কলকাতা, রবিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৩

 

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন

ভারতীয় অর্থনীতির বিকাশে যুক্তরাষ্ট্রীয়
প্রতিযোগিতাকেই কৃতিত্ব দিলেন জেটলি


রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ২৫ ফেব্রুয়ারি: ভারতীয় অর্থনীতির বিকাশের হার বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের হারের চেয়েও বেশি। আর এর জন্য সব কৃতিত্ব পাবে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজ্যগুলির পারস্পরিক প্রতিযোগিতার মনোভাব। ব্রিটেন সফরে লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সের ঐতিহাসিক জর্জ বার্নার্ড শ রুমে এক ভাষণে একথা জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি বলেন, এখন রাজ্যগুলির পারস্পরিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বদল এসেছে। রাজ্যগুলি সংস্কারমুখী হয়ে নিজেদের জন্য বাজার তৈরি করতে চাইছে। তারা বিদেশ থেকে বিনিয়োগ টানতেও উৎসাহী হচ্ছে। এই প্রতিযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো দেশের পক্ষে অত্যন্ত মঙ্গলজনক হয়েছে।

জেটলি বলেন, এমনকী দেশের জাতীয় বৃদ্ধির হারের চেয়ে ৩-৫ শতাংশ বেশি বৃদ্ধির হার চাইছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। এতে আখেরে লাভ হচ্ছে দেশেরই। কারণ এর ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের বিকাশের হারই বেড়ে যাচ্ছে। আলোচনাসভায় সাম্প্রতিক নোট বাতিলের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন আখেরে বৃদ্ধি পাবে। জেটলি বলেন, ডিমানিটাইজেশনের ফলে গ্রামীণ ভারতের উন্নয়ন হচ্ছে। নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ঋণ করার ঝোঁক কমবে। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা আর কোনও ঋণের বোঝা রেখে যাব না। একইসঙ্গে মোদির সরকারের লক্ষ্যের কথা বলতে গিয়ে জেটলি জানান, কেন্দ্র ২০১৮ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে। ২০১৯ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামের রাস্তা পাকা হয়ে যাবে আর ২০২২ সালের মধ্যে প্রত্যেকের জন্য বাড়ির ব্যবস্থা করা হবে।

আলোচনাসভার পরে উপস্থিত শ্রোতারা জেটলির উদ্দেশে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। প্রতিটি প্রশ্নেরই জবাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত রামযশ কলেজের সাম্প্রতিক অশান্তি প্রসঙ্গে জেটলি বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন ভারতসহ সর্বত্র বাক স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে বিতর্ক হওয়া উচিত। নিজের মতের ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি বাকস্বাধীনতা দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে তবে গণতন্ত্রে বৃহৎ অংশ এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে ও পালটা প্রতিবাদ করবে। বাক স্বাধীনতার অধিকার মানে দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানা নয়। লিকার ব্যারন বিজয় মালিয়ার নাম সরাসরি না করলেও এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। সেই কারণেই অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের কেউ কেউ আবার এই ব্রিটেনেই লুকিয়ে রয়েছেন। ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ভারত মুখিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন জেটলি।

 

 

 





?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta