রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন

সুচিত্রা মিত্র ফেস্টিভ্যাল

পূরবী আয়োজিত ‘সুচিত্রা মিত্র ফেস্টিভ্যাল’ আয়োজিত হল রবীন্দ্রসদন ও জ্ঞানমঞ্চে। অভিনব এই সংগীতানুষ্ঠানে দু’দিনে মোট ১৭টি সংস্থা সমবেত সংগীতে অংশগ্রহণ করেছিল। পূরবী, অমিতায়ন, মঞ্জীস, সুরসৌরভ, বাণীমাল্য সংগীতায়ন, ফুল্লরা, ব্রতী সংগীতায়ন, বাতায়নিক শিল্পীগোষ্ঠী, বিভোর সংগীতায়ন, মেঘমল্লার ও রবিতীর্থ প্রথম দিন তালফেরতা গানে ও অরণি, শতভিষা, সংগীতদীপান, অঞ্জলি, পাঞ্চজন্য, রবিস্পন্দন ও রবিপরম্পরা দ্বিতীয় দিনে কীর্তনাঙ্গ গানে শ্রোতাদের অনাবিল আনন্দ দান করেন। এ ছাড়াও প্রথমদিনে নৃত্যগীতালেখ্য ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’ পরিবেশিত হয়। সুন্দর অনুষ্ঠানটি আকর্ষণীয় হয় সংগীত ও নৃত্যাংশের নিপুন পরিবেশনার গুণে। দ্বিতীয় দিনের চমক ছিল খুদে শিল্পীদের পরিবেশিত অনুষ্ঠান ‘শৈশব’। কবিগুরুর ‘শিশু ভোলানাথ’ অবলম্বনে রচিত এই অসাধারণ নিবেদনে ছিল ১২টি গান, কবিতা পাঠ ও নৃত্যে কেবলমাত্র শিশু শিল্পীদের অনবদ্য পরিবেশনা। মন্দিরা মুখোপাধ্যায় পরিচালক হিসাবে দুটি অনুষ্ঠানেই সফল এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। এছাড়াও প্রথম দিনে একক সংগীতে ছিলেন শুভ্রা সাহা ও অনিতা পাল ও ‘সুচিত্রা মিত্র স্মারক’ বক্তৃতায় অলোকপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। অনেক অজানা তথ্যে সমৃদ্ধ হন সবাই। ১০০০ জন শিল্পী সম্মেলনে এই সংগীত উৎসব সফল করার জন্য অবশ্যই কৃতিত্বের দাবিদার পূরবী।

সুদেব চট্টোপাধ্যায়   

এক সন্ধ্যায় সংজ্ঞা

সম্প্রতি রবীন্দ্রসদনে সংজ্ঞা নিবেদন করল তাদের বার্ষিক উৎসব। ‘আমার পৃথিবী সন্ত্রাস মোছে জীবনের জলসায়’ এই অনুষ্ঠানটির মূল সুর ছিল সনাতন ও বর্তমান ভারতকে ঘিরে। সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের চিত্রনাট্যের সঙ্গে বিপ্লব চক্রবর্তী ও মুনমুন মুখোপাধ্যায় অসাধারণ কবিতাপাঠ করলেন। গানে পল্লব কীর্তনীয়া ও শান্তনু রায়চৌধুরি মন ভরিয়ে দিলেন। স্বরচিত গান ‘আমাদের লজ্জা নেই’ বা বিভাস রায়চৌধুরি রচিত ‘পথের মোড়ে আগুন ওড়ে’, ‘আয়রে মোরা ফসল কাটি’ এবং ‘একদিন সব আলো আঁধার ছোবে’ এইসব গানে সমকালীন ভারতের এক খণ্ডচিত্র তুলে আনলেন পল্লব। শান্তনু রায়চৌধুরি শোনালেন কয়েকটি রবীন্দ্রসংগীত। তাঁর কণ্ঠে ‘তুমি কেমন করে গান করো’, ‘যদি তোর ডাক শুনে’ এবং উপহার ছবির ‘কসমে ওয়াদে পেয়ার’ প্রভৃতি গানগুলি একটু বেমানান হলেও বিষয়টির সঙ্গে মানানসই হয়ে উঠল। বিপ্লবের বলিষ্ঠ কণ্ঠে ‘ভারতবর্ষ মানে’, ‘পথ বহুদূর সামনে চড়াই’, ‘শেষ যাত্রায় সঙ্গী’ এবং মুনমুনের মর্মস্পর্শী পাঠের ‘মারতে জানা সত্যি সহজ’,‘একটি দেশ ছিল’, ইত্যাদি কবিতাগুলি সামগ্রিক চিত্রনাট্যকে বাস্তবায়িত করে তোলে।

কলি ঘোষ   




?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta