেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, যতক্ষণ না নিয়োগপত্র দেওয়ার লিখিত আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ অবস্থান চলবে।

অসুস্থ থাকায় কোর্টে গরহাজির মনোরঞ্জনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অসুস্থতার কারণে সারদার মানি লন্ডারিং মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করানো গেল না মনোরঞ্জনা সিংকে। এদিন তাঁকে হাজির করানোর কথা ছিল কলকাতার বিশেষ আদালতের বিচারক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ এজলাসে। কিন্তু মনোরঞ্জনার আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী আদালতে একটি মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়ে জানান, তাঁর মক্কেল অসুস্থ, তাই তাঁকে এদিন আদালতে হাজির করানো সম্ভব হয়নি।

ইডি’র আইনজীবী অভিজিৎ ভদ্র জানান, এর আগে আদালতে ওই অভিযুক্তের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট তারিখে তিনি তাঁর মক্কেলকে আদালতের কাছে হাজির করাবেন। এরপরই বিচারক উষ্মা প্রকাশ করে জানিয়ে দেন, নির্দিষ্ট তারিখে সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে ওই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করতে হবে। প্রসঙ্গত, সারদার রিয়েলটি মামলায় সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট মনোরঞ্জনার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে ৮০০ ইউনিট রক্ত নষ্ট করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের এক নম্বর এবং সবচেয়ে বড় ব্লাড ব্যাংক তথা মানিকতলার সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে ফের রক্ত নষ্ট করার অভিযোগ উঠল। সোমবার অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ৮০০ ইউনিট রক্ত নষ্ট করা হয়েছে সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে। একদিকে রক্তের হাহাকার চলছে, অন্যদিকে রক্ত মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। প্রসঙ্গত, সপ্তাহদেড়েক আগেও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, প্রায় ৪০০ ইউনিট মহার্ঘ রক্ত মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং নষ্ট করা হয়েছে এখানে। এবার বিপুল পরিমাণে রক্ত স্টোররুমে নষ্ট করার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে এদিন সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ বিশ্বরঞ্জন শতপথী বলেন, খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

পে কমিশনে সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে পে কমিশনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারি স্কুল শিক্ষক সমিতি। সোমবার তাদের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পে কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে নানা সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতন সমস্যা তুলে ধরেন। তারা চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, অঙ্কন, সংগীত, হোম সায়েন্স ও নিউট্রিশনের শিক্ষক-শিক্ষিকরা তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী অনেক কম বেতন কাঠামোয় চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মতো সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা শনিবারের ছুটি পান না। এরকম বৈষম্য দূর করার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, তাদের সমস্যা নিয়ে দ্রুত কোনও পদক্ষেপ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

দুই নয়া জেলার ডিএমের নাম ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নবগঠিত ঝাড়গ্রাম জেলার জেলাশাসক হলেন আর অর্জুন। একইসঙ্গে বর্ধমান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক হলেন শশাঙ্ক শেট্টি। সোমবার উত্তরবঙ্গ যাওয়ার আগে ওই দুই জেলাশাসকের নাম চূড়ান্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৪ এপ্রিল ঝাড়গ্রাম এবং ৭ এপ্রিল আসানসোল-দুর্গাপুরকে নিয়ে নবগঠিত বর্ধমান পশ্চিম জেলার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। ঝাড়গ্রাম জেলার দায়িত্ব দেওয়া হল আর অর্জুনকে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক পদে ছিলেন। আর বর্ধমান পশ্চিমের জেলাশাসক শশাঙ্ক শেট্টি আসানসোল-দুর্গাপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সিইও ছিলেন। তার আগে এই আইএএস অফিসার মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে কাজ করেছেন। এদিন নবান্ন থেকে নতুন দুই জেলার দুই জেলাশাসকের নামে নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে।

 



?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta