ভোটে নায়ক ফের কেন্দ্রীয় বাহিনী

জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, আগেভাগে ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন, সশস্ত্র হামলা, বহিরাগত দুষ্কৃতী সমাবেশ— বাংলার ভোটের এই পরিচিত উপসর্গের সবকিছুই মজুত ছিল। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘সক্রিয়তায়’ কিন্তু নির্বিঘ্নেই মিটল রাজ্য বিধানসভার তিন জেলার ৫৩টি আসনের ষষ্ঠ দিনের ভোটগ্রহণ পর্ব। দিনের একমাত্র হিংসার ঘটনা, গুলি চালানোর অভিযোগ এসেছে বারুইপুর থেকে। কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যুগলবন্দিতে ভোট লুট যেমন রোখা গিয়েছে, তেমনই আগের জমানার দুষ্কৃতী দাপট শনিবারের এই ভোটে অনেকটাই স্তিমিত। শাসক দল যাদের বিরুদ্ধে ‘অতিসক্রিয়তার সন্ত্রাস’-এর অভিযোগ এনেছে, সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীতেই আস্থা রেখেছে বিরোধীরা। তবে বেলা বাড়তেই বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের বুথে বুথে ছাপ্পার অভিযোগ এসেছে বিরোধী শিবির থেকে। অবশ্য কমিশন ও পুলিশের ভূমিকাতেও তারা সন্তুষ্ট। শেষবেলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে পড়ে এক ব্যক্তি মারা যান। বিশদ

আরাবুল আগে ছিল ফ্যাক্টর, এখন হয়েছে ট্রাক্টর: রেজ্জাক

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাঙড়: প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম প্রার্থী রশিদ গাজি নয়, শনিবার সারাদিন ধরে তাঁরই নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান আরাবুল ইসলামের অদৃশ্য ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে হল ‘চাষার ব্যাটা’ রেজ্জাক মোল্লাকে। কখনও কখনও মানসিক ধকল সইতে না পারায় রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তাঁর কথাবার্তার মধ্যে। সে সময় আরাবুলকেও একহাত নিতেও ছাড়েননি। বলেছেন, চেয়ারম্যান তাঁর জায়গাতে আছেন। তাতে আমার কী? কারণ, আগে আরাবুল ফ্যাক্টর ছিলেন। এখন তা নয়। তিনি এখন স্রেফ ট্রাক্টর। ফল বেরলে দেখে নেবেন চাষার এই ব্যাটাই জয়ী হয়েছে।বিশদ

 আরামবাগ ও খানাকুলের প্রায় ২৫০ বুথে এজেন্টই দিতে পারল না সিপিএম

দীপ্তিপ্রকাশ দে, আরামবাগ, বিএনএ: মুখে প্রতিরোধের ডাক দিলেও দুর্বল সংগঠন নিয়ে ভোটে নেমে একদা লালদুর্গ আরামবাগে কার্যত নাস্তানাবুদ হতে হল সিপিএমকে। প্রতিরোধ তো দূর অস্ত, আরামবাগের ২৯০টি বুথের মধ্যে প্রায় ১০০টিতে এজেন্টই দিতে পারল না তারা। এমনকী ভোটের দিন তেমনভাবে সাহায্য পেল না জোট শরিক কংগ্রেসেরও। ফল যা হওয়ার তাই হল। দিনভর দাপিয়ে ভোট করিয়ে শাসক দল বুঝিয়ে দিল আরামবাগ আছে আরামবাগেই। এখানে সংগঠন যার, ভোট তার। বিশদ

আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ ঘরের মধ্যেই কাটালেন, দিনভর দৌড়ে বেড়ালেন বউদি

দেবাঞ্জন দাস, কলকাতা: রাজ্যের সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্র ভবানীপুরে শনিবার নির্বাচনের দিনও ‘ঘরের মেয়ে’ ইস্যুটাই চর্চিত হল কার্যত গোটা দিন ধরে। কমিশনের পুনর্বিন্যাসে ২০১১ সাল থেকে নির্বাচন মানচিত্রে জায়গা করেছে নতুন কেন্দ্র ভবানীপুর। এহেন নতুন কেন্দ্র ‘নজরকাড়া’ হয়েছে ২০১১ সালের উপনির্বাচনে ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকে। সেবার প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৭৭ শতাংশ মমতার ভোট বাক্সে ঢেলে দিয়েছিল ভবানীপুর। এহেন কেন্দ্রে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী হয়ে সেই ‘ঘরের মেয়ে’ অ্যাজেন্ডাকেই প্রচারে সামনে এনেছিলেন দীপা দাশমুন্সি।  বিশদ

দক্ষিণ কলকাতা ও শহরতলি
ভোট না বন্ধ বোঝার উপায় নেই, শুনশান মাল্টিপ্লেকস, মল

 শান্তনু দত্তগুপ্ত, কলকাতা: ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতরের পথ ধরে অ্যাক্রোপলিস মলের দিকে যেতেই একটু থমকে যেতে হল। রাস্তা আটকে ইট পেতে চলছে ক্রিকেট খেলা। বোঝা দায়, এ কি সত্যিই ভোটের দিন? নাকি বন্ধ! শুধু এই কসবা এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকা নয়, শনিবার গোটা দক্ষিণ কলকাতা ও শহরতলির চেহারাই ছিল এমন। দিনের শুরুতে গড়িয়া ডিপো থেকে কিছু সরকারি বাস বেরতে যাও বা দেখা গিয়েছিল, বেলা বাড়তেই রাস্তা ফাঁকা। যতটুকু ভিড় প্রায় সবটাই বুথ চত্বরে। ‘সাতসকালে ভোট দিন’ তত্ত্ব মেনে এবার বুথের দরজা খোলার আগে থেকেই ভোটারদের লাইন প্রায় সর্বত্রই ছিল চোখে পড়ার মতো।বিশদ

দিনভর দৌড়ে বেড়ালেন অম্বিকেশ, ‘বন্ধু’ বামেদের সেভাবে দেখাই গেল না

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কখনও একের পর এক অভিযোগ করছেন। কখনও আবার এক বুথ থেকে অন্য বুথ ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। তার মধ্যেই তাঁর এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে কি না, তারও খবর নিচ্ছেন। শনিবার বেহালা পূর্ব কেন্দ্রের নির্বাচনে সারাদিন এভাবেই কাটালেন বাম সমর্থিত নির্দল প্রার্থী অম্বিকেশ মহাপাত্র। একাধিক বুথে তাঁর এজেন্টকে বসতে না দেওয়া থেকে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা— এসব নিয়ে সরব হয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই প্রার্থী।বিশদ

সিন্ডিকেটের মতো বন্দরের বাহুবলীদেরও কার্যত ‘গৃহবন্দি’ করে রাখল বাহিনী

রাহুল দত্ত,বন্দর ও মেটিয়াবুরুজ: শনিবারের ভোটে ২৫ এপ্রিলের অনেকটাই প্রতিফলন দেখা গেল বন্দর, মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ এলাকায়। রাস্তা থেকে পাড়া, ভোট কেন্দ্র থেকে বুথ, কোথাও মাছি গলারও সুযোগ দেয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং লালবাজার। ফলে এদিন কার্যত ‘গৃহবন্দি’ হয়ে বা এলাকা ছাড়া হয়ে কাটাতে হল বহু বাহুবলীকেই।  এখানকার বাহুবলীদের মাধ্যমে ভোট করানোর রেওয়াজ সেই বাম আমল থেকেই চলে আসছে।বিশদ

ভোটের ভবানীপুরে খাঁ খাঁ পিজি
‘জখম বাঘ’ মদনের ধারেকাছে ঘেঁষতে দিল না ২০ জন পুলিশ, ক্ষিপ্ত ছেলে বলছেন, বাবা কি ওসামা বিন লাদেন?

 বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: এরকম খাঁ খাঁ পিজি হাসপাতাল রবিবার কেন, সরকারি ছুটির দিনেও দেখা যায় না। একদিকে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের ছেলেরা ক্রিকেট খেলছেন। সুপার অফিসের সামনের বাগানে অলসভাবে গা এলিয়ে ফোন করছেন রোগীর বাড়ির লোকজন। সুপার অফিসের গেটে তালা। ভিতরে দু’-একজন কর্তা বসে আছেন। নেই রোগীর বাড়ির লোকজনের ফ্রি করানোর ভিড়। নেই ‘অনুরোধের আসর’ নিয়ে আসা দূর-দূরান্তের রোগীদের আত্মীয়স্বজনের শুকনো মুখে বসে থাকা।বিশদ

সৌর বলয় ঘিরে উৎসাহ তুঙ্গে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেলার দিকে আচমকা চোখ গেল আকাশে। আরে সূর্যের চারপাশে রামধনুর মতো একটা বলয় দেখা যাচ্ছে না? এটা কী? সকলেই এরকম ঘটনা দেখে বেশ হতবাক। যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। পজিশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের ডিরেক্টর সঞ্জীব সেন বলেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে সিরাস বা সিরোস্টেটাস মেঘ থাকে। সেটা যখন ভেঙে যায়, তখন বায়ুমণ্ডলে বরফের টুকরো ভেসে বেড়ায়। এগুলি আকাশে নির্দিষ্টভাবে সজ্জিত থাকা অবস্থায়, তার উপর যদি সূর্যের আলো পড়ে, তাহলে প্রতিসরণ ঘটে। প্রতিসৃত সেই সূর্যের আলো সাতটি রঙে ভেঙে যায়। ঠিক যেরকম রামধনুর ক্ষেত্রে ঘটে। এই ঘটনার ফলে সূর্যের চারদিকে গোলাকার আলোকবৃত্ত তৈরি হয়। শুধু দিনে নয়, রাতে চাঁদের পাশেও এরকম আলোর বলয় দেখা যেতে পারে। একে বৈজ্ঞানিক ভাষায় সৌরবলয় বা সোলার হ্যালো বলা হয়। সাধারণ এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে মাঝেমধ্যেই এই দৃশ্য আকাশে দেখা যায়।

আজকের দিনটি শ্রীমতি শুভ্রা ভট্টাচার্য

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

জাতকের জন্য দিনটি শুভ। সুখবর আসতে পারে। পরিবারে খুশির আমেজ। কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ। বিশদ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.০৬ টাকা ৬৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫৮ টাকা ৯৬.৪০ টাকা
ইউরো ৭৬.৬২ টাকা ৭৪.৭৮ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০, ৭৫৫
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯, ১৮০
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯, ৬২০
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১, ৯০০
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪২, ০০০

আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস
১৯১৩: অভিনেতা বলরাজ সাহানির জন্ম
১৯১৯: সংগীতশিল্পী মান্না দে’র জন্ম
১৯৮৮: অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মার জন্ম

বিশেষ নিবন্ধ

মমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি

১৯৬৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সিপিএম বামপন্থার শক্তিতেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতি করেছে দাপিয়ে। এবার মমতার উত্তাপে সিপিএম নিজেরাই মার্কসবাদ আর লেনিনবাদকে একটি বাসি অকেজো তত্ত্ব হিসাবেই প্রতিষ্ঠা দিয়ে দিল নিজেদের ইতিহাসেই। মমতা সিপিএমের মতো একটি তাত্ত্বিক দলকে বাধ্য করালেন তাঁকেই অনুসরণ .........

কিছু নির্বাচনী ক্ষেত্রে হিন্দু আবেগ কাজ করছে

 এবারের নির্বাচনী বিশ্লেষণে বা নির্বাচনী সংবাদ পরিবেশনে কোনও সংবাদ মাধ্যমই সেভাবে এই হিন্দু আবেগের কথা বলেনি। প্রত্যেকেই মূল নির্বাচনী যুদ্ধটা সীমাবদ্ধ রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস-সিপিএম জোটের ভিতর। হিন্দুদের দল হিসাবে পরিচিত বিজেপি নির্বাচনে খুব উল্লেখযোগ্য কোনও সাফল্য দেখাতে পারবে—তেমন .........

ভোটের শেষ দুই দফায় ‘সল্টলেকের শান্তি’ বজায় রাখতে পারবে কমিশন

প্রশ্ন হল, ভোটের শেষ দুই দফায় সল্টলেকের ‘শান্তি’ বজায় রাখতে পারবে কমিশন? রক্তপাতহীন ঝামেলা-ঝঞ্ঝাটবিহীন হয়ে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ ও সপ্তম দফা কি ভোট কমিশনের শক্তি ও সাফল্যের সল্টলেক-বিজ্ঞাপনটাকে ফের একবার আর একটু বড় করে তুলে ধরতে পারবে!......

বাম-কংগ্রেসের এই জোটের ভবিষ্যৎ কী?

 এবারের নির্বাচনে রাস্তার মোড়ে মোড়ে সততার প্রতীকের তেমন কোনও বিজ্ঞাপন আর দেখা যাচ্ছে না। দলতন্ত্রের করাল গ্রাস থেকে গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য যে ‘পরিবর্তন’-এর স্লোগান একসময় উঠেছিল স্বৈরতন্ত্রের বজ্র আঁটুনিতে সেই স্লোগানের এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। একমেবাদ্বিতীয়মের অবিরাম বন্দনা চলছে সরকারি ও .........

ছবি সংবাদ

 

দিন পঞ্জিকা

১৮ বৈশাখ, ১ মে, রবিবার, নবমী রাত্রি ৭/২৩, ধনিষ্ঠানক্ষত্র রাত্রি ৯/২২, সূ উ ৫/৭/৫৮, অ ৫/৫৯/২৯, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/২৬, রাত্রি ৭/২৮-৮/৫৭, বারবেলা ৯/৫৮-১/১০, কালরাত্রি ১২/৫৭-২/২১।
আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস
 
 ১৮ বৈশাখ, ১ মে, রবিবার, নবমী ২/১৪/২১, ধনিষ্ঠানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৪৬/৬, সূ উ ৫/৭/২৮, অ ৫/৫৯/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮/৫৩, ১০/১৬/৩-১২/৫০/৩৯, রাত্রি ৬/৪৪/২১-৮/৫৭/৪৪, ১১/১১/৬-২/৮/৫১, বারবেলা ৯/৫৬/৫৮-১১/৩৩/২৮, কালবেলা ১১/৩৩/২৮-১/৯/৫৮, কালরাত্রি ১২/৫৬/৫৮-২/২০/২৮।
আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস

২৩ রজব
আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস

ই-পেপার