কলকাতা, মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০১৭, ১৪ চৈত্র ১৪২৩

 

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন

বাসযোগ্য পৃথিবী
গড়ার কাজে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও


গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ক্লাইমেট চেঞ্জ। শব্দগুলো এখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। কিন্তু এর গুরুত্ব ক’জন বোঝেন? ক’জন হিসেব রাখেন এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ফলে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক ক্ষতির পরিমাণের? মহাবিশ্বে এখন মরশুমগুলো সব এলোমেলো। চিরবসন্তের দেশে তাই ঘনিয়ে উঠছে বর্ষার কালো মেঘ। আবার বরফের রাজ্য হঠাৎ গলে জল। বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের এই প্রচণ্ড প্রভাব নিয়ে পরিবেশবিদরা রীতিমতো আতঙ্কিত। গবেষণা শুরু হয়েছে তা আটকানোর জন্য। আর এই নিয়েই শিল্পমহল সরগরম। ঘটনার গুরুত্ব সর্বসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আগ্রহী তারাও। মুখপাত্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে হলিউডের নায়ক লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে। পৃথিবীর দেশে দেশে ঘুরে সবার সঙ্গে কথা বলেছেন ডিক্যাপ্রিও। অস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘রেভন্যান্ট’-এর শ্যুটিং করতে গিয়েই পরিস্থিতিটা ভাবাতে শুরু করে তাঁকে। এই নিয়ে তথ্যচিত্র করতে আগ্রহ জাগে তাঁর। কথা বলেন তিনি ইউনাইটেড নেশনস-এর কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে। তারপর শুরু হয় কাজ। তথ্যচিত্র ‘বিফোর দ্য ফ্লাড’ তৈরির জন্য দেশ থেকে দেশান্তরে পাড়ি দিয়েছেন ডিক্যাপ্রিও। এসেছিলেন আমাদের দেশেও। দিল্লি, মুম্বই, এমনকি পাঞ্জাবে শ্যুটিং করে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু নিঃশব্দে। মিডিয়াকে খবর দেওয়া হয়নি। ছবিটি তৈরি হওয়ার পর অবশ্য তার স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের জন্য বিভিন্ন দেশের মিডিয়ার কাছে পৌঁছেছেন ডিক্যাপ্রিও নিজেই। ১৮ মার্চ কলকাতায় আয়োজিত হল ‘বিফোর দ্য ফ্লাড’ ছবির স্ক্রিনিং।


শুরুর দিকে
শুরুটা হয়েছিল নিউ ইয়র্ক থেকে, ২০১৪ সালে। অনুষ্ঠানটি ছিল ক্লাইমেট লিডারস সামিট। সেখানেই ‘ইউ এন মেসেঞ্জার অফ পিস ফর দ্য ক্লাইমেট’ হিসেবে লিওনার্দোর নাম প্রস্তাব করেন বিশেষজ্ঞের দল। প্রস্তাবে রাজি হয়ে ডিক্যাপ্রিও ইউ এন সেক্রেটারি জেনারেল বান কি মুনের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। আবহাওয়ার পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। নিউ ইয়র্ক থেকেই শুরু হয় জার্নিটা। তারপর একে একে পাহাড়, সুমদ্র, জঙ্গল পেরিয়ে চলে বিশ্লেষণ। আর সেই বিশ্লেষণকেই ক্যামেরাবন্দি করে তৈরি হয় ‘বিফোর দ্য ফ্লাড’ তথ্যচিত্র।

গন্তব্য টার স্যান্ড
কানাডার অয়েল স্যান্ডস গ্লোবাল ওয়ার্মিয়ের অন্যতম কারণ। কানাডার অ্যালবার্টা অঞ্চলে আর্টিফিশিয়াল সানকোর এনার্জিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয় গ্যালন গ্যালন সিন্থেটিক ক্রুড অয়েল। এই পদ্ধতির ফলে প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস তৈরি হয় যা আমাদের বসবাসের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। টার স্যান্ডস-এর অন্যতম প্রধান মার্ক মেগ্যুয়ে সঙ্গে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আলোচনায় বসেন ও এই গ্রিনহাউস গ্যাস কতটা কমানো যায় তা স্থির করার উপায় খুঁজে বার করতে চান। মার্কের মতে এর জন্য দায়ী ফসিল ফুয়েলের প্রতি আমাদের অতিরিক্ত নির্ভরতা।

গ্লেসিয়ার গলে বিপদ
এবার ডিক্যাপ্রিও চলেছেন আর্কটিক সার্কেল। উত্তর মেরুর আইস ক্যাপ নাকি গলে যেতে বসেছে এই গ্লোবাল ওয়ার্মিয়ের কারণে। গ্রিনল্যান্ডের আইস জোন নাকি ইতিমধ্যেই গলতে শুরু করেছে। ক্লাইমেটোলজিস্ট জেসন বক্সের সঙ্গে ডিক্যাপ্রিওর আলোচনার মাধ্যমে উঠে এসেছে কীভাবে গ্রিনল্যান্ডে জমে থাকা ৩০ ফুট বরফ মাত্র দুই দশকে গলে গিয়েছে। এর ফলে সি-লেভেল অস্বাভাবিকভাবে উঠে এসেছে। তাঁর মতে আর্কটিক সার্কেল গোটা পৃথিবীর ন্যাচারাল এসি। এই পর্যায় যদি বরফ গলে যায় তাহলে বন্যা আর খরা দুই-ই প্রচণ্ড আকার ধারণ করবে। পৃথিবী বাসের অযোগ্য হয়ে উঠবে। ফ্লোরিডার মতো কিছু জায়গা আছে যেগুলো রোদ ঝলমলে। এখানে খুব একটা এক্সট্রিম ক্লাইমেট চোখ পড়ে না। কিন্তু মারাত্মকভাবে সমুদ্রের জল বাড়তে থাকায় এইসব অঞ্চল সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মায়ামি বিচ বা ফ্লোরিডার মতো শহর ধুয়ে মুছে যাবে চোখের নিমেষে। এই বিপদ আটকানোর জন্য সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলে ইতিমধ্যেই বাঁধের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

অসুবিধায় ভারতও
এবার চীনে এলেন ডিক্যাপ্রিও। সেখানে এনভায়রনমেন্টাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মা জুংয়ের সঙ্গে কথা বললেন তিনি। মা জুংয়ের মতে চীন বিশ্বের কারখানা। এখানে তাই দূষণের মাত্রা সব থেকে বেশি। আকাশও এখানে সবসময়ই ধোঁয়াশায় ভরা। লোকে বাইরে বেরতে হলে মুখে মাস্ক পরেন। এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে চীনে সৌরশক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। কয়লার বদলে এনার্জির জন্য সূর্যের আলোর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে চীন। ভারতে এসে দিল্লি শহরে যান লিওনার্দো। দিল্লি শহরেই কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস নির্গমন সবচেয়ে বেশি বলে দাবি করেছে ইউ এন পরিবেশবিদরা। দিল্লিতে ‘সেন্টার অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ’র প্রধান সুনীতা নারায়ণের সঙ্গে কথা বলেন ডিক্যাপ্রিও। বিদ্যুতের চাহিদাই এখন ভারতের সবথেকে বড় সমস্যা। আমাদের জনসংখ্যা কমানোর দিকে নজর দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিস্তিতি উন্নতির জন্য অবশ্য এইমুহূর্তে ভারতকে কয়লার উপরই নির্ভর করতে হবে বলে মনে করছে আমেরিকা।
এছাড়াও ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, আর্জেন্টিনা, ইউটা, ফ্রান্স সহ পৃথিবীর নানা প্রান্তে পাড়ি দিয়েছেন লিওনার্দো। উদ্দেশ্য বিশ্ব উষ্ণায়ন আটকানো ও পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলা। তাঁর সঙ্গে এই জার্নিতে আপনারাও যদি শামিল হতে চান তাহলে ‘বিফোর দ্য ফ্লাড’ তথ্যচিত্রটা দেখুন ও দেখান। আমাদের পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। আসুন আমরা সবাই মিলে এই পৃথিবীকে সুন্দর ও উন্নততর করার কাজে হাত লাগাই।

কমলিনী চক্রবর্তী 

 

এক যে আছে কন্যা

রাধিকা আপ্তে। হিন্দির পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতেও ছবি করেছেন তিনি।
এক সময় তাঁকে নিয়ে বিতর্কের শেষ ছিল না। পাশের বাড়ির মেয়ে হিসেবে একটা
অন্যরকম অ্যাপিল তাঁর চেহারায়। অনেকের মতে সেটাই তাঁর ইউএসপি।

দেখতে তো তিনি মন্দ ননই, গড়নখানাও অনেকটা পুতুল পুতল। তিনি রাধিকা আপ্তে। বলিউডের এই ৩১ বছরের কন্যা শুধু হিন্দি নয়, বাংলা, মারাঠি, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, ইংরেজি সহ একাধিক ভাষার ছবিতে পরিচিত মুখ। অতলস্পর্শী দু’টি চোখ, ঠোঁটে হালকা হাসি, এলোমেলো বিক্ষিপ্ত বিদ্রোহী চুল, অনেকটাই যেন পাশের বাড়ির মেয়ে। রাধিকা আপ্তের এই রূপই তাঁর ইউএসপি। এর ফলে যেকোনও চরিত্রেই তাকে মানিয়ে যায়।
এই সাধাসিধে মেয়েটিকে নিয়ে গত বছর বিতর্কের অন্ত ছিল না। ছবির নাম ছিল ‘পার্চড’। ছবিতে রাধিকার সাহসী দৃশ্য এবং একটি এমএমএসকে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়। যাই হোক, বলিউডের এই কন্যা এইসব বিতর্কে জড়ান না। নিজের কাজ নিয়েই তিনি ব্যস্ত থাকেন। অভিনয়ের শুরু ২০০৫ সালের ‘বাহ! লাইফ হো তো অ্যাসি!’ ছবি দিয়ে। একদমই চলেনি। তাই সেভাবে নজরেও পড়েননি রাধিকা।
রাধিকার অভিনয়ের হাতেখড়ি নাটক থেকে। আজও সাক্ষাৎকারে রাধিকা বলেন, মঞ্চ হল তাঁর প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা। এই মঞ্চেই তাঁকে প্রথম অভিনয় করতে দেখেছিলেন অভিনেতা রাহুল বোস। ‘বম্বে ব্ল্যাক’ নামের একটি নাটকে তাঁর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন রাহুল। বাংলা ছবি ‘অন্তহীন’-এর জন্য পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরির কাছে রাধিকার হয়ে সুপারিশ করেন তিনি। ‘অন্তহীন’-এ রাহুল বোস, শর্মিলা ঠাকুর, অপর্ণা সেন অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে রাধিকার অভিনীত চরিত্রের নাম ছিল বৃন্দা রাই মেনন। এক টিভি সাংবাদিক। এই ছবির পর সিনেমাজগৎ নতুন করে আবিষ্কার করল রাধিকা আপ্তেকে। সমালোচকদের মতে, রাধিকার চোখ যেন কথা বলে। সেই শব্দের জালে হারিয়ে যাওয়া যায়। ২০০৯ সালে রাধিকার প্রথম মারাঠি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। কেবিসি প্রোডাকশনের ‘ঘো মালা আসলা হাভা’। গ্রাম্য মেয়ে সাবিত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে ফের প্রচুর প্রশংসা অর্জন করেন রাধিকা। অভিনয়ের প্রশংসা হলেও সুযোগ তেমনভাবে আসছিল না। বিশেষ করে হিন্দি ছবিতে।
সুযোগ এল ২০১০ সালে। রামগোপাল ভার্মার ‘রক্ত চরিত্র’ ছবিতে বিবেক ওবেরয়ের স্ত্রীর ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করেন রাধিকা। পরে ‘রক্ত চরিত্র’র সিক্যুয়েলেও কাজ করেন। রাধিকা বরাবরই বলেন, তিনি নায়িকা নয়, অভিনেত্রী হতে চান। এই অভিনয়ের প্যাশন থেকেই একতা কাপুরের ‘আই অ্যাম’ এবং ‘শোর ইন দ্য সিটি’ ছবিতে সহ অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন। ভালো চরিত্র সবসময়ই তাঁকে টানে।
২০১৩ সালে ফের তাঁকে দেখা গেল বাংলা ছবিতে। ‘রূপকথা নয়’। এই ছবিতে কাজ করে আপ্লুত রাধিকা। তিনি বলেন, আমার অভিনীত চরিত্রের নাম ছিল সানন্দা। একজন আইটি ইঞ্জিনিয়ার। একটি তিন বছরের শিশুর সিঙ্গল মাদার। অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং চরিত্র। সানন্দার একটি ভয়াবহ অতীত ছিল। যা তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। এরপর ‘পেন্ডুলাম’, ‘হান্টার’, ‘হারাম’, ‘মাঝি-দ্য মাউনটেন ম্যান’, ‘কৌন কিতনে পানি মে’, ‘বদলাপুর’ এবং রজনীকান্তের বিপরীতে ‘কাবালি’। একাধিক শর্ট ফিল্মেও কাজ করেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ‘দরমিয়াঁ’, ‘বক্রতুণ্ড স্বহা’, অনুরাগ কাশ্যপের ‘ইভ টিজিং’, ‘দ্য ডে আফটার এভরিডে’ এবং সুজয় ঘোষের বাংলা শর্ট ফিল্ম ‘অহল্যা’।
সিনেমার মতোই রাধিকার ব্যক্তিগত জীবনও একটু অন্যরকম। ২০১২ সালে তিনি বিয়ে করেন ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী বেনেডিক্ট টেলরকে। মাত্র এক বছরের আলাপ। দেখা হয়েছিল লন্ডনেই। একটি নাচের ক্লাসে। দেখামাত্রই প্রেম নয়। বেশ কিছুদিন সম্পর্ককে সময় দিয়েছিলেন রাধিকা। একবছর পর ঠিক করেন আগে লিভ-ইন করবেন। ভালো লাগলে পরে বিয়ে। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। বেশ কয়েক মাস একসঙ্গে বসবাস করার পর রেজিস্ট্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। এমনই একটি মার্চ মাসে বিয়ের রেজিস্ট্রি খাতায় সই করেন রাধিকা। সেই থেকে নিজের মতোই এগিয়ে চলেছেন বলিউডের এই সম্ভাবনাময় নায়িকা।

শাম্ব মণ্ডল 

গত মাসে সেন্সর বোর্ড ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’ ছবিটিকে আটকে দেওয়ার পর কম জলঘোলা হয়নি। বেঁকে বসেছিল বলিউড। প্রত্যেকেই ছবির সমর্থনে সাধ্যমতো প্রচার করেছেন। প্রশ্ন উঠেছিল শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বাক স্বাধীনতা’ আর কবে মর্যাদা পাবে? সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সেই প্রতিবাদ অবশ্য এখনও চলছে।
তবে আপাতত দেশের সেন্সর বোর্ডকেই লজ্জায় ফেলে দিল পরিচালক অলংকৃতা শ্রীবাস্তবের ছবিটি। কীভাবে? মুম্বই, গ্লাসগো, টোকিও চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মানিত হওয়ার পর সামনের মাসে আরও দুটো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রথম দিনে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ছবিটি। ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ লস অ্যাঞ্জেলস। ওপেনিং নাইট গালা বিভাগে দেখানো হবে ছবিটি। আর সেই দিন পরিচালক নিজে উপস্থিত থাকবেন বলেই খবর। অন্যদিকে ৩০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে নিউ ইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। সেখানেও স্বমহিমায় হাজির ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’।
প্রযোজক প্রকাশ ঝা আগেই জানিয়েছিলেন যে এইভাবে ক্রমাগত ছবির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলে নতুন পরিচালকরা ভবিষ্যতে ছবি বানাতে ভয় পাবেন। অলংকৃতার কথায় ‘এই ধরনের ছবিকে আটকে দেওয়ার অর্থ পরোক্ষে নারী স্বাধীনতাকেই অপমান করা’। বারংবার আবেদন সত্ত্বেও সেন্সর বোর্ড নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। একের পর এক স্বীকৃতি পহলাজ নিহালনিদের চিন্তাভাবনাকে পালটাতে পারে কি না সেটাই এবার দেখার।

অভিনন্দন দত্ত

অ্যাবসেন্ট স্যার

২৪ মার্চ, ২০১৭। শুক্রবার। রাত আটটা। শুরু হল এইচ টি অ্যাওয়ার্ডস। বলিউডের ফ্যাশন ফিয়েস্তাও বলতে পারেন। আর এই সম্মানজনক অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য উদগ্রীব গোটা ফিল্মিস্তান। হলিউডের বলিউড কন্যা দীপিকা পাড়ুকোনও উড়ে এসেছেন এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে। কালো গাউন পরে তিনি অনন্য। তবু আশ্চর্যজনকভাবে একজন অনুপস্থিত। তিনি রণবীর সিং। সে কি! আজ্ঞে তাজ্জব ব্যাপারই বটে। কিন্তু কেন এই অনুপস্থিতি? কেনই বা রণবীর দীপিকাকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে না? অনেকেই বলছেন দীপিকার নাকি হলিউডে মন মজেছে। বলিউডি হিরোতে আর মন নেই তাঁর। সত্যিই কি তাই? ফিল্মি গসিপ কিন্তু অন্য কথা বলছে। ‘পদ্মাবতী’ রিলিজের আগে দীপ-বীর একত্রে পাবলিক অ্যা঩পিয়ারেন্স দিতে পারবেন না। পরিচালকের বারণ আছে। তাই বলে এইচ টি অ্যাওয়ার্ডেও অনুপস্থিত? রণবীর অবশ্য এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। আর দীপিকা? রণবীর সংক্রান্ত যে কোনও প্রশ্নেই একটা দুষ্টু হাসি দিয়েছেন শুধু।

বিবিবাবু  



?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta