রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন


চৈত্রের দিনরাত কেমন সাজে সাজবেন অভিনেত্রী সায়নী দত্ত তার খোঁজ দিচ্ছেন সোমা লাহিড়ী।


বসন্ত এখন মধ্যগগণে। চৈত্রের বাতাস কখনও তপ্ত, কখনও শীতল, প্রাণজুড়োনো। এমন দিনের সাজেও তাই স্নিগ্ধ আবেশের সঙ্গে মিশেছে উত্তাপের রং।
প্রথম শাড়িটি উজ্জ্বল হলুদ আর লালের মিশ্রণে তৈরি বাংলার তাঁত। বাংলারই আরেক শিল্প কাঁথা মিশেছে শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে। শাড়িটি ‘সুশ্রী’ বুটিকের। ডিজাইনার সুস্মিতা মুখোপাধ্যায় জানালেন, এবার নববর্ষে বাংলার তাঁতের জমিনে কাঁথা আর রকমারি এমব্রয়ডারি করেছেন। আছে ব্লক প্রিন্ট, হ্যান্ড পেন্টিং আর মিক্স অ্যান্ড ম্যাচও।
দ্বিতীয় শাড়িটির স্নিগ্ধ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবেন সব্বাই। কটন কোটায় কাঁথাকাজের বর্ডার বসিয়ে শাড়িটি তৈরি। সবিতা ঘোষ জানালেন, নববর্ষের সকালে পরার জন্য হালকা কোটায় বর্ডার বসিয়ে, অ্যাপ্লিক করে এবং হ্যান্ড পেন্টিং করে শাড়ি তৈরি হয়েছে। বাংলার তাঁতেও নানারকম মিক্স ম্যাচ হয়েছে নববর্ষের জন্য।
তৃতীয় শাড়িটি বেশ অন্যরকমের। পাটলিপাল্লু কুঁচি স্ট্রাইপ তাঁতে ব্লকপ্রিন্ট করে এমব্রয়ডারি অ্যাপ্লিক বসিয়েছেন ডিজাইনার জয়শ্রী বসু। তাঁর ‘শিল্পী নিকেতন’ বুটিকে নববর্ষের কালেকশন এসেছে প্রচুর। তাঁত ছাড়াও কোটা, মলমল, কেরালা কটন, খেসকে সাজিয়েছেন নানান আঙ্গিকে।
চতুর্থ শাড়িটি লাবণ্যময়ী। সেলফ স্ট্রাইপ রেশম হ্যান্ডলুমে টেম্পল পাড় আর প্রিন্টেড আঁচল, ঘন নীল আর তুঁতে নীলের ব্যবহার শিল্পসুষমা মণ্ডিত। শাড়িটি ‘কৃষ্ণকলি’ থেকে নেওয়া। নববর্ষের সান্ধ্যসাজে এমন একটি শাড়ির সঙ্গে খোঁপায় জড়িয়ে নিন বেলফুলের মালা। ডিজাইনার কৃষ্ণা জানালেন, নববর্ষ কালেকশন হ্যান্ডলুম ছাড়াও তাঁত, কেরালা কটন ও খেসকে সাজিয়েছেন।
পঞ্চম শাড়ির মিষ্টি রঙে মুগ্ধ হবেন শাড়িপ্রেমীরা। পিচ পিঙ্ক জমিনের মলমলে অলওভার চিকনকারি কারুকাজ। শাড়িটি ‘জয়িতা’জ সিলেকশন’ থেকে নেওয়া। জয়িতা লখনউ থেকে বাছাই করে শাড়ি আনেন। অর্ডার অনুযায়ীও চিকন শাড়ি তৈরি করান। শুধু সাদা সুতোই নয়, মালটিকালারড সুতোয় চিকনের কাজ করা শাড়িগুলোও বেশ সুন্দর।
প্রত্যেকটি শাড়ির সঙ্গে সায়নী পরেছেন ‘আত্রেয়ী ক্রিয়েশন’-এর ডিজাইনার জুয়েলারি।

নববর্ষের আগমনি
বাংলা বছর শুরুর কিছুদিন আগে থেকে ডিজাইনাররা নতুন সম্ভার সাজিয়ে প্রদর্শনী শুরু করেন। চলে ডিসকাউন্টও।

 শ্রীমতীতে শুরু হয়েছে নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনী ও ডিসকাউন্ট। খুব ভালো কোয়ালিটির ধনেখালি ব্লাউজপিস সমেত ৫০০ টাকা থেকে দাম শুরু। সাটিন পাড়, মিনা বুটি ধনেখালি ৬৫০ টাকা থেকে দাম শুরু। বাংলার তাঁতে নতুন ধরনের ব্লকপ্রিন্ট ৬৫০ টাকা থেকে দাম শুরু। তাঁতে ফ্লোরাল ও অ্যাবস্ট্রাক্ট হ্যান্ড পেন্টিং ৭৫০ টাকা থেকে পাবেন। অ্যাপ্লিক পাড় তাঁতের শাড়ি ১৪৫০ টাকা থেকে দাম শুরু, ব্রোকেড অ্যাপ্লিক ১৮৪০ টাকা থেকে পাবেন। তাঁতে নানারকম মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করা শাড়ি ১৪৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে পাবেন। তাঁতে এমব্রয়ডারি করে তৈরি শাড়ি ১৫৫০ টাকা থেকে পাবেন। মটকায় ব্লকপ্রিন্ট ১৭৫০ টাকা, মটকায় বাটিক ২৫০০ টাকা থেকে দাম শুরু। সিল্কে এক্সক্লুসিভ ব্লকপ্রিন্ট ৩০০০ টাকা, সোনামুখি সিল্কে ব্লকপ্রিন্ট ৩০০০-৩৫০০ টাকা, ফ্লোরাল তসর প্রিন্ট ৩৫০০ টাকা। এছাড়া পশমিনা সিল্ক, কোষা সিল্ক, ভাগলপুরি সিল্ক তসর ২৬০০-৬৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে পাবেন। বেনারসের সুপার নেট ১২০০-৩০০০ টাকায় মিলবে। কাতান সিল্কে গুজরাতি কাজ করা শাড়ির খুব ভালো স্টক পাবেন ৬০০০-৬৪০০ টাকার মধ্যে। কাতান সিল্ক ও তসরে নানারকম ডিজাইনে এমব্রয়ডারি করা শাড়ি ৬০০০ টাকা থেকে দাম শুরু। শান্তিনিকেতনি কাঁথা কাজ করা শাড়িরও খুব ভালো স্টক এসেছে নববর্ষ উপলক্ষে। দাম ৫৫০০ টাকা থেকে শুরু। এদের টেলারিং সেকশনটিও বেশ ভালো। ডিজাইনার ব্লাউজ করাতে পারেন পছন্দমতো ডিজাইনে। এখন ফ্রেশ স্টকে ৫% থেকে ১০% ছাড় পাবেন এই দামের ওপর। পুরনো স্টকে ২০% থেকে ৫০% পর্যন্ত ছাড় পাবেন আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
ঠিকানা: ১/১, মহারাজা ঠাকুর রোড, ঢাকুরিয়া, কল-৩১,
ফোন: ৯৮৩০৪৩০৯৫৯।
 ডালিয়া-ফ্যাশন বুটিকে নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ কালেকশন এসেছে। রয়েছে ১০% ডিসকাউন্টও। নববর্ষ স্পেশাল হ্যান্ডলুমে প্রচুর নকশা করিয়েছেন অরিত্র দত্ত। উজ্জ্বল রঙের হ্যান্ডলুমে জুট-বুটি আর জুটের আঁচলের শাড়ি ১০০০-১২০০ টাকায় পাবেন। সফট্‌ হ্যান্ডলুমে এক্সক্লুসিভ ডিজাইনে জরি-বুটি জরি আঁচলের শাড়িতে কপার আর সিলভারের আধিক্য। দাম ২০০০-২২০০ টাকা। ফুলিয়ার ঢাকাই টাঙ্গাইলে একেবারে নতুন ডিজাইন হয়েছে। লাল-সাদা, রয়্যাল ব্লু-সাদা, তসর কালো কম্বিনেশনে হাফ অ্যান্ড হাফ স্টাইলে এই শাড়ি তৈরি হয়েছে। ডিজাইনও দু’দিকে দু’রকম। দাম ৩০০০-৩৫০০ টাকা। জরি ছাড়া হালকা ওজনের ফুলিয়া টাঙ্গাইলেও নতুন ডিজাইন এসেছে। দাম ১৫০০-২২০০ টাকা। বাংলার তাঁত ছাড়াও দক্ষিণের তাঁত, বেনারসের চান্দেরি, ভাগলপুরি সিল্ক ইত্যাদি পাবেন ১০০০-২৫০০ টাকার মধ্যে। নববর্ষ স্পেশাল রেশম ঢাকাইতে প্রচুর নতুন নকশা তৈরি হয়েছে। দাম ২০০০-৪৫০০ টাকা। ঢাকাই ও হ্যান্ডলুম শাড়ি হোলসেলে কেনার সুবিধে রয়েছে। এখন ডালিয়া-ফ্যাশন বুটিকে কেনাকাটা করলে মিলবে মেম্বারশিপ কার্ড। এতে সারা বছর সব শাড়িতে ১০% ছাড় পাবেন। ঠিকানা: ১১, বিধান সরণি, কল-৬, ফোন: ৯৮৭৪৯৮৭৩৩২
অনুষ্পা বুটিকে নববর্ষ উপলক্ষে প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। দুই ডিজাইনার অনুশ্রী ও শম্পা জানালেন, তাঁদের স্পেশালিটি এক্সক্লুসিভ ব্লকপ্রিন্ট। বাংলার তাঁত, সিল্ক আর তসরে নতুন নতুন ডিজাইনে অন্যরকম অ্যারেঞ্জমেন্টে ব্লকপ্রিন্ট হচ্ছে। এছাড়া এবার বাংলার তাঁতে অ্যাপ্লিক ও এমব্রয়ডারি করেও শাড়ি তৈরি হয়েছে। শাড়িগুলো সামার পার্টিওয়্যার। এছাড়াও রয়েছে নানা ধরনের মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ। এখন নববর্ষ উপলক্ষে ডিসকাউন্ট পাবেন সব শাড়িতে। ঠিকানা: ২৮/১/৪, নকুলেশ্বর ভট্টাচার্য লেন, গ্রিক চার্চ রো এক্সটেনশন, কল-২৬, ফোন: ৯৮৩০৮৫৯১৯৩।


পয়লা বৈশাখে মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের প্রথম হিন্দি ছবি বেগমজান। ছবির পোশাক পরিকল্পনায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ডিজাইনার সাবর্ণী দাস। তাঁর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন চৈতালি দত্ত।

ছবির গল্প সম্বন্ধে জানতে চাইলে পরিচালক সৃজিত বলেন, ‘১৯৪৭ সালের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রাজ কাহিনি যেমন তৈরি হয়েছিল, এই ছবির ক্ষেত্রে প্রেক্ষাপট একই রয়েছে। গল্পের কিছু জায়গায় অতিরিক্ত সমীকরণ এসেছে। সেইসঙ্গে কিছু সাবপ্লট যুক্ত হয়েছে। পুরো প্রেক্ষাপট এবারে ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তে চলে গিয়েছে। বেগমজানের চরিত্রেরও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। চরিত্রে দাপট থাকলেও আরও কিছু নতুন সমীকরণ ঘটেছে। অমিতাভ বচ্চনের কণ্ঠস্বরে শোনা যাবে এই ছবির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।’
সেইসঙ্গে ছবির পোশাক নিয়ে ডিজাইনার সাবর্ণী জানান, ছবির বিষয় পাকিস্তান সীমান্তের গল্প। বিষয়ের দিক থেকে এক হলেও, অবস্থানগতভাবে এই ছবি রাজকাহিনি থেকে একটু আলাদা। ছবিতে বেগমজানের আসল পরিচয় বুঝতে দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ বেগমজান হিন্দু না মুসলমান। বেগমজানের কাছে বিহার, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গার নানা ভাষাভাষী মেয়েরা থাকে। বেগমজানের সাজপোশাক ও চরিত্রের মধ্যে একটা নিউট্রাল ব্যাপার আছে। বেগমজানের জামাকাপড় তৈরি করেছেন মুম্বইয়ের ডিজাইনার ঋক রায়।’ উল্লেখ্য, বিদ্যা বালানকে বেগমজানের ভূমিকায় দেখা যাবে।
ভারতবর্ষ ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের প্রভাব রয়েছে বেগমজানের পোশাকে। তাই তার পোশাকে কলার দেওয়া শার্টের মতো জামার সঙ্গে নীচে ঘেরওয়ালা স্কার্ট। সঙ্গে ওড়নার ব্যবহার সারা ছবিজুড়ে রয়েছে। হ্যান্ডলুম, খাদি ফ্যাব্রিকের পোশাকে থ্রেডওয়ার্ক, গ্লাস ওয়ার্ক, গুজরাতি স্টিচ, ফুলকারি অর্থাৎ উত্তর ভারতীয় এমব্রয়ডারি যেমন আছে, তেমনি আবার কখনও পাঞ্জাবের খাঁটি ট্র্যাডিশনাল এমব্রয়ডারিও পোশাকে ধরা পড়ে। পোশাকের কালার প্যালেট রাস্ট, ব্রাউন ইত্যাদি আর্দি টোনের। গোল ঘাঘরা মতো স্কার্টের সঙ্গে ছেলেদের মতো একটা শার্ট। তার ওপর ওড়না দিয়ে মাথায় কাপড় দেওয়া। পাঞ্জাবের মহিলাদের এই ধরনের যে লুকস, ঠিক সেরকমই বেগমজানকে দেখা যাবে। যখন সে কাজে ব্যস্ত থাকে তখন তার হাতের স্লিভস ফোল্ড করা থাকে। পুরুষশাসিত সমাজে বেগমজানের যে দাপট এবং সে যে নিজেকে শক্তিশালী দেখাতে চেষ্টা করে তার প্রভাবও পোশাকে রয়েছে। বেগমজানের লুকস নিয়ে মুম্বইতে ঋক রায়ের স্টুডিওতে বসে দু’-তিনবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জানান সাবর্ণী। বেগমজানের পোশাকে কনট্রাস্ট কিছু নেই, মিক্স ম্যাচ করা। উৎসবের দৃশ্যে বা রাজামশাই যখন আসেন তখন বেগমজানের সাজে সামান্য চটক থাকলেও উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। বেসিক পোশাকের স্ট্রাকচার কিন্তু একই থাকে। ঋক মুম্বই থেকে বহু পুরনো এমব্রয়ডারি করা হ্যান্ডলুমের শাড়ি কিনে সেটাকে কেটে জুড়ে টপ, ঘাঘরা স্টাইলের স্কার্ট, ওড়না তৈরি করেছেন। রাজামশাই যখন আসেন তখন রানি পিংক কালারের পোশাক পরেন। সঙ্গে পাঞ্জাবের মিনাকারি গয়না ব্যবহার করেন। সারা ছবিতে বেগমজানের গয়নার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়নি। গলায় হার, কানে দুল, হাতে দুটো বালা এরকম। বেগমজানের সাজে চোখের কাজল একটু গাঢ়, ঠোঁটের রং কিছুটা উজ্জ্বল, তুলনামূলকভাবে গয়না সামান্য সংযোজিত হয়েছে। এছাড়া সারা ছবিতে বেগমজানের হেয়ার স্টাইল একটু কোঁকড়া, খোলা, পায়ে মুজরি এবং একটা অ্যাংলেট রয়েছে। তবে অ্যাকসেসারিজের আধিক্য খুব বেশি নেই। গয়নার আধিক্য খুব বেশি নেই। ওভাবে দেখতে গেলে রাজকাহিনিতেও ছিল না। সাজপোশাকে কোনও চটকদারি ব্যাপার নেই বলে জানা গেল সাবর্ণীর কাছ থেকে।
তবে নাসিরুদ্দিন শাহের পোশাকের ব্যাপারে বলতে গিয়ে সাবর্ণীর আরও সংযোজন, মুম্বইতে যখন নাসিরুদ্দিন শাহের লুক টেস্টের জন্য যাই, তখন উনি বলেন যে, ভালো শেরওয়ানি সামনের দিকে দু’ ভাগ বা ফাঁকা থাকবে না। শেরওয়ানির মাঝখানে যেন বাটন দেওয়া থাকে। সেই মতো উত্তরভারতীয় স্টাইলের শেরওয়ানি ওঁকে পরানো হয় যা তৈরি করতে হয়েছে। যেহেতু উনি ছবিতে নবাব ছিলেন। পরে ধীরে ধীরে ওঁর রাজত্ব ইংরেজদের হাতে চলে যায়। একটি পিওর সিল্কের ব্রোকেড এবং দ্বিতীয়টি মিউটেড প্লেন শেরওয়ানি পরেছেন। কালার প্যালেট গ্রে, হোয়াইট। অবশ্যই চুড়িদারের সঙ্গে শেরওয়ানি পরেছেন। যেহেতু উনি রেডিমেড পাগড়ি পরবেন না বলেছিলেন, তাই কটন ও সিল্ক মেশানো ফিনফিনে কাপড়ের অনেক হাত লম্বা পাগড়ি বেঁধে দেওয়া হত। প্রতিটি জায়গার পাগড়ি বেঁধে দেওয়া হত। প্রতিটি জায়গার পাগড়ি বাঁধার রীতি কিন্তু আলাদা। নাসিরুদ্দিন শাহের প্লেন সিঙ্গল কালারের পাগড়িতে রয়েছে ব্রোচ ইত্যাদি কসটিউম জুয়েলার।
বেগমজানের আস্তানার মেয়েদের একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকমের সাজপোশাক রয়েছে। শুধু চরিত্রকে একটু আলাদা করার জন্য যতটুকু পোশাক দরকার ততটুকুই পরানো হয়েছে প্রত্যেককে। গহর খানের পোশাকে গ্রিন কালারের প্রভাব সবসময় থাকছে। যেহেতু সে মুসলমান মেয়ে। তাই প্লেন সালোয়ার কামিজে কোথাও কোথাও সবুজের চিহ্ন রয়েছে। পল্লবী সারদা আর্দি টোনের ডিপ নেকলাইনের সালোয়ার কামিজ পরেছেন। রজিত কাপুরের পোশাকের কালার প্যালেট গ্রে, ব্ল্যাক, ব্রাউন ইত্যাদি। পুরুষেরা আগে পোশাকে বেশি রং ব্যবহার করতেন না। তাই ওঁদের কালার প্যালেট খুব মিউটেড সাবডিউড। আশীষ বিদ্যার্থী মিউটেড কালারের স্যুট ছাড়া অন্য কিছু পরেননি। রাজেশ শর্মাকে খাকি কালারের পুলিশের ইউনিফর্মে দেখা যাবে। চাঙ্কি পাণ্ডে খুব সিম্পল। তাঁকে লুঙ্গি ফতুয়াতে দেখা যাবে। ইলা অরুণ বিধবা। তাই তাঁকে হোয়াইট কালারের শাড়ি, ব্লাউজ পরানো হয়েছে যা ‘ওয়েদার’ করা। ছবিতে উল্লিখিত শিল্পীরা ছাড়াও রয়েছেন আরও অনেকে।
কাহিনি সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সুরকার অনু মল্লিক। ক্যামেরায় গোপী ভগত। সম্পাদনায় মনীষা বালদাওয়া। প্রযোজনা বিশেষ ফিল্মস, প্রযোজক মহেশ ভাট, মুকেশ ভাট।
 



?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta