কলকাতা, মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০১৭, ১৪ চৈত্র ১৪২৩

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড় | ম্যাগাজিন


সোমবার ধূপগুড়ির ডুডুয়া নদীতে দুর্ঘটনাগ্রস্ত লরি। নিজস্ব চিত্র

পুর নির্বাচনে পাহাড়ে তৃণমূলের সঙ্গেই লড়াই হবে: রোশন
হরকাকে দলে ফেরাতে ফোন কোণঠাসা বিমলের

বিএনএ, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: পুর নির্বাচনে পাহাড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই জোরদার লড়াই হবে। সোমবার কালিম্পংয়ের ডেলোতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শেষে একথাই জানিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি। দু’দিন আগে দিল্লি থেকে পাহাড়ে ফেরার পথে বাগডোগরা বিমান বন্দরে মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং দাবি করেছিলেন, পাহাড়ে আমরাই শেষ কথা। মুখ্যমন্ত্রী একশোবার পাহাড়ে এলেও নির্বাচনে মোর্চাই জিতবে বলে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন। কিন্তু এদিন রোশনের এই মন্তব্য শাসকদল তৃণমূলকে মোর্চার ভয় পাওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে পাহাড়ে পুর ভোটের মুখে কোণঠাসা বিমল গুরুং শক্তি বাড়াতে এবার হরকা বাহাদুর ছেত্রিকে দলে ফিরে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছে।

এদিন কালিম্পংয়ে মোর্চার কেন্দ্রীয় কমিটি, ছাত্র, যুব সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর রোশন বলেন, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে সেই ব্যাপারে বৈঠকে চর্চা হয়েছে। এরপরই পুর নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবকটি পুরসভা নির্বাচনে অংশ নেব। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই জোরদার লড়াই হবে। তিনি দাবি করেন, কালিম্পং জেলার দাবি আমাদের ছিল। তৃণমূল কালিম্পং বানায়নি। এদিকে, মোর্চা সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিম্পংয়ে ঘাঁটি গেড়ে বসে পুরভোটের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়েই বিমল প্রাক্তন মোর্চা নেতা তথা জন আন্দোলনের পার্টির সভাপতি হরকা বাহাদুরকে টেলিফোন করেন। হরকা বাহাদুর অবশ্য মোর্চা সুপ্রিমোর সেই অনুরোধ সেই মুহূর্তেই নাকচ করে দিয়েছেন। এনিয়ে মোর্চার সহকারী সাধারণ সম্পাদক বিনয় তামাং বলেন, পুরভোটে জেতা শুধু আমাদের লক্ষ্য নয়। আমাদের প্রধান লক্ষ্য গোর্খাল্যান্ড। এই দাবিতে আমরা আন্দোলন চালাচ্ছি। সেই আন্দোলনে সবাইকে আমরা চাই। সবার জন্য দরজা খোলা আছে। হরকা বাহাদুর ছেত্রি বলেন, বিমল গুরুং টেলিফোন করে আমাকে মোর্চায় যোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সসম্মানে আমাকে ফেরাতে চান এমনটা বলেছিলেন। কিন্তু মোর্চার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দল ছেড়েছি। তাঁদের সঙ্গে আবার দল করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, চার পুরসভার নির্বাচনে জাপ এবং তৃণমূল এবার মোর্চার কাছে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোর্চা ও জাপের ভোট কাটাকুটিতে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের লাভ হতে পারে এমনটাও মনে করতে শুরু করেছে মোর্চা নেতৃত্বের একাংশ। সেই কারণে নিজেদের শক্তি বাড়াতে হরকাবাহাদুরকে কাছে পেতে চাইছেন বিমল। এদিকে, নির্বাচনে প্রার্থী না দিয়ে পুরনির্বাচনে জিএনএলএফকে সিপিএম সমর্থন করবে জানিয়েছে। দলের দার্জিলিং জোনাল কমিটির সম্পাদক কেবি ওয়াতার বলেন, পাহাড়ে আমাদের প্রার্থী নেই। তাই আমরা জিএনএলএফকে সমর্থন করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জিএনএলএফের মুখপাত্র নীরজ জিম্বা বলেন, এখনও পর্যন্ত আমাদের দলের সহযোগী রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পুর নির্বাচনে দল কী করবে সেই ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এনিয়ে কোনও দলের থেকে প্রস্তাবও আসেনি।

রাতের শহরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীর দাপাদাপি, প্রতিবাদ করে আক্রান্ত যুবক

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: রবিবার রাতে বালুরঘাট শহরের চৌরঙ্গিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এক মদ্যপ দুষ্কৃতী দাপাদাপি শুরু করলে প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হলেন এক যুবক। ওই দুষ্কৃতী যুবকটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তা যুবকের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। গুলির বারুদও ছিটকে তাঁর চোখে লাগে। বিপুল নস্কর নামে ওই জখম যুবককে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। শহরের জনবহুল এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় শহরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডেপুটি পুলিশ সুপার (সদর) সৌম্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়েই বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। তবে অভিযুক্তকে ধরা যায়নি। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রবিবার রাতে ওই যুবক মদ্যপ অবস্থায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চৌরঙ্গি এলাকায় দাপাদাপি শুরু করছিল। সবাইকে প্রাণে মেরে দেবে, দেখে নেবে এমন হুমকি সে দিতে থাকে। সকলে প্রাণভয়ে চুপ করেই ছিল। এরমধ্যে বিপুল এগিয়ে গিয়ে ওকে এসব করতে বারণ করে। অভিযোগ একথা বলা মাত্রই সে বিপুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয়। বিপুলের কান ছুঁয়ে গুলি বেরিয়ে যায়। তাঁর চোখের মধ্যে বারুদের কণা ছিটকে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তাঁকে উদ্ধার করে বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মালদহ মেডিকেলে রেফার করে দেয়।

শহরবাসীর অভিযোগ, একের পর এক শহরে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে চলেছে। কখনও দিনের বেলা বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে। আবার কখনও মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন মা। কয়েক দিন আগেই এই শহরে ফেরিওয়ালার ছদ্মবেশে ডাকাত দল আশ্রয় নিয়ে ছিল। পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার করলেও এধরনের কার্যকলাপে শহরবাসীর মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বালুরঘাট শহরের নিরাপত্তা নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত পুলিশ, এত সিভিক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এসব ঘটনা ঘটছে, আগ্নেয়াস্ত্রই বা কোথা থেকে আসছে— এসব নিয়েই বাসিন্দারা উদ্বেগে পড়েছেন। শহরের অনেকেই সমালোচনা করছেন, পুলিশের ঢিলেঢালা নজরদারির ফলে ধীরে ধীরে শহরে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পরছে। যদিও পুলিশের দাবি, শহরে যথাযথ নিরাপত্তা রয়েছে। পুলিশও সজাগ রয়েছে।

উচ্চ মাধ্যমিকে কড়া গার্ড নিয়ে ইটাহারের স্কুলে ভাঙচুর

বিএনএ, রায়গঞ্জ: সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলার দুই স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন দুই জন ছাত্রী অসুস্থ বোধ করায় তাদের রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তারা সেখানে বসেই পরীক্ষা দেয়। অপর দিকে, পরীক্ষার সময়ে কড়া গার্ড দেওয়া হচ্ছে এই অভিযোগে ইটাহারের বানবোল হাইস্কুলে চেয়ার ও জলের কল ভেঙে ফেলে একাংশ পরীক্ষার্থী।

এদিন ইটাহারের বানবোল হাইস্কুলে পারা হরিপুর হাইস্কুল, রাজগ্রাম হাইস্কুল ও বানবোল গার্লস হাইস্কুলের সিট পড়েছিল। এদিন রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও বায়ো সায়েন্সের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে একাংশ পরীক্ষার্থী স্কুলের দু’টি চেয়ার ও একটি টিউবওয়েলের হাতল ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ। বানবোল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্র বলেন, স্কুলের চেয়ার ও টিউবওয়েলের হাতল ভাঙা হয়েছে। তবে আমরা কোথাও অভিযোগ দায়ের করিনি।

হেমতাবাদের দধিকোটবাটি হাই মাদ্রাসার ছাত্রী মমতা খাতুন পরীক্ষা দিচ্ছিল বাঙ্গালবাড়ি হাইস্কুলে। পরীক্ষা কেন্দ্রে অসুস্থ বোধ করায় তাকে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এদিকে হেমতাবাদের ভগীলতা হাইস্কুলের ছাত্রী মমতা খাতুনের সিট পড়েছিল রামপুর ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখানে পরীক্ষা চলাকালীন ওই ছাত্রীটিও অসুস্থ বোধ করায় তাকেও রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখানেই ওই ছাত্রী পরীক্ষা দেয়।

ওয়েষ্ট বেঙ্গল হায়ার সেকেন্ডারি কাউন্সিলের সদস্য তথা জেলা কো-অর্ডিনেটর সঞ্জয় দাস বলেন, এদিন দু’জন ছাত্রী পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ বোধ করায় তাদের রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তারা সেখান থেকেই পরীক্ষা দিয়েছে। এছাড়া জেলার অন্যত্র পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবেই হয়েছে।

ফের বৈষ্ণবনগর থেকে লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার, ধৃত ২

বিএনএ, মালদহ: ফের মালদহ থেকে জালনোট বাজেয়াপ্ত হল। রবিবার রাতে মালদহের বৈষ্ণবনগরের কৃষ্ণপুরের মন্ডাইবাঁধ গ্রামে হানা দিয়ে পুলিশ এক লক্ষ টাকার জালনোট বাজেয়াপ্ত করেছে। ওই ঘটনায় দু’জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রঙ্কিন সরকার ও বিভীষণ মণ্ডল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ মণ্ডাইবাঁধ গ্রামে হানা দিয়ে ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেপাজত থেকে ৫০টি নতুন ২০০০ টাকার জালনোট বাজেয়াপ্ত হয়। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া নোটগুলি খুব উন্নতমানের নয়। ফলে ধৃতরা এই নোটগুলি নিজেরা কোনওভাবে বানিয়েছে নাকি ভিনদেশ থেকে এনেছে তা জানার চেষ্টা পুলিশ করছে। ধৃতদের এদিন আদালতে পেশ করা হয়।

মালদহের পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ বলেন, জালনোট সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। আদালতের সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রি সরকার বলেন, বিচারক ধৃত দু’জনকে ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে জালনোট সংক্রান্ত মামলা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকার জালনোট মিলেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগরের মণ্ডাইবাঁধ গ্রামে জালনোট মজুত করার খবর রবিবারই গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে এসেছিল। রাতে পুলিশের একটি দল ওই গ্রামে হানা দেয়। সেখানেই একটি বাড়ি থেকে রঙ্কিন ও বিভীষণকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ২০০০ টাকার জালনোটগুলি পাওয়া যায়। এই জালনোটগুলির কাগজ মোটা ও খসখসে। খালি চোখে সহজেই আসল ও নকল নোটের পার্থক্য করা যায় বলে তদন্তকারীদের একাংশ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কালার জেরক্স, নানা ধরনের প্রিন্টিং মেশিনারি ব্যবহার করে নতুন ২০০০ টাকার জালনোট তৈরি হচ্ছে। এক্ষেত্রে তেমনই কিছু ব্যবহার হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

এদিকে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিনমাস ধরে আইএসআই মারফত ভারতীয় টাকার জালনোট তৈরির যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল তাতে একাধিক মানের জালনোট তৈরি হয়েছে। একেবারে প্রথমপর্বে খুব সাধারণ মানের জালনোট তৈরি হয়েছিল। আর শেষ পর্যায়ে সবচেয়ে উন্নতমানের জালনোট তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে ভারতীয় নতুন টাকার কার্যত তফাৎ নেই বললেই চলে। এদিনের বাজেয়াপ্ত হওয়া নোটগুলি প্রথম দিকে বাংলাদেশ হয়ে মালদহে ঢুকে থাকতে পারে। আবার স্থানীয় স্তরে জালনোটের কারবারিরা কালার জেরক্স, অন্য প্রিন্টিং মাধ্যমে নোটের দু’দিক ছাপিয়ে আগেকার জালটাকার সিকিউরিটি থ্রেড বসিয়ে দিয়ে এক ধরনের নিম্নমানের জালনোট তৈরি করছে। এবার উদ্ধার হওয়া জালনোটগুলি ঠিক কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে তা পুলিশ যাচাই করছে।

শিলিগুড়ি পুরসভার বাজেট পাশে শর্তসাপেক্ষে বামেদের সমর্থন করল কংগ্রেস

বিএনএ, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি পুরসভার বাজেট পাশে শর্তসাপেক্ষে বামেদের সমর্থন করল কংগ্রেস। সোমবার বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলাররা বাজেটের তীব্র বিরোধিতা করে বাজেট বাতিলের দাবিতে সরব হন। তবে পুরসভার বাজেটকে এদিন বামেদের ২২ এবং কংগ্রেসের চার জন কাউন্সিলার হাত তুলে সমর্থন জানিয়েছেন। বিজেপি’র দুই কাউন্সিলার বাজেটের সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেস অবশ্য এদিন বাজেটকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে ছয় দফা শর্ত জানিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে। পরে মেয়র জানান, কংগ্রেস কাউন্সিলাররা যে দাবিগুলি জানিয়েছেন তা ন্যায়সঙ্গত। তাঁদের অধিকাংশ দাবির বিষয় মেনে নেওয়া হয়েছে। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তৃণমূলের রঞ্জন সরকার বলেন, মেয়র বাজেট নিয়ে বিরোধীদের জবাবি ভাষণে অংশগ্রহণ না করে বৈঠক ছেড়ে চলে গিয়েছেন। পুরসভার এই বাজেট দিশাহীন।

কংগ্রেসের শর্ত অনুযায়ী মেয়র চলতি আর্থিক বছরে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে আরও ৫০০ জন উপভোক্তাকে তালিকাভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন। সেচপুল, জলকর অনুষ্ঠান বাড়িতে সরবরাহকৃত জলকর বৃদ্ধির বিরোধিতা করে শর্ত অরোপ করেন কংগ্রেস কাউন্সিলাররা। মেয়র ওই দাবি মেনে নিয়েছেন। কিরণচন্দ্র শ্মশানঘাটের পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ কংগ্রেসের অন্যান্য দাবিগুলিও বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। বাজেটকে হাত তুলে সমর্থন জানালেও কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা সুজয় ঘটক এদিনও জানিয়ে দেন, মেয়রের অনুরোধ মেনে ৩ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান পদে ফেরার প্রশ্নই ওঠে না। যদিও বৈঠক শেষে মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বলেন, শীঘ্রই ৩ নম্বর বরো চেয়ারম্যান নিয়ে সমস্যা মিটে যাবে। একইসঙ্গে পুর আইন মেনে পুরসভার মেয়র ইন কাউন্সিলের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

পুরবাজেট নিয়ে এদিন বিজেপি কাউন্সিলার মালতী রায় বলেন, বাজেটে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই। পুরসভার উন্নয়নের কাজে সংসদ সদস্যরা তাঁদের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের কত টাকা দিয়েছেন বাজেটে তার উল্লেখ নেই। রাজনৈতিক মদতে শহর যতুগৃহ হয়েছে। শহরের জন্য মাস্টার ট্রাফিক প্ল্যান করা হোক। তৃণমূল কাউন্সিলার নান্টু পাল বলেন, এই বাজেটে যানজট, পানীয় জল, নিকাশি নিয়ে কোনও পরিকল্পনা নেই। তৃণমূল কাউন্সিলার রঞ্জনশীল শর্মা বলেন, পুরবোর্ডের পুরকরের চাপে গরিব মানুষ শহরে বসবাস করতে পারবে না। সিপিএম কাউন্সিলাররা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, শিলিগুড়ি শহরকে রাজনৈতিকভাবে হত্যার চেষ্টা চলছে। এই বাজেট নাগরিক পরিষেবা মুখী। বিজেপি’র আরেক কাউন্সিলার খুশবু মিত্তাল বলেন, স্কুল বাসের উপর কর বসিয়ে শহরবাসীর উপরই করের বোঝা চাপানো হচ্ছে। বিরোধী দলনেতা রঞ্জন সরকার বলেন, এটা অস্বচ্ছতার বাজেট। রাজ্য সরকারের দেওয়া বরাদ্দের উল্লেখ নেই। রাজ্য সরকারের দেওয়া প্রশাসনিক ভবন তৈরির জন্য বরাদ্দ দুই কোটি টাকা পুরসভা এখনও খরচ করতে পারেনি। পুরসভার মেয়র ইন কাউন্সিল নুরুল ইসলাম, ডেপুটি মেয়র রামভজন মাহাত ও মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের বক্তব্য চলাকালীন দফায় দফায় শাসক ও বিরোধী কাউন্সিলাররা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

অনিয়ম রুখতে কোচবিহারে হিমঘর পরিদর্শনে জেলাশাসক

বিএনএ, কোচবিহার: আলু রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা মেটাতে সোমবার কোচবিহারের জেলাশাসক বিভিন্ন হিমঘরে আচমকা পরিদর্শনে যান। কয়েকটি ক্ষেত্রে তিনি এদিন হাতেনাতে অনিয়ম ধরে ফেলেন। হিমঘর কর্তৃপক্ষকে শো-কজ করার ব্যাপারে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন জেলাশাসক চকচকা ও খোলটার হিমঘরে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তা বলে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেন। কয়েকটি ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশকে উপেক্ষা করে মাথাপিছু বেশি আলু রাখা হচ্ছে বলে প্রশাসন জানতে পেরেছে। পঞ্চায়েত স্তর থেকেই এই অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। নির্দিষ্ট হিমঘরের আওতার বাইরে থাকা পঞ্চায়েত এলাকা থেকেও ওই হিমঘরে আলু রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, একটি হিমঘরে কেন এখনও ৩০ শতাংশ জায়গা খালি রয়েছে সেব্যাপারেও এদিন জেলাশাসক কৈফিয়ৎ চেয়েছেন। সোমবার রাতে তিনি জেলার সমস্ত বিডিও ও মহকুমা শাসকের সঙ্গেও যোগাযোগ করে আলু রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা মেটানোর জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা ও নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেন। প্রকৃত চাষিরা আলু রাখার ক্ষেত্রে যাতে বঞ্চিত না হন সেব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এধরনের অনিয়ম ক্রমাগত করা হলে পরবর্তী সময় প্রয়োজনে হিমঘর মালিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হতে পারে বলেও প্রশাসনিক স্তরে চিন্তাভাবনা চলছে। অন্যদিকে এদিন বিজেপি আলুর বন্ড সংক্রান্ত সমস্যা মেটানোর দাবিতে তুফানগঞ্জ মহকুমা শাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে। জেলাশাসক পি উলাগানাথন বলেন, হিমঘরে আলু রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এদিন হিমঘরে গিয়ে আমরা সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে তা মেটানোর উদ্যোগ নিয়েছি।

কোচবিহার জেলা পরিষদে ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে ৭৮৪ কোটি টাকার বাজেট পেশ

বিএনএ, কোচবিহার: সোমবার কোচবিহার জেলা পরিষদে ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরের জন্য ৭৮৪ কোটি টাকার বাজেট পেশ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, নির্মল বাংলা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যাপারে এবারের বাজেটে জোর দেওয়া হচ্ছে। এদিন জেলা পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে ধ্বনি ভোটে বাজেট পাশ করানো হয়েছে। এদিনের বাজেট বৈঠকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি পুষ্পিতা রায়ডাকুয়া, কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী, জেলা পরিষদের সদস্য শুচিস্মিতা দেবশর্মা সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা হাজির ছিলেন।

জেলা পরিষদের সভাধিপতি বলেন, বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্পের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের সদস্য সিপিএমের বিনয় দে বলেন, বাজেটকে সমর্থন করেছি। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাজে পঞ্চায়েতকে গুরুত্বহীন করে রেখে কেবলমাত্র সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ঘর দেওয়া হচ্ছে। এতে নানা ধরনের অস্বচ্ছতার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে আলুর বন্ডের ক্ষেত্রেও নানা অনিয়ম হচ্ছে। প্রকৃত চাষিদের পরিবর্তে আলু ব্যবসায়ীরা বন্ড পাচ্ছেন। এব্যাপারে পদক্ষেপ করা দরকার।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে পরিকল্পনা খাতে ৭৮৪ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে। এদিকে ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে ৪৩০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছিল। তবে এবার গতবারের তুলনায় বাজেটের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। জেলা পরিষদের আধিকারিকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জেরেই বাজেটের অঙ্ক বেড়েছে। এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ও নির্মল বাংলা প্রকল্পেই বাজেটের সিংহভাগ অংশ ধরা হয়েছে। তবে সাধারণত প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা জেলা পরিষদে সরাসরি আসে না। জেলা পরিষদের অভিজ্ঞ আধিকারিকদের মতে, ওই প্রকল্পের টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেই চলে যায়। তবে জেলা পরিষদের মাধ্যমেই যাবতীয় কাজ হয়। সেকারণেই এটি বাজেটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দাদের নানা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারেও জেলা পরিষদ চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকা উন্নয়নে, জেলা পরিষদের প্রেসের উন্নতিতে, হলদিবাড়িতে অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র তৈরিতে, জেলা জনস্বাস্থ্য সেলের নানা কাজে, পর্যটন ও নিয়ন্ত্রিত বাজারগুলির খাতে কিছু বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিন জেলা পরিষদের সদস্যরা তাঁদের বাজেট বক্তব্যে জেলার নানা উন্নয়ন প্রকল্পকে আরও ত্বরান্বিত করার ব্যাপারে মতামত দেন।

মালদহের ঝড় কবলিত এলাকাগুলির জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি

বিএনএ, মালদহ: মালদহ জেলায় ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকাগুলির জনজীবন সোমবারও স্বাভাবিক হয়নি। সমস্ত জায়গায় যেমন বিদ্যুৎ ফেরেনি,তেমনি পানীয় জল থেকে ত্রাণ নিয়েও হাহাকারের চিত্রও দেখা গিয়েছে। ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মালদহের একাধিক এলাকায় এদিন বিক্ষোভ হয়েছে। এরমধ্যে বামনগোলার মহেশপুরে তেমন বিক্ষোভ না হলেও গাজোল-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে দীর্ঘসময় বিক্ষোভ চলে। শ্রীপুর-১ পঞ্চায়েতে ত্রাণ নিয়ে সরকারি কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। জেলা প্রশাসন এখনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে উঠতে পারেনি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি। ত্রাণ বিলিবণ্টনে কোনও খামতি নেই বলে প্রশাসন দাবি করলেও বিভিন্ন স্থানে এখনও মানুষকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে।

মালদহের জেলাশাসক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, ৫০০০ ত্রিপল বিলিবণ্টনের জন্যে দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনও ত্রুটি যাতে না থাকে তা নিয়ে প্রশাসন সচেষ্ট আছে। গাজোলে সামান্য ক্ষোভবিক্ষোভ হয়েছিল। একদল বাসিন্দা এখনই বাড়ি তৈরির ব্যবস্থার দাবি করছিলেন। স্থানীয় প্রশাসন তা মিটিয়ে দিয়েছে। আমরা দুর্গত এলাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছি। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও সোমবার রাত বা মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির মালদহের রিজিওনাল ম্যানেজার দিলীপ বাছার বলেন, আমরা প্রথমেই হাই-টেনশন লাইনের কাজ করেছি। এতে মানুষের অনেক সুবিধা হয়েছে। বিশেষ করে পিএইচই’র পাম্পগুলির জল সরবরাহ ব্যবস্থা বহাল হয়েছে। লো-টেনশন লাইনের কাজ দ্রুত শেষ করে ফেলা হবে। ৯০ শতাংশ এলাকাতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। বামনগোলার জেলা পরিষদ সদস্য খুশি বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বামনগোলায় এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মানুষের দুর্গতির শেষ নেই। ত্রাণ বিলিবণ্টনে আরও উদ্যোগের প্রয়োজনের কথা ব্লক প্রশাসনকে বলেছি। চাঁচল মহকুমার শ্রীপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আনসারিয়া খাতুন বলেন, প্রশাসন রবিবার রাতে কিছু ত্রাণ পাঠিয়েছে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। ফলে এদিন প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করতে আসা কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল। আমরা বাসিন্দাদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করছি, কিন্তু তাতে আমাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। বিজেপি’র জেলা সাধারণ সম্পাদক অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, দুর্গত এলাকাগুলিতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি এখনও ফিরে আসেনি। মানুষের মধ্যে ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভ আছে। ত্রাণ দেওয়া হলেও তা পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে না।

গত শনিবার ভোরে মালদহে বিধ্বংসী ঝড়ে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়। চাঁচল, বামনগোলা, হবিবপুর, গাজোল ও হরিশ্চন্দ্রপুরের উপর দিয়ে ওই ঝড় বয়ে গিয়েছিল। এতে চার জনের জখম হয়ে মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জনজীবনে স্বাভাবিক ছন্দ ফেরেনি। একইভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকাও প্রশাসন তৈরি করতে পারেনি।

হাসপাতালে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভদের প্রবেশের ব্যাপারে কড়াকড়ি

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করানো ও মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভদের প্রবেশের ব্যাপারে সোমবার কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান মিহির গোস্বামী। এদিন তিনি হাসপাতালের সুপারের সঙ্গেও এব্যাপারে আলোচনা করেন। পাশাপাশি যে চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর বিরুদ্ধে বহিরাগতদের হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে কাজে নিয়োজিত করার অভিযোগ উঠেছিল তাকেও এদিন শো-কজ করার জন্য মিহিরবাবু নির্দেশ দেন। তবে এদিন বহিরাগত কর্মীদের কাজ করতে দেখা যায়নি। এদিন রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যরাই আউটডোরের যাবতীয় দায়িত্ব সামলান। অন্যদিকে এদিন আউটডোরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভদের আনাগোনাও যথেষ্ট কম ছিল। হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে সম্প্রতি রক্তের কিছুটা সংকট হচ্ছে। এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এব্যাপারে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়েছে। তবে ২৮ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কয়েকটি রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে রক্ত আসবে। মিহিরবাবু বলেন, হাসপাতালে বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করানোর বিষয়টি কোনওভাবেই মানা যাবেনা। সুপারের সঙ্গেও এব্যাপারে কথা বলেছি। অন্যদিকে কর্তব্যরত অবস্থায় হাসপাতালের কোনও চিকিৎসক যাতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করেন সেব্যাপারেও বলা হয়েছে। হাসপাতালে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টটেটিভদের আনাগোনার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি করা হবে।

শিশু পাচারে অভিযুক্ত কেউ রেহাই পাবে না: মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উত্তরবঙ্গ সফররত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, শিশু পাচারে অভিযুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না। সোমবার জলপাইগুড়িতে সাংবাদিকরা এখানকার শিশু পাচারের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। এর উত্তরে তিনি বলেন, কাল (মঙ্গলবার) প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে বিষয়টি আলোচনা করব। এই ঘটনায় কড়া অবস্থান নিয়েছি। ভবিষ্যতেও নেব। যেই হোন না কেন, অভিযুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না। প্রসঙ্গত, জলপাইগুড়ি স্টেডিয়ামে দুপুর দেড়টার পর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক শুরু হবে।

চা বাগান নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা: চা বাগান নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার তিনি বলেন, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসে ঘোষণা করে গেলেন, সাতটি চা বাগানকে অধিগ্রহণ করা হবে। কিছুই তো হল না। আমরা সেটাই বলি যা করতে পারব। চা বাগানের জন্য একটি ফান্ড তৈরি করছি। সামনের মাসের প্রথম দিকেই একটি চা বাগান খুলে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও তিনি জানিয়েছেন।

বৃষ্টিতে দুর্ভোগ ইসলামপুরবাসীর, নিকাশির উন্নতিতে মাস্টারপ্ল্যানের দাবি

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বর্ষা না আসতেই ইসলামপুর শহরের নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশায় স্থানীয় বাসিন্দরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাঁরা বলেন, সম্প্রতি সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এতেই শহরের কয়েকটি রাস্তায় জল জমেছে। বর্ষার মরশুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। প্রতিবছর বর্ষার সময় জমে থাকা জলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। এই সমস্যা সমাধানে পুর প্রশাসনকে আগে থেকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। পুর প্রশাসন অবশ্য এনিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে দাবি করেছে। ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, জমে থাকা নোংরা আবর্জনার কারণে হাইড্রেন দিয়ে জল বের হতে না পারার ফলে সমস্যা হয়। বর্ষার সময় ওই ড্রেন পরিষ্কার করাও সম্ভব হয় না। যাতে বর্ষার জল আটকাতে না পারে তার জন্য আমরা এখন থেকেই হাইড্রেন পরিষ্কারের কাজ করাচ্ছি।

স্থানীয়রা বলেন, হাইড্রেন সাফাইয়ের পাশাপাশি ওয়ার্ডগুলির নালাও পরিষ্কার করে সচল রাখতে হবে। প্রতিবছর বর্ষার জল জমে ড্রেনের নোংরা রাস্তায় এমনকী বাড়ির ভেতরে পর্যন্ত ঢুকে যায়। এই দুর্ভোগ থেকে শহরবাসীদের মুক্তি দিতে পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থা তৈরি করতে মাস্টারপ্ল্যান তৈরির দাবি উঠেছে।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে ৩ বছর ধরে নিউরো চিকিৎসক নেই

বিএনএ, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে তিন বছর ধরে নিউরো মেডিসিনের চিকিৎসক না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। একজন মাত্র ইউরোলজিস্ট থাকায় সপ্তাহে দু’দিন আউটডোরে পরিষেবা পান রোগীরা। সিটিস্ক্যান মেশিন বছরখানেক ধরে খারাপ হয়ে পড়ে থাকলেও আজও সারাই হয়নি। মানসিক বিভাগের ৩০ শয্যার ইনডোর চালু হলেও নার্স ও গ্রুপ ডি কর্মীর অভাবেই তা কয়েকমাস তালাবন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভালো পরিষেবা পেতে এসে কার্যত হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতাল সুপার মৈত্রেয়ী কর বলেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ পূরণের প্রস্তাব স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছে। শীঘ্রই নতুন সিটিস্ক্যান মেশিন বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে স্মারকলিপি শিক্ষকদের

বিএনএ, কোচবিহার: সোমবার পুণ্ডিবাড়িতে উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষকরা স্মারকলিপি দিলেন। এদিন তাঁরা উপাচার্যের ঘরের সামনে বিক্ষোভও দেখান। শূন্যপদে নিয়োগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা মেটানোর দাবি তাঁরা রেখেছেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দু’দুল ছাত্রের মধ্যে ব্যাপক মারপিট হয়েছে। তাতে তিন জন জখমও হয়েছেন। হস্টেলেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এদিন শিক্ষকদের একাংশও এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরন্তন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঘেরাওয়ের কোনও ব্যাপার নয়। কয়েকজন তাঁদের দাবির কথা নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন। বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হবে। মারপিট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোটখাটো সমস্যা হতেই পারে। এব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ফ্ল্যাটের বদলে জমি সহ বাড়ি দেওয়ার দাবিতে এদিন সাবেক ছিটবাসীরা দিনহাটা মহকুমা শাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন। মহকুমা শাসক তাঁদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। অন্যদিকে, কোচবিহার শহরের বিভিন্ন রাস্তাগুলি মেরামত করার দাবিতে এদিন তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনী জেলা পূর্ত দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে। পূর্ত দপ্তর জানিয়েছে, কোচবিহার শহরের রাস্তাগুলি মেরামত করার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

নেওড়াভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে বসানো ট্র্যাপ ক্যা঩মেরা চুরি

সংবাদদাতা, মালবাজার: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের আনাগোনা লক্ষ্য করতে নেওড়াভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে যে ট্র্যাপ ক্যা঩মেরা বসানো হয়েছিল তার মধ্যে একটি চুরি হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে বন দপ্তরের গাফিলতির পাশাপাশি বাঘের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বেশ কিছুদিন আগেই এই জঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারে উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। এরপরই ওই জঙ্গলে আরও বাঘ আছে কি না বা ওই বাঘের আনাগোনা লক্ষ্য করতে জঙ্গলের ভিতরে আটটি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। সেই ক্যামেরায় ওই বাঘের ছবিও ধরা পড়ে। তবে এরমধ্যেই ক্যামেরাটি যে চুরি হয়ে গিয়েছে তা বন দপ্তর লক্ষ্য করেনি। গতকাল বন কর্মীরা টহল দিতে গেলে দেখা যায় আটটির মধ্যে একটি ক্যামেরা নেই। এরপর কালিম্পং থানায় ওই ক্যামেরা চুরি যাওয়ার অভিযোগ করে বন দপ্তর। পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের এক কর্তা সুজিত দাস বলেন, ক্যামেরা চুরি যাওয়ার ঘটনা চোরা শিকারিদের আনাগোনা প্রমাণ করে। বন দপ্তরকে একটু সচেতন হতে হবে যাতে বাঘের কোনও ক্ষতি না হয়। জলপাইগুড়ি বন বিভাগের বন্যপ্রাণ শাখার ডিএফও নিশা গোস্বামী বলেন, ক্যামেরা চুরি হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। বন দপ্তর সতর্ক রয়েছে।

অনলাইনে বাসিন্দাদের বিভিন্ন পরিষেবা দিতে
রায়গঞ্জ পুরসভার ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন

বিএনএ, রায়গঞ্জ: সোমবার রায়গঞ্জ পুরসভা অন লাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিষেবা দিতে ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করা হয়। এই ওয়েব পোর্টালটির মাধ্যমে এখন থেকে পুরসভার বাসিন্দারা জলের ট্যাঙ্ক, আবর্জনা ফেলার ভ্যাট প্রভৃতি পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়ার জন্যেও এই ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমেই আবেদন করতে পারবেন। মোট আটটি পরিষেবার জন্য এখানে আবেদন করা যাবে। এতদিন এই সমস্ত পরিষেবা পেতে বাসিন্দাদের পুরসভায় যেতে হত। এখন থেকে এসবের জন্য অন লাইনে আবেদন করা যাবে। তবে পরিষেবার জন্য পুরসভার কাউন্টারে গিয়েই টাকা জমা দিতে হবে। সোমবার রায়গঞ্জ পুরসভার যুগ্ম প্রশাসক অমল আচার্য এই ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করেন।

অমলবাবু বলেন, রায়গঞ্জ পুরসভার বাসিন্দাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পুরসভায় এই অনলাইন পরিষেবার উদ্বোধন করা হল। এর মাধ্যমে বাসিন্দারা আপাতত আটটি পরিষেবার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে অন লাইনের মাধ্যমে টাকা জমা নেওয়া যায় কি না সেই বিষয়টিও আমরা ভেবে দেখব। এরফলে এক কাজের জন্য বাসিন্দাদের আর বার বার পুরসভায় আসার হয়রানি পোহাতে হবে না। এর ফলে পুরসভার কর্মীদেরও কাজের সুবিধা হবে। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুরসভা পরিচালনার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

রায়গঞ্জ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট www.raiganjmunicipality.com এই ওয়েবসাইটে গিয়ে pheraiganjmunicipality.co.in এই ওয়েব পোর্টালে গিয়ে বাসিন্দারা অন লাইনের মাধ্যমে পরিষেবাগুলি গ্রহণ করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের জন্য আ঩বেদন, এই সংক্রান্ত পুরানো শংসাপত্র হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে তা খুঁজে বের করার জন্য আবেদন করা, কোনও অনুষ্ঠানের জন্য জলের ট্যাঙ্ক বুকিং করা, বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার জন্য আবেদন করা, শহরে অবস্থিত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলির জঞ্জাল সাফাইয়ের জন্য আবেদন করা প্রভৃতি কাজ এখন থেকে অনলাইনের মাধ্যমেই করা সম্ভব হবে। অপর দিকে, পুরসভার কর্মীরাও অন লাইনের মাধ্যমেই জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত শংসাপত্রের টাকা জমা নেওয়া ও রসিদ দেওয়ার কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রিপোর্ট, স্টক মেলানোর কাজ, কোন কাজের জন্য কত টাকা লাগে অর্থাৎ রেট চার্ট প্রভৃতি এই অনলাইনের মাধ্যমেই কর্মীরা দেখতে পারবেন বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।

পুরাতন মালদহ পুরসভা
তৃণমূল বোর্ডের বাজেট বৈঠকে গরহাজির
দলেরই একাংশ কাউন্সিলার, জল্পনা

বিএনএ, মালদহ: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পুরাতন মালদহ পুরসভার বাজেট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোমবার পুরসভার বাজেট বৈঠকে দলের একাংশ সহ বিরোধীদের সিংহভাগ সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। পুরসভার অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই শাসক ও বিরোধী দলের সদস্যরা এদিন গরহাজির ছিলেন। ইতিমধ্যেই ওই পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল নেতা কার্তিক ঘোষের বিরুদ্ধে দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে তৃণমূলেরই একাংশ কাউন্সিলার অনাস্থা জানিয়েছেন। ফলে এদিনের গরহাজিরা সেই ক্ষোভেরই প্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, পুরসভার প্রায় অর্ধেক সদস্য এদিন গরহাজির থাকায় বাজেট পাশ হয়েছে কি না তানিয়ে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চেয়ারম্যান অবশ্য বাজেট পাশ হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

কার্তিকবাবু বলেন, ৫৪ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে। মূলত শহরের সৌন্দর্যায়ন ও উন্নয়নের কাজে বাজেটে জোর দেওয়া হয়েছে। এদিন ১০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আমাদের একজন কাউন্সিলার শারীরিক কারণে আসতে পারেননি। বাকি দু’-একজন কেন আসেননি জানি না। বিরোধীরা অনুপস্থিত থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক। আমাদের পুরসভায় যেদিন বাজেট পেশ হয় সেদিনই পাশ হয়। উপস্থিত সদস্যরা সকলেই হাত তুলে বাজেট পাশ করে দিয়েছেন। বিতর্কের কোনও অবকাশ নেই। আমার বিরুদ্ধে কে, কোথায়, কী অভিযোগ জানিয়েছেন আমি জানি না। পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের নেতা বিভূতি ঘোষ বলেন, পুরসভায় কী হয়েছে জানি না। তবে চেয়ারম্যান সকলকে নিয়ে চলেন না— এই অভিযোগ আমরা দলের রাজ্য নেতৃত্ব ও মালদহের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারির কাছে করেছি। পুরসভার অনেক কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থার কথা জানিয়েছেন। দলই এবার সিদ্ধান্ত নেবে কী করা হবে। পুরসভার বিরোধী দলনেতা সৌমেন সরকার বলেন, আমরা বিরোধীরা ছয়জন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বাজেট বৈঠকে যাইনি। শুনেছি, পুরসভায় এদিন তৃণমূলেরও অনেকে গরহাজির ছিলেন। চেয়ারম্যানের বৈঠকে আট-নয় জন উপস্থিত ছিলেন। এই সংখ্যায় ২০ সদস্যের বোর্ডের বাজেট পাশ হয় না। পাশাপাশি, আমরা একই দিনে বাজেট পেশ ও পাশের বিরোধিতাও করেছি।

পুরসভা ও তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভা ভোটের পর থেকেই প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা টাউন সভাপতি বিভূতি ঘোষ বনাম কার্তিক ঘোষের বিরোধ শুরু হয়েছে। সম্পর্কে আত্মীয় ওই দু’জনের বিরোধের মধ্যেই কার্তিকবাবুকে দল চেয়ারম্যানের পদে বসায়। মাঝে কিছুদিন চুপ থাকলেও সম্প্রতি তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষনেতা মুকুল রায়ের মালদহ সফরের সময় দু’পক্ষের বিবাদ চরমে ওঠে। মুকুলবাবুর সামনেই দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়েছিল। এরপরে এদিনের বাজেট বৈঠকে তৃণমূলের একাংশের কাউন্সিলারের অনুপস্থিতিকে ঘিরে দলের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বর্তমানে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলীয়স্তরে অনাস্থা প্রকাশের কথা গোপন করেনি দলের বিদ্রোহী অংশ।

দলের অন্দরে ডামাডোলের সঙ্গে বাজেট পাশ হয়েছে কি না তানিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিরোধীরা অনাস্থা আনার তৎপরতা শুরু করেছে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

তৈরি থেকেই পড়ে আছে রক ক্লাইম্বিং ওয়াল,
জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতার জন্য চিঠি

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গের ছেলেমেয়েদের পাহাড়ে চড়ার প্রশিক্ষণ দিতে যুব কল্যাণ দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতা ও শিলিগুড়ি পুরসভার উদ্যাগে মহাকালপল্লির সূর্য সেন পার্কে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রক ক্লাইম্বিং ওয়ালের উদ্বোধন হয়েছে। গত প্রায় আড়াই বছরে মাত্র দু’বার সেখানে প্রশিক্ষণ শিবির হয়েছে। নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না হওয়ায় এনিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাহাড়ে চড়ার প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহীদের তাই দার্জিলিংয়ে ছুটে যেতে হচ্ছে। শিলিগুড়ি শহরের অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীরা বলেন, পুরসভা রক ক্লাইম্বিংয়ের জন্য প্রশিক্ষক নিয়োগ করলে আগ্রহী ছেলেমেয়েরা এখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। এছাড়াও রক ক্লাইম্বিং প্রশিক্ষণের জন্য শুধু কৃত্রিম ওয়ালটাই এখানে রয়েছে কিন্তু পুরসভাকে দ্রুত একটি বোল্ডার ওয়ালও তৈরি করতে হবে।

শহরের একটি অ্যাডভেঞ্চার সংস্থার সদস্য অনিমেষ বসু বলেন, আন্তর্জাতিকমানের এই কৃত্রিম ওয়ালে আমরা দু’বার শিবির করেছি। তাতে শিলিগুড়ির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগ্রহীরা অংশগ্রহণ করেছিল। আমরা চাই নিয়মিত শিবির হোক। এখন অনেকেই পাহাড়ে চড়ার প্রশিক্ষণ নিতে দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে যান। আমরা ওয়েস্ট বেঙ্গল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের অ্যাডভাইসরকে চিঠি দিয়ে এখানে জাতীয়স্তরের রক ক্লাইম্বিং প্রতিযোগিতা করার জন্য আবেদন করেছি। প্রাথমিকভাবে সেখান থেকে সম্মতিও মিলেছে। আমরা পুরসভার সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা করব। আমরা চাই পুরসভা অন্ততপক্ষে দু’জন প্রশিক্ষক রেখে এখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ শিবির করুক। পুরসভার উদ্যান বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য সিপিএমের কমল আগরওয়াল বলেন, সূর্য সেন পার্কের রক ক্লাইম্বিং ওয়ালে নিয়মিত প্রশিক্ষণের জন্য পাহাড়ের একটি সংস্থার থেকে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু প্রশিক্ষক আনলেই হবে না। তাঁকে মাইনেও দিতে হবে। আমরা এই নিয়ে বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ করব।

পুরসভার ক্রীড়া বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য সিপিএমের শংকর ঘোষ বলেন, নিয়মিত প্রশিক্ষণের জন্য যেসব পরিকাঠামোর দরকার তার ব্যবস্থা করে শীঘ্রই আমরা সূর্য সেন পার্কের কৃত্রিম রক ক্লাইম্বিং ওয়ালে পাকাপাকি ভাবে প্রশিক্ষণ চালু করব।

তবে পুরসভার বিরোধী দলনেতা তৃণমূল কংগ্রেসের রঞ্জন সরকার বলেন, শিলিগুড়ি সহ আশপাশের ছেলে মেয়েদের কথা চিন্তা করে রাজ্য সরকারের যুব কল্যাণ দপ্তর এই রক ক্লাইম্বিং ওয়ালটি বানিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পুরবোর্ড রক ক্লাইম্বিংয়ের সুযোগ থেকে আগ্রহী ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে তা ফেলে রেখেছে।

২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর যুব কল্যাণ দপ্তরের আর্থিক অনুদানে তত্কালীন কংগ্রেস পরিচালিত পুরবোর্ড ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৩ মিটার উঁচু এই কৃত্রিম রক ক্লাইম্বিং ওয়ালটি উদ্বোধন করে। এরপরই পুরসভা এবং স্থানীয় একটি অ্যাডভেঞ্চার সংস্থার উদ্যোগে দু’দফায় প্রশিক্ষণ শিবির হয়। তারপর থেকেই ওয়ালটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

মাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ

সংবাদদাতা, মালবাজার: মাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে এক রোগীকে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ মানতে চায়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাল পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কলোনির বাসিন্দা দীপক কর শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১০ মার্চ মাল হাসপাতালে আলট্রাসোনোগ্রাফি করান। সেখানে রিপোর্ট আসে কিডনিতে পাথর নেই। কিন্তু তাঁর সমস্যা না কমায় ফের ১৮ মার্চ শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি ডায়গনস্টিক সেন্টারে আলট্রাসোনোগ্রাফি করান। সেখানে কিডনিতে পাথর ধরা পড়ে। এরপর তিনি ক্ষোভে সোমবার মাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। মাল হাসপাতালের সুপার মাসুদ আলি বলেন, অনেক সময় প্রথমে নাও ধরা পড়তে পারে। সেটা পরবর্তীতে ধরা পড়ে। এখানেও সেই ঘটনাটিই ঘটেছে। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

আলিপুরদুয়ারে ২৫ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত, ধৃত ৪

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রবিবার গভীর রাতে পুলিশ নিউ আলিপুরদুয়ারের রাধামাধব মন্দির সংলগ্ন কয়েকটি গুদামে অভিযান চালিয়ে আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের ২৫ কেজি গাঁজা সহ চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত চার যুবকের নাম শীতেন চৌধুরি, সন্দীপ চৌধুরি, রাজা সরকার ও কার্তিক সাহা। তাদের মধ্যে প্রথম তিন জনের বাড়ি নিম্ন অসমের নওগাঁতে। কার্তিকের বাড়ি আলিপুরদুয়ার শহরের বীরপাড়া চৌপথিতে। জেলার পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথন বলেন, বেআইনি গাঁজা সহ ভিন রাজ্যের তিন যুবক সহ চার জনকে গ্রেপ্তার করে সোমবার জলপাইগুড়িতে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের রিমান্ডে নিয়ে শামুকতলা রোড স্টেশন এই গাঁজা চক্রের হদিশ পেতে আরও বিস্তারিত তদন্তে নামা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি থেকে বিভিন্ন ট্রেনে আসা গাঁজা আলিপুরদুয়ারের শামুকতলা রোড স্টেশনে নামানো হচ্ছে। তারপরে সেই গাঁজা নিউ আলিপুরদুয়ারের রাধামাধব মন্দির সংলগ্ন বিভিন্ন পরিত্যক্ত গুদাম ঘরে মজুত করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

১৬ এপ্রিল থেকে ইসলামপুরে নৈশ ফুটবল শুরু

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে ইসলামপুর মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত নৈশ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। ইসলামপুর হাইস্কুল মাঠে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই টুর্নামেন্ট চলবে। ২২ এপ্রিল এই টুর্নামেন্টের অংশ হিসাবে মহিলা ফুটবলের আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। রবিবার রাতে ইসলামপুর বাস টার্মিনাসে একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়েছে। পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানি এর উদ্বোধন করেন। আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে, আটটি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। এগুলি হল কলকাতার মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, ইউনাইটেড স্পোর্টিং ক্লাব, নেপালের ঝাপা ইলেভেন এফসি, শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা এফসি, শিলিগুড়ি রয়েল এফসি, রাজগঞ্জ আকাদেমি, স্টেট আর্মড পুলিশ (ডাবগ্রাম), পাইওনিরাস ক্লাব (ইসলামপুর)।

কোচবিহারে বিএস রোডে
ইলেকট্রনিক্সের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি

বিএনএ, কোচবিহার: রবিবার রাতে কোচবিহারে বিএসরোডে একটি ইলেকট্রনিক্সের দোকানে চুরি হয়েছে। দুষ্কৃতীরা দোকানের দরজার একাংশ ও তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি নিয়ে চম্পট দিয়েছে। ২২টি টিভি ও চারটি হোম থিয়েটার দুষ্কৃতীরা চম্পট দিয়েছে। এদিকে দোকানের সিসি ক্যামেরায় তাদের ছবি ধরা পড়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে তিনজন দোকানে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে। একটি ছোট গাড়িতে জিনিসপত্র নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তা দেখা হচ্ছে।

বাইসনের হামলায় জখম

সংবাদদাতা, মালবাজার: সোমবার মাল ব্লকের কুমলাই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বাইসনের হামলায় এক ব্যক্তি জখম হয়েছে। ওই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জখম ব্যক্তির চিকিৎসা বর্তমানে মাল মহকুমা হাসপাতালে চলছে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামবাসী চান্দু মুণ্ডা(৪০) নামে ওই ব্যক্তি এদিন বিকালে বাড়ির পাশে ছোট চা বাগানে গোরু আনতে গিয়েছিলেন। সেই সময় পাশের জঙ্গল থেকে বাইসনটি বেরিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায়। ওই ব্যক্তির চিৎকারে স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে মাল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। মাল রেঞ্জের রেঞ্জার সমীর সিকদার বলেন, জখম ব্যক্তির চিকিৎসা বন দপ্তরই বহন করবে।

মালে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, উত্তেজনা

সংবাদদাতা, মালবাজার: সোমবার রাতে মাল ব্লকের মৌলানি বাজারে উত্তেজিত জনতা মাল থানার গাড়ি ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন মাল থানার এক অফিসার মুখ্যমন্ত্রীর ডিউটি সেরে ফিরছিলেন। ফেরার সময় মৌলানি বাজারে একটি ট্রাক তাঁর গাড়ির পিছন দিক থেকে ধাক্কা মারে। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের গাড়ির চালক ওই ট্রাক চালককে পেটায়। এরপরেই এলাকার জনতা উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন, ঘটনাটি আমি শুনিনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল শিলিগুড়ি

বিএনএ, শিলিগুড়ি: সোমবার ভোরে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল শিলিগুড়ি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৬। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৩টে ১২ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব সিকিম। সিকিমে মাঝারি মাপের হলেও শিলিগুড়িতে কম্পন ছিল মৃদু। ভূমিকম্পে অবশ্য তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। সিকিমের গ্যাংটক থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে পূর্ব সিকিমে ভূমিকম্পনের কেন্দ্র ছিল। সিকিম মৌসম ভবনের ডিরেক্টর গোপীনাথ রাহা বলেন, রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৪.৬ হলেও স্থায়িত্ব খুবই কম ছিল বলে সেভাবে কম্পন অনুভূত হয়নি।

 

 




 

?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta