কলকাতা, রবিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৩

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড় | ম্যাগাজিন

এবার পড়াশুনা ও ফ্ল্যাটের কাঁড়ি
খরচেও লাগাম পড়ুক, উঠছে দাবি

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: চিকিৎসায় গাফিলতির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে অকারণে এক কাঁড়ি টাকা বিল করার অভিযোগ নতুন ঘটনা নয়। এই নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগ ওঠে রোগীর পরিবার-পরিজনের কাছ থেকেই। এতদিন পর্যন্ত সেই সংক্রান্ত অভিযোগের সুরাহা পাওয়ার একমাত্র ঠিকানা ছিল ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর বা ক্রেতা আদালত। এই চেনা ছকের বাইরে রাজ্য সরকারও যে নিজে থেকে তৎপর হতে পারে, এমন কোনও নিদর্শন রাজ্যবাসীর কাছে নেই বললেই চলে। সম্প্রতি চড়া বিলের কৈফিয়ত নিতে বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলিকে তলব করে হইচই ফেলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর তৎপরতায় আশার আলো দেখছেন অন্যান্য ক্ষেত্রের গ্রাহকরাও। কারণ নিত্যদিন নানাভাবে একপ্রকার ফাঁদে পড়েই সাধারণ মানুষ কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা গুণগার দিচ্ছেন নানা ক্ষেত্রে। মুখ্যমন্ত্রী কি সেখানেও রাশ টানতে উদ্যোগী হবেন, এই প্রশ্নই এখন ঘুরেফিরে আসছে নানা মহলে। বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার আশায় বুক বাঁধছেন সাধারণ মানুষ।

রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিএমআরআই হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় টনক নড়ে প্রশাসনের। কেন বেসরকারি চিকিৎসা পরিষেবায় এত টাকা বিল দিতে হবে, তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তিনি টাউন হলে বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তাদের ডেকে পাঠিয়ে সংস্থার নাম ধরে ধরে তুলোধোনা করেন। তাদের কীভাবে কব্জায় আনা যায়, তার জন্য আইন বদলানোর পাশাপাশি কমিশন গড়ে শায়েস্তার রাস্তাও পাকা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ আদৌ কতটা ফলপ্রসূ হবে, সেই নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, তাঁর উদ্যোগকে বাহবা দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। সরকারি চোখ রাঙানিতে বেলাগাম বিলে কিছুটা অন্তত রাশ টানবে সংস্থাগুলি, এখন এই আশা জাগছে সাধারণ মানুষের মনে। তাঁরা ভাবছেন, কোনও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় যেভাবে আবাসন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খরচ লাগামছাড়া হচ্ছে দিন দিন, তাতেও হয়তো বা সুবিচার পাওয়ার দিন এল।

যদি কোনও ব্যক্তি চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলেন অথবা অকারণে চড়া বিলের সুরাহা চান, তাহলে তিনি মামলা করার আগে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দ্বারস্থ হতে পারেন। ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের একটি সূত্র বলছে, গত দেড় বছরে সেখানে ৩৫৬টি অভিযোগ জমা পড়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত। স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত বিমা নিয়ে অভিযোগ এসেছে ৮৪২টি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে ২০১৫ সালের জুন মাস থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত যে অভিযোগগুলি এখানে জমা পড়েছে, তার মোট সংখ্যা ৯ হাজার ৮৮২টি। গত জানুয়ারি মাসে সেখানে আরও ৫২৫টি অভিযোগ জমা পড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাড়তি টাকা দিয়েও ঠিক পরিষেবা না পাওয়া থেকে শুরু করে রিয়েল এস্টেটে বাড়তি খরচ সামলানোর হ্যাপা— সবই আছে সেই তালিকায়। দপ্তরের কর্মীরা সেই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

কিন্তু পরিস্থিতি বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষ সেখানে সুরাহা না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন। আবার বহু মানুষ আছেন, যাঁরা অকারণ খরচ জুগিয়েও বিষয়টি মেনে নিচ্ছেন স্রেফ ঝঞ্ঝাট এড়ানোর জন্য। আর তারই সুযোগ নিচ্ছে নানা সংস্থা। বিচ্ছিন্নভাবে কেউ কেউ ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে এলেও, বাড়তি টাকার কোপে পড়ছেন এর অনেক গুণ মানুষ, বলছেন দপ্তরের কর্তারাই। তাহলে উপায়?

সেই উপায়ের রূপালি রেখাই দেখিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, বলছেন সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, লাগামছাড়া খরচ বাঁধতে মুখ্যমন্ত্রী যেখানে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হানা দিয়েছেন, সেখানে তিনি এই ক্ষেত্রগুলিতেও নজর দিন। তাতে অন্তত কিছুটা সমঝে চলবে নানা বেসরকারি সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রী সেই উদ্যোগ নেন কি না, এখন তীর্থের কাকের মতো সেদিকেইে নজর রাখছেন সকলে।

গত দেড় বছরে সরকারের কাছে জমা পড়া অভিযোগের সংখ্যা

ক্ষেত্র অভিযোগ

আবাসন ১১৯৯

বিনিয়োগ ৭৬১

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩৮৭

বিদ্যুৎ বিল ২৫৮

বিমা ৮৪২

গ্যাস ২৮১

ব্যাংকিং ৫২৫

পর্যটন ৩২৬

ডাকঘর ১৯৯

টেলিফোন ৫৭৩

-কমার্স ৪৫৮

কলকাতা থেকে ৬ ট্রেনে এবার আধুনিক এলএইচবি কোচ, বাড়ছে আসন সংখ্যাও

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুর্ঘটনা এড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই করেছে রেল মন্ত্রক। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে লাইনে। এবার চিরাচরিত রেকের বদলে অত্যাধুনিক এলএইচবি রেকের ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। সেই মতোই দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব রেল পুরানো রেকের বদলে নয়া এলএইচবি রেকের ব্যবহার বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে।

পূর্ব রেল সূত্রের খবর, যাত্রীদের সুরক্ষা বৃদ্ধিতে দু’টি দূরপাল্লার ট্রেনে চিরাচরিত কোচের বদলে অত্যাধুনিক কোচ সম্প্রতি তারা যুক্ত করেছে। ট্রেনগুলি হল, কলকাতা-উদয়পুর অনন্য এক্সপ্রেস এবং কলকাতা-অমৃতসর অকাল তখত এক্সপ্রেস। সেগুলিতে অত্যাধুনিক এলএইচবি কোচ ব্যবহার করা হচ্ছে। পূর্ব রেলের কর্তাদের বক্তব্য, অত্যাধুনিক এই কোচ আরও বেশি সুরক্ষিতই শুধু নয়, এই কোচে আরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। সাধারণ কোচের স্লিপার ক্লাসে যেখানে ৭২ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারেন, সেখানে এলএইচবি কোচে ৮০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। এসি কোচগুলিতেও তুলনামূলকভাবে বেশি যাত্রী পরিষেবা নিতে পারবেন বলে তারা জানিয়েছে। এই জোনের এক কর্তা বলেন, শিয়ালদহ-দিল্লি সম্পর্ক কান্তি এক্সপ্রেস এবং শিয়ালদহ-অমৃতসর জালিয়ানওয়ালাবাগ এক্সপ্রেসের কোচও আধুনিক এলএইচবি কোচে বদল করা হচ্ছে। সম্পর্ক কান্তি এক্সপ্রেসে নয়া কোচের সুবিধা যাত্রীরা পাবেন আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। অন্য ট্রেনটিতে এই সুবিধা মিলবে আগামী ৩ মার্চ থেকে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে খবর, তারাও চারটি এক্সপ্রেস ট্রেন নয়া এলএইচবি কোচ দিয়ে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রেনগুলি হল, শালিমার-বিশাখাপত্তনম এক্সপ্রেস (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে), হাওড়া-সাই নগর শিরডি এক্সপ্রেস (২ মার্চ থেকে), হাওড়া-মুম্বই এক্সপ্রেস (৩ মার্চ থেকে)এবং সাঁতরাগাছি-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস (৬ মার্চ থেকে)। এই জোনের এক কর্তা বলেন, ট্রেনগুলিতে চিরাচরিত কোচ বদলে পুরোপুরি এলএইচবি কোচ যুক্ত করা হবে। তাতে আসন সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। তার মধ্যে বিশাখাপত্তনম এবং মুম্বইগামী ট্রেনটিতে মোট আসন সংখ্যা ১১৬টি করে বাড়বে। হাওড়া-সাই নগর শিরডি এক্সপ্রেস এবং সাঁতরাগাছি-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেসে আসন ৮৬টি করে বাড়বে। তার মধ্যে স্লিপার ক্লাসে ৬৪টি, এসি টু-টিয়ারে ৬টি এবং এসি থ্রি-টিয়ারে ১৬টি আসন বৃদ্ধি পাবে।

এলএইচবি কোচ কী? রেল সূত্রের খবর, এই কোচের পুরো নাম ‘লিংক হফম্যান বুশ কোচ’। বিদেশী এই কোচ বর্তমানে এ দেশেও তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবহৃতও হচ্ছে। মূলত, উচ্চ গতির ট্রেনেতেই এই কোচ যুক্ত করা হয়। তাতে ট্রেনের গতি বেশি থাকলেও যাত্রীদের ঝাঁকুনি লাগে কম। প্রথম দিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে শতাব্দী এবং রাজধানী এক্সপ্রেসেই এই ধরনের কোচ ব্যবহার করা শুরু হয়। এই ধরনের কোচ বেশি আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। কোচগুলি চিরাচরিত কোচের তুলনায় প্রযুক্তিগতভাবেও উন্নত। ‘সাসপেনশন সিস্টেম’ উন্নত হওয়ায় এই কোচে সফরও বেশ আরামদায়ক।

রেল মন্ত্রকের এক কর্তার কথায়, পুরোপুরি নতুন এলএইচবি কোচ যেমন আগামী দিনে বিভিন্ন ট্রেনে যুক্ত করা হবে, তেমনই ৪৫ হাজার আইসিএফ ডিজাইনের কোচে সুরক্ষার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং উন্নত কিছু বৈশিষ্ট যুক্ত করা হবে। আগামী তিন-চার বছর ধরে ধাপে ধাপে এই কাজ করবে রেল।

সবুজদ্বীপে পর্যটন কেন্দ্রের কাজ খতিয়ে দেখলেন ২ মন্ত্রী

বিএনএ, চুঁচুড়া: বরাত পাওয়ার পর এতটা সময় কেটে গেলেও সবুজদ্বীপ প্রকল্পের কাজ বলতে হয়েছে মাত্র জেটি তৈরি আর বড়জোর ফুট তিরিশেক টাইলস বসানো রাস্তা। শনিবার কাজের বর্তমান অগ্রগতি চাক্ষুষ করার পর বরাত পাওয়া সংস্থার আধিকারিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পর্যটন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও কাজের ব্যাপারে রিপোর্ট দেবেন বলে তিনি জানিয়ে দেন। যদিও সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে ইন্দ্রনীলবাবু বলেন, দুর্গাপুজোর আগেই সবুজদ্বীপের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করা হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত এই প্রকল্পের কাজে গতি আনতেই আমরা পরিদর্শনে এসেছি। সবুজদ্বীপের মনোরম পরিবেশ, গাছগাছালি ও রকমারি পাখির আনাগোনা সবাইকে মুগ্ধ করবে। কয়েক বছর বাদে এই জায়গা রাজ্যের পর্যটকদের একটি অন্যতম গন্তব্যস্থল হয়ে উঠবে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলছি।

অন্যদিকে সবুজদ্বীপের কাজ দেখে ফেরার সময় বেহাল রাস্তা দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের পথ আটকান সুখুরিয়া গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে প্রায় মিনিট ২০ আটকে পড়েন মন্ত্রীরা। পরে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বিধায়ক ওই রাস্তা সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়ে গিয়েছে ও এক মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশ্বাস দেওয়ার পর গ্রামবাসীরা শান্ত হয়।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশির দশকে বলাগড় ব্লকের সোমড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের আওতায় থাকা গঙ্গার মাঝে জেগে ওঠা চর সবুজদ্বীপে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়। প্রথমে চরটিতে সবুজায়নের পরিকল্পনা নেয় প্রশাসন। সেইমতো প্রাকৃতিক গাছগাছালির পাশাপাশি শাল, সেগুন, মেহগনির মতো মূল্যবান গাছ লাগায় বন দপ্তর। সবুজদ্বীপের লাগোয়া এলাকার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মৎস্যজীবী হওয়ায় তাঁদের কাছে ছোট নৌকা রয়েছে। তাঁরা শীতের সময় ওই দ্বীপে বনভোজন করতে আসা মানুষকে পারাপার করতেন। পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদের তরফে শীতের সময় চড়ুইভাতির জন্য লিজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর সবুজদ্বীপকে একটি আদর্শ পিকনিক স্পট হিসাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৫ সালের গোড়ার দিকে মুখ্যমন্ত্রী সবুজদ্বীপকে ইকো ট্যুরিজম পার্ক হিসাবে গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করে দেড়শো কোটি টাকা বরাদ্দ করেন। ঘোষণা অনুযায়ী সবুজ দ্বীপকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি রেস্তরাঁ ও কমপক্ষে ১০০টি পরিবারের রাতে থাকার মতো পরিকাঠামো গড়ে তোলা, আকর্ষণীয় ফোয়ারা, নদীপথে যাওয়ার জন্য তিনটি অস্থায়ী জেটি, রোপওয়ে তৈরির কথা বলা হয়। এছাড়াও পাশে খাস জমিতে বৃদ্ধাশ্রম ও গেস্ট হাউজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। প্রকল্পের শিলান্যাসের পরেই একটি সংস্থা কাজের বরাত পায়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই জেলা প্রশাসন তাদের তরফে রাস্তা, জমি ঘিরে দেওয়া, জল ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছে। তবে বরাত পাওয়া সংস্থাটির তরফে তিনটি জেটি ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোনও কিছুই করা হয়নি। দু’বছরেরও বেশি সময় কেটে যাওয়ার পরেও প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ সেভাবে না এগনোয় স্থানীয় বাসিন্দাদের মতোই কিছু দিন আগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়কও। তারপরেই এদিন পর্যটন তথা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, ডিরেক্টর রজত বোস, কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, জেলাশাসক সঞ্জয় বনশল, সদর মহকুমা শাসক সুদীপ্ত সরকার, জেলা পরিষদের সভাধিপতি মেহেবুব রহমান, বিধায়ক অসীম মাঝিসহ একগুচ্ছ প্রশাসনিক আধিকারিক সবুজদ্বীপে হাজির হন। গঙ্গার পাড় থেকে মেশিন চালিত নৌকায় করে তাঁরা সবুজদ্বীপে যান। ঘন্টাখানেক সময় কাটিয়ে ও বরাত পাওয়া সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁরা ফিরে আসেন।

প্রথম সফর, সূচনা আগামী সপ্তাহে
হাওড়া থেকে এবার অসংরক্ষিত ট্রেন অন্ত্যোদয় একপ্রেস ছুটবে এর্নাকুলাম

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: সুষ্ঠু চিকিৎসার জন্য ভেলোরসহ দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে যান এ রাজ্যের অনেক বাসিন্দাই। রেলকর্তারাও হামেশাই বলে থাকেন, নিশ্চিত আসনের জন্য শেষ মুহূর্তে গুচ্ছ গুচ্ছ আরজি আসে দক্ষিণ ভারতমুখী ট্রেনগুলির জন্য। ফলে আসনের চাহিদা সব সময়েই ঊর্ধ্বমুখী। সেই চাহিদা এবার কিছুটা হলেও মিটতে চলেছে সাপ্তাহিক অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসের অন্তর্ভুক্তিতে। রাজ্যবাসীর কাছে সুখবর, দেশে প্রথম অসংরক্ষিত শ্রেণির দূরপাল্লার অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গই। আগামী সপ্তাহেই হাওড়া-এর্নাকুলাম-হাওড়া রুটে অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা হবে বলে রেল সূত্রের খবর।

জানা গিয়েছে, ২০১৬-’১৭ সালের রেল বাজেটে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস চালানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু, কোন রুটে সেই ট্রেন চলবে বা তার ভাড়া কী হবে, তা নিয়ে সেই সময় কোনও কিছু ঘোষণা করা হয়নি। বিস্তর সমীক্ষার পর নয়া ট্রেনের রুটগুলি ঠিক করা হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এই ট্রেনের ভাড়া নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রেল বোর্ড। সেখানেই বলা হয়েছে, নয়া এই ট্রেনের ভাড়া হবে দূরপাল্লার ট্রেনের জেনারেল বগির ‘বেস ফেয়ার’-এর তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। তার সঙ্গে যুক্ত হবে ১৫ টাকার ‘সুপার ফাস্ট চার্জ’।

রেল মন্ত্রকের এক কর্তার কথায়, দূরপাল্লার ট্রেনের ‘জেনারেল বগি’র চাহিদা বাড়ছে তরতরিয়ে। ভিড় বাড়ছে অসংরক্ষিত কামরায়। তাই, বাজেটে ঘোষিত অসংরক্ষিত শ্রেণির দূরপাল্লার ট্রেন কোথায় কোথায় চালানো যেতে পারে, তা নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছিল। তারপরই মোট সাতটি রুট বাছাই করা হয়েছে। সেগুলি হল, হাওড়া-এর্নাকুলাম, বান্দ্রা-গোরক্ষপুর, বিলাসপুর-ফিরোজপুর, সাঁতরাগাছি-চেন্নাই, লোকমান্য তিলক-টাটানগর, দ্বারভাঙা-জলন্ধর এবং জয়নগর-উধনা অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস। প্রতিটি রুটেই দূরপাল্লার জেনারেল বগিতে ব্যাপক ভিড় হয়। তার মধ্যে হাওড়া-এর্নাকুলাম রুটেই দেশের প্রথম অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত পাকা হয়েছে। ট্রেনটি কাটপাডি স্টেশনে দাঁড়াবে। কাজেই ভেলোরে চিকিৎসার জন্য যাঁরা অল্প সময়ে আসনের জন্য মাথা খোঁড়েন, তাঁদের সুবিধা হবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, আগামী সোমবার এর্নাকুলামে ট্রেনটি উদ্বোধন হয়ে হাওড়ায় আসবে। আগামী শনিবার ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়বে। তারপর থেকেই ট্রেনটি প্রতি শনিবার নিয়মিত হাওড়া থেকে ছাড়বে টাইম টেবিল মেনে। ফিরতি ট্রেনটি এর্নাকুলাম থেকে ছাড়বে প্রতি মঙ্গলবার। অসংরক্ষিত বগির এই সাপ্তাহিক ট্রেনটিতে বিভিন্ন অত্যাধুনিক বৈশিষ্ট্যও থাকছে। ট্রেনটিতে মোট ২০টি বগি এবং দু’টি জেনারেটর কামরা থাকবে।

এনিয়ে রেল বোর্ডের সাম্প্রতিকতম বিজ্ঞপ্তি বলছে, নামে অসংরক্ষিত শ্রেণির হলেও আদতে সাধারণ দূরপাল্লার ট্রেনের জেনারেল বগির তুলনায় উন্নত পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। এই ট্রেনের জানলাগুলি হবে তুলনামূলকভাবে বড়। এছাড়াও একটি বগি থেকে অন্য বগিতে যাওয়ার জন্য থাকবে ভেস্টিবিউল ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, পরিশ্রুত পানীয় জল পাওয়ার ব্যবস্থাসহ যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের নানা আয়োজন। রেলের এক কর্তা বলেন, বায়ো টয়লেট, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, ডাস্টবিন, এলইডি আলো, উন্নতমানের আরামদায়ক সিট থাকবে এই ট্রেনে। ট্রেনটিকে রং করে ঝাঁ চকচকে করা হয়েছে।

ওই কর্তা বলেন, অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসের ভাড়া দূরপাল্লার ট্রেনের জেনারেল বগির বেস ফেয়ারের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি হবে। তার উপর যুক্ত হবে সুপারফাস্ট চার্জ। উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, কোনও রুটের জেনারেল বগির বেস ফেয়ার ৩৬৭ টাকা হলে ওই দূরত্বের জন্য অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসের ভাড়া হবে ৪২২ টাকা। তার সঙ্গে সুপারফাস্ট চার্জ বাবদ ১৫ টাকা যুক্ত হয়ে মোট ভাড়া হবে ৪৩৭ টাকা। এই ট্রেন চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট জোনগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে রেল বোর্ড।

অ্যাপ নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা নেই, জানিয়ে দিল রিলায়েন্স

নয়াদিল্লি, ২৫ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বাজারে জল্পনা ছড়িয়েছিল বহু দিন ধরেই। অবশেষে তা খারিজ করে দিল মুকেশ আম্বনির সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। জানিয়ে দিল, অ্যাপ নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবার মতো অসম্পর্কিত সেক্টরে পা বাড়ানোর লক্ষ্য তাদের নেই। গত অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের পর মুকেশের রিলায়েন্স জিও ইতিমধ্যে ১০ কোটির বেশি গ্রাহক করে নিয়েছে। আর তারপরেই জল্পনা ছড়ায়, খুব শীঘ্রই অ্যাপ ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা বাজারে আনছে তাঁর সংস্থা। সম্প্রতি এক অনলাইন সংস্থা জানায় প্রাথমিকভাবে ৬০০টি গাড়ি নিয়ে বাজারে নামছে মুকেশের রিলায়েন্স। কিন্তু, সেই দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়ে সংস্থার এক মুখপাত্র ট্যুইটারে জানিয়েছেন, রিপোর্টটি ভুল ও ভিত্তিহীন। কোনও অসম্পর্কিত সেক্টরে পা বাড়ানোর পরিকল্পনা সংস্থার নেই বলেও জানিয়েছেন রিলায়েন্সের আর এক আধিকারিক। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে অ্যাপ নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ‘উবের’-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধে রিলায়েন্স জিও। যেখানে ‘জিও মানি’ ওয়ালেট ব্যবহার করে উবেরের গ্রাহকরা গাড়ি চড়ার বিল মেটাতে পারবেন।

গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির খবর ভিত্তিহীন: হিরণ

বিএনএ, বারাকপুর: সমনপ্রাপ্তি বা তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে শনিবার দাবি করলেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। কল্যাণী মহকুমা আদালতে তিনি আগাম জামিন নিতে যাচ্ছেন— এমন সংবাদকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনও সমন নেই। গ্রেপ্তারি পরওয়ানাও নেই। ফলে আগাম জামিন নিতে যাওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। আসলে ২৭ ফেব্রুয়ারি আমার বিরুদ্ধে একটি মামলার শুনানি হওয়ার কথা। সেদিন আমি অন্য কাজে রাজ্যের বাইরে থাকব। তাই শুক্রবার আদালতে গিয়ে বিচারককে বিষয়টি জানিয়ে আসা হয়েছে। আমার হয়ে যে উকিল শুনানির দিন উপস্থিত থাকবেন, তাও জানিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি এদিন পালটা বলেন, একজন আমার বিরুদ্ধে টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। কিন্তু, সেটিও ভিত্তিহীন। সব টাকা বুঝে পেয়েছেন বলে তিনি আমাকে লিখিত জানিয়েছেন। তারপরেও কেন যে তিনি এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করলেন, তা জানি না। আমি একটি সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর। ওই সংস্থায় আরও ডিরেক্টর রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে তিনি কোনও অভিযোগ করেননি। যে কারণে এমন মনে করা হয়তো অন্যায় হবে না যে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এটা করা হয়েছে।

চিটফান্ড: ৩ থানার ওসিকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিটফান্ড সংস্থার একটি মামলায় আদালতের আদেশ না মানায় রাজ্য পুলিশের তিন থানার ওসিকে কোর্টে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। ওই নির্দেশের পরই অবশেষে ডায়মন্ডহারবার, সাগর ও খেজুরি থানার ওই পুলিশ আধিকারিরা চলতি সপ্তাহে ব্যাঙ্কশালের পঞ্চম বিশেষ আদালতের বিচারক দেবব্রত সিনহার এজলাসে হাজির হন। আদালত সূত্রের খবর, পরওয়ানা জারি হওয়া সত্ত্বেও কেন অভিযুক্ত ১২ জন চিটফান্ড কর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, তা নিয়ে আগামী ২৮ এপ্রিলের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেবির আইনজীবী যামিনীরঞ্জন ঘোষ শনিবার জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের ম঩ধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই চিটফান্ড সংস্থাটি সেবির আদেশ না মেনে ওই জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামের আমানতকারীদের কাছ থেকে ৫৬ কোটি টাকা তোলে। পরে সেবির তরফ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয় ওই ১২ জন কর্তার বিরুদ্ধে। কিন্তু অভিযুক্তরা আদালতের আদেশ না মানায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারক গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করেন। আর সেই পরওয়ানা কার্যকর করার জন্য ওই তিন থানার ওসিকে নির্দেশ দেয় আদালত। সেবির আইনজীবী জানান, আদালতের আদেশ না মানায় সম্প্রতি ওই তিন থানার ওসিকে সশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতের ওই কড়া নির্দেশের পরই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ওই তিন থানার পুলিশ আধিকারিকরা আদালতে হাজির হয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এবার ট্রেনের টিকিট কাটার সুবিধা ইউবিআই কার্ডেও

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রেলের টিকিট বিক্রির জন্য আইআরসিটিসি’র সঙ্গে চুক্তি করল ইউনাইটেড ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। এর ফলে এখন থেকে এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গ্রাহকরা তাঁদের ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আইআরসিটিসি’র ওয়েবসাইট থেকে সহজে টিকিট কাটতে পারবেন। সম্প্রতি এই প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও পবন বাজাজ। তিনি বলেন, ইউবিআই দেশের ১৪তম ব্যাংক, এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির মধ্যে ১০তম ব্যাংক, যারা রেলের টিকিট কাটার বিষয়ে সুবিধা দিচ্ছে গ্রাহকদের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর অশোককুমার প্রধানসহ অন্যান্য কর্তারা।

দোলে আরও ৩টি বিশেষ ট্রেন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দোল উৎসবের অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে তিনটি বিশেষ ট্রেন চালাবে এনএফ রেলওয়ে। তারা জানিয়েছে, ট্রেনগুলি কামাখ্যা-আনন্দবিহার, কাটিহার-জলন্ধর সিটি এবং গুয়াহাটি-গোরক্ষপুর স্টেশনের মধ্যে যাওয়া-আসা করবে। আনন্দবিহারগামী ট্রেনগুলি কামাখ্যা থেকে ছাড়বে আগামী ৮ এবং ১৫ মার্চ। ফিরতি পথে ট্রেনগুলি আনন্দবিহার থেকে ছাড়বে ১০ এবং ১৭ মার্চ। জলন্ধর সিটিগামী ট্রেনগুলি কাটিহার থেকে ছাড়বে আগামী ৯ এবং ১৬ মার্চ। ফিরতি ট্রেনগুলি ছাড়বে ১১ এবং ১৮ মার্চ। গোরক্ষপুরগামী ট্রেনগুলি গুয়াহাটি থেকে ছাড়বে আগামী ১০ এবং ১৭ মার্চ। ফিরতি ট্রেনগুলি ছাড়বে আগামী ১১ এবং ১৮ মার্চ।

শহরে টাটার মালবাহী ছোট গাড়ি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় মালবাহী ছোট বা঩ণিজ্যিক গাড়ি ‘জেনন যোধা’ আনল টাটা। সংস্থার দাবি, তারা ৪×৪ এবং ৪×২ অপশনে এই গাড়ি বাজারে এনেছে, যেখানে সিঙ্গল এবং ডাবল ক্যাব সুবিধা আছে। এতে ১ হাজার ২৫০ কেজি পর্যন্ত পণ্য পরিবহণ করা যাবে বলে দাবি টাটা মোটর্সের। থাকছে অত্যাধুনিক ইঞ্জিন, ২১০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সসহ একগুচ্ছ পরিষেবা। আছে তিন বছর বা তিন লক্ষ কিলোমিটার (যেটি কম) পর্যন্ত ওয়ারেন্টি। সিঙ্গল ক্যাবের দাম শুরু ৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা থেকে।

 




 

?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta